Abhishek Banerjee – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 28 Jul 2021 09:01:24 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Abhishek Banerjee – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 অতীত থেকে শিক্ষা? গত পঞ্চায়েতের কায়দায় পুরভোটে চাইছে না তৃনমূল https://runnerbangla.com/trinamool-congress-reluctant-municipal-vote-like-last-panchayat-election/ Wed, 28 Jul 2021 08:37:40 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4540 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভার ( KMC ) সহ রাজ্যের ১২৫টি পুরসভার নির্বাচন ( Municipal Election ) বাকি রয়েছে। নির্বাচন কবে হবে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু পুর নির্বাচনে কোন ধরনের গন্ডগোল, রিগিং, জালিয়াতি করা চলবে না। বুথ জাম, বিরোধী প্রার্থীকে মনোনয়ন দাখিল করতে না দেওয়া, এজেন্ট বসতে না দেওয়ার মতো ঘটনা বরদাশ্ত করা হবে না। সম্প্রতি ঘরোয়া বৈঠকের নিজের ঘনিষ্ঠমহলে এমনটাই মনোভাব স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ( Abhishek Banerjee )।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, বৈঠকে অভিষেক বলেছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের ( Panchayet Election ) সন্ত্রাসের কুফল পেয়েছিল দল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভুক্ত হয়েছিল। যার পড়ে প্রায়শ্চিত্ত হয়েছে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের ওপর ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ, অবাধ এবং স্বচ্ছ। নির্বাচন কমিশনের নজরদারিতে এই ভোট নিয়ে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধীরা কোনও ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলতে পারেনি। তেমনি ভোট আগামী পুরসভা নির্বাচনে চাইছে দল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে দলের সাম্প্রতিক বৈঠকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বলে তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর। কারণ এই পুরসভা নির্বাচন যদি অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ না হয় তাহলে আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে তার ফল ভুগতে হতে পারে। প্রয়োজনে কিছু সংখ্যক পুরসভা হাতছাড়া হোক তাতে ক্ষতি নেই। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ পুরসভা তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকবে, তেমনটাই মনে করছে দল। প্রশান্ত কিশোরের আভ্যন্তরীণ সমীক্ষাতেও তেমনটাই উঠে এসেছে। তাছাড়া বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

ফলের পুরসভা নির্বাচনেও মানুষের সেই রায় খুব একটা এদিক-ওদিক হবার কথা নয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সন্ত্রাসের পথ না ধরলেও চলবে। সেই বার্তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহলে দলের শীর্ষনেতাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। সেই বৈঠকে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী উপস্থিত ছিলেন বলে খবর। কয়েকদিনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন সাংগঠনিক কাঠামো প্রকাশিত হবে। সেক্ষেত্রে নতুনদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। নির্বাচনে কোন ধরনের সন্ত্রাস দল বরদাস্ত করবে না। যাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাবমূর্তি নষ্ট না হয়। সেই বিষয়েই সতর্ক দল।

]]>
ফোন ট্যাপিং বিতর্কে ঘি ঢাললেন শুভেন্দু, “সব কল রেকর্ড আছে’ হুমকি জেলার এসপিকে https://runnerbangla.com/suvendu-adhikari-purba-medinipur-sp-pegasus-call-record-issue/ Tue, 20 Jul 2021 10:00:45 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4225 রানার ডেস্ক : পূর্ব মেদিনীপুর ( Purba Mednipur ) জেলার এসপি কে হুমকি দিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari )। গতকাল পূর্ব মেদিনীপুরের এসপির অফিসের সামনে ছোট্ট মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখান তিনি। সেখান থেকে ভাষণ দেওয়ার সময়। এসপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অভিষেক ব্যানার্জীর ( Abhishek Banerjee ) অফিসের সঙ্গে তার কতবার কথা হয়েছে, কী কথা হয়েছে, সব রেকর্ড করা আছে। এসপি অমরনাথ কে’র উদ্দেশ্যে হুমকি দিয়ে তিনি বলেন এমন কিছু করবেন না যাতে আপনাকে ভবিষ্যতে বারামুলা কিংবা এনন্তনাগে গিয়ে ডিউটি করতে হয়।

এসপিকে প্রকাশ্যেই কাশ্মীরে বদলি করে দেওয়ার হুমকি দিলেন শুভেন্দু। তার দাবি, অমরনাথ এখানে যা ইচ্ছে করছেন কারন পেছনে আছে তৃণমূল। তৃণমূলের আশীর্বাদের হাত মাথায় রয়েছে। একইসঙ্গে বিরোধী দল নেতা বলেন, এটাও মনে রাখা উচিত শুভেন্দু অধিকারীর পেছনে কেন্দ্রীয় সরকার রয়েছে। বিজেপির ( BJP ) হাত রয়েছে। এসপি যদি মনে করেন তৃণমূলের ক্ষমতায় বলীয়ান হয়ে যা খুশি তাই করবেন, সেটা সম্ভব নয় ।

শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবার পর নতুন সরকার গঠিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের । সেই সরকার ক্ষমতায় আসার পর শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তিন তিনটে মামলা রুজু করা হয়েছে। ত্রিপল চুরির অভিযোগ, দেহরক্ষী মৃত্যু-রহস্যে শুভেন্দু কে জড়িয়ে ফেলা এবং কাঁথি সমবায় ব্যাংকের দুর্নীতির অভিযোগ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। এর তিনটির মধ্যে দুটিতে সরাসরি ভূমিকা আছে এসপির। দেহরক্ষী মৃত্যুরহস্য উদঘাটন করতে নেমেছে সিআইডি ( CID )।

ত্রিপল চুরি এবং কাঁথি সমবায় ব্যাংক এ দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সক্রিয় জেলার এসপি। তাকেই হুমকি দিলেন। তিনি বললেন এমন কিছু করবেন না যাতে পূর্ব মেদিনীপুর ছেড়ে ডিউটি করতে যেতে হতে পারে জঙ্গী উপদ্রুত অনন্তনাগ কিংবা বারামুলায়। একই সঙ্গে যখন পেগাসাস ( Pegasus ) নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক চলছে, তার মধ্যেই তিনি প্রকাশ্যে বললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে এসপির কাছে কতবার ফোন এসেছে সব কল রেকর্ড আছে।

]]>
চলতি মাসেই রদবদল, তৃনমূল ছাত্রপরিষদের মাথায় আসছে নতুন মুখ https://runnerbangla.com/trinamool-congress-student-council-reshuffle/ Sun, 11 Jul 2021 08:23:02 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3759 #কলকাতা : চলতি মাসেই রদবদল ( Reshuffle ) হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে। প্রত্যেকটি জেলার সভাপতি বদল করা হবে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নেতৃত্বতেও বদল নিয়ে আসবে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বেশ কয়েকটি বড় জেলা লোকসভা ভিত্তিক ভাগ করা হতে পারে। নতুন জেলা সভাপতি বসানো হলেও তার তলায় মহকুমা ভিত্তিক জেলা ভাগ করে একজন করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হতে পারে বলেই তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর।

সবথেকে বেশি চর্চার বিষয়, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দায়িত্বেও কে আসবে। বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র পরিষদের দায়িত্বে রয়েছে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। শোনা যাচ্ছে তার জায়গায় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হতে পারে দলের অন্যতম যুব মুখপাত্র সুদীপ রাহাকে ( Sudip Raha )। প্রেসিডেন্সি প্রাক্তন ছাত্র সুদীপ সৌম্য দর্শন। ভালো কথা বলতে পারে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে একদম স্বচ্ছ ভাবমূর্তির সুদীপকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সুদীপের নামে নিজের সম্মতি দিয়েছেন। ফলে সুদীপ দৌড়ে এগিয়ে গেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কে হবে তার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিবেচনাধীন। অন্যদিকে, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতন একাধিক বড় জেলা সাংগঠনিকভাবে ভাগ করা হতে পারে বলে তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর। ইতিমধ্যেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি হিসেবে নারায়ন গোস্বামীকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা দলের অন্দরে একপ্রকার সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে।

নৈহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক পার্থ ভৌমিকও এই বিষয়ে নারায়ন গোস্বামীকে জানিয়ে দিয়েছেন বলেই সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। পার্থ ভৌমিক দলের অন্দরে অভিষেক ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তবে শেষ পর্যন্ত নারায়ণকে দায়িত্ব দেওয়া হবে নাকি জেলাকে ভাগ করে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে তা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যদিও দলের এক শীর্ষ নেতার বক্তব্য, জেলা সভাপতির পাশাপাশি মহকুমা ভিত্তিক বা লোকসভা ভিত্তিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হতে পারে।

বড় বড় জেলার ক্ষেত্রে এই কৌশল কাজে লাগানো হবে। উদাহরণ স্বরূপ ওই নেতা জানিয়েছেন, উত্তর ২৪ পরগনাকে মোটামুটি তিনটি ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি বসিরহাট এবং বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা, ব্যারাকপুর এবং বারাসাত সাংগঠনিক এবং দমদম সাংগঠনিক জেলা। এরমধ্যেও অবশ্য রদবদল হতে পারে। অন্যদিকে উত্তর কলকাতার বর্তমান জেলা সভাপতি রয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলনেতা তথা উত্তর কলকাতার সাংসদ।

