রানার ডেস্ক : অসমের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন ( Population Control Low ) পাস হওয়ার পর এবার তা বাস্তবায়িত করতে কোমর বেঁধে পথে নামছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী হিম্মত বিশ্ব শর্মা ( Himmat Bishwa Sharma ) জানিয়েছেন, মুসলিম এলাকাগুলোতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার কাজে নামানো হবে জনসেনা। প্রায় এক হাজার কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে এই বাহিনীতে। এদের কাজ হবে মুসলিম এলাকাগুলোতে ঘুরে তাদের সঙ্গে কথা বলা, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে সচেতনতা বাড়ানো এবং বিনামূল্যে জন্মনিরোধক বিলি করা।
একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, আশা কর্মীদেরও এব্যাপারে কাজে লাগানো হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি ২০০১ থেকে ২০১১ সালের জনগণনা রিপোর্ট অনুযায়ী, অসমে ( Assam ) হিন্দুদের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১০% অন্যদিকে মুসলিমদের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এই সময়ে ২৯% । তার দাবি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে রাজ্যের সমৃদ্ধি সম্ভব নয়। সেইসঙ্গে নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সংকট মুক্তিও ঘটে না জনসংখ্যা বিস্ফোরণের চাপে। এই মুহূর্তে অসমে মুসলিম জনসংখ্যা ৩৪ শতাংশ।
রাজ্য সরকারের আইন অনুযায়ী, কোন দম্পতির দুটির বেশি সন্তান হলে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। সরকারি কর্মচারী হলে তার পদন্নোতি বন্ধ হয়ে যাবে। অন্যদের ক্ষেত্রে স্থানীয় স্তরে পঞ্চায়েত ও পুর নির্বাচনে তাঁকে অংশ নিতে দেওয়া হবে না। একইরকম আইন পাস করতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার ইতিমধ্যে তৈরি হয়েছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল। সেই বিল এখন পাসের অপেক্ষায়।
উত্তরপ্রদেশ সরকারও জানিয়ে দিয়েছে দুটির বেশি সন্তান হলে সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে পদোন্নতি আটকে দেওয়া হবে আর যারা সরকারি কর্মচারী নন তারা স্থানীয় স্তরে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। অসম উত্তরপ্রদেশ সরকার এই বিল পাশ করার পর একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে আরও একাধিক রাজ্য। এমনকি দাবি উঠেছে, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে গোটা দেশে কেন্দ্রীয়ভাবে এ ধরনের আইন চালু করা যায়।
