Sewerage Department – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 29 Jul 2021 14:09:26 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Sewerage Department – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 মুখ পুড়লো পুরসভার, ঢাক ঢোল পিটিয়েও ভাসতে হলো একঘন্টায় https://runnerbangla.com/kmc-sewerage-department-failed-slight-rainfall-kolkata-waterlogged/ Thu, 29 Jul 2021 13:50:36 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4571 #কলকাতা : মাঝারি বৃষ্টিতেই কার্যত বানভাসি কলকাতা। কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) নিকাশি বিভাগের ভঙ্গুর দশা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। তারপর বৃষ্টিতে একাধিক জায়গায় গাছ এবং একটি বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। কলকাতা পুরসভার টিম গিয়ে বাড়ি ধ্বংসস্তূপ সরিয়েছে। ভেঙেপড়া গাছ সরিয়ে রাস্তা খালি করেছে। বুধবার মধ্যরাত থেকেই বৃষ্টি হয়েছে শহরে। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টি চলেছে। যার জেরে জলমগ্ন হয়েছে শহরে বেশ কিছু এলাকা।

সুকিয়া স্ট্রিট, বিবি গাঙ্গুলী স্ট্রিট, সেন্ট্রাল এভিনিউ, ঠনঠনিয়া, টেংরা, পিকনিক গার্ডেন, বাইপাস সহ বিভিন্ন এলাকায় যথেষ্ট জল জমেছে। যদিও কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসককে জানিয়েছেন, কিছু কিছু জায়গায় জল জমেছে। কিন্তু দেশের অন্যান্য মেট্রো শহরে যেভাবে বানভাসি অবস্থা, তা কলকাতায় হয়নি। কিছু জায়গায় জল জমেছে তা দ্রুত নেমে যাচ্ছে। এদিকে, এদিন সকালে কলকাতায় লিবার্টি সিনেমা হলের পাশের গলিতে একটি তিনতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে।

বাড়ির বাসিন্দা তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় কলকাতা মেডিকেল কলেজে ( Medical College ) নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি বাসিন্দাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে যায় দমকল এবং কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের কর্মীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় স্থানীয় গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ। অন্যদিকে পার্কস্ট্রিটে ফুটপাতের একটি কাজ পুরোপুরি গোড়া থেকে ভেঙে পড়ে। পরে কলকাতা পুরসভার উদ্যান বিভাগের কর্মীরা গিয়ে গাছ কেটে তা সরিয়ে নিয়ে যায়।

কলকাতা শহরে এদিন দুপুর দুটো পর্যন্ত ৪০ মিলিমিটার গড় বৃষ্টিপাত হয়েছে। তাতেই ভেসে গিয়েছে কলকাতা। কলকাতা পুরসভার সব পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) কাজ শুরু করেছে। চালানো হচ্ছে ৩৭৭টি পাম্প ( Pump )। কিন্তু তারপরেও শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় জল নামানো যায় নি। বিশেষ করে মেট্রোর কাজের জন্য বাইপাসে বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে।

তবে কয়েকটি অঞ্চল থেকে ধীরে ধীরে জল নামছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুরসভা। বিশেষ করে, দুপুরে কয়েকঘণ্টা জোয়ার থাকায় লকগেট বন্ধ ছিল। তার ফলে জল জমেছে বলেই দাবি পুরসভা। বিকেলে লক গেট খুলে দেওয়ার পর আস্তে আস্তে জল নেমে গিয়েছে বলে দাবি করেছে কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

]]>
আজব প্রসাশন : জমা জল নামানোর জন্য, জলে ঢালা হয় কোটি কোটি টাকা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-drainage-system-billion-rupees/ Wed, 21 Jul 2021 13:17:34 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4252 #কলকাতা : শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে রাখা রয়েছে একাধিক হ্যান্ড পাম্প ( Hand Pump )। তুমুল বৃষ্টিতে জল নামানোর কাজে যা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু সেই সব হ্যান্ড পাম্প কি বাস্তবে প্রয়োজন হয়? নাকি অহেতুক রেখে খরচের বহর বাড়ানো হয়েছে। সেই সমীক্ষা শুরু করল কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের ( Sewerage Department ) বক্তব্য, অপ্রয়োজনীয় পাম্প তুলে ফেলা হবে। যার জেরে অন্তত প্রতি বছর কয়েক কোটি টাকা খরচ কমবে কলকাতা পুরসভার।

নিকাশি বিভাগ সূত্রে খবর, বর্তমানে ৩৪১টি এমন হ্যান্ড পাম্প শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। যার মধ্যে ১২২টি কলকাতা পুরসভার নিজস্ব হ্যান্ড পাম্প ( Hand Pump )। বাকিগুলি বিভিন্ন ঠিকাদারি সংস্থার থেকে ভাড়া নেওয়া। সেই পাম্প চালাতে লোক রাখা, তেল খরচ সহ আনুষঙ্গিক খরচ মিলিয়ে প্রতিবছর এক একটি পম্পের পেছোনে অন্তত ৩ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়।

