ভোটের পর এবার বাজারে নজর পুলিশের

|

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরে বেশকিছু বাজারে এখনও রীতিমতো ভিড়। কলকাতা পুরসভার নিজস্ব মার্কেট কিংবা বেসরকারি বাজার সর্বত্র এক ছবি। কিন্তু সেই সমস্ত বাজারে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সেটা স্বীকার করছে কলকাতা পুরসভা। নির্বাচনের কারণে পর্যাপ্ত পুলিসের অভাব ছিল এতদিন।

সেই কারণেই বাজারগুলিতে মানুষের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে মানছেন কলকাতা পুরসভার কর্তারা। নিজেদের মতন করে অল্প পরিকাঠামোয় বাজারে প্রচার চালাচ্ছিল কলকাতা পুরসভা। মুচিবাজার, এন্টালি, আজাদগড়, বাঁশদ্রোণী, লেক মার্কেটের মত পুরসভার বাজারগুলোতে সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড়। দূরত্ব বিধির বালাই নেই।

তবে, মাস্ক ছাড়া বাজারে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। রয়েছে পুরসভার সিকিউরিটি গার্ড। কিন্তু হাতে গোনা নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে সেই কাজ সম্ভব হচ্ছে না। দক্ষিণ কলকাতার ১০ নম্বর বরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান তপন দাশগুপ্ত বলেন, আমার অঞ্চলের সব জায়গাতেই হ্যান্ড মাইক দিয়ে বাজারগুলিতে প্রচারের ব্যবস্থা করেছি। ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

উত্তর কলকাতার প্রাক্তন ৩ নম্বর বরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান অনিন্দ্য রাউত বলেন, বর্তমানে আমি সরকারিভাবে কোনও পদে নেই। ফলে এই ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। ওটা পুলিসের দায়িত্ব। তবে রাস্তায় বেরোলে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছি। বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দোকানদারদের দ্রুত ভ্যাকসিন নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি।

কোথাও পুলিস বা পুরসভার তরফ থেকে প্রচার চলছে। কোথাও আবার সেটুকুরও দেখা মেলা ভার। বিক্রেতা থেকে ক্রেতা, সকলের মধ্যেই কমবেশি সচেতনতার অভাব স্পষ্ট। কিছু কিছু জায়গায় পুলিস বা পুরসভার তৎপরতা দেখা গেলেও অধিকাংশ জায়গাতেই হাল ধরা সম্ভব হচ্ছে না, সেটা মানছেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা। উল্টে চলছে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার পালা।

পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিসকর্মী না পাওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। কলকাতা পুলিসের এক শীর্ষকর্তা বলেন, কলকাতা পুরসভাকে সঙ্গে নিয়ে একটা টাস্কফোর্স তৈরি হয়েছে। যদিও এ ধরনের কোনও টাস্কফোর্সের কথা জানেই না পুরসভার কর্তারা। কলকাতা পুরসভার বাজার বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক আধিকারিক বলেন, এমন কোনও টাস্কফোর্স তৈরির খবর আমাদের কাছে নেই।

আরও পড়ুন