ট্রাম্পের রাজপ্রাসাদকে ছাপিয়ে, লোকমুখে এখন বাইডেন গণ শৌচালয়

|

রানার ডেস্ক : পৃথিবীর অন্যতম প্ৰধান শক্তিধর দেশের প্ৰেসিডেন্ট পদে যখন কেউ আসীন হন তখন সারা পৃথিবীর নজর থাকে হোয়াইট হাউসের দিকে। আর তার সঙ্গে আরও একটি বিষয় আলোচনার কেন্দ্ৰবিন্দুতে উঠে আসে, তিনি কোথা থেকে রাষ্ট্ৰপতির সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে আসছেন, সেখানে তাঁর নামে কোনও বাড়ি, পাৰ্ক আছে কি না ইত্যাদি।

আগে আলোচনার কেন্দ্ৰবিন্দুতে ছিল ট্ৰাম্প টাওয়ার। আসলে ট্ৰাম্পের নিজের যে বাড়ি সেটা হোয়াইট হাউসের থেকে অনেকটাই বড়, তাকে বাড়ি না বলে রাজপ্ৰাসাদ বলাই ভালো। তাই ট্ৰাম্প হোয়াইট হাউসে আসতে চাননি। কিন্তু নিরাপত্তার খাতিরে তাঁকে আসতে হয়। নিউ ইয়ৰ্কের চোখধাঁধানো ট্ৰাম্প টাওয়ার সকলেরই দ্ৰষ্টব্য। তাই ট্ৰাম্পের সময়ে ট্ৰাম্প টাওয়ার নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে।

শুধু ট্ৰাম্প টাওয়ারই নয়, নিউ ইয়ৰ্ক জুড়ে ট্ৰাম্প হোটেল, ট্ৰাম্প ওয়াৰ্ল্ড বিল্ডিং, ট্ৰাম্প প্লাজা, ট্ৰাম্প ইন্টারন্যাশনাল, ট্ৰাম্প পাৰ্ক অ্যাভিনিউ–সবকিছু মিলিয়ে নিউ ইয়ৰ্ক ছিল ট্ৰাম্পময়। শুধু ট্ৰাম্প টাওয়ার যে নিউ ইয়ৰ্কে আছে এমনটা নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আছে, হোটেলও আছে, সেখানে সোনার রংয়ে খোদিত আছে ডোনাল্ড ট্ৰাম্পের নাম।

নিউ ইয়ৰ্কে ট্ৰাম্প টাওয়ার এমনই এক বিলাসবহুল অ্যাপাৰ্টমেন্ট যে সেটা ছেড়ে মেলানিয়া ট্ৰাম্প প্ৰথমদিকে হোয়াইট হাউসে আসতে চাননি। ট্ৰাম্প আসার অনেক পরে মেলানিয়া এসেছেন। সুতরাং এতদিন মানুষের মুখে মুখে ট্ৰাম্প টাওয়ার ঘুরবে সেটাই তো স্বাভাবিক। ট্ৰাম্পের তুলনায় এবারের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা।

মফসসল শহর ডেলাওয়ারের উইলমিংটন থেকে হোয়াইট হাউসে পা রেখেছেন নতুন প্ৰেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি। ট্ৰাম্পের সঙ্গে তাঁদের তুলনাও চলছে। ট্ৰাম্প-মেলানিয়ার মতো বাইডেন ও তাঁর স্ত্ৰীর সম্পৰ্ক কিন্তু খারাপ নয়; যথেষ্ট প্ৰগাঢ় তাঁদের ভালোবাসা।

উইলমিংটনে বাইডেনের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসবে তিনটি জিনিস–জোসেফ আর বাইডেন জুনিয়র অ্যাকু্য়াটিক সেন্টার, জোসেফ আর বাইডেন রেল রোডস্টেশন এবং উইলমিংটনের একটি সুইমিং পুল। একেই বাইডেন সুইমিং পুল বলা হচ্ছে। যে সুইমিং পুলের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাইডেনের অনেক স্মৃতি। এই পুলে সাঁতার কাটার ছবিও ওণেক বেরিয়েছে।

তাই বাইডেন রাষ্ট্রপতি হবার পরেও সেখানে গিয়ে সাঁতার কেটে এসেছেন। এখন মানুষ বাইডেন সুইমিং পুল আর বাইডেন রেল রোডস্টেশন নিয়ে আলোচনা করছেন। ওয়াশিংটন থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে এই রেল রোডস্টেশন ধরেই বাইডেনকে যেতে হয়। এছাড়াও আছে বাইডেন ওয়েলকাম সেন্টার। এটি যাত্ৰীদের জন্য রাস্তার পাশে টয়লেট।

এছাড়া জো বাইডেনের নামে আর কোনও স্থাপত্য নেই। অবশ্য শেষ কামড় দিতে ডোনাল্ড ট্ৰাম্প নতুন প্ৰেসিডেন্টের বিরুদ্ধে কাজকৰ্ম শুরু করেছিলেন। প্ৰায় চল্লিশ বছর সিনেটর হিসাবে কাজ করা এবং ওবামা প্ৰশাসনের ভাইস প্ৰেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলের বিরুদ্ধে ট্ৰাম্প সরকার আৰ্থিক কেলেংকারির অভিযোগ এনেছিল। তবে তা ধোপে টেকেনি।

আরও পড়ুন