রানার প্রতিবেদন : আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন ( Monsoon Session )। এই অধিবেশন চলা কালীন আগামী ২৫ তারিখ দিল্লি ( Delhi ) পৌছচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। এই সময় দিল্লিতে বিরোধী নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তার এই সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি ( President ) এবং প্রধানমন্ত্রীর ( Prime Minister ) সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী সফর চলাকালীন তাকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হতে পারে এবার।
বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং এর ইঙ্গিত, যারা ঘরছাড়া হয়ে আছেন তৃণমূলের অত্যাচারে, তাদের অনেকেই দিল্লি পৌঁছেছেন। বিভিন্ন জায়গায় তারা আশ্রয় নিয়ে আছেন। এরকম হাজার সাতেক ঘরছাড়া মানুষ নাকি দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছেন। এই ঘরছাড়ারাই বিক্ষোভ দেখাবে বলে জানিয়েছেন অর্জুন। কবে কার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ তা নির্দিষ্ট করে না বলেননি। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর সফর চলাকালীন বিক্ষোভ সংগঠিত হতে পারে, কোন জায়গায় সেটা স্পষ্ট করে বলা হয়নি।
বিক্ষোভ সংগঠিত করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ( NHRC ) রিপোর্ট সামনে আসার পর এটাকেই এখন সবচেয়ে বড় হাতিয়ার করছে বিজেপি ( BJP )। গেরুয়া শিবির দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করছিল, রাজ্যজুড়ে বল্গাহীন সন্ত্রাস নামিয়ে এনেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। খুন-ধর্ষণ আগুন লুট হয়েছে রাজ্যজুড়ে, কিন্তু শাসক দল এবং সরকার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বিজেপির দাবি, বাস্তবটা প্রতিফলিত হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে। এই রিপোর্টকে হাতিয়ার করেই রাজ্য সরকারকে কোণঠাসা করতে চায় বিজেপি। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও সরব হতে চাইছে রাজ্য বিজেপি। গেরুয়া শিবির একইসঙ্গে রাজ্য সরকারের ওপর চাপ তৈরি করতে, বিক্ষোভ সংগঠিত করার কথা ভাবছে তারা।