তাকে সেই পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। দৌড়ে রয়েছেন কাশীপুরের তৃণমূল বিধায়ক অতীন ঘোষ এবং বেলেঘাটা তৃণমূলের জনপ্রিয় নেতা জীবন সাহা। যদিও দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি দেবাশীষ কুমারের অবশ্য পদ বদল হচ্ছে না। তাঁর জায়গায় যোগ্য কাউকে পাওয়া যায়নি বলেই তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর। ঠিক এভাবেই নদীয়া, দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব নিজের হাতে রাখতে পারেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের অন্দরে গুঞ্জন, ২১ জুলাইয়ের পর সম্ভবত ২৩ কিংবা ২৪ জুলাই সাংগঠনিক বৈঠক করে রদবদলের ঘোষণা করতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

]]>
মন্ত্রী না সভাপতি, কোনটা চান? দ্রুত জবাব চেয়ে নির্দেশিকা তৃণমূলের https://runnerbangla.com/trinamool-congress-one-person-one-post-policy/ Mon, 28 Jun 2021 07:29:06 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3032 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কে মন্ত্রী থাকতে চাও? কিংবা জেলা সভাপতি হয়ে কে খুশি আছেন? জেলা সভাপতি এবং মন্ত্রিত্ব, দুই দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের থেকে তাঁদের এই মতামত জানতে চাইল তৃণমূল কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। ঠিক ছিল, জুলাই মাস থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Mamata Banerjee ) দোলে কার্যকর হবে ‘এক ব্যক্তি এক পদ নীতি’ ( One Person One Post Policy )। যা দ্রুত কার্যকর হতে চলেছে বলে জল্পনা তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) অন্দরে। মনে করা হচ্ছে জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে সাংগঠনিক রদবদল করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেক্ষেত্রে একাধিক জেলার সাংগঠনিক শীর্ষ মহলের বড়সড় রদবদল হতে পারে। তার আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Abhishek Banerjee ) সঙ্গে বৈঠক করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই ঠিক হয়েছে দ্রুত এই নীতি কার্যকর করা হবে। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মলয় ঘটক, স্বপন দেবনাথদের মত নেতাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, যাঁরা ইতিমধ্যেই দ্বিমুখী দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। অন্যদিকে একাধিক মন্ত্রীকে জেলা সভাপতির পদ অফার করা হয়েছে।

এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের মতামত চেয়েছে শীর্ষ নেতৃত্ব। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক নিজের আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন। সূত্রের খবর, তিনি তৃণমূল নেত্রীকে বলেছেন, তাঁকে জেলা সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত পেয়েছেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে কোনও সদুত্তর দেননি মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক তেমনি নিজের দপ্তর নিয়েও নিজের অসন্তোষ সুপ্রিমোর কাছে ব্যক্ত করেছেন জ্যোতিপ্রিয়।

ঠিক তেমনভাবেই নদীয়া জেলার জেলা সভাপতির পদ থেকে সরানো হতে পারে মহুয়া মৈত্রকে। মুকুল রায় বা তাঁর কোনও ঘনিষ্ঠকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, নতুন নীতি কার্যকর করতেই হবে। দল বড় হয়েছে। ফলে সকলকে সুযোগ করে দিতেই এই সিদ্ধান্ত। তবে কাউকে কোনও কিছু চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। সকলের নিজস্ব মতামত চাওয়া হয়েছে।

তার উপর ভিত্তি করেই জেলা সভাপতিদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে। যেমন কোচবিহার, মুর্শিদাবাদ এবং মালদার ক্ষেত্রে জেলার দায়িত্ব সরিয়ে একাধিক নতুন মুখ মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসবে হতে পারে বলেই সূত্রের খবর। ঠিক তেমনভাবেই মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই। যাঁরা শুধুমাত্র সংগঠনেই মনোনিবেশ করবেন।

]]>
বিজেপি ভাঙতে মাঠে নামলেন মুকুল, দেখে নিন এই মুহূর্তে কারা তাঁর নিশানায় https://runnerbangla.com/mukul-roy-desperate-to-break-bjp-party-in-west-bengal-after-tmc-jaining/ https://runnerbangla.com/mukul-roy-desperate-to-break-bjp-party-in-west-bengal-after-tmc-jaining/#respond Sat, 12 Jun 2021 14:41:58 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2370 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : বিজেপি ভাঙ্গানোর খেলা শুরু করলেন মুকুল রায়। বাংলার রাজনীতিতে দল ভাঙানোর খেলায় তিনি যে অত্যন্ত দক্ষ তা অনস্বীকার্য। তৃণমূলের হয়ে কংগ্রেসকে কার্যত গিলেই ফেলে ছিলেন মুকুল। বিজেপিতে গিয়ে তৃণমূলকে ভাঙতে একসময় চেষ্টার ত্রুটি রাখেন নি। এখন তৃণমূলে ফিরেই আবার নিজের কাজে নেমে পড়েছেন তিনি।

