এবার আসছে স্থায়ী “মা”, নবান্নের কাছে টাকা চাইলো পুরসভা

|

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : অস্থায়ী স্টলের বদলে এবার স্থায়ী স্টল পাচ্ছে ‘মা’ ক্যান্টিন ( Maa Canteen )। সেখান থেকেই কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation ) খাবার বিলি করবে। সেইসঙ্গে ক্যান্টিন সম্প্রসারণের জন্য বাড়ানো হচ্ছে রান্নাঘর। কিন্তু ক্যান্টিন চালাতে নানা আর্থিক সমস্যা দেখা দিয়েছে। যার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্য চেয়েছে কলকাতা পুরসভা।

কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, বর্তমানে ১১৬টি ওয়ার্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Mamata Banerjee ) সাধের প্রকল্প ‘মা’ ক্যান্টিন চালু রয়েছে। আগামী দিনে কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডে যাতে এই প্রকল্প চালু করা যায়, তার জন্য কোমর বাঁধছে কলকাতা পুরসভা। ব্যানার পোস্টার লাগানো অস্থায়ী পাতলা কাঠামোর ক্যান্টিন আর থাকছে না। এবার তৈরি হচ্ছে স্থায়ী স্টল বা দোকান। আপাতত ৪০টি এমন স্টল বিলি করা হয়েছে। আগামী দিনে সবকটি স্টল স্থায়ীভাবে করার পরিকল্পনা রয়েছে কলকাতা পুরসভার।

মৌলালিতে কলকাতা পুরসভার নিজস্ব সেন্ট্রাল স্টোরে এই স্টলগুলি বানানো হচ্ছে। পাশাপাশি ক্যান্টিন আরও সম্প্রসারণের জন্য রান্নাঘর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখন ২০টি রান্নাঘর আছে। সেটা বাড়ানোর তোড়জোড় করছে পুরসভা। প্রথমে ঠিক ছিল প্রত্যেকটি ওয়ার্ড একটি করে রান্নাঘর হবে। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে আপাতত ঠিক হয়েছে, বড় দুটি ওয়ার্ড পিছু একটি করে রান্নাঘর এবং ছোট তিনটি ওয়ার্ড কিছু একটি করে রান্নাঘর করা হবে।

অর্থাৎ আরও ৫০-৫৫টি রান্নাঘর বাড়ানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৭০-৭৫টি রান্নাঘর চালানোর টার্গেট নেওয়া হয়েছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। তবে, ক্যান্টিন চালানোর ক্ষেত্রে আর্থিক সমস্যা দেখা দিয়েছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। ক্যান্টিন চালাচ্ছে বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠী। সেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তরফ থেকে কিছু সুযোগ-সুবিধা চাওয়া হয়েছে। বিশেষত রান্না করা এবং সেগুলি বিভিন্ন স্টলে পৌঁছে দেওয়া, সব মিলিয়ে গাড়ি ভাড়া এবং আনুষঙ্গিক খরচ করার জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ হচ্ছে।

কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, রাধুনী এবং হেলপারদের জন্য ১৫০০ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দাবি মেনে যানবাহন খরচের টাকাও রাজ্যের কাছে চাওয়া হয়েছে। যদিও মাসখানেকের বেশি হয়ে গেলেও সেই চিঠির জবাবে রাজ্য কোনও বরাদ্দ পাঠায়নি। রাজ্য সরকার টাকা না পাঠালে এই খরচ চালানো মুশকিল হচ্ছে কলকাতা পুরসভার। প্রায় দেড় মাস হয়ে গেলো চিঠি পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সেই চিঠির কোনও উত্তর আসেনি বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন