Pulse Oximeter : পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষা

|

কলকাতা : পালস অক্সিমিটার ( Pulse Oximeter ) নিয়ে বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজে আরও জোর দিতে চাইছে কলকাতা পুরসভা ( KMC )। এতদিন কলকাতা পুরসভার কর্মীরা বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্বাস্থ্য সমীক্ষার কাজ চালাচ্ছিলেন। থার্মাল গান দিয়ে প্রত্যেকের চেকিং চলছিল। সেক্ষেত্রে প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা নথিভুক্ত করে রাখা হচ্ছিল। বিশেষত বস্তি এলাকায় সেই কাজ যথেষ্ট ভালো ভাবে করা গিয়েছে।

তারপর কিছু কিছু জায়গায় পালস অক্সিমিটার ( Pulse Oximeter ) দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজ শুরু করেছিল পুরসভা। এবার সেই কাজ আরও জোরদার করতে কোমর বেঁধে নামছে পুরসভা। কেনা হচ্ছে ১৫০০ পালস অক্সিমিটার। এই যন্ত্রের সাহায্যে পালস রেট, রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ মেপে কোভিড সংক্রমণের লক্ষণ বোঝা সম্ভব। একটু এদিক-ওদিক দেখলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে সেফ হোম পাঠানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

সেই কারণেই এই উদ্যোগ বলে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, শহরজুড়ে স্বাস্থ্য সমীক্ষার কাজে পুরসভার এমন ৭০০টি টিম রয়েছে। এবার প্রত্যেকটি দলের হাতেই পালস অক্সিমিটার দেওয়া হবে। মূলত শহরের বিভিন্ন বস্তি কলকাতা পুরসভার টার্গেট। তৃতীয় ঢেউ সামলাতেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে কারও শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিলে সেই মত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তাকে সেই মতো শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ পত্র দেওয়া সম্ভব হবে। প্রয়োজনে পরিবারের থেকে আলাদা করে শেষ হবে রাখার ব্যবস্থা করা হতে পারে। বিশেষ করে বাচ্চাদের তৃতীয় ঢেউ আঘাত হানতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে বাড়ির লোকজনকে সুরক্ষিত করা গেলে বাচ্চাও সুরক্ষিত থাকবে। সেই কারণে আগে থেকেই সতর্ক কলকাতা পুরসভা।

নতুন করে আর ঢিলেমি দিতে চাইছেন না স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তারা। এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুব্রত রায় চৌধুরী বলেন, এই মুহূর্তে শহরে সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে। কিন্তু তাই বলে হাতে হাত রেখে বসে থাকা যাবে না। যথেষ্ট সতর্ক থেকেই তৃতীয় ঢেউ সামলানোর কাজে নামা হচ্ছে।

আরও পড়ুন