CoVid Vaccination : ডিসেম্বরের মধ্যেই কলকাতার জন্য সুরক্ষা কবজ

|

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : চলতি বছরের মধ্যেই কলকাতাকে পুরোপুরি ভ্যাকসিন দিয়ে সুরক্ষিত করার অঙ্গীকার নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। এই বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম( Firhad Hakim )। তিনি জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন মেট্রোপলিটন শহরের মধ্যে কলকাতা ভ্যাকসিনেশনে( CoVid Vaccination ) সবার আগে।

ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভা ২০ লক্ষেরও বেশি মানুষের টিকাকরণ সম্পন্ন করেছে। আরও ৪০ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। কলকাতাকে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সুরক্ষিত করে ফেলা হবে। সরকারি হিসেবে, কলকাতা পুরসভা অঞ্চলের স্থায়ী আবাসিকের সংখ্যা ৫৬-৬০ লক্ষ। কলকাতায় বিভিন্ন কাজে রোজ যাতায়াত করেন বা বাইরের বাসিন্দারা এসে থাকেন সেই সংখ্যাটা প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষের বেশি।

ফলে শহরের মূল জনসংখ্যাকে পুরোপুরি টিকার আওতায় নিয়ে আসতে পারলে সংক্রমণ অনেকটা রোখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। যার ফল ভোগ করবে পার্শ্ববর্তী জেলাও। যাঁরা রোজ শহরে যাতায়াত করছেন তারা সংক্রমণ নিয়ে নিজের জেলায় ফিরবেন না। তবে, এই কাজে শহরকে নিরাপদ রাখতে কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলিকেও দায়িত্ব নিতে হবে বলেই মনে করছে কলকাতা পুরসভা।

বেসরকারি নার্সিংহোমগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বেশি করে ভ্যাকসিনের দাবি জানাক। বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোমের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে এমনই পরামর্শ দিলেন কলকাতা পুরসভার প্রধান প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। পরে তিনি জানান, অনেক বেসরকারি অফিস, পার্লার, ছোট কারখানা, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তাদের সংস্থার কর্মীদের পৃথক টিকাকরণ করার আবেদন জানানো হচ্ছে কলকাতা পুরসভাকে।

টিকাকরণের খরচও প্রস্তুত দিতে রাজি তারা। এঁদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমগুলিকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ পুরসভা টাকার বিনিময়ে টিকা দিতে পারবে না। পুরসভা সব মানুষের জন্য সাধারন টিকাকরণের ব্যবস্থা করেছে। কিন্ত শহরকে সচল ও নিরাপদ রাখতে এঁদের জন্যও ব্যবস্থা করতে হবে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে, উৎপাদিত ভ্যাকসিনের ৭৫ শতাংশ সরকার এবং ২৫ শতাংশ বেসরকারি হাতে দেওয়া হবে।

তার থেকেও বেশি ভ্যাকসিন তুলতে হবে। প্রয়োজনে পুরসভা সবরকম সাহায্য করবে। ভ্যাকসিন রাখার বিশেষ আইসলাইন রেফ্রিজেরেটরও রয়েছে পুরসভার। প্রয়োজনে সেটাও ব্যবহার করতে পারবেন বেসরকারি হাসপাতাল এবং নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। ফিরহাদ বলেন, শহরকে নিরাপদ রাখার এই প্রয়াসে বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও এগিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন