এটা কি রবীন্দ্র সরোবর ? বর্তমান দশা দেখে ব্যথিত ভোরের অতিথি

|

কলকাতা : রবীন্দ্র সরোবর ( Rabindra Sarobar ) প্রাতঃভ্রমনকারীদের জন্য খোলা হয়েছে প্রায় মাস খানেক হল। কিন্তু দীর্ঘ বেশ কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর সরোবরের বেহাল দশার চিত্র এখনও কাটেনি। ভেতরের একাধিক জায়গায় বর্ষার জল পড়ে। নোংরা আবর্জনা ভর্তি সর্বত্র। আগাছা গাছগাছালি কাটা হয়নি। অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন ভিতরের অবস্থা কোনও বদল ঘটেনি বলে অভিযোগ প্রাতঃভ্রমনে আসা মানুষজনের।

ঝড়ঝঞ্ঝা ওলটপালট করে দিয়েছিল সরোবর। তবে সেই ধ্বংস স্তুপ এখনও বর্তমান। এর জেরে ছড়িয়ে থাকা গাছের গুড়ি, জমে আছে ডালপালা। সামান্য বৃষ্টিতেই জমছে জল। জমা জল ও স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ থাকায় দেদার বংশ বিস্তার করে চলেছে মশা। তবে কেএমডিএ সূত্রে দাবি, সরোবর পরিষ্কারের কাজ চলছে। রবীন্দ্র সরোবরের ( Rabindra Sarobar ) চেহারা দেখে মোন খারাপ পরিবেশ প্রেমীদের।

মাঝে কয়েকদিন বৃষ্টিতে এমন জল জমে যাচ্ছে যে জলাশয়ের ধারে দিয়ে দূরের কথা রাস্তা দিয়ে হাঁটা যাচ্ছে না। লেকের ভিতরে অধিকাংশ হাঁটা পথের অবস্থাই এমন। জমা জলে মশার প্রকোপ বেড়েছে। পরিবেশকর্মী সৌমেন্দ্র মোহন ঘোষের কথায়, আমফানের আড়াই মাস পরেও কর্তৃপক্ষ পরিষ্কারের কাজ করে উঠতে পারেনি। ভিতরে এখনো ছোট ডালপালা ডাই করে পড়ে রয়েছে বিভিন্ন জায়গায়।

বসার জায়গাগুলি ভাঙ্গা। একটু বৃষ্টিতে জল জমে একাকার অবস্থা। এসব নোংরা আবর্জনায় জল জমে আরও মশার উৎপাত বেশি হয়েছে। ভেতরে ঠিকঠাক নিকাশির কাজ হচ্ছে না। কেএমডিএ (KMDA ) ) এবং কলকাতা পৌরসভা ( Kolkata Municipal Corporation ) একে অপরের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে। এবিষয় কলকাতা কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানান, সরোবর কেএমডিএ’র হাতে আছে।

সরোবরের আশেপাশের নিকাশি নালা পরিষ্কার রাখা হয়েছে। জল বেরিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু প্রচুর আগাছা পরিষ্কার করা হয়নি। সেগুলো পরিষ্কার করা হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সব সাফ সুতরো করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেএমডিএ কতৃপক্ষ।

আরও পড়ুন