West Bengal Budget Session – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sat, 03 Jul 2021 08:55:25 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.1 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png West Bengal Budget Session – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 বিধান পরিষদের জন্য মরিয়া মমতা, প্রস্তাব আটকে দিতে প্রস্তুত বিজেপি https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-west-bengal-legislative-assembly-bjp-trying-stop/ Sat, 03 Jul 2021 08:43:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3234 রানার ডেস্ক : তৃতীয়বারের জন্য সরকার তৈরি করেই আবার বিধান পরিষদ ( Legislative Assembly ) গঠনে তৎপর হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ( Mamata Banerjee )। চলতি বিধানসভার বাজেট অধিবেশনেই ( Legislative Budget Session ) এনিয়ে আলোচনা প্রস্তাব পেশ হবে। আগামী মঙ্গলবারই সম্ভবত এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। নিয়ম অনুযায়ী, বিধানসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক তৃতীয়াংশ সদস্য থাকবে বিধান পরিষদে। ফলে প্রতাবিত পরিষদে সদস্য সংখ্যা হতে পারে মোট ৯৭ জন।

নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে আসবেন। এদের নির্বাচন করবেন লোকসভার সমস্ত পুর এবং পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা। বাকি ৫৫ জনের মধ্যে সিংহভাগ অংশই নির্বাচিত হবেন বিধান সভার সদস্যদের দ্বারা। খুব সামান্য কয়েকজনকে মনোনীত করবেন রাজ্যপাল ( Governor )। স্বাধীনতার পর এরাজ্যেও ছিল বিধান পরিষদ ( Legislative Assembly )। ১৯৬৯ সালে অজয় মুখার্জির নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট সরকার কার্যত সর্বসম্মতিতেই ইতি টেনে দেয় বিধান পরিষদে।

সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল কংগ্রেস সেই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেনি। সেইসময় সরকারের যুক্তি ছিল, বিধানপরিষদের বাস্তবিক কোনও কার্যকরী ভূমিকা নেই। পরিষদ না থাকলে কোনও ক্ষতিই হবে না। তাহলে বিপুল অর্থ খরচ করে হাতি পোষার বিলাসিতার কী দরকার। ৫২ বছর পর সেই বিধানপরিসদকে আবার বাঁচিয়ে তুলতে চাইছেন মমতা ব্যানার্জি। প্রশ্ন উঠেছে কেন আবার বিধান পরিষদ তৈরি করতে চান মমতা?

তৃনমূল কংগ্রেসের যুক্তি হলো, ভোট রাজনীতির বাইরে বহু বিশিষ্ট মানুষ আছেন। যাদের মতামত এবং পরামর্শ অত্যন্ত মূল্যবান। তাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ যোগদান সরকার ও প্রশাসনকে সমৃদ্ধ করে। মমতার প্রস্তাবের ঘোর বিরোধী বিজেপি। বর্তমানে প্রধান এবং একমাত্র বিরোধী দল বিজেপি ( Bjp ) মমতার নয়া উদ্যোগ ভেস্তে দিতে বদ্ধ পরিকর। বিজপি’র যুক্তি, মমতা ব্যানার্জি তার কাছের আরও কিছু মানুষকে খুশি করতে এই পরিষদ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন।

এর বাইরে পরিষদের কোনও ভূমিকাই নেই। সুতরাং এই প্রস্তাব রুখতে তারা কোনও চেষ্টার ত্রুটি রাখবেন না। বামেরা এখন বিধানসভায় শূন্য। ২০১১ সালে মমতা যখন প্রথম এই প্রস্তাব আনেন তখন তীব্র বিরোধিতা করেছিল বামেরা। এবার তাদের বক্তব্য, মমতা ব্যানার্জি ভালো করেই জানেন, বিজেপি বিরোধিতা করছে মানে বিধানপরিষদ গঠন সম্ভব না।

কারন বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ হলেও সেই প্রস্তাব পাশ করাতে হবে লোকসভাতেও। বিজেপি লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ। বিজেপি নেতারা তাই মমতার উদ্যোগ্যেকে কটাক্ষ করে বলছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই সব উদ্যোগ লোক দেখানো। তিনিও জানেন, এই প্রস্তাব কার্যকর করা কার্যত অসম্ভব। কারন এর চাবিকাঠি আছে বিজেপি’র পকেটে।

]]>
বিক্ষোভে উত্তাল বিধানসভা, ভাষণ শেষ না করেই চলে গেলেন রাজ্যপাল https://runnerbangla.com/west-bengal-governor-jagdeep-dhankhar-left-assembly-without-concluding-speech/ Fri, 02 Jul 2021 10:25:44 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3193 কলকাতা : নজিরবিহীন উত্তেজনা রাজ্য বিধানসভায় ( Assembly )। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের ভাষণ ( Jagdeep Dhankar Speech ) শুরু হতেই বিধানসভায় হট্টগোল আরম্ভ হয়। শাসক পক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) এবং বিরোধী পক্ষ বিজেপি ( BJP ) উভয়েই গন্ডগোল শুরু করে। এমন পরিস্থিতি রাজ্যপালের তার ভাষণ শেষ না করেই বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে যান। রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতি নিয়ে ভাষণে উল্লেখ না থাকায় বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি।

