শঙ্কর মন্ডল
শেষ পর্যন্ত পোকা ধরা ধানের উপমা দিয়ে মমতা ব্যানার্জিকে তৃণমূলকে ডিফেন্ড করতে হচ্ছে? আর জিরো টলারেন্সের কথা?আসলে তো এটা শতাব্দীর সেরা জোকস, কারণ মমতা ব্যানার্জি নাকি কনস্টাক্টিভ কাজ করে, ডেস্টাক্টিভ কাজ নাকি উনি করেন নি কোনদিন, এটা শুনে ঘোড়ায় হাসবে। যার সারা জীবনটাই ডেস্টাক্টিভ কাজে ব্যাস্ত থেকেছে, সে এই কথা বলে কি করে? বহু উদাহরণ দেওয়া যায়, তা চম্পলা সর্দারের ঘটনা হতে পারে, সিঙ্গুর আন্দোলন হতে পারে, এবং সর্বোপরি বিধানসভা ভাঙচুর কোন কন্সাস্টিভ কাজ ছিল বলতে পারেন? সুতরাং এদের এই রঙ চরানো, ভাল ভাল কথা, একপ্রকার কুমিড়ের সামনে তার বাচ্চাদের পড়ানোর জন্য পণ্ডিত সেজে উপস্থিত হওয়া শিয়াল ছাড়া আর কিছুই নয়।
আর নতুন অ্যাপ দিদির দূত বা দিদির সুরক্ষা কবচ তার সাড়ে তিন লক্ষ দূত দশ কোটি লোকের কাছে পৌঁছানোর কর্মসূচি ও কয়েক লক্ষ ডাউনলোডকারী আবার একটা ভোটের নতুন গিমিক ছাড়া আর কিছুই নয়।এর আগে দিদিকে বলো বা অভিষেককে বলো, বা বাংলার গর্ব ইত্যাদির প্রতক্ষ অভিজ্ঞতা যাদের আছে, তারা ভালো করেই জানেন। আসলে সত্যি কথা বলতে কি, দিদির দূতেরা তো প্রতিদিনই আপনাদের কাছে আসে, আপনার বাড়িতে এক বস্তা সিমেন্ট কিনে আনুন সঙ্গে সঙ্গে দেখবেন ঐ দূতেরা ঠিক পৌঁছে গেছে।
এই দূতেরাই তো সাদা পাতায় চাকরি দিয়েছেন বাগদার চন্দনের বেশে।এই দূতেরাই তো এতদিন ধরে দোতলা বাড়ির মালিকের নাম আবাস যোজনায় তুলে দিয়েছে, এই দূতেরাই তো এতদিন ধরে ভুয়ো জব কার্ড পাইয়ে দিয়ে প্রকৃত যোগ্য লোকেদের জব কার্ড থেকে বঞ্চিত করেছে।এই দূতেরাই তো কলকাতার অভিজিৎ সরকার থেকে শুরু করে পুরুলিয়ার ত্রিলোচন মাহাতোদের হত্যা করেছে, সুতরাং এতে নতুন কিছু নেই।
আর অন্যদিকে টেলিভিশনে ঞ্জান দেওয়া অথচ কোটি কোটি টাকা রোজগার করা ডাক্তার যিনি আজ পর্যন্ত কোন গরীব মানুষকে সাহায্য করেছেন বলে শোনা যায়নি, ও ব্যক্তিগত পোস্টে পশ্চিমি সংস্কৃতির ন্যায় অশ্লীল বক্তব্য পেশ করেন এমন অভিনেত্রী ও চরম বামপন্থী অভিনেতা কংগ্রেসের তথাকথিত ভারত জোর যাত্রায় হাটলেন,যে কংগ্রেস জন্মলগ্ন থেকেই ভারতকে জোরার পরিবর্তে ভারত তোড় এই স্লোগানকেই প্রতিষ্ঠা করেছে।তাই এককথায় বলতে চাই বাংলা এখন গভীর সঙ্কটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
——–—————
লেখক পরিচিতি:
সভাপতি,সংযুক্ত হিন্দু ফ্রন্ট। (লেখকের মতামত নিজস্ব। )
