কলকাতা : করোনা টিকার ( Corona Vaccine ) দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে চিন্তিত রাজ্য সরকার তথা কলকাতা পুরসভা ( KMC )। রাজ্যে প্রায় ৩৭ লক্ষ মানুষের দ্বিতীয় ডোজ বাকি। কলকাতা পুরসভা অঞ্চলের সেই সংখ্যাটা কত তার তালিকা তৈরি করছে স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরা। তাই, সিদ্ধান্ত হয়েছে, আগামী রবিবার থেকে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজের বুকিং হবে। আগামী মঙ্গলবার থেকে শনিবার তাঁরাই টিকা পাবেন। কলকাতা পুরসভার তিনটি টিকা শিবিরে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বুকিং হওয়া ব্যক্তিদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।
এই মেগা সেন্টারগুলি হল সেন্ট জেভিয়ার্স, সাউথ সিটি এবং রক্সি সিনেমা হল। এখন থেকে আর প্রথম ডোজের বুকিং হোয়াটসঅ্যাপে নেওয়া হবে না। এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুব্রত রায় চৌধুরী বলেন, শহরের স্বাস্থ্যকেন্দ্র ( Health Center ) এবং মেগা সেন্টার মিলিয়ে ১৯৬টি টিকা কেন্দ্র চলছে। সব কেন্দ্রে প্রথমার্ধে দ্বিতীয় ডোজ এবং দ্বিতীয়ার্ধে প্রথম ডোজ দেওয়া হবে। কিন্তু যেহেতু প্রচুর সংখ্যক মানুষের দ্বিতীয় ডোজ বাকি, সেই কারণে হোয়াটসঅ্যাপে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজের বুকিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে যারা হোয়াটসঅ্যাপে বুকিং করতে পারবেন না, তাঁরা সরাসরি টিকা শিবিরে এসে আধার কার্ড দেখিয়ে টিকা নিতে পারবেন। ১ জুলাই অর্থাৎ গতকাল চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে টিকাকরণ বন্ধ ছিল। সেই কারণে হোয়াটসঅ্যাপে এদিন যাদের বুকিং রয়েছে তাদের সোমবার টিকা দিয়ে দেওয়া হবে। তারপর মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ। তবে সেক্ষেত্রে কত সংখ্যক নাগরিকের দ্বিতীয় ডোজ বাকি রয়েছে, তার একটা হিসেব বানাচ্ছে কলকাতা পুরসভা।
পাশাপাশি, টিকা পর্যাপ্ত না থাকায় টিকা শিবির পিছু ১০০-১৫০ জুনের টিকাকরণের টার্গেট ঠিক করে রাখা হয়েছে। যতদিন না টিকা পরিমাণমতো আসছে, ততদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) বলেন, আজ থেকে ফের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে কলকাতা পুরসভার সমস্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মেগা সেন্টারে।
দ্বিতীয় ডোজকে প্রাধান্য দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। সকাল ১০টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। টিকা অবশিষ্ট থাকলে প্রথম ডোজ দেওয়া হবে বেলা একটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত। রবিবার সমস্ত ভ্যাকসিন সেন্টার বন্ধ থাকবে। যত ভ্যাকসিন থাকবে ততই দেওয়া হবে বলে জানান ফিরহাদ।