এবার তার নিশানায় বিজেপি। শনিবার অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রীটের অফিসে দীর্ঘক্ষন বৈঠক করেন মুকুল। সূত্রের খবর, বিজেপি মুকুল ঘনিষ্ঠ কিংবা অন্য কারা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করতে পারে, সেই নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। আপাতত তিনজন হেভিওয়েট বিজেপি সাংসদের নাম শোনা যাচ্ছে। ব্যারাকপুরের সংসদ অর্জুন সিং, বাঁকুড়ার সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক।

এই তিনজন আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিতে পারে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মুকুল রায়কে তাঁরা সম্মতি জানিয়েছেন বলে মুকুল ঘনিষ্ঠ সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আরও বড় অংশের বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে প্রাথমিক কথা বলেছেন মুকুল রায়। শুক্রবার রাতেই অনে একাধিক বিধায়ককে প্রস্তাব দিয়েছেন মুকুল।

রাতেই উত্তরবঙ্গের এক সাংসদের (নিশীথ প্রামাণিক) কাছে ফোন যায়। বিধায়কদেরকেও মুকুল ফোন করেছিলেন। সেই বিধায়করা হলেন শিখা চট্টোপাধ্যায়, মিহির গোস্বামী, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, নরহরি মাহাতো, বিশ্বনাথ কারক, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ দাস, সত্যেন রায়। মুকুল রায় রাতেই ফোন করেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে।

যদিও এর মধ্যে কয়েকজন বিধায়ক সঙ্গে সঙ্গে দলকে ফোন করে জানিয়ে দেয় মুকুল রায় দল ভাঙ্গানোর চেষ্টা করছেন। চার পাঁচ-জন। বিধায়ক (শিখা, সুদীপ, নরহরি, বিশ্বনাথ) বিজেপি নেতৃত্বকে জানিয়ে দেন মুকুল রায় ফোন করে মোটা অর্থের প্রলোভন দিয়েছেন। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনো পর্যন্ত বিজেপি নেতৃত্ব সেভাবে মুখ খোলেনি।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসতে তোড়জোড় শুরু করেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। হাওড়া ডোমজুড় এর এই প্রাক্তন বিধায়ক শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের সঙ্গে দেখা করেন। তাহলে কি তৃণমূলের ফিরতে চলেছেন রাজিব? প্রশ্নের উত্তরে অবশ্য পুরো বিষয়টিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

যদিও বিষয়টি নিয়ে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমরা প্রমান করে দিয়েছি রাজিব একটা শূন্য। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন বিশ্বাসঘাতকদের দলে ফেরানো হবে না। কিন্তু বিশ্বাসঘাতকের মাপকাঠি কোনটা সেটা বলতে পারবো না। আমি দলের একজন কর্মী। আমার আপত্তি দলকে জানাবো।

তারপর পুরো বিষয়টি মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিবেচনাধীন। একই বক্তব্য শোনা গিয়েছে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর গলাতেও। মুকুল ঘনিষ্ঠ সব্যসাচী দত্ত বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে পারেন। এই জল্পনা মাথাচাড়া দিতে নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুজিত।

বলেছেন, অশুভ লোকের হাত থেকে সাধারণ মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে। আপত্তির কথা দলকে জানাব। দিদি তো কালকে বলেই দিয়েছে যারা দলের ক্ষতি করেছে তাঁদের নেওয়া হবে না। আমার দলের উপর ভরসা আছে, বিশ্বাস আছে।

]]>
https://runnerbangla.com/mukul-roy-desperate-to-break-bjp-party-in-west-bengal-after-tmc-jaining/feed/ 0
মুকুল ঘরের ছেলে, ঘরে ফিরে এসেছে, মন্তব্য মমতার https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/ https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/#respond Fri, 11 Jun 2021 13:00:58 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2291 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : দীর্ঘ ৩ বছর ৯ মাসের ব্যবধান। তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে ফের ঘাসফুলে ফিরলেন নেতা কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায় ( Mukul Roy )। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে যে যোগদান পর্বকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) আখ্যা দিয়েছেন, ‘ঘরের ছেলে ঘরে ফেরা’। মুকুলের সঙ্গে তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায়ও তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছেন।

আগামী দিনে আরও বেশ কয়েকজন বিজেপির বিধায়ক এবং সাংসদ তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুকুল রায়। পাশাপাশি, মুকুলকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, মুকুল ঘরের ছেলে। ও ফিরে এসেছে। মানসিক ভাবেও এখন ভালো থাকবেন। বিজেপিতে কেউ ভালো থাকতে পারে না।

ওখানে কোনও গণতন্ত্র নেই। শুধু শোষণ চলে। পাশাপাশি মুকুলের সঙ্গে কোনওদিন মত বিরোধ ছিল না বলেই জানিয়েছেন মমতা। মুকুলকে ভয় দেখিয়ে মানসিক অত্যাচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী। নেত্রীর বক্তব্যে সায় দিয়ে মুকুল রায় শুধু বলেছেন, পুরনো জায়গায় এসেছি। পুরনো মানুষজনকে কাছে পেয়ে ভাল লাগছে। এখন দেশের ভবিষ্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

