ইউরোপে হটাৎ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কিস গেম, বাংলায় “চুমু খেলা”

|

রানার প্রতিবেদন : একটা সময় ছিল, নারী-পুরুষের চুমু অশ্লীল হিসাবে দেগে দিত মানুষ। ফলে চুমু দীর্ঘদিন বন্দি ছিল শুধু চার দেয়ালের মধ্যে। এখন পাল্টে যাওয়া সময়ের হাত ধরে সাহসী হয়েছে মন, খোলামেলা ও সহনশীল হয়েছে সমাজ, তাই ঠোঁটও এখন অনেক আগলমুক্ত। বিশ্ব জুড়ে মধুর স্পর্শের এই শাশ্বত অনুভূতির গভীরে পৌঁছতে গবেষণাও হয়েছে প্রচুর।

দুনিয়ার বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন, চুমু শুধু দুঅক্ষরের একটা ছোট্ট শব্দ নয়, এটা শব্দ ব্রম্মের এক অত্যাশ্চর্য বিস্ময়। একটা ছোট্ট চুমু, শরীরে অপরিসীম এনার্জির জন্ম দেয়। আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে একটা চুমু ,একগাদা ট্যাবলেটকে দূরে রাখে। এই চুমু নিয়ে পাগলামি ছিল আদিম যুগ থেকেই। এখন এসেছে নতুন পাগলামি। ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন মজার খেলা কিস গেম , বাংলায় বললে চুমু খেলা।

ভাবছেন চুমু তো খায়, খেলে কি করে। কেউ এটাও বলতে পারেন, খাওয়ার জিনিস নিয়ে আবার খেলতে আছে নাকি? যাই বলুন , এ এক উত্তেজক ও মজার খেলা। এই খেলা যারা চালু করেছেন তারা বলছেন, এটা শুধু খেলা নয়, এটা এক ধরনের দেহ চর্চা। যারা মিউজিক চালিয়ে নাচের ছন্দে শরীর চর্চা করেন তারা যেমন উপকৃত হন, এই খেলাও একধরনের শরীর চর্চা। নিয়মিত চুম্বন পেটের নানাবিধ গোলমাল দূরে রাখে, পেট ভালো রাখে।

চুমু শরীরে জীবাণু সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদপিন্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। একটা চুমুর জন্য ছয় ক্যালোরি শক্তি খরচ করতে হয়। আর সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো , চিকিৎসকরা বলছেন, একটা চুমুর জন্য মুখের তিরিশটি পেশির ব্যবহার হয়, পেশী গুলির এক্সসেরসাইজ হয়, ফলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত মুখমন্ডলের উজ্জ্বল্য বজায় থাকে , এবং চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখে অনেক বয়স পর্যন্ত।

এই খেলায় ছয় জনও হতে পারে, আবার দশ-বার জনও হতে পারে। একটি গোল টেবিল ঘিরে এরা সবাই বসে। মাঝে রাখা হয় একটি বোতল। এবার ঘরে খুব অল্প আলো জ্বালিয়ে একটা স্বপ্নীল পরিবেশ তৈরি করা হয়। এবার বোতল টাকে বনবন করে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। ঘুরতে ঘুরতে বোতল থামবে একসময়। বোতল থামার পর দেখতে হবে, বোতলের মুখ কোনদিকে।

মুখ যার দিকে, এবার তার পালা, তার স্বাধীনতা। সে টেবিলের বসা যে কাউকে চুমু খেতে পারবে। চুমু শুধু খেলেই হবে না, যাকে চুমু দেওয়া হচ্ছে, সে ওই চুমুতে তৃপ্ত হলো কিনা তাও জানাবে। নাহলে ব্যর্থ চুম্বন দাতা গেম থেকে বাদ। এই এলিমিনেশন সিস্টেমে একে একে কমতে থাকে চুমু খেলোয়াড়ের সংখ্যা। যে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে সেই জয়ী।

আরও পড়ুন