Mukul Roy – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Tue, 13 Jul 2021 17:26:47 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Mukul Roy – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 একযোগে বিজেপির আট বিধায়কের ইস্তফা, রাজভবনে শুভেন্দু https://runnerbangla.com/eight-west-bengal-bjp-mla-resignation-suvendu-adhikari-raj-bhavan/ Tue, 13 Jul 2021 11:34:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3872 রানার ডেস্ক : একযোগে ইস্তফা দিলেন বিজেপির ৮ জন বিধায়ক ( BJP 8 MLA )। পাবলিক একাউন্টস কমিটির ( Public Accounts committee ) চেয়ারম্যান পদে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মুকুল রায়ের নাম স্পিকার ঘোষণা করায় এই সিদ্ধান্ত বিজেপি পরিষদীয় দলের। আজ বিধানসভার স্পিকারের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেবার পর তারা যাচ্ছেন রাজভবনে।

বিজেপি প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেবেন পরিষদীয় দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির টিকিটে মুকুল রায় জিতেছেন কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। কাগজে-কলমে তিনি বিজেপি বিধায়ক। ভোট পর্ব মিটে যাবার পর, প্রকাশ্যে তৃণমূল ভবনে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন মুকুল রায় ( Mukul Roy )।

তিনি কাগজে কলমে গেরুয়া শিবিরের হলেও বাস্তবে তিনি এখন শাসক শিবিরের লোক। মুকুল রায়কে পিএসি চেয়ারম্যান ( PSC Chairman ) করার অর্থ শাসক শিবিরের বিধায়ককে পিএসি চেয়ারম্যান করা। কিন্তু প্রথা হলো, পাবলিক একাউন্টস কমিটির মাথায় বসানো হয় বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা বিধায়ককে।

বিরোধী দল বিজেপি পিএসি চেয়ারম্যান এর মাথায় বসানোর জন্য সুপারিশ করেছিল বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিড়ীরর নাম। বিজেপির সুপারিশ খারিজ করে দিয়ে তিনি তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মুকুল রায়ের নাম ঘোষণা করে দিয়েছেন।

প্রতিবাদে বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের শেষ দিন শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, স্পিকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করে তারা আটটি কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। বিজেপির বিধায়করা কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন কিন্তু চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন না। সিধান্ত অনুযায়ী আজই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে রাজ্যপালের কাছে গিয়ে নালিশ ঠুকতে যাবেন বিজেপি পরিষদীয় দলের সদস্যরা।

]]>
বাবুল যাচ্ছেন তৃনমূলে? জল্পনায় মুখ খুললেন তথাগত https://runnerbangla.com/babul-supriyo-join-trinamool-tathagata-roy-speculation/ Mon, 12 Jul 2021 13:54:13 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3800 রানার ডেস্ক : মন্ত্রীপদ কেড়ে নেবার পর ক্ষুব্ধ বাবুল সুপ্রিয় ( Babul Supriyo ) এখন শিবির বদলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই জল্পনায় ঘি ঢাললেন বাবুল নিজেই। চারদিকে হৈচৈ পরে যায়, বাবুল এখন টুইটারে মুকুল রায়কে ( Mukul Roy ) ফলো করেন। ব্যস, দুইয়ে দুইয়ে চার হতেই জল্পনার ডানা মেলতে শুরু করেছে চারদিকে।

হটাৎ খবর রটেছিল বাবুল রাজনীতি থেকে সন্যাস নেবেন। ফিরে যাবেন তার গানের জগতে। এরপরই টুইটার কান্ড চলে আসে সামনে। দাবানলের মতো খবর ছড়িয়ে যায়, বাবুল গেরুয়া ত্যাগ করে নীল-সাদায় ভিড়ে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই জল্পনার মধ্যেই বাবুলের হয়ে ব্যাট ধরলেন তথাগত রায়।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, এসব জল্পনা নিছক ভিত্তিহীন এবং আক্ষরিক অর্থেই বোকা বোকা কথা। তথাগতর দাবি, তিনি নিজে সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি এবং তৃনমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির টুইটার ফলো করেন। তাঁর মানে কি এই, যে তিনি তৃনমূল বা সিপিএম-এ যোগ দেবেন?

তথাগত রায়ের টুইটকে হাতিয়ার করে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন বাবুল। তার কথায় আমাকে গুজবে নয় কাজের ওপর বিচার করুন। মুকুল রায় বিজেপিতে থাকাকালীন, দিলীপ ঘোষের সঙ্গে খুব একটা বনিবনা ছিল না। এমনকি দলে যাদের সঙ্গেই দিলীপের সম্পর্ক মসৃন ছিল না, তাদেরকেই নিজের দিকে টেনে নিয়েছিলেন মুকুল।

দিলীপের সঙ্গে বাবুলের সম্পর্ক চিরদিনই তিক্ততায় ভরা। বাবুলের সঙ্গে মুকুলের সম্পর্ক ছিল অনেকটাই ভালো। সেই রসায়নের ওপর ভর করেই হয়ত ক্রমশ ছড়াচ্ছে গুজবের ডানা।

]]>
মূল্যবোধের মাথা খেয়ে মুকুলকেই পিএসি’র মাথায় বসানো হলো https://runnerbangla.com/west-bengal-assembly-public-accounts-committee-chairman-mukul-roy/ Fri, 09 Jul 2021 16:49:04 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3675 রানার ডেস্ক : যেমন ভাবা তেমন কাজ । মুকুল রায়কে শেষ পর্যন্ত পাবলিক একাউন্টস কমিটির ( Public Accounts Committee ) মাথায় বসালো সরকার। সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ( Speaker Biman Banerjee )। মুকুল রায় ( Mukul Roy ) বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেবার পর থেকেই এখবর বাজারে ভেসে বেড়াতে থাকে, তৃণমূল সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুকুল রায়কেই পিএসসি চেয়ারম্যান ( PSC Chairman ) করা হবে।

ভারতীয় সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি মেনে চিরকালই বিরোধীদলের সুপারিশ করা বিধায়ককে পিএসসি চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়। স্বাধীনতার পর থেকে পার্লামেন্টে এবং বিভিন্ন বিধানসভাগুলোতে এই রীতি অনুসরণ করে আসা হচ্ছে। পাবলিক একাউন্ট কমিটির কাজ সরকারের খরচের ওপর নজর রাখা। সরকারি কাজকর্মে স্বচ্ছতা ধরে রাখতেই বিরোধী শিবিরের নেতাকে পিএসসি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়ার রীতি চলে আসছে।

তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর মানস ভূঁইয়াকে ( Manas Bhunia ) ওই চেয়ারে বসিয়ে প্রথম এই রীতি লঙ্ঘন করে। মানস ভুঁইয়া কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেবার পর তাকে বসানো হয়েছিল পিএসসি চেয়ারম্যান পদে। যদিও বিরোধী শিবির থেকে বাম এবং কংগ্রেসের সুপারিশ ছিল সুজন চক্রবর্তীকে ( Sujan Chakraborty ) পিএসসি চেয়ারম্যান করা হোক। বিরোধীদের সুপারিশ খারিজ করে দিয়ে, সরকার বা স্পিকার সেসময় যুক্তি দেখিয়ে ছিল মানস ভুঁইয়া কংগ্রেসের থেকে নির্বাচিত বিধায়ক।

মানস ভুঁইয়া বিরোধী শিবিরের বিধায়ক বললেও, বাস্তবে মানস বাবু নাম লিখিয়ে বসে আছেন তৃনমূল শিবিরে। সংবিধানে স্পিকারের হাতেই সমস্ত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে তিনি কাকে পিএসসি চেয়ারম্যান করবেন কাকে করবেন না। ফলে একে আদালতে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না বিরোধীরা। যেহেতু আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, সেইহেতু সুযোগের সদ্ব্যবহার করে স্পিকার এই সিদ্ধান্ত নিলেন বলে মনে করছে বিজেপি।

আজ মুকুল রায়ের নাম ঘোষণার পর তীব্র প্রতিবাদ করা হয় বিজেপির শিবির থেকে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) জানিয়ে দেন, বিধানসভার যতগুলো স্ট্যান্ডিং কমিটির মাথায় বিজেপি বিধায়করা চেয়ারম্যান হয়েছেন তারা সবাই পদত্যাগ করবেন। তারা শুধু সদস্য হিসেবেই থাকবেন কমিটিতে। চেয়ারম্যান পদে কেউ থাকবে না।

বামেদের মন্তব্য, মূল্যবোধের মাথা খেয়ে পিএসসির মাথায় বসানো হয়েছে মুকুল রায়কে। এই সরকার অতীতে একই ঘটনা ঘটিয়েছে। আবারও একই ঘটনা ঘটল। বারবার গণতান্ত্রিক রীতি নীতি আদর্শ- মূল্যবোধকে পদদলিত করছে এই সরকার ,অভিযোগ বাম শিবিরের।

]]>
পিএসি’র মাথায় মুকুল? বিধানসভায় ফের রীতি লঙ্ঘনের আশঙ্কা https://runnerbangla.com/west-bengal-legislative-assembly-neglect-democratic-norms-mukul-roy/ Wed, 23 Jun 2021 14:54:15 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2852 রানার ডেস্ক : পিএসি চেয়ারম্যান বিতর্ক ( PAC Chairman Debate ) মাথাচাড়া দিল বঙ্গ বিধানসভায় ( Bengal Legislative Assembly )। গত ৫ বছর ধরেই এই বিতর্ক চলে আসছে। এবারও পিছু ছাড়ল না পিএসি চেয়ারম্যান বিতর্ক। কুড়ি সদস্যের পাবলিক একাউন্ট কমিটির চেয়ারম্যান পদে তৃনমূল বসাতে চাইছে মুকুল রায়কে ( Mukul Roy )। বুধবার তিনি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হবার জন্য মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। লোকসভা, বিধানসভা সর্বত্রই এটাই রীতি, বিরোধী দলের কোনও সদস্যকে পিএসির মাথায় বসানো হবে, বা তাকে চেয়ারম্যান করা হবে।

উদাহরণ হিসেবে লোকসভায় সর্ববৃহৎ বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা অধীর চৌধুরীকে পিএসির মাথায় বসানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় যাকে পিএসির ( PAC ) মাথায় বসানোর চেষ্টা করছে শাসক দল তিনি মুকুল রায়,যিনি সদ্য দলবদল করে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে ( TMC ) অর্থাৎ শাসক দলে নাম লিখিয়েছেন। বিরোধী বিজেপি দলের অভিযোগ, রীতি ভঙ্গ করে শাসকদলের একজনকে পিএসির মাথায় বসানো গণতন্ত্র বিরোধী।তারা বলছেন, মুকুল রায়ের বিজেপির ( BJP ) বিধায়ক পদ থাকারই কথা নয়।

