নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : করোনার বাড়বাড়ন্ত। এই পরিস্থিতিতে শহর সামাল দিতে সুপার স্প্রেডারদের টিকা দিতে তৎপরতা শুরু করল কলকাতা পুরসভা। সুপার স্প্রেডার অর্থাৎ যারা দ্রুত এই রোগ ছড়াচ্ছে, তাঁদের টিকার আওতায় নিয়ে আসা হল। শহর কলকাতায় টিকাকরণ কর্মসূচী নিয়ে নতুন কিছু নিয়ম তৈরি করা হয়েছে।
কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা বিধায়ক অতীন ঘোষ বলেন, কিছু জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের গাইডলাইন অনুযায়ি চলতি সপ্তাহ থেকেই নতুন নিয়মে টিকা দেওয়া হবে। সুপার স্প্রেডারদের মূলত রিক্সাওয়ালা, হকার, পরিবহনকর্মী, বাজারের দোকানদার, অটোচালক, কেরোসিন বিক্রেতা, পেট্রল পাম্পের কর্মী, রূপান্তরকামিদের চিহ্নিত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশিকায় প্রথম ডোজের ৮৪ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যাবে। তাই নতুন নিয়ম অনুসারে সপ্তাহে সোম থেকে শনিবার কোভিশিল্ড দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। বুধবার শিশুদের ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম করা হবে। বৃহস্পতি, শুক্র এবং শনিবার স্পেশাল ক্যাটাগরিদের কোভিশিল্ড দেওয়া হবে।
পুরসভা সুত্রে জানা গেছে, শহরে এখন ১১২টি কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন সেন্টার রয়েছে। আর ৪৪টা কোভ্যাকসিন সেন্টার রয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় ডোজের বুকিংয়ের জন্য কলকাতা পুরসভা চালু করেছে একটি ‘হোয়াটসঅ্যাপ বট’। আরও ৮টি কোভ্যাক্সিন সেন্টার করার পরিকল্পনা রয়েছে। কোভ্যাকসিন নিয়ে নতুন কোনও নির্দেশ জারি না হওয়ায় আগের নিয়মেই চলবে সেই টিকাকরণ।
সাংসদ ডা: শান্তনু সেন জানান, বাজারের সবজি, মাছ বিক্রেতা, হকারদের ক্ষেত্রে বাজার সমিতির কাছ থেকে একটা শংসাপত্র নিয়ে আসলেই হবে।বাজারের বাইরের বাজার বিক্রেতা, হকাররা স্থানীয় ব্যবসায়ি সমিতির অনুমোদিত ছাড়পত্র নেবে। সেটা দেখেই টিকা দেওয়া হবে। রিক্সাচালকদের ক্ষেত্রে স্থানীয় থানা থেকে একটা শংসাপত্র নিয়ে আসতে হবে। পরিবহনকর্মীরা ড্রাইভিং লাইসেন্স আনলেই চলবে।
