#কলকাতা : তিন বছর হয়ে গেল। এখনও শেষ হল না বেহালা শকুন্তলা পার্কে ( Shakuntala Park ) নতুন জলাধারের কাজ। যার জেরে জল সমস্যা ( Water Crisis ) বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। রোজ দুবেলা করে জলের গাড়ি পাঠিয়ে পরিস্থিতি সাম্লানর ব্যবস্থা করে কলকাতা পুরসভা ( KMC )। দুর্ভোগ নিবে কবে, উত্তর অজানা। যদিও কলকাতা পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগ জানাচ্ছে আগামী বছর থেকেই চালু করে দেওয়া হবে এই বুস্টার পাম্পিং স্টেশন। একটি-দুটি এলাকা নয়। বলা ভালো দুই ওয়ার্ডের বড় অংশের বাসিন্দারা বছরের পর বছর ধরে এই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
ডায়মন্ডহারবার রোড সংলগ্ন এই দুই ওয়ার্ডের এলাকায় খুব একটা সমস্যা নেই। কিন্তু একটু ভেতরের দিকে গেলেই একাধিক অঞ্চলে পানীয় জলের সমস্যা প্রবল। বেহালার ১২৭ এবং ১২৮ নম্বর ওয়ার্ড। মূলত গার্ডেনরিচ জল প্রকল্প থেকে সরাসরি জল আসে এই দুই ওয়ার্ডের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। কিন্তু একাধিক জায়গায় জলের চাপ কম থাকায় ঠিকমতো পানীয় জল পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।স্মরণিকা, কাস্টডাঙ্গা, হাউসিং, মুচিপাড়া, ১৬ ফুট, ১২ ফুট, শ্যামসুন্দর পল্লী, বেনি মাস্টার লেন, পল্লীশ্রী, বকুলতলা, বাসুদেবপুর সহ একাধিক এলাকায় থেকেই নাগরিক অভিযোগ বহাল।
১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর তথা কলকাতা পুরসভার বাম দল নেত্রী রত্না রায় মজুমদার বলেন, বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম কে জানিয়েছি। পুর কমিশনার বিনোদ কুমারের কাছেও ডেপুটেশন জমা দিয়েছি। তিন বছর ধরেও শকুন্তলা পার্ক পাম্পিং স্টেশনের কাজ চলছে। দৃশ্যত দেখা যাচ্ছে সব কাজ সম্পন্ন। কিন্তু কী কারণে চালু হচ্ছে না সেই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ নিশ্চুপ। প্রতিদিন মানুষ পানীয় জলের সমস্যা ভোগ করছেন।
বাড়তি অর্থ খরচ করে কিনে খেতে হচ্ছে জল। কলকাতা পুরসভার জল সরবরাহ বিভাগ সূত্রে খবর, ওই পাম্প স্টেশন এর কিছু কাজ বাকি থাকায় চালু করা যায়নি। চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ করে আগামী বছর থেকে চালু করার চেষ্টা চলছে। বাসুদেবপুর এর বাসিন্দা শ্যামলী কর্মকার বলেন, দিনে দু বেলা করে পুরসভার জলের গাড়ি আসে। ওটা কিছুটা ভরসা দেয়। কিন্তু তাও এত লাইন যে দীর্ঘক্ষন দাঁড়াতে হয়। কল দিয়ে শুরু সুতোর মতো জল পড়ে। কবে পরিস্থিতি ভালো হবে জানা নেই।