ইতিমধ্যে তার বিধায়ক পদ খারিজের জন্য স্পিকারের ( Speaker ) কাছে দাবি পত্র পেশ করেছেন । এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে কি করে একজন দলত্যাগ বিরোধী আইন লঙ্ঘনকারী বিধায়ককে পিএসির মাথায় বসানো যেতে পারে তানিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০১৬ সালে পিএসসির মাথায় বসানোর জন্য কংগ্রেস এবং বামেদের জোটের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয়েছিল সুজন চক্রবর্তীর নাম। সেবারও রীতি ভেঙে দেয়া হয়েছিল মানুষ ভূঁইয়াকে।

কাগজে-কলমে মানস বাবু ছিলেন কংগ্রেসের বিধায়ক অর্থাৎ বিরোধী শিবিরের বিধায়ক।বাস্তবে তিনিও দলবদল করে নাম লিখিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। মানস বাবুর বিধায়ক পদ খারিজ তো দূর তাকে উল্টে সম্মানিত করা হলো। পিএসির মাথায় বেশ কিছুদিন বসে ছিলেন তিনি, তারপর মানস বাবুকে রাজ্যসভায় পাঠানো হয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। শূন্যস্থানে রীতি মেনে বসানো হয়েছিল কংগ্রেসের বিধায়ক সুখবিলাস বর্মাকে।

২০২১ এ এসে সে একই পথ অবলম্বন করবেন স্পিকার? কাগজে-কলমে একজন বিরোধীদলের বিধায়ককে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন? বিরোধীদের পক্ষ থেকে ছটি নাম জমা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে আছেন অশোক লাহিড়ী। অর্থনীতির বিশেষজ্ঞ অশোক লাহিরিকে পিএসি চেয়ারম্যান পদ দেবের প্রস্তাব দিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে ১৪টি নাম জমা পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। মোট ২০ জনের মধ্য থেকে মুকুলকে বেছে নেবেন স্পিকার?

এদিকে বিজেপি সূত্রের খবর, স্পিকারের কাছে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের যে দাবী পেশ করেছেন সে ব্যাপারে স্পিকার যদি যথাযথ পদক্ষেপনা নেন, তাহলে বিষয়টি নিয়ে তারা আদালতের দ্বারস্থ হবেন। দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী একজন বিধায়ক দল ত্যাগ করে যদি অন্য দলে যান, সে ক্ষেত্রে তার সদস্যপদ খারিজ হওয়ার কথা। নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ বিধায়ক কোন দল ত্যাগ করলে সেই ৩৩ শিতাংশ বিধায়ক গোষ্ঠী বিধানসভায় স্বীকৃতি পান।

তাদের বিধায়ক পদ বজায় থাকে। কিন্তু সেটা না হলে বিচ্ছিন্নভাবে একজন-দুজন গেলে তার বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই নিয়মের ব্যতিক্রম হচ্ছে বলে ইতিমধ্যেই অভিযোগ করেছে বিজেপি। তারা জানিয়েছে আইনকে যেভাবে বুড়োআঙুল দেখানো হচ্ছে তার বিরুদ্ধে আদালতে যাবে বিজেপি।

]]>
মুকুল হটাও, স্পিকারের দরবারে আজ দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু https://runnerbangla.com/suvendu-adhikari-mukul-roy-west-bengal-legislative-assembly-speaker/ Fri, 18 Jun 2021 10:50:36 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2644 রানার প্রতিবেদন : বিধায়ক পদ থেকে মুকুল রায়ের ( Mukul Roy ) সদস্যপদ খারিজ এর দাবি জানিয়ে আজ স্পিকারের ( Speaker ) কাছে চিঠি জমা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari )। বিজেপি বিধায়ক এবং বিজেপি পরিষদীয় দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গত সোমবারই চিঠি দেবার কথা বলেছিলেন। সেদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে এসে প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছিলেন, “মুকুল রায়কে ২৪ ঘন্টা সময় দেওয়া হলো তিনি যেন এই সময়ের মধ্যে বিধানসভার সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।”

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে উত্তর কৃষ্ণনগর ( Krishnanagar ) বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হয়েছেন মুকুল রায়। তিনি দলত্যাগ করে যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে ( TMC )। স্বভাবতই দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী তার সদস্যপদ খারিজ হওয়ার কথা। মুকুল রায় যদি নিজে থেকে বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ না করেন সেক্ষেত্রে অভিযোগের প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ তার বিধায়ক পদ খারিজ করতে পারেন।

গত সোমবার শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেন , মঙ্গলবার এর মধ্যে মুকুল রায়কে পদত্যাগ করতে হবে নতুবা তারা বুধবার স্পিকারের কাছে দাবি জানাবেন মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য। বুধবার বিধানসভা ভবন বন্ধ ছিল জামাই ষষ্ঠী উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকার জন্য। বৃহস্পতিবারও বন্ধ ছিল স্পিকারের দফতর। আজ শুক্রবার অধ্যক্ষের দফতরে গিয়ে চিঠি জমা দেন বিজেপির বিধায়করা।

চিঠিতে দাবি করা হয়েছে মুকুল রায় উত্তর কৃষ্ণনগর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছেন এবং জিতেছেন। ভোটের পর তিনি দলত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী তার সদস্যপদ খারিজ করা উচিত, এই দাবি জানানো হয়েছে চিঠিতে। বিজেপি পরিষদীয় দলের বক্তব্য, তারা চিঠি দেওয়ার পর ১৫ দিন অপেক্ষা করবেন অধ্যক্ষ কি পদক্ষেপ নেন তা দেখার জন্য।