যদিও তৃণমূল ভবন সূত্রে খবর, এদিন তৃণমূল ভবনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখোমুখি হওয়ার পর হাত জোড় করে পায়ে হাত দিয়ে তৃণমূল নেত্রীকে প্রণাম করেছেন মুকুল। বলেছেন, বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছে। বড় ভুল করে ফেলেছি। ক্ষমা করে দাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ছিলেন মুকুল। একটা সময় কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড বলে পরিচিত ছিলেন তিনি।

সংগঠনে তিনি ছিলেন শেষ কথা। মুকুল তাঁর এতটাই আস্থাভাজন ছিলেন যে তাঁর সিদ্ধান্তে শুধু সীলমোহর দিতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এহেন ‘মধুর’ সম্পর্ক ধাক্কা খেল ২০১৭ সালে। সারোদা এবং নারদা ( Narada ) কাণ্ডে নাম জড়িয়ে সিবিআই ( CBI ) নোটিশ পেলেন মুকুল। ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছিলেন, তিনি কখনওই জেলে যাবেন না। সেই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের বেড়ে ওঠা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Abhishek Banerjee ) কর্তৃত্ব নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে মতবিরোধ তৈরি হচ্ছিল মুকুলের।

শেষমেষ, ২০১৭ সালের দুর্গাপুজোর পঞ্চমী দিন নিজাম প্লেসে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তার কয়েক সপ্তাহ পর বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল। দীর্ঘ কয়েক বছর কার্যত কোনও ভালো পদ ছাড়াই বিজেপিতে ছিলেন তিনি। ২০২১ সালে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুকুল রায়কে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদে ছিল বিজেপি। সেই সঙ্গে কৃষ্ণনগর ( Krishnanagar ) উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে জয় পান তিনি।

মুকুলের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদানের খবর চাউর হতে সকাল থেকেই বহু বিজেপি ( BJP ) নেতার ফোন এসেছে বলে সূত্রের খবর। কিন্তু সেই ফোন তিনি ধরেননি। যদিও এই বিষয়টি গুরুত্ব দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ( Dilip Ghosh )। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, কেউ যেতে চাইলে যাবে। তবে উনার থাকাতে বিজেপির কোনও লাভ হয়নি। না থাকাতেও কোনও ক্ষতি হবে না। স্বাভাবিকভাবেই এই যোগদান ঘিরে আলোরন পড়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

এদিন মুকুল বলেন, আরও অনেকেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসবে। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, মুকুল ভোটের সময় তৃণমূল সম্পর্কে কোনও খারাপ কথা উল্লেখ করেনি। কিন্তু যাঁরা বিজেপিতে গিয়ে নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন, সেই গদ্দারদের কখনওই দলে ফেরানো হবে না। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেসের কোর গ্রুপ উপস্থিত ছিলেন।

]]>
https://runnerbangla.com/mukul-roy-come-back-rejoin-trinamool-mamata-banerjee-comment/feed/ 0
মোদির গড় আর যোগীর রাজ্যে ফুটবে ঘাসফুল? স্বপ্নে বিভোর অভিষেক https://runnerbangla.com/abhishek-banerjee-aim-trinamool-congress-improvement-in-narendra-modi-yogi-adityanath-kingdom/ https://runnerbangla.com/abhishek-banerjee-aim-trinamool-congress-improvement-in-narendra-modi-yogi-adityanath-kingdom/#respond Mon, 07 Jun 2021 13:44:04 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2097 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : আগামী এক মাসের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) সংগঠন বিস্তার নিয়ে নিজের ভিশন ডকুমেন্ট পেশ করবেন। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত পর সোমবার প্রথম সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ( Abhishek Banerjee )। সেখানেই তিনি বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে সংগঠন নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পেশ করব। সারা দেশ থেকে এখনও পর্যন্ত এক লক্ষ শুভেচ্ছাবার্তা এবং পরামর্শ পেয়েছি।

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ( Mamata Banerjee ) শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন ই-মেইল করেছেন। এবার ভিন রাজ্যে ঘাসফুলের সংগঠন বিস্তার করায় তাঁর আগামী লক্ষ্য, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও বিকল্প নেই। সারা দেশের মানুষকেও বাঁচাতে পারবেন তিনিই। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ত্রিপুরা, আসাম, মনিপুর, এমনকি গুজরাট থেকেও তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন তৈরির অনুরোধ পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

