West Bengal Assembly – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Fri, 09 Jul 2021 17:17:16 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png West Bengal Assembly – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 মূল্যবোধের মাথা খেয়ে মুকুলকেই পিএসি’র মাথায় বসানো হলো https://runnerbangla.com/west-bengal-assembly-public-accounts-committee-chairman-mukul-roy/ Fri, 09 Jul 2021 16:49:04 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3675 রানার ডেস্ক : যেমন ভাবা তেমন কাজ । মুকুল রায়কে শেষ পর্যন্ত পাবলিক একাউন্টস কমিটির ( Public Accounts Committee ) মাথায় বসালো সরকার। সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ( Speaker Biman Banerjee )। মুকুল রায় ( Mukul Roy ) বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেবার পর থেকেই এখবর বাজারে ভেসে বেড়াতে থাকে, তৃণমূল সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুকুল রায়কেই পিএসসি চেয়ারম্যান ( PSC Chairman ) করা হবে।

ভারতীয় সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি মেনে চিরকালই বিরোধীদলের সুপারিশ করা বিধায়ককে পিএসসি চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়। স্বাধীনতার পর থেকে পার্লামেন্টে এবং বিভিন্ন বিধানসভাগুলোতে এই রীতি অনুসরণ করে আসা হচ্ছে। পাবলিক একাউন্ট কমিটির কাজ সরকারের খরচের ওপর নজর রাখা। সরকারি কাজকর্মে স্বচ্ছতা ধরে রাখতেই বিরোধী শিবিরের নেতাকে পিএসসি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়ার রীতি চলে আসছে।

তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর মানস ভূঁইয়াকে ( Manas Bhunia ) ওই চেয়ারে বসিয়ে প্রথম এই রীতি লঙ্ঘন করে। মানস ভুঁইয়া কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেবার পর তাকে বসানো হয়েছিল পিএসসি চেয়ারম্যান পদে। যদিও বিরোধী শিবির থেকে বাম এবং কংগ্রেসের সুপারিশ ছিল সুজন চক্রবর্তীকে ( Sujan Chakraborty ) পিএসসি চেয়ারম্যান করা হোক। বিরোধীদের সুপারিশ খারিজ করে দিয়ে, সরকার বা স্পিকার সেসময় যুক্তি দেখিয়ে ছিল মানস ভুঁইয়া কংগ্রেসের থেকে নির্বাচিত বিধায়ক।

মানস ভুঁইয়া বিরোধী শিবিরের বিধায়ক বললেও, বাস্তবে মানস বাবু নাম লিখিয়ে বসে আছেন তৃনমূল শিবিরে। সংবিধানে স্পিকারের হাতেই সমস্ত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে তিনি কাকে পিএসসি চেয়ারম্যান করবেন কাকে করবেন না। ফলে একে আদালতে চ্যালেঞ্জ করতে পারবে না বিরোধীরা। যেহেতু আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, সেইহেতু সুযোগের সদ্ব্যবহার করে স্পিকার এই সিদ্ধান্ত নিলেন বলে মনে করছে বিজেপি।

আজ মুকুল রায়ের নাম ঘোষণার পর তীব্র প্রতিবাদ করা হয় বিজেপির শিবির থেকে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) জানিয়ে দেন, বিধানসভার যতগুলো স্ট্যান্ডিং কমিটির মাথায় বিজেপি বিধায়করা চেয়ারম্যান হয়েছেন তারা সবাই পদত্যাগ করবেন। তারা শুধু সদস্য হিসেবেই থাকবেন কমিটিতে। চেয়ারম্যান পদে কেউ থাকবে না।

বামেদের মন্তব্য, মূল্যবোধের মাথা খেয়ে পিএসসির মাথায় বসানো হয়েছে মুকুল রায়কে। এই সরকার অতীতে একই ঘটনা ঘটিয়েছে। আবারও একই ঘটনা ঘটল। বারবার গণতান্ত্রিক রীতি নীতি আদর্শ- মূল্যবোধকে পদদলিত করছে এই সরকার ,অভিযোগ বাম শিবিরের।