অধ্যক্ষ তাদের দাবিতে যদি সাড়া না দেন তাহলে আইনের আশ্রয় নেবেন তারা। বিজেপি সূত্রের খবর ইতিমধ্যে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব যোগাযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও আইনজীবী রবিশঙ্কর প্রসাদ এর সঙ্গে। বিজেপির অভিযোগ, গত ১০ বছরে একাধিক দলত্যাগের ঘটনা ঘটলেও স্পিকার ব্যবস্থা নেননি। বারবার অভিযোগ জমা পড়া সত্বেও তার কোনো সুরাহা হয়নি। এবারও যদি একই ঘটনা ঘটে? এই প্রশ্ন মাথায় রেখেই আদালতের দ্বারস্থ হবার কথা ভাবছেন তারা।

]]>
BREAKING : মুকুলকে ২৪ঘন্টা সময় বেঁধে দিলেন শুভেন্দু https://runnerbangla.com/suvendu-adhikari-fixed-mukul-roy-24-hours-for-resign-mla-position/ https://runnerbangla.com/suvendu-adhikari-fixed-mukul-roy-24-hours-for-resign-mla-position/#respond Mon, 14 Jun 2021 15:10:44 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2468 রানার ডেস্ক : মঙ্গলবারে মধ্যেই বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে মুকুল রায়কে ( Mukul Roy )। দলবদলু মুকুল রায়কে কার্যত চরমপত্র বেঁধে দিলেন বিজেপি নেতা এবং বিধানসভায় বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari )। তিনি বলেন, “মঙ্গলবারের মধ্যে মুকুল রায় ইস্তফা না দিলে, আমারা বুধবারই স্পিকারের কাছে মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ করার দাবি জানাবো।

আমরা এরপর স্পিকার কি পদক্ষেপ নেন সেটা দেখার জন্য আমরা ১৫ দিন অপেক্ষা করবো। স্পিকার যদি এই সময়ের মধ্যে কোনও ব্যবস্থা না নেন, তাহলে আমরা সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের ( Supreme Court ) দ্বারস্থ হবো। গত দশ বছর ধরে এই রাজ্যে এন্টি ডিফেকশন ল ( Anti Defection Law ) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। অভিযোগ বিজেপির। আজ বিজেপির ৫১ জন বিধায়ক বিধানসভা থেকে পদযাত্রা করে রাজভবনে এসে পৌঁছন বিকেল চারটার সময়।

নজিরবিহীনভাবে রাজ্যপাল ( Governer ) এদিন তাদের সঙ্গে কথা বলেন খোলা বারান্দায় এসে। দীর্ঘ সময় ধরে তাদের সঙ্গে কথা বলার পর রাজভবনের ভেতরেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, “বিজেপি বিধায়কদের অভিযোগ এরাজ্যে গত দশ বছর ধরে দলবদল আইন প্রয়োগ করা হয় না। আমি এটা এবার নিশ্চিত করবো, যাতে দলবদল আইন যথার্থ ভাবে কার্যকর করা হয়।”

এরপর রাজভবনের বাইরে এসে বিরোধী দল নেতা বলেন, রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক সন্ত্রাস, রাজ্যের আইন শৃখলা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে দলবদল আইন যাতে প্রয়োগ করা হয় তা নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

]]>
https://runnerbangla.com/suvendu-adhikari-fixed-mukul-roy-24-hours-for-resign-mla-position/feed/ 0
বিজেপি ভাঙতে মাঠে নামলেন মুকুল, দেখে নিন এই মুহূর্তে কারা তাঁর নিশানায় https://runnerbangla.com/mukul-roy-desperate-to-break-bjp-party-in-west-bengal-after-tmc-jaining/ https://runnerbangla.com/mukul-roy-desperate-to-break-bjp-party-in-west-bengal-after-tmc-jaining/#respond Sat, 12 Jun 2021 14:41:58 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2370 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : বিজেপি ভাঙ্গানোর খেলা শুরু করলেন মুকুল রায়। বাংলার রাজনীতিতে দল ভাঙানোর খেলায় তিনি যে অত্যন্ত দক্ষ তা অনস্বীকার্য। তৃণমূলের হয়ে কংগ্রেসকে কার্যত গিলেই ফেলে ছিলেন মুকুল। বিজেপিতে গিয়ে তৃণমূলকে ভাঙতে একসময় চেষ্টার ত্রুটি রাখেন নি। এখন তৃণমূলে ফিরেই আবার নিজের কাজে নেমে পড়েছেন তিনি।

এবার তার নিশানায় বিজেপি। শনিবার অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রীটের অফিসে দীর্ঘক্ষন বৈঠক করেন মুকুল। সূত্রের খবর, বিজেপি মুকুল ঘনিষ্ঠ কিংবা অন্য কারা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করতে পারে, সেই নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। আপাতত তিনজন হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদের নাম শোনা যাচ্ছে। ব্যারাকপুরের সংসদ অর্জুন সিং, বাঁকুড়ার সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক।

এই তিনজন আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিতে পারে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মুকুল রায়কে তাঁরা সম্মতি জানিয়েছেন বলে মুকুল ঘনিষ্ঠ সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আরও বড় অংশের বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে প্রাথমিক কথা বলেছেন মুকুল রায়। শুক্রবার রাতেই অনে একাধিক বিধায়ককে প্রস্তাব দিয়েছেন মুকুল।

