রানার ডেস্ক : গুজরাটের বুকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বন্য প্রাণ সংরক্ষণ কেন্দ্র বা চলতি ভাষায় চিড়িয়াখানা গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। প্রজাতি এবং সংখ্যার বিচারে এই চিড়িয়াখানা তাক লাগাবে গোটা দুনিয়াকে। গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রিলায়েন্স-এর তেল শোধনাগারে পাশে জামনগরে এই চিড়িয়াখানা গড়ে উঠবে ২৮০ একর জমির ওপরে।
বিশ্বের সর্বোচ্চ মূর্তির ( স্ট্যাচু অফ ইউনিটি )পর গুজরাটের পালকে যুক্ত হচ্ছে নতুন এই কীর্তি। এই প্রকল্পকে আগামী দিনে দুনিয়ার অন্যতম আশ্চর্য কীর্তি হিসাবে গড়ে তুলতে আগ্রহী আম্বানি গোষ্ঠী। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব এম কে দাস জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্প অনুমোদন করেছে, খুব দ্রুত এর কাজ শুরু হবে।
রিলায়েন্সের অন্যতম ডিরেক্টর পরিমল নাথানি জানিয়েছেন, আগামী দু বছরের মধ্যেই এই প্রকল্প দিনের আলোর মুখ দেখবে। করোনার জন্য এর কাজ ইতিমধ্যে পিছিয়েছে, এখন আর থমকে থাকার সময় নেই, দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। কেন্দ্রীয় বনপ্রাণ মন্ত্রকের অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল সৌমিত্র দাশগুপ্ত জানিয়েছেন, প্রকল্পের খুঁটিনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তিনি এখনও হাতে পাননি।
তবে তিনি মনে করেন এই প্রকল্প বন্যপ্রাণ সংরক্ষণে বেসরকারি উদ্যোগের একটি সুন্দর উদাহরণ হয়ে থাকবে। দাশগুপ্ত বলেন, চিড়িয়াখানা গড়তে বেসরকারি উদ্যোগ নতুন কিছু নয়। দেশের প্রাচীনতম চিড়িয়াখানা, কলকাতা চিড়িয়াখানা এর উজ্জ্বল উদাহরণ। রিলায়েন্স শুধু বন্যপ্রাণ সংরক্ষণই নয়, পুনর্বাসন কেন্দ্রও গড়ে তুলবে।
এই প্রকল্প গড়ার দায়িত্ব পেয়েছেন আম্বানি পরিবারের কনিষ্ঠ পুত্র অনন্ত আম্বানি। কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দ্রুত এর কাজ শেষ করে আগামী ২০২৩ সালেই জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেবার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
