YAAS মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি সেনা বাহিনীর, রাতভর নজরদারি মুখ্যমন্ত্রীর

|

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ঘূর্ণিঝড় সামলাতে পথে নামলো জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল বা এনডিআরএফ। সেই সঙ্গে সেনাও। পাটনা এবং বারানসি থেকে এনডিআরএফের ৩৩৪ জন জাওয়ান এসেছে। সঙ্গে বিপর্যয় সামলাতে ব্যবহৃত ২১ টন প্রয়োজনীয় সামগ্রী এসেছে। এই কাজে যাবতীয় সাহায্য করছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ২১ মে থেকে যশের মোকাবিলায় প্রস্তুতিতে সাহায্য করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

এনডিআরএফের ৬০৬ জওয়ান এবং ৫৭ টন সামগ্রী ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে নিয়ে আসা হয়েছে বাংলায়। এই কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার একাধিক মাল পরিবহনবাহী বিমান এবং হেলিকপ্টার। পাশাপাশি ১১টি এমএই ১৭ ভি৫এস, দুটি চেতক, তিনটি চিতা আরও হেলিকপ্টার বিপর্যয় মোকাবিলায় আলাদাভাবে সর্বক্ষণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেই জানিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

অন্যদিকে, এনডিআরএফ প্রধান এস.এন. প্রধান বলেন, গত বছর ঘূর্ণিঝড় আমফানের অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের শিক্ষা নিয়েছি। এখন যখন তার থেকেও মারাত্মক কিছু হবার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস, তখন সেই ব্যাপারেও আগে থেকেই বাড়তি আয়োজন রাখা হয়েছিল। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের ১২টি টিম কাজ করছে।

আরও পড়ুন : প্রযোজক ঘরে ঢুকেই বললেন, ‘সব কাপড় খুলে ফেলো’, বিস্ফোরক গাগা

পাশাপাশি আরও টিমকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রত্যেকটি টিমে ৪৭ জন জওয়ান রয়েছে। সঙ্গে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির উপকরণ সামগ্রী রয়েছে। গাছ কাটার জন্য একাধিক ধরনের ব্যাটারিচালিত এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, নবান্নের তরফে বারবার জেলাশাসকদের সতর্ক করা হচ্ছে। সারারাত নবান্নের কন্ট্রোল রুমে থেকে পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে সতর্ক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্রের জল সমতলের ঢুকতে শুরু করেছে। সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী প্রস্তুত আছে। রাত ১১ টার পর থেকে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী কাজ শুরু করতে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায়।

আরও পড়ুন : নিজের ছেলেকে পছন্দ করতেন না রানী ভিক্টোরিয়া, কারণটাও অদ্ভুত

আপাতত রামনগরে স্টেশনড আছে সেনাবাহিনী। নবান্নের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রতিনিয়ত চলছে নজরদারি। যেখানে যেখানে জল জমছে সেখানে সেখানে এনডিআরএফ এর টিম গিয়ে আপাতত তদারকির কাজ করছে। সকাল থেকেই প্রতিনিয়ত নবান্নের তরফের জেলাশাসকের সতর্ক করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন