Fake Vaccine Kasba : টিকা জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করতে বিশেষ টিম

|


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কসবায় ( Kasba ) ভুয়ো টিকাকরণ কেন্দ্র ( Fake Vaccination Center ) চালানোর অভিযোগের তদন্তে নামল কলকাতা পুরসভাও ( Kolkata Municipal Corporation )। সঙ্গে রাজ্য স্বাস্থ্যভবন বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ পোর্টাল। যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন কলকাতা পুরসভা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা। অন্যদিকে এই ঘটনার তদন্ত কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে ( Detective Department ) দেওয়া হয়েছে।

কসবার এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার হয়েছে দেবাঞ্জন দেব নামে এক ব্যক্তি। যিনি আবার নিজেকে আইএএস বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। সেটাও ছিল জাল। সূত্রের খবর, এই ঘটনার পেছনে বড়োসড়ো চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। কলকাতা পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে হনুমান, কলকাতা পুরসভা এবং স্বাস্থ্য ভবনের কোনো প্রতিনিধি ( Firhad Hakim ) এই ঘটনার পেছনে জড়িত থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যভবনকে একটি পোর্টাল তৈরি করতে বলা হয়েছে।

শহর জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ভাবে একাধিক টিকাকরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যভবন কোথায় কাকে কত ভ্যাকসিন পাঠাল তারপর বিস্তারিত তথ্য নিজেদের কাছে রাখা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে একটি পোর্টাল তৈরি করে ডাটাবেজ রাখলে ভালো হয়। পাশাপাশি কলকাতা পুরসভা নির্দেশ দিয়েছে, এখন থেকে বেসরকারিভাবে কোনও টিকাকরণ কেন্দ্র চালাতে গেলে সংশ্লিষ্ট ক্লাব, এনজিওকে পুরসভার অনুমতি নিতে হবে। পুরসভার খতিয়ে দেখে ঠিকঠাক হলে তবেই অনুমতি দেবে।

বৃহস্পতিবার সকালে কসবা নিউমার্কেট এলাকায় এসে পৌঁছেছে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা। এখনকার সব ব্যবসায়ীরা টিকা নিয়েছিলেন তাদের তালিকা তৈরি হয়েছে। তাদের সকলের সঙ্গে কথা বলছেন স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা, কোনো শারীরিক অসুস্থতা আছে কিনা তা খোঁজ খবর নিচ্ছেন। ১০১ জনের তালিকা ব্যবসায়ী সমিতির তরফে দেওয়ায় হয়েছে। স্বাস্থ্যভবন ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। কোথা থেকে ভ্যাকসিন আসলো তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

যদিও অভিযুক্তের থেকে স্বাস্থ্য ভবন এর টিকার রিকুইজিশন স্লিপ পাওয়া গিয়েছে। সেটাও আসল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যে টাকা উদ্ধার করা হয়েছে সেগুলি জাল কিনা তাও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ব্যাচ নাম্বার দেখে অনুসন্ধান করা হচ্ছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর।প্রশাসনের অন্দরের একাংশ মনে করছে, এই ঘটনার পেছনে কোন সরকারি আধিকারিক যুক্ত থাকলেও থাকতে পারে। না হলে এভাবে সরকারি স্তর থেকে ভ্যাকসিন বের করা অসম্ভব’।

আরও পড়ুন