রানার প্রতিবেদন : করোনা থেকে বাঁচতে প্ৰথম শৰ্ত হলো, মাস্ক ব্যবহার করা। এজন্য সাধারণ মানুষের ক্ষেত্ৰে কাপড়ের মাস্ক নিরাপদ। বাতাসের সাথে যে জীবাণু থাকে, মাস্ক ব্যবহার করলে জীবাণু মানুষের শরীর প্ৰবেশ করতে পারে না। এমনকী, গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, মাস্ক পরলে সংক্ৰমণের ঝুঁকি শতকরা ৫০ ভাগ কমে যায়।
এজন্যই বৰ্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বাড়ির বাইরে বের হলেই মাস্ক পরার উপর কড়াকড়ি নিৰ্দেশ আরোপ করা হয়েছে। তবে বেশিরভাগ মানুষই মাস্ক পরে অস্বস্তিতে ভোগেন। ত্বকের সমস্যা, চশমা ঘোলাটে হয়ে যাওয়া–খুব স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন। কিন্তু মাস্ক পরার আরেকটি নতুন সমস্যা যোগ হয়েছে, তা হলো গলাব্যথা।
মাস্ক অনেকক্ষণ পরে থাকার ফলে গলা বথা হয় বলে অনেক মানুষের অভিযোগ। কেন মাস্ক পরলে গলা ব্যথা হয়, এর পিছনে অনেক কারণ রয়েছে। মাস্ক পরলে মানুষ সাধারণভাবে স্বাভাবিকের তুলনায় জোরে কথা বলেন। তাঁর সামনের মানুষের সুবিধাৰ্থে মানুষ এমনটা করেন। এতে করে গলায় প্ৰদাহ সৃষ্টি হয় এবং এক পৰ্যায়ে গলা ব্যথা হয়।
বৰ্তমানে মানুষ যেমন প্ৰত্যেকের হাত পরিষ্কার রাখতে হ্যান্ডওয়াশ কিংবা সাবান ব্যবহার করেন, তেমনি কাপড়চোপড়ও পরিষ্কার রাখা জরুরি। প্ৰতিদিন যে মাস্ক ব্যবহার করা হয়, তা রোজ পরিষ্কার করতে হবে। ধুলা, ময়লা গলাব্যথার কারণ হতে পারে। দীৰ্ঘ সময় মাস্ক পরে থাকার পর পরিষ্কার না করলে ওই কণাগুলো মাস্কে জমে।
আর ক্ষুদ্ৰ কণাগুলো গলাতে প্ৰবেশ করে গলা ব্যথার সৃষ্টি করে। এক্ষেত্ৰে যাঁদের অ্যালাৰ্জির সমস্যা আছে, তাঁদের ঝুঁকি বেশি। গলা ব্যথার এই সমস্যা দূর করতে হাত ধোয়ার পাশাপাশি মাস্কও ধুতে হবে। প্ৰতিবার ব্যবহারের পর গরম জল এবং সাবান দিয়ে মাস্ক পরিষ্কার করতে হবে।
ধোয়ার পর রোদে ভালোভাবে শুকাতে হবে। এজন্য সাথে কম করে হলেও দুটি মাস্ক রাখা জরুরি, যাতে একটা ভেজা থাকলে আরেকটা ব্যব্যহার করা যায়। সেইসাথে মাস্ক পরা অবস্থায় মাস্কে হাত দেওয়ার আগে হাত ভালোভাবে স্যানিটাইজ করা খুব জরুরি।