]]>
বিধান পরিষদের বিপুল খরচ জনগনের কাঁধে চাপাচ্ছে তৃনমূল সরকার https://runnerbangla.com/west-bengal-legislative-assembly-huge-cost-tmc-government/ Wed, 07 Jul 2021 03:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3442 সূর্যকান্ত মিশ্র
রাজ্য সম্পাদক, সিপিআই(এম)


মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ( West Bengal Assembly ) উচ্চকক্ষ অর্থাৎ বিধান পরিষদ ( Legislative Assembly ) গঠনের পক্ষে প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। রাজ্যবাসীর স্বার্থ এবং রাজ্যের বর্তমান আর্থ-সামাজিক প্রয়োজনীয়তাকে বিবেচনা না করে সরকারপক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে এই প্রস্তাব পাস করিয়েছে।ভারতের মত বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশে আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব সুনিশ্চিত করতে জাতীয় স্তরে আইনসভার উচ্চকক্ষ বা রাজ্যসভা ( Legislature Rajya Sabha ) থাকার দরকার আছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে রাজ্যস্তরে আইনসভার উচ্চকক্ষের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

বর্তমানে দেশে মাত্র ৬টি রাজ্যে বিধান পরিষদ বা উচ্চকক্ষ রয়েছে। প্রায় সব রাজ্যই বিধানসভায় প্রস্তাব নিয়ে বিধান পরিষদ তুলে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও স্বাধীনতার পরে বিধান পরিষদ ছিল, কিন্তু আইনসভার কার্যপ্রণালীতে তার কোনো কার্যকরী ভূমিকা ছিল না। ১৯৫২ থেকে পরবর্তী ১৭বছরে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ৪৩৬টি বিল পাস হয়েছিলো, তারমধ্যে মাত্র দুটি বিল সংশোধিত হয়েছিলো বিধান পরিষদে।

১৯৬৯ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাব নিয়ে বিধান পরিষদ তুলে দেয়। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল সরকার গঠিত হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী বিধান পরিষদ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু তখন বিধানসভায় বামফ্রন্টের যুক্তিপূর্ণ বিরোধিতার মুখে তিনি পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছিলেন। এখন পুনরায় কোনো যুক্তি ছাড়াই বিধান পরিষদ ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব পেশ করে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে পাস করালেন।

এই মহামারীর বিপদের সময় সরকার মানুষকে ওষুধ, অক্সিজেন, চিকিৎসা পরিষেবা দিতে পারছে না। হাসপাতালে শয্যা ও পরিকাঠামোর ব্যবস্থা করতে পারছে না। শিক্ষাব্যবস্থা বিপর্যস্ত, মানুষের রুটিরুজির ব্যবস্থা করতে সরকার ব্যর্থ। তৃণমূল সরকার এই সব সমস্যার সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বদলে শাসকদলের কয়েকজনকে পিছনের দরজা দিয়ে পুনর্বাসন দিতে বিধান পরিষদ গঠনের নামে সাদা হাতি পোষার ব্যবস্থা করতে চাইছে, যার বিশাল খরচ জনগণের ঘাড়ে চাপবে। তাই আমরা বিধান পরিষদ গঠনের প্রস্তাবের বিরোধিতা করছি এবং এই পরিকল্পনা বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।

]]>
“আরে হিরো যে”, রসিক মদনকে নিয়ে মজা দিলীপের https://runnerbangla.com/dilip-ghosh-raillery-madan-mitra-hero/ Tue, 06 Jul 2021 12:36:44 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3421 রানার ডেস্ক : দুজন দু’দলের। দুই রাজনীতির মানুষ। দুজনই আজ মেতে উঠলেন রসিকতায়। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ( Syama Prasad Mukherjee ) জন্মদিন উপলক্ষে বিধানসভায় ( Assembly ) প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ( Dilip Ghosh )। মাল্যদান করে বিধানসভার লবিতে বসে জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন দিলীপ ( Dilip Ghosh )। এমন সময় দেখা যায় কালো পাঞ্জাবি পরে সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছেন মদন মিত্র ( Madan Mitra )। সকলের চোখ তখন মদনের দিকে।