রাতেই উত্তরবঙ্গের এক সাংসদের (নিশীথ প্রামাণিক) কাছে ফোন যায়। বিধায়কদেরকেও মুকুল ফোন করেছিলেন। সেই বিধায়করা হলেন শিখা চট্টোপাধ্যায়, মিহির গোস্বামী, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, নরহরি মাহাতো, বিশ্বনাথ কারক, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ দাস, সত্যেন রায়। মুকুল রায় রাতেই ফোন করেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে।

যদিও এর মধ্যে কয়েকজন বিধায়ক সঙ্গে সঙ্গে দলকে ফোন করে জানিয়ে দেয় মুকুল রায় দল ভাঙ্গানোর চেষ্টা করছেন। চার পাঁচ-জন। বিধায়ক (শিখা, সুদীপ, নরহরি, বিশ্বনাথ) বিজেপি নেতৃত্বকে জানিয়ে দেন মুকুল রায় ফোন করে মোটা অর্থের প্রলোভন দিয়েছেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনো পর্যন্ত বিজেপি নেতৃত্ব সেভাবে মুখ খোলেনি।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসতে তোড়জোড় শুরু করেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। হাওড়া ডোমজুড় এর এই প্রাক্তন বিধায়ক শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেখা করেন। তাহলে কি তৃণমূলের ফিরতে চলেছেন রাজিব? প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য পুরো বিষয়টিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

যদিও বিষয়টি নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমরা প্রমান করে দিয়েছি রাজিব একটা শূন্য। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন বিশ্বাসঘাতকদের দলে ফেরানো হবে না। কিন্তু বিশ্বাসঘাতকের মাপকাঠি কোনটা সেটা বলতে পারবো না। আমি দলের একজন কর্মী। আমার আপত্তি দলকে জানাবো।

তারপর পুরো বিষয়টি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিবেচনাধীন। একই বক্তব্য শোনা গিয়েছে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর গলাতেও। মুকুল ঘনিষ্ঠ সব্যসাচী দত্ত বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে পারেন। এই জল্পনা মাথাচাড়া দিতে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুজিত।

বলেছেন, অশুভ লোকের হাত থেকে সাধারণ মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে। আপত্তির কথা দলকে জানাব। দিদি তো কালকে বলেই দিয়েছে যারা দলের ক্ষতি করেছে তাঁদের নেওয়া হবে না। আমার দলের উপর ভরসা আছে, বিশ্বাস আছে।

]]>
https://runnerbangla.com/mukul-roy-desperate-to-break-bjp-party-in-west-bengal-after-tmc-jaining/feed/ 0
কেন তৃনমূলে ফিরলেন মুকুল ? জটিল এক নেপথ্য কাহিনী দল বদল ঘিরে https://runnerbangla.com/why-mukul-roy-return-to-tmc-complexity-behind-the-scenes-story/ https://runnerbangla.com/why-mukul-roy-return-to-tmc-complexity-behind-the-scenes-story/#respond Sat, 12 Jun 2021 03:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2318 Mukul Roy : গতকাল সকাল থেকে সমস্ত খবর দখল করে নিয়েছিলেন মুকুল রায় ( Mukul Roy )। জল্পনা সত্যি করে দুপুরের পর যোগ দিলেন তৃনমূলে ( Trinamool Congress- TMC )। এসব দৃশ্য বাংলার মানুষকে অবশ্যই ঝাকুনি দিয়েছে যথেষ্ট। যে মানুষটার রাজনৈতিক উত্থান হয়েছিল মমতার হাত ধরে, তৃণমূলে তিনিই ছিলেন সেকেন্ড ইন কমান্ড। কিন্তু জেলের ভয় পেয়েছিলেন মুকুল। সারদা কাণ্ডে ( Saradha Chit Fund ) তাঁকে গ্রেফতার করে জেলে পুরে দেবে এই আতঙ্কে ঘোষণা করেই তৃনমূল ছেড়ে দেন তিনি।

পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিড়ে যান গেরুয়া শিবিরে। তার নতুন দলে যাত্রা স্থায়ী হলো মাত্র তিন বছর আট মাস। আবার ফিরে গেলেন পুরনো ঘরে। কেন? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে গভীর জটিল গহ্বরে। প্রথম কারন, মুকুল সম্পর্কে সাধারণের মধ্যে প্রচলিত ধারনায় প্রভাবিত হয়েছিলেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ( Kailash Vijayvargiya )। মুকুল একজন চাণক্য, তার হাতের মুঠোয় আছে তৃনমূল দলটা।

তিনি চাইলেই তৃনমূল ভেঙে চুরমার করে দিতে পারেন এবং তার রণকৌশল অনুযায়ী দল এগিয়ে যাবে সাফল্যের শিখরে। অচিরেই ভুল ভাঙলো বিজেপি ( BJP ) নেতাদের। তারা দেখলেন, তৃনমূল দলে একজনের কথাই শেষ কথা তিনি মমতা ব্যানার্জি ( Mamata Banerjee )। মুকুল দু’একজন বিক্ষুব্ধকে গেরুয়া ছাতার নিচে আনতে পারলেও দলে আঁচড়টুকু কাটতে পারেননি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলেন, যিনি সত্যি উঁচু মাপের নেতা হবার ক্ষমতা রাখেন, যিনি তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ধরেন, তিনি কোনও দিনই মমতা ব্যানার্জির সুনজরে থাকেননি।

