রানার প্রতিবেদন : পর্নোগ্রাফি নিয়ে যতই অনেকে নাক সিটকান না কেন, কিংবা আইনি নিষেধাজ্ঞার জন্য সোচ্চার আবেদন করুন, পর্নোগ্রাফিকে কোনওভাবেই দমিয়ে রাখতে পারবেন না। সারা বিশ্বে পর্নোগ্রাফির ব্যবসা কয়েক লক্ষ কোটি টাকার৷লাখো মানুষের রুজি-রোজগার হয় এই পর্নোগ্রাফি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ৷ ব্লু ফিল্ম দেখা খারাপ না ভালো, তা নিয়ে সারা দুনিয়াতেই বহু যুগ ধরে বিতর্ক আছে ৷
পুরুষের চেয়ে নারীরাই সমকামী পর্নোগ্রাফি ছবি দেখতে বেশি পছন্দ করেন ৷ এই ধরনের নারীরা পুরুষদের চেয়ে বেশি মাত্রায় ব্লু ফিল্ম দেখেন ৷ সম্প্রতি নতুন এক গবেষণায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মহিলারা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন লেসবিয়ান পর্নোগ্রাফি, এরপরেই গে পর্নোগ্রাফি এবং সবশেষ তাদের পছন্দ টিন-পর্নোগ্রাফি ৷
কিন্তু ছেলেরা সাধারণত স্বাভাবিক, বাজারচলতি ব্লু ফিল্মই দেখেন ৷ পর্নোগ্রাফি সার্চ ইঞ্জিন ‘পর্নহাব’-এ এক গবেষক লিখেছেন যে তাঁরা লিঙ্গ বৈষম্যের ভিত্তিতে গবেষণা করে তবেই পরিসংখ্যান সংগ্রহ করেছেন ৷ এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতেই তাঁরা নারীদের পছন্দ বুঝতে পেরেছেন ৷ সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী ইন্টারনেট কোম্পানি ‘বাজফিড’-এর সঙ্গে মিলেই এই গবেষণা করা হয় ৷
এর সাহায্যেই পর্নোগ্রাফির দর্শকদের বয়স ও লিঙ্গ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন পর্নোগ্রাফি ৷ দেখা গেছে মহিলারাই সমকামী পর্নোগ্রাফি ছবি দেখতে বেশি পছন্দ করেন৷ আই ফোন ব্যবহারকারী পুরুষদের মধ্যে পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা ৬৫ শতাংশ, সেখানে অ্যাপেল ব্যবহারকারী প্রায় ৪২ শতাংশ মহিলাই ব্লু ফিল্ম নিয়মিত তাড়িয়ে তাড়িয়ে দেখেন।
আরেকটি সমীক্ষায় বেশিরভাগ মহিলাই জানিয়েছেন, বিয়ের পরই নীল ছবি দেখেছেন বেশি এবং তাঁরা এখন নিয়মিত পর্নোগ্রাফি দেখেন ৷ মার্কিন এক বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণায় নানা বয়সের মহিলাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছিল ৷ তাঁদের নিজেদের কথা থেকেই জানা গিয়েছে, কলেজ বা স্কুলপড়ুয়া মেয়েদের তুলনায় বিবাহিত মহিলারাই বেশিমাত্রায় পর্নোগ্রাফি দেখেন ৷