অর্থাৎ ঠিকাদারি সংস্থা মারফত হ্যান্ড পাম্প ভাড়া বাবদ কলকাতা পুরসভাকে প্রতিবছর অন্তত ৬ কোটি টাকা থেকে ১১কোটি টাকার খরচ গুনতে হয়। যা যথেষ্ট মোটা অংকের টাকা। কিন্তু এই হ্যান্ড পাম্প গুলির মধ্যে অনেক এমন আছে যেগুলোর প্রয়োজন নেই। এমনটাই দাবি করছেন কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের আধিকারিকরা। অন্তত ৩৫-৫০টি পাম্প অকারনে পড়ে রয়েছে। যেগুলোর খরচ পুরসভাকে সামলাতে হয়। কিন্তু সেগুলি খুব একটা কাজে লাগে না।

অর্থাৎ প্রতি বছর অন্তত দেড় কোটি টাকা থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা পর্যন্ত হ্যান্ড পাম বাবদ খরচ অতিরিক্ত করছে কলকাতা পুরসভা। কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, অনেক এমন পাম্প রয়েছে যেগুলো অকারনে পড়ে থাকে। সেগুলো কাজ না করলেও চলে। কিন্তু অনেক সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দাবি মেনে আমাদেরকে দিতে হয়েছে। কিন্তু এখন পুরসভা যখন আর্থিকভাবে কিছুটা সমস্যার মধ্যে চলছে, তখন এই অতিরিক্ত খরচ কাটছাঁট করা যায়।

কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ সূত্রে খবর, যে ওয়ার্ডে এমন বাড়তি পাম্প পড়ে রয়েছে সেই ওয়ার্ডগুলি হল ৬২, ১২৩, ১০৯ এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড। ৬২টি ৭টি, ১২৩ নম্বরে ১৩-১৪টি, ১০৯ নম্বরে ৯-১০টি এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ৭-৮টি হ্যান্ড পাম দেওয়া আছে। যেগুলির মধ্যে অনেকগুলো বাড়তি। এমনই শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বাড়তি হ্যান্ড পাম্প তুলে দিয়ে খরচ কমাতে পক্ষপাতী কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

]]>
জল যন্ত্রণায় কলকাতার নাভিশ্বাস, নয়া পাম্পিং স্টেশনের সিধান্ত https://runnerbangla.com/kolkata-citizen-water-problem-new-pumping-station/ Fri, 09 Jul 2021 09:38:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3639 #কলকাতা : কলকাতার দক্ষিণ-পূর্ব দিকের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্প্রতি ভারী বৃষ্টিতে জমা জলে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। নিকাশি খালের নাব্যতা না থাকার পাশাপাশি নতুন পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station ) তৈরির প্রয়োজন রয়েছে বলেই মনে করছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। যার জন্য মধ্য এবং দক্ষিণ কলকাতার জমা জলের সমস্যা মেটাতে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। তৈরি করা হবে নতুন দুটি পাম্পিং স্টেশন। দুই প্রকল্পের আর্থিক অনুমোদন পেতে পুরসভা পুর ও নগর উন্নয়ন দপ্তরের ( Urban Development Department ) দ্বারস্থ হবে।

সব মিলিয়ে খরচ হতে পারে প্রায় ১১০ কোটি টাকা। দুটি পাম্পিং স্টেশনের মধ্যে একটি বানানো হবে মধ্য কলকাতায় মার্কাস স্কোয়ারে। অপরটি যাদবপুরের গাঙ্গুলি বাগান সংলগ্ন বিবি ১ ক্যানেলে। বর্তমানে মার্কাস স্কোয়ারে একটি ছোট পাম্পিং স্টেশন রয়েছে। সেই পাম্পিং স্টেশনের সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ ( Sewerage Department )। চারটি বড় এবং চারটি ছোট পাম্প থাকবে। খরচ ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।

এর ফলে ঠনঠনিয়া, তারক প্রামানিক রোড, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট, সেন্ট্রাল এভিনিউ, সুকিয়া স্ট্রিট সহ মধ্য কলকাতার একাধিক রাস্তায় জমা জলের সমস্যা কমবে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। অন্যদিকে, যাদবপুরের গাঙ্গুলিবাগানে বিবি ওয়ান নিকাশি নালার উপর ওপর আরও একটি বড় পাম্পিং স্টেশন বানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তারক সিং।

নিকাশি বিভাগ সূত্রে খবর, সেখানকার প্রজেক্ট রিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে। সেখানে কোনও জমি নেই। ফলে নিকাশি খালের উপর এই পাম্পিং স্টেশন তৈরি করা হবে। আটটি পাম্প বিশিষ্ট পাম্পিং স্টেশন। যার জেরে যাদবপুর, যোধপুর পার্ক, লেক গার্ডেন্স, বালিগঞ্জ সহ বিভিন্ন অঞ্চলের জমা জলের সমস্যা মিটবে। কলকাতা পুরসভার এক আধিকারিক বলেন, বিবি ১ ক্যানেলের প্রজেক্ট তৈরি করতে প্রচুর টাকা খরচ হবে। ওখানে যাদবপুর থানার সামনের রাস্তায় একটি বড় বক্স ড্রেন রয়েছে।