যার কারণ হিসেবে অভিষেকের ব্যাখ্যা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একমাত্র জননেত্রী, যিনি দেশের সংবিধান, সার্বভৌমত্ব এবং দেশের মানুষকে রক্ষা করতে পারবেন। সেই কারণেই এবার বুঝেশুনে ভিনরাজ্যে তৃণমূল নিজের সংগঠন তৈরিতে মন দেবে। এই কাজে অভিষেককে সহযোগিতা বা পরামর্শ দেবেন প্রশান্ত কিশোর ( Prashant Kishor ), তেমনটাই তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর। বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্ব নিতে গেলেও প্রশান্ত কিশোর নিজের একটি ছোট টিম নিয়ে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রশান্ত কিশোর কলকাতায় থাকছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেকের সঙ্গে নানা রকম সাংগঠনিক আলোচনাও সারছেন। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক বৈঠকেও তাঁকে অভিষেকের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, পিকের পরামর্শ মেনেই সংগঠন বিস্তারের আগামীর ব্লু প্রিন্ট তৈরি করবেন তৃণমূলের এই সর্বকনিষ্ঠ সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। তবে নিজের দলীয় ভিশন প্রকাশের পাশাপাশি বিজেপি সমালোচনা করতে ছাড়েননি অভিষেক।

বার বার তাঁকে পরিবার তন্ত্র নিয়ে বিজেপির থেকে সমালোচনা শুনতে হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে অভিষেক বলেন, আগামী ২০ বছর কোনও মন্ত্রী পদ নেব না। কিন্তু যে বিজেপি ( BJP ) পরিবারতন্ত্র নিয়ে কথা বলে, তাঁদের বড় বড় নেতাদের আত্মীয়রাও কোথাও মন্ত্রী কোথাও সহকারী পদে বসে রয়েছে। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ছেলে জয় শাহ বিসিসিআইয়ের ( BCCI ) পদে থাকা নিয়ে কটাক্ষ করেন অভিষেক।

]]>
https://runnerbangla.com/abhishek-banerjee-aim-trinamool-congress-improvement-in-narendra-modi-yogi-adityanath-kingdom/feed/ 0
প্রতিবেশীদের কাছে পেতে ফের ঝাঁপাবে তৃনমূল, দায়িত্ব পেয়েই তৎপর অভিষেক https://runnerbangla.com/abhishek-banerjee-preparation-trinamool-congress-nationwide-expansion/ https://runnerbangla.com/abhishek-banerjee-preparation-trinamool-congress-nationwide-expansion/#respond Sun, 06 Jun 2021 14:28:16 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2062 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : হঠাৎ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ( Abhishek Banerjee )। রবিবার দুপুরে এই আকস্মিক ঘটনা রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। সংবাদমাধ্যমের ভিড় জমে নাকতলা তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব তথা রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ( Partha Chatterjee ) বাড়িতে। দীর্ঘক্ষন নাকতলা দিয়েছিলেন অভিষেক। অভিষেক জানিয়েছেন, এটা নিখাদ সৌজন্য সাক্ষাৎ। দলের প্রবীণ এবং অভিজ্ঞ নেতা হিসেবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ নিতে তিনি এসেছিলেন।

পার্থবাবু নিজেও এই বৈঠকে সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে ব্যক্ত করেছেন। শনিবার, দলের সাংগঠনিক বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূলের অন্যতম সর্বভারতীয় মুখ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। গুরুদায়িত্ব হাতে পেয়ে তিনি অভিভূত। টুইট করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এবার সারা দেশজুড়ে সংগঠন বিস্তারের সময় এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহল মনে করছেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই দলের নতুন সাংগঠনিক ধাচা তৈরি করেছেন মমতা।

এবার সেই দায়িত্ব পেয়ে সরাসরি দলের প্রবীণ নেতাদের কাছে পরামর্শ নিতে ছুটলেন অভিষেক। শুধু পার্থ চট্টোপাধ্যায় নয়। তৃণমূল সূত্র বলছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা বালিগঞ্জে রাজ্যের অপর বরিষ্ঠ মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান অভিষেক। সেখানে তাঁর বাড়িতেও দীর্ঘক্ষন ছিলেন তিনি। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আশীর্বাদ নিয়েছেন তৃণমূলের এই যুব নেতা। তাঁর সঙ্গেও নানাবিধ আলোচনা করেছেন। পরামর্শ নিয়েছেন অভিষেক।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্র বলছে, আগামী মাস খানেকের মধ্যে দলের জেলা স্তরের সাংগঠনিক রদবদলের পর ভিন রাজ্যে নজর দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মূল সেনাপতি হবেন অভিষেক। এর আগে ত্রিপুরা, আসাম, মনিপুর এই তিন রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন। বিশেষ করে বাংলা ভাষাভাষীর রাজ্য হিসেবে পরিচিত আসাম এবং ত্রিপুরাতে তৃণমূলের কিছুটা রাজনৈতিক মাটি ছিল। পরে অবশ্য বিজেপির বাড়বাড়ন্ত হওয়ার ফলে সবটাই হারিয়ে যায়।

