বাড়ছে বেসুরোদের সংখ্যা, এবার জবরদস্ত ডিগবাজি সোনালির

|

রানার ডেস্ক : একেই বলে ডিগবাজি। জবরদস্ত ডিগবাজি। ভোটের সময় বিজেপির সরকার গড়ার সম্ভাবনা দেখে তৃনমূলের নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক একেবারে ঝাঁকে ঝাঁকে এসে ভিড়ে গিয়েছিলেন বিজেপিতে। বলেছিলেন, মানুষের জন্য তারা কাজ করতে চান, কিন্তু তৃণমূলে থেকে সেটা সম্ভব হচ্ছিল না।

বিজেপির টিকিটে দলবোদলুদের বড় অংশ হেরে যাবার পর, এখন তাদের অনেকেই ইঙ্গিত দিচ্ছেন, সিধান্ত ভুল ছিল, আসলে মানুষের জন্য কাজ করতে হলে দিদির বিকল্প নেই। আকারে ইঙ্গিতে সবে কনসার্ট শুরু করেছেন তাঁরা। এরই মধ্যে সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন সোনালী গুহ। টুইট করে বলেছেন, আমি অভিমান করে বিজেপিতে গেলেও সেখানে আমার দমবন্ধ হয়ে আসছিল।

তখনই বুঝেছি, দিদিই আসলে আমার শ্বাস-প্রশ্বাস, দিদিকে ছাড়া আমার বাঁচা সম্ভব নয়। এখানেই থেমে না থেকে তিনি টুইট করে বলেছেন, বিজেপি থেকে আমাকে বলা হয়েছিল, দিদির যা কিছু খারাপ এবার সব আপনাকে বলতে হবে। কিন্তু আমার পক্ষে সেটা তো সম্ভব নয়, কারন দিদির কোনও খারাপ কিছু আমি দেখিনি। ওরা বললো, দিদির ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে তোমাকে কুৎসা করতে হবে।

আমি বললাম অসম্ভব। একাজ আমার দাঁড়া হবে না। ফলে আমি ওদের হয়ে কোনও প্রচারে যাই নি। এই প্রসঙ্গে এক বিজেপি নেতা তার নাম প্রকাশে অনিচ্ছা জানিয়ে বলেন, উনি এখনও দলের কাছে ইস্তফাপত্র দেননি। সুতরাং প্রকাশ্যে এনিয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না। শুধু এটুকুই বলবো,” উনি রোজ ফোন করতেন প্রচারে যাবার ইচ্ছে প্রকাশ করে।

কিন্তু সোনালীর ভাবমূর্তির কথা ভেবেই ওকে সামনে আনা হয়নি। রণকৌশলের অঙ্গ হিসাবে তৃনমূল থেকে যারাই আসতে চেয়েছে তাদেরই দলে নেওয়া হয়েছে। তারপর কাকে কাজে লাগানো হবে এবং কিভাবে সেটা দলই ঠিক করেছে। তিনি বলেন, মনিরুল ইসলামকেও দলে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাকেও তো সামনে আনা হয়নি।”

সোনালী গুহ তৃনমূলের টিকিট বন্টন পর্যন্ত ছিলেন একনিষ্ঠ তৃনমূল। যেদিন তাকে টিকিট থেকে বঞ্চিত করা হলো, সেদিন চ্যানেলের ক্যামেরার সামনে দফায় দফায় কেঁদে ভাসালেন। পরদিন যোগ দিলেন বিজেপিতে। সোনালী বলেছেন, আমি বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়তে চাইনি। এটা শুনে, নাম প্রকাশে অনিছুক বিজেপি নেতা শুধু মুচকি হাসলেন।

আরও পড়ুন