ভারত মাতা কী জয় স্লোগান ( Bharat Mata Ki Joy Slogan ) দিয়ে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপির বিধায়করা। পাল্টা রাজ্যপালের ভাষণ মাঝ পথে থামতেই জয় বাংলা আর ধনকার হটাও স্লোগান তুলে হট্টগোল শুরু করে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের ( Assembly Budget Session ) প্রথম দিনেই কার্যত উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিধানসভার অন্দরে। বিজেপির দাবি, ভোট-পরবর্তী বাংলায় বিরোধীদের ধরে ধরে মারধর করা হয়েছে।

খুন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণেই বিধানসভায় সেই নিয়ে আলোচনা চেয়েছে তারা। ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে সন্ত্রাস এবং আইন শৃংখলার অবনতির কারণ দেখিয়ে রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিজেপি পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে হৈচৈ করা হয়। বিধানসভা অধিবেশন বসার আগে নওশাদ আলী কক্ষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক হয়। সেখানেই ঠিক হয় রণ কৌশল।

নির্দিষ্ট সময় বিধানসভায় চলে এসেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) এবং বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ( Speaker Biman Banerjee ) রাজ্যপালকে অভ্যর্থনা জানান। নিয়ম মেনে রাজ্যপাল বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন। তারপর এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি। ভাষণ শেষ করে উভয় পক্ষের ঝামেলার মধ্যেও বিধানসভা ছাড়েন রাজ্যপাল।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, সরকার রাজ্যপালের জন্য যে ভাষণ লিখে দিয়েছে সেখানে যদি সামান্য হলেও ভোট পরবর্তী হিংসার উল্লেখ থাকতো এবং ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস থাকতো তবে তারা দায়িত্বশীল বিরোধীদলের মতোই আচরণ করতেন এবং সভা পরিচালনায় সহযোগিতা করতেন।

]]>
টানটান উত্তেজনা, আজ প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা-শুভেন্দু https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-suvendu-adhikari-face-to-face-first-time-today-high-tension/ Fri, 02 Jul 2021 05:57:26 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3190 রানার ডেস্ক : ভোটের পর প্রথমবারের জন্য বসছে বিধানসভা অধিবেশন ( Assembly Session )। আজ শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন ( Budget Session )। মূলত ফেব্রুয়ারি কিংবা মার্চ মাসেই পাশ হয় সরকারের আগামী বছরের বাজেট। এবার বিধানসভা ভোট থাকায় নিয়ম মেনে পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হয়নি। দৈনন্দিন খরচ সামাল দেবার জন্য পাশ হয়েছে Vote on Account, এবার পাশ হবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট ( Full Budget )।

নিয়ম হলো, ভোটের বছর বাজেট পিছিয়ে দেওয়া হয়, যাতে নব নির্বাচিত সরকার এসে তাদের মতো করে বাজেট তৈরি করতে পারে। আজ সেই বাজেট অধিবেশন ঘিরেই কার্যত যুদ্ধ যুদ্ধ পরিবেশ বিধানসভায়। এই প্রথম বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে বিধানসভার অন্দরে মুখোমুখি হবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )।

যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে হারতে হয়েছে শুভেন্দুর কাছে। মমতাকে হারিয়ে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী এখন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ( Opposition Leader )। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেই মমতা নাম শুভেন্দু দ্বৈরথ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই লড়াইয়ে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে রাজি নয়।

এই মনোভাব প্রথম প্রকট হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম ( Nandigram ) থেকে নিজের প্রার্থী পদ ঘোষণার পরই। হাড্ডাহাড্ডি এই লড়াইয়ের পরিণাম ধরা পরে ভোটের ফলাফলেও। মাত্র হাজার দেড়েক ভোটের ব্যবধান নিষ্পত্তি হয় যুদ্ধ। যদিও সেই ফল মেনে নেননি মমতা ব্যানার্জি। তারা অভিযোগ, জালিয়াতি করে তাকে হারানো হয়েছে।

ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন মমতা। সেই আবহে বিধানসভায় আজ মুখোমুখি দুই প্রতিদ্বন্দ্বী। একজন মুখ্যমন্ত্রী অন্যজন বিরোধী দলনেতা। এই যুদ্ধ যুদ্ধ পরিবেশে তৃনমূল তার সমস্ত বিধায়ককে আজ বিধানসভায় হাজির থাকার জন্য হুইপ জারি করেছে।

]]>