একজন জিজ্ঞাসা করলেন, কি মদন দা, হটাৎ নতুন পোশাক পরে এলেন? সকালে তো অন্য পোশাক ছিল। দুপুরে পোশাক পাল্টে এলেন? মদন বলেন, একটু বেরিয়েই ভিজে গিয়েছিলাম, তাই পাল্টাতে হলো। দিলীপের চোখ তখনই ঘুরে গেল মদনের দিকে। মুচকি হেসে তিনি বলেন, আরে হিরো যে, অসাধারন পাঞ্জাবি তো, এরকম কপিস আছে আপনার। সোনালী কাজ করা নিজের পাঞ্জাবির দিকে তাকিয়ে মদন বলেন , “এই এক পিসই আছে।

একগাল হেসে দিলীপ বলেন, হিরোও একপিসই আছে। তৃণমূলের হিরো বলতে তো মদন মিত্র।” হাসতে হাসতে মদন মিত্র চলে যান বিধানসভার ভেতরে। একটু পরেই শুরু হবে দিনের দ্বিতীয় পর্যায়ের অধিবেশন। যাবার পথে এক জন সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করলেন, কি হলো মদন দা? মদনের উত্তর, “কিছু না, পাঞ্জাবি নিয়ে বলছিল, আসলে আমাকে সবাই ভালোবাসে।” দিলীপও আড্ডার আসর ছেড়ে তখন হাটা দিয়েছেন গাড়ি বারান্দার দিকে।

দুদিন আগেই কুনাল ঘোষের সঙ্গে দিলীপের ছবি ছড়িয়েছে হাতে হাতে। দুজনই হাজির ছিলেন এক বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে। আজ বিয়েবাড়ি নয়, বিধানসভা , তবু স্মার্ট ফোনের জঙ্গলে বন্দি হয়ে গেলেন মদন-দিলীপ, কারন এই দুঃসময়ে এই ছবি আক্ষরিক অর্থেই বিরল।

]]>
তৃণমূল বিধায়কদের উপর হুলিয়া জারি করল দল https://runnerbangla.com/trinamool-party-mlas-issued-social-media-news/ Mon, 05 Jul 2021 13:10:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3336 কলকাতা : বিধায়কদের কড়া সর্তকতা দিল তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। তৃণমূল বিধায়কদের ক্ষেত্রে নির্দেশ দলের, কোন অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন, আয়োজক কারা, আমন্ত্রিত তালিকায় কে কে আছেন, তা ভালোভাবে জেনে নিয়ে, তবেই যাবেন। দেবাঞ্জন কাণ্ডের জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সোমবার রাজ্য বিধানসভায় ( Assembly ) তৃণমূলের পরিষদীয় দলের বৈঠকে দলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয় বিধায়কদের।

নতুন এবং পুরনো বিধায়কদের ক্লাস নেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই তিনি বিধায়কদের বিধানসভা অধিবেশনে ( Assembly Session ) উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেন। সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বৈঠকে ( Partha Chatterjee ) বলেছেন, অধিবেশন ভাল করে করতে হবে। সংবাদমাধ্যমে মুখ ভেবেচিন্তে খুলুন। মঙ্গলবার এবং বুধবার অধিবেশন শুরুর প্রথম দুদিন সকলকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলের তরফে। বলা ভালো কার্যত হুলিয়া জারি করেছে তৃণমূল পরিষদীয় দল।

বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াতে মুখ খোলার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বিধায়কদের। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, বিধানসভার কাজকর্ম ভালো করে শিখতে হবে। তার জন্য নিয়মিত অধিবেশন হাজির থাকুন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেবে চিন্তে মুখ খুলুন। সতর্ক থাকুন লেখার বিষয়ে। বিধানসভার প্রথম দিন রাজ্যপালের ভাষণের মধ্যেই তুমুল শোরগোল হয়েছিল। শাসক এবং বিরোধীপক্ষ কার্যত ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে।

এই বিষয়েও দলের বিধায়কদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন পার্থ। বৈঠকে তিনি বলেছেন, সংসদীয় রীতি নীতি মেনে প্রতিবাদ করুন। বিরোধীরা কিছু বললেই নিজের থেকে প্রতিবাদ করতে যাবেন না। যতক্ষণ না দল নির্দেশ দিচ্ছে ততক্ষণ আগ বাড়িয়ে কিছু করতে যাবেন না। তবে সব থেকে বেশি চর্চা হচ্ছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে যে হুলিয়া জারি করা হয়েছে তার বিষয়ে।

কয়েকদিন আগেই দেবাঞ্জন কাণ্ডে একাধিক তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীর নাম প্রকাশ্যে এসেছিল। নানা অনুষ্ঠানে দেবাঞ্জন এর সঙ্গে ছবি দেখা গিয়েছিল তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রীদের। এই অবস্থার পুনরাবৃত্তি যেন না হয় সেই ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা ঘাসফুল শিবির। তৃণমূল বিধায়কদের ক্ষেত্রে নির্দেশ দলের, কোন অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন, আয়োজক কারা, আমন্ত্রিত তালিকায় কে কে আছেন, তা ভালোভাবে জেনে নিয়ে, তবেই যাবেন। কোথাও কোনো অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার দায়িত্ব কিন্তু দল নেবে না।

]]>
বিক্ষোভে উত্তাল বিধানসভা, ভাষণ শেষ না করেই চলে গেলেন রাজ্যপাল https://runnerbangla.com/west-bengal-governor-jagdeep-dhankhar-left-assembly-without-concluding-speech/ Fri, 02 Jul 2021 10:25:44 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3193 কলকাতা : নজিরবিহীন উত্তেজনা রাজ্য বিধানসভায় ( Assembly )। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের ভাষণ ( Jagdeep Dhankar Speech ) শুরু হতেই বিধানসভায় হট্টগোল আরম্ভ হয়। শাসক পক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) এবং বিরোধী পক্ষ বিজেপি ( BJP ) উভয়েই গন্ডগোল শুরু করে। এমন পরিস্থিতি রাজ্যপালের তার ভাষণ শেষ না করেই বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে যান। রাজ্যে নির্বাচন পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতি নিয়ে ভাষণে উল্লেখ না থাকায় বিক্ষোভ শুরু করে বিজেপি।

ভারত মাতা কী জয় স্লোগান ( Bharat Mata Ki Joy Slogan ) দিয়ে ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপির বিধায়করা। পাল্টা রাজ্যপালের ভাষণ মাঝ পথে থামতেই জয় বাংলা আর ধনকার হটাও স্লোগান তুলে হট্টগোল শুরু করে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের ( Assembly Budget Session ) প্রথম দিনেই কার্যত উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিধানসভার অন্দরে। বিজেপির দাবি, ভোট-পরবর্তী বাংলায় বিরোধীদের ধরে ধরে মারধর করা হয়েছে।

খুন করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কারণেই বিধানসভায় সেই নিয়ে আলোচনা চেয়েছে তারা। ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে সন্ত্রাস এবং আইন শৃংখলার অবনতির কারণ দেখিয়ে রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিজেপি পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে হৈচৈ করা হয়। বিধানসভা অধিবেশন বসার আগে নওশাদ আলী কক্ষে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক হয়। সেখানেই ঠিক হয় রণ কৌশল।

নির্দিষ্ট সময় বিধানসভায় চলে এসেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) এবং বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ( Speaker Biman Banerjee ) রাজ্যপালকে অভ্যর্থনা জানান। নিয়ম মেনে রাজ্যপাল বিধানসভার অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন। তারপর এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি। ভাষণ শেষ করে উভয় পক্ষের ঝামেলার মধ্যেও বিধানসভা ছাড়েন রাজ্যপাল।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, সরকার রাজ্যপালের জন্য যে ভাষণ লিখে দিয়েছে সেখানে যদি সামান্য হলেও ভোট পরবর্তী হিংসার উল্লেখ থাকতো এবং ব্যবস্থা নেবার আশ্বাস থাকতো তবে তারা দায়িত্বশীল বিরোধীদলের মতোই আচরণ করতেন এবং সভা পরিচালনায় সহযোগিতা করতেন।

