Cheerleaders : যাত্রা শুরু এক বিন্দুতে, শেষ হলো দুই পাহাড়ের দুই চূড়ায়

|

রানার প্রতিবেদন : এদেশে চিয়ার লিডার ( Cheerleaders ) নতুন হলেও মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্ৰ ( USA ) ও ইউরোপের ( Europe ) দেশগুলিতে তাঁদের দেখা গেছে বহু আগে। বস্তুত খুবই প্রাচীন তাঁদের ইতিহাস। বৰ্তমানে মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের খেলাতেই চিয়ার লিডাররা ( Cheerleaders ) অপরিহাৰ্য হয়ে উঠেছেন। এঁদের প্রধান কাজই হলো নিজের দলের সমৰ্থনে একেবারেই নামমাত্র পোশাক পরে লাফালাফি করা, চিৎকার করা, উত্তেজক ভঙ্গিতে নাচা, ব্যায়াম করার অছিলায় শরীর দেখানো কিংবা গান করা।

শুনলে অবাক হতে হয়, তবু এটা সত্য যে মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পেশাদার চিয়ার লিডারের সংখ্যা ১৫ লক্ষ। এঁরাই দেশে-বিদেশের নানা প্রতিযোগিতায় যান লাফালাফি-নাচানাচি করতে। এই চিয়ার লিডাররা প্রত্যেকেই কিন্তু অত্যন্ত সুশিক্ষিত, প্রশিক্ষিত এবং এঁদের মধ্যে কেউ-কেউ তো স্টারেরও মর্যাদা পান। চিয়ার লিডারের জন্ম ১৮৮৪ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক ক্ৰীড়া প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করার জন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই কিছু ছাত্ৰী স্বল্পবসনা হয়ে নাচগান পরিবেশন করেন। সেটাই শুরু। এর কয়েক বছর পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্ৰ থমাস পিবলস প্রথম চিয়ার লিডারদের এক সংগঠন তৈরি করেন এবং তাঁরা বিপুল জনপ্রিয়ও হন। পিবলস এই সংগঠনের মাধ্যমে মোটা টাকা আয় করেন। এরপর সারা দেশেই বহু চিয়ার লিডার সংগঠন গড়ে ওঠে এবং পেশা হিসেবে অত্যন্ত লোভনীয় হয়ে পড়ে।

তবে চিয়ার লিডাৰ্স নামে দলটির জন্ম হয় ১৮৯০ সালে। তবে এই দলে কোনও যুবতী ছিলেন না, সবাই যুবক। ১৯২৩ সালের পর এই দলে যুবতীরাও অংশগ্রহণ করেন। মজার ব্যাপার হলো প্রাক্তন মাৰ্কিন রাষ্ট্ৰপতি রোনাল্ড রেগান ( Ronald Reagan ) ও পপগায়িকা ম্যাডোনাও ( Madonna Louise Ciccone ) চিয়ার লিডার হিসেবেই তাঁদের পেশাদার জীবন শুরু করেছিলেন। পরে দুজনেই হলিউডে তাঁদের নাম লিখিয়েছিলেন, বাকিটুকু তো রীতিমতো অবাক করার মতোই উত্থানের ইতিহাস।

আরও পড়ুন