এখন যখন দেশজুড়ে নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi ) সরকারের জনপ্রিয়তায় ভাটা দেখা দিয়েছে, তখন ফের বাংলা ভাষাভাষীর এই রাজ্যগুলিতে মন দিতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ২০২৩ সালে ত্রিপুরাতে ( Tripura ) বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সেখানে নতুন করে ঘাসফুলের সংগঠন তৈরি করতে ঝাঁপিয়ে পড়বেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি একটু ঠিকঠাক হলে তিনি ত্রিপুরা সফল করতে পারেন বলেই তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) সূত্রে খবর।

পশ্চিমবঙ্গে দল শক্তপোক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে তৈরি হয়েছে ‘বাঙালি প্রধানমন্ত্রী’র আবেগ। তাই শুধু এই রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। নজর দিতে হবে ভিন রাজ্যেও। তাই সেই সংগঠন বিস্তারের এখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্য।

]]>
https://runnerbangla.com/abhishek-banerjee-preparation-trinamool-congress-nationwide-expansion/feed/ 0
মুকুল-শুভেন্দুর মোকাবিলা নিজেই করবেন মমতা, সড়তে হবে মহুয়াকে https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-tackle-mukul-roy-suvendu-adhikari-except-mahua-mitra/ https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-tackle-mukul-roy-suvendu-adhikari-except-mahua-mitra/#respond Sat, 05 Jun 2021 15:58:43 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2023 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : জানাই ছিল থাকবে বড় চমক। কড়া নিদান দেবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। কিন্তু শুধু চমক নয়। শেষ পর্যন্ত গোটা সংগঠনের খোলনলচে বদলে ঝাঁকুনি দিলেন তৃণমূল নেত্রী। শনিবার তৃণমূল ভবনে সাংগঠনিক বৈঠক মমতা জানিয়ে দিলেন, এবার কার্যকর হবে ‘এক নেতা এক পদ’ নীতি। সূত্রের খবর, বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্পষ্ট বার্তা, মন্ত্রী থাকলে জেলা সভাপতি হওয়া যাবে না।

আগামী এক মাসের মধ্যে কোথায় কোথায় করা জেলা সভাপতি থাকবে সেটা চূড়ান্ত করে দল ঘোষণা করে দেবে। পাশাপাশি, জেলা স্তরের সংগঠনেও একই নিয়ম কার্যকর হবে। তৃণমূল সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে পর্যবেক্ষক পদ ফেরানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন জেলায় সভাপতির পাশাপাশি থাকবে একজন করে পর্যবেক্ষক। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর এই পদ তৈরি হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসে।

কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই পথ বিলুপ্ত করে দেন মমতা। ফের সেই পর্যবেক্ষক পদ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। তৃণমূলের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা বলেন, দল আড়ে-বহরে বেড়েছে। সবাইকে সন্তুষ্ট করতে হবে। কাজ করার সুযোগ করে দিতে হবে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত। তৃণমূল সূত্র বলছে, উত্তর ২৪ পরগণার জেলা সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক মন্ত্রী রয়েছেন। তাঁকে বনমন্ত্রীর পদে রেখে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরানো হতে পারে। দায়িত্ব পেতে পারেন পার্থ ভৌমিক।

স্বপন দেবনাথ বর্ধমান গ্রামীণের জেলা সভাপতি। আবার রাজ্যের মন্ত্রীও। তাঁর জেলা সভাপতির দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হতে পারে। নদীয়াতে দল আশানুরূপ ফলাফল করেনি। ফলে, নদীয়া জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরানো হতে পারে মহুয়া মৈত্রকে ( Mahua Mitra )। ঠিক সেভাবেই যেসব জেলায় বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস সন্তোষজনক রেজাল্ট (Result) করেনি, সেখানে সাংগঠনিক দায়িত্ব বদল ঘটানো হবে। বিশেষ করে দুই মেদিনীপুর এবং নদীয়াতে সংগঠনে জোর দেওয়া হচ্ছে।

একদিকে মেদিনীপুরে শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) এবং অন্যদিকে নদীয়াতে মুকুল রায় ( Mukul Roy )। দুজনকে সামলাতে এই জেলার সংগঠন খোদ নিজের হাতে রাখতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, জেলা সভাপতির পাশাপাশি এই তিন জেলায় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেই থাকবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পাশাপাশি এই দিনের বৈঠকে একাধিক রদবদল হয়েছে সংগঠনে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ( Abhishek Banerjee ) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : এই পথ এখন শেষ, প্রকাশ্যে আসছে দিলীপ-লকেট দ্বন্দ্ব

যুব তৃণমূল কংগ্রেসের দায়িত্ব পেয়েছেন আসানসোলের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ ( Saayani Ghosh )। এছাড়াও শ্রমিক সংগঠন, কৃষি, সংস্কৃতি সহ একাধিক সংগঠনের দায়িত্ব বদল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এখন থেকে কোনও মন্ত্রী গাড়িতে লালবাতি লাগাতে পারবে না। সাত দিনের মধ্যে পরিবহন দপ্তরের গাইডলাইন বিশ্ব বাংলা লোগো সম্বলিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ স্টিকার লাগাতে হবে।