]]>
নজিরবিহীন ঘটনা, আটকে দেওয়া হলো রাজ্যপালের ভাষণ সম্প্রচার https://runnerbangla.com/west-bengal-governor-jagdeep-dhankhar-broadcast-speech-stopped/ Fri, 02 Jul 2021 05:29:46 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3186 রানার ডেস্ক : এই প্রথম রাজ্যপালের বাজেট ভাষণের সম্প্রচার আটকে দেয়া হলো। টেলিভিশনের যুগ আসার পর থেকে রাজ্যপালের বাজেট ভাষণ সম্প্রচার ( Governor Speech Broadcasting ) হয়ে আসছে টেলিভিশনে। এবার সেই ব্যবস্থায় ইতি টেনে দেওয়া হলো। স্পিকার বিমান ব্যানার্জি ( Speaker Biman Banerjee ) জানিয়ে দিয়েছেন, বিধানসভার ( Assembly ) অন্দরে কোনও ক্যামেরাই ঢুকতে দেওয়া হবে না এবার। ফলে এবার সম্ভব হবে না রাজ্যপালের ভাষণের লাইভ সম্প্রচার।

স্পিকারের সিধান্ত জানার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন রাজ্যপাল। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, এই ধরণের সিধান্ত জরুরি অবস্থার নামান্তর। বিধানসভা নির্বাচনের আগে Vote on Account পাশ করানোর সময় রাজ্যপালকে অধিবেশন উদ্বোধন করতে ডাকাই হয়নি। সেবার এনিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। সরকারের বক্তব্য ছিল,নিয়ম হলো, বাজেট অধিবেশন ( Budget Session ) রাজ্যপাল উদ্বোধন করবেন।

এবার Vote on Account পাশ করানোর জন্য আলাদা ভাবে বাজেট অধিবেশন ডাকা হয়নি। বিগত অধিবেশন স্থগিত রাখা হয়েছিল, সেই অসমাপ্ত অধিবেশন ডেকে Vote on Account পাশ করানো হলো। যদিও অতীতে প্রতিবার বাজেট অধিবেশন ডেকেই পাশ করা হয়েছে Vote on Account, যার ব্যতিক্রম হলো একুশে। Vote on Account বা অন্তর্বর্তী বাজেট ( Interim Budget )অর্থমন্ত্রীর পরিবর্তে পেশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিরোধীদের কথায় ওটা রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট নয়, তৃণমূলের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর সেই ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের সময় বিরোধীরা ওয়েলে নেমে গোলমাল করলে সেটা যাতে টিভিতে দেখানো না হয় তাও সুনিশ্চিত করা হয়। এবারই প্রথম বিধানসভার ব্যবস্থাপনায় লাইভ ছবি দেয়া হয় টিভি চ্যানেলগুলিকে। কিন্তু কোনও টিভি চ্যানেলকে আলাদা করে ছবি তুলতে দেয়া হয়নি।

এবার রাজ্যপালের ভাষণের সময় সরকারি-বেসরকারি, কারো ক্যামেরাই ঢুকতে পারবে না অধিবেশন কক্ষে। সরকারের লিখে দেওয়া বাজেট ভাষণ নিয়ে ইতিমধ্যে আপত্তি তুলেছেন রাজ্যপাল। যে আপত্তি খারিজ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিদিন নিয়ম করে তৃনমূল আক্রমণ করে চলেছে রাজ্যপালকে। পাল্টা আক্রমণ শানাচ্ছেন রাজ্যপাল। এই রকম যুধংদেহী পরিবেশে রাজ্যপালকে নিয়ে সব ধরনের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়াতেই হয়ত আটকে গেল টিভি সম্প্রচার।

]]>