KMC, Mid Day Meal : স্কুলের বাচ্চাদের মিড ডে মিল বন্ধ, কাঠগড়ায় কলকাতা পুরসভা

|

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) স্কুলে প্রায় ২ মাস ধরে বন্ধ করে রাখা হয়েছে বাচ্চাদের মিড ডে মিলের ( Mid Day Meal ) প্যাকেজ। গত এপ্রিলে শেষবার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মে এবং জুন মাসের মিড ডে মিলের প্যাকেজ এখনও পাইনি পড়ুয়ারা। যদিও কলকাতা পুরসভার শিক্ষা বিভাগ ( Department of Education ) এখন নিজেদের দোষ ঢাকতে তৎপর। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই মিড-ডে-মিল দিয়ে দেওয়া হবে বলে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

সূত্রের খবর, শহরের কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন স্কুলে আনুমানিক ১৮১০০ জন পড়ুয়া রয়েছেন। সেক্ষেত্রে গতবছর করোনাকালে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী মিড ডে মিলের খাবার রান্নার বদলে সমপরিমাণ কাঁচামাল প্রতিমাসে পড়ুয়াদের হাতে তুলে দেওয়া শুরু হয়। ২ কেজি চাল, আলু ১ কেজি, ছোলা ১ কেজি, চিনি ৫০০, ২৫০ মুসুরডাল, ২৫০ সয়াবিন এবং একটি সাবান। প্রথমদিকে কয়েক মাস সাবানের জায়গায় স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছিল।

মূলত স্কুলের শিক্ষকরা অভিভাবকদের হাতে এই প্যাকেজ তুলে দেন। মাসিক খরচ আনুমানিক ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকার কিছু বেশি। কিন্তু রাজ্য সরকারের থেকে অর্থ আসলেও নানা জটিলতার কারণে গত দু’মাস ধরে সেই প্যাকেজ বাচ্চাদের দেওয়া যায়নি বলেই শিক্ষাবিভাগ সূত্রে খবর। এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, চিন্তার কোনও বিষয় নেই। মিড ডে মিলের প্যাকেজ আমরা দেব। কেউ বঞ্চিত হবে না।

আগামী দিন কয়েকের মধ্যেই অর্ডার জারি হবে। যদিও শিক্ষা বিভাগ সূত্রে খবর, মাস দুয়েকের প্যাকেজ একসঙ্গে দেওয়া হবে না। চলতি জুন মাসের শেষে মে মাসের প্যাকেজ দেওয়া হবে। তারপর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে জুনের প্যাকেজ দেওয়া হবে। কিন্তু জুলাইয়ের প্যাকেজ কবে মিলবে তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। যদিও অভিজিতবাবু জানিয়েছেন, জুলাই মাসেই প্রথম সপ্তাহ জুনের এবং শেষ সপ্তাহে জুলাইয়ের প্যাকেজ দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

কলকাতা পুরসভার আধিকারিকদের ব্যাখ্যা, বর্তমানে শিক্ষকরা কখনও বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য সমীক্ষার কাজ বা ডাটা বেস তৈরির কাজে তাঁরা হাত লাগিয়েছেন। ফলে পড়ুয়াদের মিড-ডে-মিল দিতে হলে প্রয়োজন মত শিক্ষক পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই মূলত এই অসুবিধা হয়েছে। যদিও কয়েকজন শিক্ষককে কাজে লাগিয়ে এই প্রক্রিয়া আর কিছু দিনের মধ্যেই শুরু হবে বলেই জানিয়েছেন শিক্ষা বিভাগের আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন