ট্রাম্প আসলে পাগল, প্রমান করলেন বিজ্ঞানীরা

|

রানার প্রতিবেদন : সম্প্ৰতি এক গবেষণায় প্ৰমাণিত হয়েছে যে, প্রাক্তন মাৰ্কিন প্ৰেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্ৰাম্প আসলে মানসিক ভারসাম্যহীন। তাঁদের গবেষণা চালানো হয় কুইন্সল্যান্ড ইউনিভাৰ্সিটি অব টেকনোলজি বিভাগে। তথ্যসূত্ৰ অনুযায়ী, বিশ্ব নেতা এবং সফল শিল্প প্ৰতিষ্ঠানগুলোর টুইট বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষণায় যুক্ত গবেষকরা ট্ৰাম্পকে ভারসাম্যহীন পান।

জানা গেছে, মেশিন লাৰ্নিং ও কম্পিউটারাউজড বৈজ্ঞানিক মেথড ব্যবহার করে ১০৬ জন ব্যবসায়িক ও নেতার প্ৰোফাইল ডিক্ৰিপ্ট করেন গবেষকরা। আর এর মধ্যে আছেন ইলন মাস্ক, বিল গেটস, ডোনাল্ড ট্ৰাম্প এবং ওপরাহ উইনফ্ৰে। দলের প্ৰধান গবেষক অধ্যাপক মাৰ্টিন অবচংকা বলেন, তাঁরা টু্ইটইগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ দেখেন এবং ভাষার ধরন বিশ্লেষণ করেন।

তারপর গবেষকরা এই ধরনগুলো দেখে একসঙ্গে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব নিয়ে উল্লেখযোগ্য সঠিক তথ্য দিতে সক্ষম হন। তিনি আরও বলেন যে, নিউরোটিসিজমে ট্ৰাম্প অনেক ভালো স্কোর করেন। তবে এই খাতে বেশি স্কোর করার মানে হচ্ছে তিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন এবং সমালোচনা নিয়ন্ত্ৰণে তাঁর সমস্যা হয়, মোদ্দা কথায় পাগল।

উল্লেখ্য, ফোর্বস ম্যাগাজিনের ৪০০ এবং ফরচুনের ৫০০ জনের তালিকা থেকে গবেষকরা তাঁদের লক্ষ্য ঠিক করেন। পরবৰ্তীতে মাইক্ৰোব্লগিং সাইট টু্ইটারে এসব ব্যক্তির পোস্ট করা ২১,৫০০-এর বেশি শব্দ বিশ্লেষণ করে তাঁদের ব্যাক্তিত্ব সম্পৰ্কে ধারণা লাভ করতে সক্ষম হন গবেষকরা।

গবেষক অবচংকা বলেন, শেষমেষ ধারণা করা হচ্ছে গবেষকরা ট্ৰাম্পের ব্যক্তিত্বের একটি ধরন শনাক্ত করতে পেরেছেন, যা অন্যান্য জনপ্ৰিয় উদ্যোক্তা ও প্ৰধান কৰ্মকৰ্তাদের থেকে তাঁকে পৃথক করেছে, যার থেকে মনে হয় তিনি আসলে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন একজন মানুষ।

আরও পড়ুন