রানার ডেস্ক : ঝড় শুরু হলে প্রথমেই বাড়ির বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সঙ্গে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দিন। ঝড় চলাকালীন আপনি বাইরে আটকে গেলে কোনও অবস্থায় বিদ্যুতের খুঁটির পাশে দাঁড়াবেন না। এমনকি মাথার ওপর দিয়ে বিদ্যুতের তার গেছে কিনা দেখে নিন, তারপর নিরাপদ দূরত্বে সরে দাঁড়ান। রাস্তায় জমা জলে যদি তার পরে থাকে ভুলেও সেই তারে হাত দেবেন না।
এমনকি খুব সন্তর্পনে ওখানকার জমা জল এড়িয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে আপনি এগুলোর চেষ্টা করুন। ওই জমা জলও অনেক সময় বিদ্যুৎ বাহিত হয়ে প্রাণ কেড়ে নেয়। ঝড়ের পর বিদ্যুতের লাইনের ওপর গাছ পরে থাকলে ভুলেও নিজেরা সেই গাছ কাটতে যাবেন না। সংশ্লিষ্ট দফতরের লোকদের খবর দিন। চাষের জমিতে যদি তার পরে থাকে তাহলে সেই তার থেকে দূরে থাকুন, ভুলেও স্পর্শ করবেন না।
যদি পাম্প কিংবা অন্য কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র জলে ডুবে যায়, তাহলে সেই যন্ত্র চালাবার কোনও চেষ্টা করবে না। বিদ্যুৎ সম্পর্কিত কোনও সমস্যা চোখে পড়লে নিজে এগিয়ে না গিয়ে নিচের নম্বরে ফোন করুন: – 8900793503 এবং 8900793504
এই ঘূর্ণি ঝড় প্রথম এসে ধাক্কা মারবে ওড়িশার বালাসরে। এই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে দীঘার উপকূলবর্তী অঞ্চল, এবং গোটা পূর্ব মেদিনীপুর। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আমফানের সময়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেই পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে না কলকাতাকে। আমফন এবং আয়লা সরাসরি বয়ে গিয়েছিল কলকাতার ওপর দিয়ে। এবার কলকাতা থেকে অন্তত দুশো কিলোমিটার দূরে বালাসরে আছড়ে পড়বে ইয়াস।
আরও পড়ুন : বেডরুমে এসব কি করেন প্রিয়ঙ্কা? তথ্য সামনে আসতেই হৈচৈ
তবে কলকাতায় বুধবার সকাল থেকেই শুরু হবে বৃষ্টি এবং ঝড়ো হাওয়া। সেই ঝড় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে। ফলে কলকাতাকেও সাবধান থাকতে হবে। কলকাতার মানুষের জেনে রাখা ভালো,বিপদকে মাথায় রেখে কি করণীয় এবং কি করনীয় নয়। প্রথম কাজ আপনার ছাদে যদি জলের ট্যাঙ্ক থাকে সেই ট্যাংক জলে ভরে রাখবেন। ট্যাংক যদি জলে ভরা না থাকে সেটা কিন্তু ঝড়ে উড়ে যেতে পারে অন্য কোথাও।
বাড়িতে কোথাও যদি টিন বা এডবেস্টার এর ছাউনি থাকে, সেগুলো নড়বড়ে কিনা খতিয়ে দেখুন, ভালো করে টাইট করে বাঁধুন। তৃতীয়তঃ বাড়ির কার্নিশে বারান্দায়, এদিকে ওদিকে ফুলের টপ তুলে আনুন। একটা জায়গায় জড়ো করে রাখুন। বাড়িতে যদি ইমার্জেন্সি লাইট থাকলে সেটা চার্জ করে রাখুন। নতুবা পর্যাপ্ত মোমবাতি এবং দেশলাই কাছে রাখুন।
আরও পড়ুন : পর্নোগ্রাফিতে আসক্তি ? ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে এলো নয়া গবেষণা পত্রে
মোবাইল ফোনগুলোকে চার্জ দিয়ে রাখুন। যতটা সম্ভব এমনকি দুদিনের খাদ্যবস্তু ঘরে মজুত রাখুন। অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বুধবার দিন আপনি বাইরে বেরোবেন না। সকাল এগারোটা থেকেই শুরু হয়ে যাবে ঝড়, সেই ঝড় গিয়ে থামবে রাত এগারোটার পরে।
