Robot in Fast-Food : ফাস্টফুড সংস্থা গুলিতে ব্যাপক কর্মী ছাঁটাই, আসছে রোবট

|

রানার প্রতিবেদন : করোনা ( Corona ) আবহে শিকেয় উঠেছে ব্যবসা। মাছি তাড়াচ্ছে শহরের একাধিক নামজাদা ফাস্ট ফুড সংস্থা (Fast-Food Company )। মন্দার বাজারে এবার কর্মী ছাটাই করতে চায় ফাস্টফুড কোম্পানিগুলো। কাউন্টারে মাস মাইনের কর্মচারীর বদলে রোবট ( Robot ) বসাতে চায় তারা। গুজব নয়। এ ঘটনা দিনের আলোর মতো সত্যি।
ফাস্ট ফুড দুনিয়ায় অন্যতম নাম ম্যাকডোনাল্ড ( McDonald )। তাদের বার্গার জগৎ বিখ্যাত। সম্প্রতি ওয়াল স্ট্রিটে কনফারেন্সে এ কথা জানিয়েছেন, ম্যাকডোনাল্ডের সিইও ক্রিস কেম্পজিনস্কি ( Chris Kempinski )।

তিনি বলেছেন, আমরা চেষ্টা করছি বেশ কিছু আউটলেটে অটোমেটেড ভয়েস অর্ডারিং যন্ত্রের ( Automated voice ordering Device ) মাধ্যমে অর্ডার নেওয়ার জন্য। আপাতত চিকাগোর ১০ টি আউটলেটে এমন পদ্ধতি শুরু হয়ে গিয়েছে। শুধু অটোমেটিক পদ্ধতিতে অর্ডার নেওয়াই নয়, অটোমেটেড গ্রিলড যন্ত্রে স্যান্ডউইচ গ্রিল করা থেকে অটোমেটেড ফ্রায়ারে ফ্রেঞ্চফ্রাই ভাজা, পুরোটাই হবে স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায়। প্রশ্ন উঠছে পুরোটাই স্বয়ংক্রিয় হয়ে গেলে কর্মীদের কি হবে? তারও আঁচ দিয়ে রেখেছেন ম্যাকডোনাল্ডের সিইও।

ক্রিস জানিয়েছেন, বিগত কয়েক বছরে জেনারেল অ্যান্ড এডমিনিস্ট্রেটিভ ক্ষেত্রে প্রচুর টাকা খরচ করে ফেলেছে সংস্থা। আর নয়। এবার সময় এসেছে রান্নাঘরকে স্বয়ংক্রিয় করার। ম্যাকডোনাল্ড একা নয়। ফাস্ট ফুড দুনিয়ায় কান পাতলে শোনা যাচ্ছে এমন সিদ্ধান্তের পথে এগোচ্ছে অনেকেই। বিশ্বখ্যাত পিৎজা কোম্পানি ডমিনো ( Domino ) ইতিমধ্যেই বাজারে এনেছে তাঁদের সেল্ফ ড্রাইভিং পিৎজা ডেলিভারি ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় কোনও মানুষ নয় এক রোবট গাড়ি পিৎজা পৌঁছে দেবে বাড়ি বাড়ি।

এর জন্য নিউরো নামক এক সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে ডমিনো। ডমিনোজের ওয়েবসাইটে পিৎজা অর্ডার দিলেই ওই আর ২ রোবোট পিৎজা পৌঁছে দেবে বাড়িতে। ইতিমধ্যেই হাউস্টনে শুরু হয়ে গিয়েছে এই পরিষেবা। ডমিনোজের এই ডেলিভারি রোবট পৃথিবীর প্রথম অটোনমাস অন রোড ডেলিভারি ভেহিকেল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ( USA ) পরিবহন দফতরও একে ছাড়পত্র দিয়েছে। এখানেই শেষ নয়। কলকাতা ( Kolkata ) শহরের একাধিক মলে দোকান খুলেছে টাকো বেল।

ফাস্ট ফুডের এই সংস্থা নিউ ইয়র্ক ( New York ) শহরে টাইমস স্কোয়ারে তাদের বিপণির কাউন্টারকে মানুষ শূন্য করে ফেলেছে। সেখানে শুধুমাত্র রয়েছে একটি টাচ স্ক্রিন। সেই স্ক্রিনে টাচ করে অর্ডার দিলেই, বার্তা চলে যাবে রান্না ঘরে। সেখান থেকেই খাবার রান্না হয়ে চলে আসবে ক্রেতার টেবিলে। করোনা আবহে রেস্তোরাঁ গুলো কার্যত জনমানবহীন।

বিক্রিবাটা তলানিতে চলে যাওয়ায় কর্মীছাটাই করছে ছোট বড় একাধিক সংস্থা। ধীরে ধীরে সমস্ত ফাস্টফুড স্টল রোবট নিয়ন্ত্রিত হয়ে গেলে কি হবে, তাই ভেবেই আশঙ্কিত শহরের ফাস্টফুড স্টলের কর্মচারীরা।

আরও পড়ুন