#Pegasus : মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিরোধী শিবির

|

#Pegasus : সমস্ত রকম বিরোধিতাকে পদদলিত করার উদ্দেশ্যেই কি পেগাসুস সফটওয়্যার ( Pegasus Software ) ব্যবহার ব্যবহার করেছিল মোদি সরকার? “দা অয়ার” ( The Wire ) ওয়েবসাইটের একটার পর একটা টুইট আছড়ে পড়ছে রাজনীতিতে। আক্ষরিক অর্থেই এ যেনো একটার পর একটা বিস্ফোরণ ঘটে চলেছে। গত ১৮ থেকে ১৯ সালের মধ্যে অসংখ্য মানুষের ফোন ট্যাপ করা হয়েছে।

এদের মধ্যে যেমন বিরোধী দলের নেতা রয়েছেন, বিচারপতি আছেন, তেমনি রাজনীতির আঙিনায় অভিষেক ব্যানার্জি এবং প্রশান্ত কিশোরের নাম আছে এই তালিকায়। আছে রাহুল গান্ধীর নামও। তাঁর দুটো ফোন নজরদারির আওতায় ছিল। নজরদারির আওতায় ছিল রঞ্জন গগোই, যিনি সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি ছিলেন তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল।

অভিযোগকারী ও তার সহযোগী ১১ জনের ফোনে নজরদারি চালানো হয়েছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনার লাভাসা নরেন্দ্র মোদির ( Narendra Modi ) বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন। তারপরই চলে এসেছিলেন নজরদারির মধ্যে। আক্ষরিক অর্থেই একটার পর একটা মহাবিস্ফোরণ ঘটছে পেগাসুস ( Pegasus ) ঘিরে।

পেগাসুস -এর পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তারা কখনোই কোনো অবস্থায় কোনও বেসরকারি সংস্থার কাছে তাদের সফ্টওয়ার বিক্রি করেন না। করেন সরকারের কাছে। সরকারের সঙ্গে তাদের সমঝোতা হয়। এবার বিরোধী শিবিরের প্রশ্ন, যদি তাই হয় তাহলে মোদি সরকার এর দায় অস্বীকার করছে কি করে?

সরকার পুরোপুরি বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়ে দিয়েছে, নজরদারির মধ্যে বিজেপি সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। বিরোধীরা বলছে সরকার তার দায়িত্ব এড়াতে পারে না, নাগরিকের নিরাপত্তা রক্ষায় গোপনীয়তার অধিকার রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। তাহলে সরকার সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। এছাড়া পেগাসুস ( Pegasus ) -এর বক্তব্য যদি সঠিক হয়, তাহলে যাবতীয় ফোনট্যাপিং ( Phone Tapping ) কিংবা নজরদারি কাজটা চালিয়েছে মোদি সরকার।

আরও পড়ুন