তাদের নানাভাবে দলে কোণঠাসা হয়েই থাকতে হয়েছে। যেমন অজিত পাজা, পঙ্কজ ব্যানার্জি, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় কিংবা সৌগত রায়ের রাজনৈতিক জীবন দেখলেই তা স্পষ্ট। যার নিজস্ব ক্ষমতা সীমিত, যিনি ইয়েস বস হয়ে থাকতেই চান, তিনি একমাত্র থাকতে পারেন তৃনমূল নেত্রীর ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মধ্যে এবং দলে যার উত্থানও হয় মসৃনভাবে। মুকুল রায় দলের সংগঠনের দায়িত্ব হাতে পেয়েছিলেন দল ক্ষমতায় আসার পর, শাসক দলের হয়ে সংগঠন বিস্তার কোনও কঠিন কম্ম নয় বলেই মত পর্যবেক্ষকদের।

তাদের দাবি, মুকুলকে তৃনমূল নেত্রী কাঁধের ওপর বসিয়ে রেখেছিলেন বলেই তার উচ্চতা এত বেশি দেখাতো। মমতার কাঁধ থেকে নেমে আসতেই মুকুলের আসল উচ্চতা সামনে চলে আসে। লোকসভায় মোদির ক্যারিশমা, পুলওয়ামা হত্যাকান্ড, ভারত-পাক সংঘর্ষের আবহ, পাকিস্তানের কাছ থেকে গ্রেফতার পাইলট অভিনন্দন বর্তমানকে ছিনিয়ে আনা, সব মিলিয়ে এমন এক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যার ঢেউয়ে চেপে নজিরবিহীন সাফল্য পায় বিজেপি।

যে ঢেউ আছড়ে পড়েছিল এরাজ্যেও। পশ্চিমবঙ্গের সাফল্যের জন্য মুকুলের কোনও অবদান ছিল বলে মনে করেননি দিল্লির নেতারা। ফলে মুকুল থেকে যান উপেক্ষার আড়ালে। কোনও পদ ছাড়াই সাধারণ সদস্য হয়ে। এসময়ই মুকুল আবার তৃণমূলের দিকে পা বারবার ইঙ্গিত দিতে শুরু করেন। ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেন কৈলাশ, তার অনুরোধেই মুকুলকে দলের কেন্দ্রীয় পদ দিয়ে সেই যাত্রা নিরস্ত্র করা হয়।

কৈলাসের বিশ্বাস ছিল, মুকুলকে দিয়ে কাজ হবে। কিন্তু দিল্লির মনে হয়, মুকুল সেই আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আসরে নামছেন না। দ্বিতীয়ত সারদা মামলা সামনে এনে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা নিয়ে মুকুলকে কার্যত উপেক্ষা করছিল বিজেপি। দিল্লি চেয়েছিল সারদা মামলার জালে তৃণমূলকে টেনে আনলে প্রতিপক্ষকে অনেকটাই গুঁড়িয়ে দেয়া যাবে। কিন্তু মুকুলকে দলে কেন্দ্রীয় পদ দেবার পর, সারদা-নারদা দুটো মামলাই কার্যত ফাইলবন্দী হয়ে পড়ে।

কারন দুটো মামলাতেই জড়িয়ে মুকুল রায়ের নাম। মুকুলকে বড় পদে এনে তাকে নেতার মর্যাদা দেয়া হলেও মুকুল কিন্তু সেই উৎসাহ নিয়ে লড়াইয়ে তীব্রতা আনতে পারেননি। এমনকি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, নদিয়ায় তিনি ভোটে লড়লেন কিন্তু জেলার অন্য কোনও প্রার্থীর হয়ে প্রচারে তাকে দেখা গেল না। এমনকি নিজের কেন্দ্রেও তাঁকে তেমনভাবে প্রচারে দেখা যায়নি। ওই কেন্দ্রটিতে যেহেতু বিজেপির একচ্ছত্র আধিপত্য আছে, তাই জিততে অসুবিধা হয়নি।

অন্যদিকে তৃনমূল নেত্রীর চোখে চোখ রেখে তীব্র লড়াই দিয়েছেন শুভেন্দু। সংঘাতের তুঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন নন্দীগ্রামকে। ফলে দুটো পাশাপাশি রেখে তুলনা হয়েছে দলে। ভোট শেষ হতেই বিরোধী দল নেতার দায়িত্ব দেওয়া হয় শুভেন্দুকে। সিনিয়র নেতা মুকুলকে উপেক্ষা করে হালে দলে আসা শুভেন্দুর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। বার্তা পৌঁছে যায় মুকুলের কাছে। ভোট শেষ হতেই রাজ্যজুড়ে তৈরি হয় সন্ত্রাসের পরিবেশ।

বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনা, ধর্ষণ, এমনকি বাড়ি ছাড়া হতে হয় অনেককে। এই অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। এরপরই ঘটে নারদ কান্ডে চারজনের গ্রেফতার। দলের একাংশ চায় সারদা কাণ্ডে ঝাঁপিয়ে পড়ুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান মুকুল। দলের কেন্দ্রীয় নেতা জড়িয়ে পড়লে দলের ভাবমূর্তি ঘা লাগবে বলেই সারদার ফাইলে ধুলোর আস্তরণ পুরু হতে থাকে। দলকে বাঁচাতে, দলীয় কর্মীদের ওপর আক্রমণে রাশ টানতে পাল্টা ব্যবস্থা নেবার ক্ষেত্রে এই মুকুল নামক এই প্রতিবন্দকতাকে আবার উপেক্ষার আড়ালে ঠেলে দেওয়া হয়।