]]>
https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-tackle-mukul-roy-suvendu-adhikari-except-mahua-mitra/feed/ 0
মুকুলের চেয়ারে অভিষেক, পদ পেলেন কুনাল, ব্যাপক রদবদল তৃনমূলে https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-tmc-organizational-meeting-2021-abhishek-banerjee-mukul-roy-kunal-ghosh/ https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-tmc-organizational-meeting-2021-abhishek-banerjee-mukul-roy-kunal-ghosh/#respond Sat, 05 Jun 2021 12:43:41 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1987 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : সর্বভারতীয় রাজনীতিতে ‘অভিষেক’ ঘটল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Abhishek Banerjee )। শনিবার তৃণমূল ভবনে দলের সাংগঠনিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই সবথেকে বড় চমক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জাতীয় রাজনীতিতে উত্থান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Mamata Banerjee ) পাশাপাশি এবার সারাদেশে তৃণমূলের অন্যতম মুখ অভিষেকও।

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন এই দায়িত্ব সামলেছেন অধুনা বিজেপি নেতা মুকুল রায়( Mukul Roy )। মুকুল দল ছাড়ার পর সুব্রত বক্সীকে দেয়া হয়েছিল সেই দায়িত্ব। তিনি আবার তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিও। ডবল দায়িত্ব সামলাতেন বক্সী। সেখানে সর্বভারতীয় স্তরে সংগঠনের দায়িত্ব অভিষেককে দিলেন মমতা।

সাম্প্রতিক অতীতে তামিলনাড়ুতে স্ট্যালিনের মন্ত্রিসভার শপথে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। সঙ্গে গিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর ( Prashant Kishor )। তখনই ইঙ্গিত মিলেছিল। এবার সেটা বাস্তবায়িত হল। তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার কথায়, মুখ মমতা। কিন্তু তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাতে হয়।

সেখানে জাতীয় রাজনীতিতে মমতার হয়ে লিয়াজোঁর দায়িত্ব সামলাবেন অভিষেক। এই কাজটাই দক্ষতার সঙ্গে করতেন মুকুল রায়। যেখানে মমতা যেতে পারতেন না সেখানে তাঁর দূত হয়ে পৌঁছে যেতেন মুকুল। এবার সেই দায়িত্ব পড়ল অভিষেকের কাঁধে। পাশাপাশি এদিন সংগঠনের একাধিক পদে রদবদল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের জায়গায় তৃণমূল যুব সভাপতি হলেন সায়নী ঘোষ ( Saayoni Ghosh )।

তিনি আসানসোল দক্ষিণের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী। রাজ্য শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রমিক সংগঠনের সর্বভারতীয় সভানেত্রী দোলা সেন। প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিধায়ক পূর্ণেন্দু বসু পেয়েছেন কিষান মোর্চার দায়িত্ব। কাকলি ঘোষ দস্তিদার সর্বভারতীয় মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী হয়েছেন। বঙ্গ জননীর প্রধান হলেন মালা রায়। তাঁকে সহযোগিতা করবেন লাভলী মিত্র ( Lovely Maitra ) এবং জুন মালিয়া।

তৃণমূলের সাংস্কৃতিক সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ চক্রবর্তীকে। সাধারণ সম্পাদক হলেন কুণাল ঘোষ ( Kunal Ghosh ) এবং অন্যান্য সম্পাদক পদে নিয়ে আসা হল আশীষ চক্রবর্ত্তী, সায়ন্তিকা ব্যানার্জি ও অসীম মাঝিকে। বৈঠক শেষে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে এই রদবদলের কথা ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে, কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র ওয়াকিং কমিটির সদস্য না হলেও বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন। ফেসবুক লাইভ নিয়ে মদনকে তীব্র ভৎসনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন : Madan Mitra Facebook Live : বিরক্ত মমতা, “কি হচ্ছে এসব?”

স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন তখন যা খুশি বলা যাবে না। শুরু হয়েছে দুয়ারে ত্রাণ ( Duare Tran ) কর্মসূচি। মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, এই সরকারি কর্মসূচিতে দলের কেউ নাক গলাবে না।

গতবছর আম্ফান দুর্নীতিতে মুখ পুড়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সাবধানী পদক্ষেপ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এছাড়া কয়লা, বালি, মাটি পাচার নিয়ে দলের কোনও নেতার বিরুদ্ধে যেন অভিযোগ না ওঠে সেই ব্যাপারেও সতর্ক করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

]]>
https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-tmc-organizational-meeting-2021-abhishek-banerjee-mukul-roy-kunal-ghosh/feed/ 0