রানার ডেস্ক : কয়লা দুর্নীতি নিয়ে ব্যাপক তৎপর ইডি। ইতিমধ্যে এই দুর্নীতিতে জড়িত মাফিয়া- দুষ্কৃতী এবং রাজনৈতিক সম্পর্কের হদিশ পেতে শুরু করেছে তারা। প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে হাজার হাজার কোটি টাকার লেনদেনের কাহিনী। ইডি আদালতে এও দাবি করেছে, ইতিমধ্যে কয়লা দুর্নীতির বিপুল অর্থ জমা পড়েছে অভিষেকের স্ত্রী এবং শ্যালিকার ব্যাংক একাউন্টে।
ইডি অভিযোগ করলেও তার স্বপক্ষে নিশ্চিত প্রমান এখনো পেশ করেনি তারা। এবার প্রমান পেশের পালা।শুক্রবার কলকাতায় সাংবাদিকদের সামনে মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপি নেতা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।প্রথমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি। আলাদাভাবে পরে ক্যামেরা ছাড়া প্রিন্ট মিডিয়ার সঙ্গে আলাপচারিতা করেন।
এই সময় ওঠে ইডি এবং অভিষেক প্রসঙ্গ। তখন অমিত শাহ বলেন, তদন্তের স্বার্থে ইডি যে কোনও সময় অভিষেকের ব্যাপারে উপযুক্ত পদক্ষেপ করতেই পারে। ভোটের সঙ্গে এই তদন্তের কোনও সম্পর্ক নেই। যদি তারা চায়, এবং প্রয়োজন মনে করে তাহলে তারা সেকাজ করতেই পারে। ভোট চলছে বলে দুর্নীতির তদন্ততো আর থেমে থাকতে পারে না, বলেন অমিত শাহ।
ইডির দাবি, গত বছর জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ১৬৮ কোটি টাকা বাঁকুড়া থানার আইসির মাধ্যম এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় পৌঁছেছে। তাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার ইঙ্গিত, অবৈধ কয়লা ব্যবসায় কয়েক হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। যে টাকার ভাগ জমা পড়েছে সাংসদ এবং তৃনমূল নেতা অভিষেক ব্যানার্জির স্ত্রী এবং শ্যালিকার একাউন্টে। এই সূত্র ধরেই অভিষেককে তদন্তের জন্য ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করবে কিনা, সেই প্রশ্ন উঠছে। অমিত শাহ এদিন জানান, এব্যাপারে ইডি ঠিক করবে তারা কিভাবে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে।