মুকুল বুঝতে পারেন গেরুয়া শিবিরে চিরকাল তাকে বহিরাগত হিসাবেই থাকতে হবে। আবার তিনি যোগাযোগ করেন তৃণমূলের সঙ্গে। বিজেপির অন্দরে খবর , শুভেন্দুকে মাথায় তুলে নাচানাচি শুরু হতেই মুকুল তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছিলেন, এবং সেই অনুযায়ী পা ফেলতে শুরু করেছিলেন। যার প্রতিফলন হয়েছে মমতার গলায়,” ভোটের সময় মুকুল তৃণমূলের বিরুদ্ধে কোনও কথাই বলেনি।” ভোটের প্রচারে একদিন মমতা এও বলেছিলেন, মুকুলকে কোণঠাসা করে রেখেছে বিজেপি। ওকে প্রার্থী করা উচিত ছিল বাড়ির আশেপাশে, তা না করে পাঠানো হয়েছে কৃষ্ণনগরে।

মুকুল বিজেপি ছেড়ে তৃনমূলে আসতেই অভিষেক মনু সিংভির টুইট, “বিজেপি এখন সারদা নিয়ে কি করবে, সেটা দেখাই মজার বিষয় হয়ে উঠবে।” তৃনমূল ইঙ্গিত দিয়েছে, সারদার ফাইল খুললে তারা উটলে সেটার রাজনৈতিক লাভ তোলার চেষ্টা করবেন প্রতিহিংসার তত্ত্ব খাড়া করে।

]]>
https://runnerbangla.com/why-mukul-roy-return-to-tmc-complexity-behind-the-scenes-story/feed/ 0
মুকুল ঘরের ছেলে, ঘরে ফিরে এসেছে, মন্তব্য মমতার https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/ https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/#respond Fri, 11 Jun 2021 13:00:58 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2291 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : দীর্ঘ ৩ বছর ৯ মাসের ব্যবধান। তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে ফের ঘাসফুলে ফিরলেন নেতা কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় ( Mukul Roy )। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে যে যোগদান পর্বকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) আখ্যা দিয়েছেন, ‘ঘরের ছেলে ঘরে ফেরা’। মুকুলের সঙ্গে তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায়ও তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন।

আগামী দিনে আরও বেশ কয়েকজন বিজেপির বিধায়ক এবং সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুকুল রায়। পাশাপাশি, মুকুলকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, মুকুল ঘরের ছেলে। ও ফিরে এসেছে। মানসিক ভাবেও এখন ভালো থাকবেন। বিজেপিতে কেউ ভালো থাকতে পারে না।

ওখানে কোনও গণতন্ত্র নেই। শুধু শোষণ চলে। পাশাপাশি মুকুলের সঙ্গে কোনওদিন মত বিরোধ ছিল না বলেই জানিয়েছেন মমতা। মুকুলকে ভয় দেখিয়ে মানসিক অত্যাচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী। নেত্রীর বক্তব্যে সায় দিয়ে মুকুল রায় শুধু বলেছেন, পুরনো জায়গায় এসেছি। পুরনো মানুষজনকে কাছে পেয়ে ভাল লাগছে। এখন দেশের ভবিষ্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যদিও তৃণমূল ভবন সূত্রে খবর, এদিন তৃণমূল ভবনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হওয়ার পর হাত জোড় করে পায়ে হাত দিয়ে তৃণমূল নেত্রীকে প্রণাম করেছেন মুকুল। বলেছেন, বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছে। বড় ভুল করে ফেলেছি। ক্ষমা করে দাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ছিলেন মুকুল। একটা সময় কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড বলে পরিচিত ছিলেন তিনি।

সংগঠনে তিনি ছিলেন শেষ কথা। মুকুল তাঁর এতটাই আস্থাভাজন ছিলেন যে তাঁর সিদ্ধান্তে শুধু সীলমোহর দিতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এহেন ‘মধুর’ সম্পর্ক ধাক্কা খেল ২০১৭ সালে। সারোদা এবং নারদা ( Narada ) কাণ্ডে নাম জড়িয়ে সিবিআই ( CBI ) নোটিশ পেলেন মুকুল। ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছিলেন, তিনি কখনওই জেলে যাবেন না। সেই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বেড়ে ওঠা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Abhishek Banerjee ) কর্তৃত্ব নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে মতবিরোধ তৈরি হচ্ছিল মুকুলের।

শেষমেষ, ২০১৭ সালের দুর্গাপুজোর পঞ্চমী দিন নিজাম প্লেসে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার কয়েক সপ্তাহ পর বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল। দীর্ঘ কয়েক বছর কার্যত কোনও ভালো পদ ছাড়াই বিজেপিতে ছিলেন তিনি। ২০২১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুকুল রায়কে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদে ছিল বিজেপি। সেই সঙ্গে কৃষ্ণনগর ( Krishnanagar ) উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে জয় পান তিনি।

মুকুলের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদানের খবর চাউর হতে সকাল থেকেই বহু বিজেপি ( BJP ) নেতার ফোন এসেছে বলে সূত্রের খবর। কিন্তু সেই ফোন তিনি ধরেননি। যদিও এই বিষয়টি গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ( Dilip Ghosh )। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, কেউ যেতে চাইলে যাবে। তবে উনার থাকাতে বিজেপির কোনও লাভ হয়নি। না থাকাতেও কোনও ক্ষতি হবে না। স্বাভাবিকভাবেই এই যোগদান ঘিরে আলোরন পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

