নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : লকডাউনের বাজারে পার্কিং থেকে আয় গত বছর পুরোপুরি বন্ধ ছিল। আনলক পরবর্তী সময়েও পার্কিং লট থেকে কলকাতা পুরসভার কোষাগারে নামমাত্র অর্থ ঢুকছে। চলতি বছর ফের বিধিনিষেধ আরোপ হয়েছে। রাস্তায় গাড়ি কম। পার্কিং লট খালি। সুতরাং কলকাতা পুরসভার আয় তথৈবচ। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন আনতে এবার শহরের বুকে বিভিন্ন রাস্তায় আরও নতুন ৮১টি পার্কিং লটের অনুমতি দিতে চলেছে কলকাতা পুরসভা।
ডাকা হয়েছে টেন্ডার। কলকাতা পুরসভার তথ্য বলছে, শহরে বর্তমানে নথিভূক্ত পার্কিং লটের সংখ্যা ১৪৭টি। স্বাভাবিক সময়ে মাসে পার্কিং লট থেকে ১ কোটি ২০ লক্ষ বা ১ কোটি ৩০ লাখের কাছাকাছি অর্থ কলকাতা পুরসভার হাতে আসে। গত মাসে মাত্র পঁচিশ থেকে ত্রিশ লক্ষ টাকা এসেছে। চলতি মাসে সব মিলিয়ে আয় ৫০ লক্ষ টাকাও ছাড়ায়নি। বিশেষ করে নাইট পার্কিং থেকে বড় অর্থ আসে। যা প্রায় বন্ধ।
ফলে সব মিলিয়ে কোষাগারে টান পড়েছে। সেই ঘাটতি মেটাতে আরও নতুন ৮১টি পার্কিং লটের জন্য টেন্ডার ডেকেছে পুর-কর্তৃপক্ষ।এক আধিকারিক বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের নাইট পার্কিং শুরু করেছিলাম। দু মাস যেতে না যেতেই বর্তমানে নাইট পার্কিং বন্ধ। যেখানে নাইট পার্কিং হচ্ছে, সেখান থেকেও ঠিকঠাক টাকা উঠছে না। তাছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিস্থিতিতে সকলেরই পকেটের টান।
এই অবস্থায় পার্কিং ফি বাড়ানো সম্ভব নয়। এজেন্সিগুলির থেকেও অতিরিক্ত অর্থ চার্জ করা যাবে না। কারণ, তাঁদেরও লকডাউনের মাসে কোনও আয় হয়নি। ইতিমধ্যে পার্কিং লটে দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সিগুলি লকডাউনের মাসের ফি মুকুবের আবেদন করেছে। সেটাও বিবেচনাধীন। ফলে সব দিক বিবেচনা করেই নতুন পার্কিং লটের টেন্ডার ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা।
