মমতাকে নজিরবিহীন আক্রমণ দিলীপের,’মানুষের দুর্দশায় ওনার ছবি হয়’

|

রানার প্রতিবেদন : মানুষের দুর্দশা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নয় তৃণমূল সরকার। প্রতিবছর বন্যা আসে বিপর্যয়ের কবলে পড়ে রাজ্যের সাধারণ মানুষ। সরকার ১০ বছর ধরেই সমস্যা নিয়ে উদাসীন। এই অভিযোগ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের । আজ দিল্লি থেকে ফিরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই তিনি বলেন, প্রতিবছর বন্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জলে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবেন, তার ছবি তোলা হয়ে গেলে তিনি ফিরে চলে যান।

মানুষের দুর্দশা হলে উনি ছবি তোলার সুযোগ পান। এই তীর্যক মন্তব্য করে, দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, কপালেশ্বর নদী সংস্কারের জন্য মানস ভুঁইয়া নিজে সেচ মন্ত্রী থাকাকালীন কেন্দ্রের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এসেছিলেন। সেই টাকা কোথায় গেল? কেন কপালেশ্বরি নদীর সংস্কার হলো না? তার জবাব মানুষ ভূঁইয়াকে দিতে হবে। তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আসছে, কোথায় খরচ হচ্ছে, কিভাবে খরচ হচ্ছে, কোন হিসেব নেই।

শুধু বন্যায় মানুষ তলিয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকারের হাহুতাশ সামনে আসে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়। অথচ ডিভিসি কোনওদিন একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে জল ছাড়ে না। তারা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়, কত কিউসেক জল ছাড়া হবে , কখন ছাড়া হবে। সুতরাং যখন বিপর্যয় নেমে এলো তখন নিজেদের ঘাড় থেকে দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়ার ফিকির খুঁজতে গিয়ে টেনে আনলো ডিভিসি কে।

দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ১০ বছর ধরে ক্ষমতায়। তারা এখনো পর্যন্ত কোনো কাজই করেনি বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে। এখন দেব বলছে তিনি করবেন । সাত বছর পেরিয়ে গেল তিনি দেখেননি কি পরিস্থিতি চলছে বাংলায়। তার পর দিলীপ ঘোষের বক্তব্য তৃণমূল কংগ্রেস এখন বলছে, মমতা ব্যানার্জি মমতা মুখমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, “সাত মন তেলও পুড়বে না, রাধাও কোনদিনও নাচবে না।”

আরও পড়ুন