এদিন মুকুল বলেন, আরও অনেকেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসবে। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মুকুল ভোটের সময় তৃণমূল সম্পর্কে কোনও খারাপ কথা উল্লেখ করেনি। কিন্তু যাঁরা বিজেপিতে গিয়ে নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন, সেই গদ্দারদের কখনওই দলে ফেরানো হবে না। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেসের কোর গ্রুপ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/feed/ 0
শুভেন্দুকে নেতা মানতে সমস্যা ? মুকুলকেও গুরুত্বপূর্ন পদ দেবার কথা ভাবছে দল https://runnerbangla.com/problems-accepting-suvendu-adhikari-as-leader-bjp-west-bengal-important-posts-to-mukul-roy/ https://runnerbangla.com/problems-accepting-suvendu-adhikari-as-leader-bjp-west-bengal-important-posts-to-mukul-roy/#respond Thu, 10 Jun 2021 13:37:13 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2250 রানার ডেস্ক : সাম্প্রতিক কালে নিজের এবং স্ত্রীর অসুস্থতা জনিত কারণে নিজেকে চারদিক থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন মুকুল রায় ( Mukul Roy )। যৎসামান্য যা মুখ খুলেছেন তাতে রাগ-ক্ষোভ ঝরে পড়ছে মুকুলের। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, দলীয় নেতৃত্বের ওপর কোনও কারণে রেগে আছেন মুকুল রায়। এনিয়ে দলের দুই অংশের দুটি ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। এক, মুকুল এখন বিজেপিতে আর নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছেন না।

ফলে নিজের পুরনো দল তৃণমূলে ফেরাই ঠিক মনে করছেন। ইতিমধ্যে তৃণমূল থেকে আসা বেশকিছু বিজেপি নেতা আবার ফিরে যেতে চাইছেন তৃনমূলে। এদের দলে ফেরৎ আসার আগ্রহ দেখে তীব্র কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না তৃণমূলের একাংশ নেতা। অথচ বিস্ময়ের হলো, মুকুল নিয়ে তারা চুপ। এমনকি সৌগত রায় ( Saugata Roy ) প্রকাশ্যেই বলেছেন, বাকিদের সঙ্গে মুকুলকে গুলিয়ে ফেললে হবে না। ওর বিষয়টা আলাদাভাবে খতিয়ে দেখা উচিত দলের।

ইঙ্গিত স্পষ্ট, মুকুলের জন্য দরজা খোলা। দ্বিতীয় ব্যাখ্যা, মুকুল দীর্ঘদিন ধরেই দলে নিজেকে উপেক্ষিতই মনে করেছিলেন। ভোটের আগে হৈচৈ পরে পরে গিয়েছিল, তার দল বদলের খবরে। মুকুলকে ধরে রাখতে তৎপর হয় বিজেপি ,এবং তাকে কেন্দ্রীয় সহ সভাপতির পদ দিয়ে সেই যাত্রায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। এবার? এবার নাকি মুকুল প্রচন্ড ক্ষুব্ধ বিরোধী দল নেতার পদ থেকে তাকে বঞ্চিত করায়। বিজেপিতে শুভেন্দুর থেকে সিনিয়র এবং পদ অনুযায়ী এগিয়ে মুকুল।

সাংগঠনিকভাবে তৃণমূলেও শুভেন্দুর ( Suvendu Adhikari ) মাথার ওপরেই ছিলেন মুকুল। সুতরাং বিধানসভায় শুভেন্দুর নেতৃত্বেই এখন কাজ করতে হবে মুকুলকে। এই ঘটনা পোড় খাওয়া নেতার সম্মানে যথেষ্ট আঘাত দিয়েছে, এনিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ফলে দিলীপ ঘোষের ( Dilip Ghosh ) নার্সিং হোম ছুটে যাওয়াকে কটাক্ষ করা কিংবা মঙ্গলবার বৈঠকের বিষয়ে নিজের অজ্ঞতার কথা প্রকাশ করা, এসবই তার বর্তমান মানসিক অবস্থার প্রতিফলন।

এই পরিস্থিতিতে মুকুলের মান ভঞ্জনের উপায় নিয়ে দলে আলোচনা শুরু হয়েছে। দুটো বিকল্প এখন খোলা দলের সামনে। এক মুকুলকে বিধানসভার পাবলিক একাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করা। এই পদটি নিয়ম মেনে বিরোধীরা পায়,এবং পদটি ক্যাবিনেট মন্ত্রীর পদ মর্যাদার। নতুবা বিধানসভায় ইস্তফা দিয়ে মুকুল যদি রাজ্যসভায় গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে পারেন।


আরও পড়ুন : তৃণমূলে ফিরে ওরা আবার কুকুরের মতো বাঁচতে চায়, বিস্ফোরক সৌমিত্র


পাবলিক একাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদে দলের অনেকে বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহিরিকে বসানোর পক্ষে সওয়াল করছেন। অশোক লাহিড়ী শুধু অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ নন, তিনি ভারত সরকারের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। সেক্ষেত্রে মুকুল রায়কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করা হলে হয়ত সমস্যার সমাধান করা যাবে। আপাতত একাধিক বিকল্প নিয়ে ভাবছে দিল্লি নেতৃত্ব।

]]>
https://runnerbangla.com/problems-accepting-suvendu-adhikari-as-leader-bjp-west-bengal-important-posts-to-mukul-roy/feed/ 0