সেই ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালায় বহু বছর ধরে পলি জমে। সেই বক্স ড্রেন ডিসিল্টিং কাজ করতে হবে। যাদবপুর থানার সামনে চার রাস্তার মোড়ে চারদিক থেকে নিকাশির জল এসে সেই বক্স ড্রেনে পড়ে। তারপর সেখান থেকে বিবি ১ ক্যানালে গিয়ে নিকাশির জল পড়ে। ফলে সেই বক্স ড্রেন সহ সংলগ্ন সব নিকাশি নালার পরিষ্কার করতে অনেক সময় এবং অর্থ লাগবে। ফলে যার জন্য অন্তত ৬০ কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলেই অনুমান বিভাগীয় কর্তাদের।

]]>
পাম্পিং স্টেশনে কাজে গাফিলতির অভিযোগ, বসছে সিসিটিভি https://runnerbangla.com/kmc-pumping-station-work-negligence-complaint-set-up-cctv/ Fri, 25 Jun 2021 15:10:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2918 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : গত কয়েকদিন আগের বৃষ্টিতে কার্যত লেজেগোবরে হয়েছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশন ( Pumping Station) ঠিকমতো কাজ করেনি বলে অভিযোগ। এর জন্য একাংশের নিচুতলার কর্মীদের গাফিলতি রয়েছে বলেই মনে করছে কলকাতা পুরসভা। যার ফলে নিকাশি বিভাগ এবার কড়া পদক্ষেপ নিল। শহরের ৭৬টি পাম্পিং স্টেশন এ বসতে চলেছে বায়োমেট্রিক ( Biometric ) হাজিরা।

লাগানো হবে নজরদারি ক্যামেরা। অন্তত ২৫০ থেকে ২৭০টি সিসিটিভি ( CCTV ) লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কোথায় কত পাম্প চলছে, কর্মচারীরা ঠিকঠাক কাজ করছেন কিনা সবকিছুই সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি চলবে। কলকাতা পুরসভার কেন্দ্রীয় ভবনে থাকবে মূল সার্ভার। সেখান থেকে বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশনের প্রতিদিনের কাজকর্ম ধরা পড়বে। এছাড়াও নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগ ( Sewerage Department )।

পাম্প চালানো হবে কিভাবে, কতক্ষণ চলবে, স্টেশনে নিকাশি বিভাগের আধিকারিকদের দায়িত্ব কী হবে, সহ মোট ৩৮টি বিষয়ে নিকাশি বিভাগ নতুন নির্দেশিকা বা ‘এস ও পি’ তৈরি করল। এতদিন মান্ধাতার আমলের নির্দেশিকা ছিল নিকাশি বিভাগের। কিন্তু গত সপ্তাহে বর্ষায় জলমগ্ন হয়েছিল শহর। সেই জলমগ্ন কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে নিকাশি পাম্পিং স্টেশনগুলোর গাফিলতি ধরা পড়েছে। সেই কারণেই “এস ও পি” বা বিশেষ নিয়মাবলী তৈরি করতে বাধ্য হল কলকাতা পুর প্রশাসন।

কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুর প্রশাসকমন্ডলীর সদস্য তারক সিং একটি বৈঠক করেছেন। বিভাগের বিভিন্ন পাম্পিং স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত ঠিকাদার এবং তাদের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকের পরই এই “এস ও পি ” তৈরির সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এছাড়া, আরো বেশকিছু গাফিলতি ধরা পড়েছে মনিখাল পাম্পিং স্টেশনেও বলে বৈঠক সূত্রে জানা গিয়েছে। যে কারণে বেহালা মহেশতলা পর্ণশ্রী ডায়মন্ড হারবার রোডের দুধারে দিনের পর দিন জল জমে ছিল এবং এখনো বেশ কিছু জায়গায় জল জমে রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট পাম্পিং স্টেশন পুর কর্মীদের গাফিলতি, সেচ বিভাগের গাফিলতি এবং রেলের গাফিলতির জন্য যে ওই এলাকার জল নিষ্কাশিত হতে পারছে না তা তিনি মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমকে বিস্তারিত রিপোর্ট দিয়েছেন। প্রত্যেকটি জায়গায় গাফিলতি ধরা পড়েছে বলে তিনি রিপোর্টে জানিয়েছেন। এই গাফিলতির বিরুদ্ধে যাতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয় তা তিনি মেয়রের কাছে রিপোর্টে জানিয়েছেন।

]]>
বৃষ্টির জমা জল সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব অটো ক্লিনিং মেশিনে https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-solving-rain-water-accumulation-problem-by-auto-cleaning-machine/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-solving-rain-water-accumulation-problem-by-auto-cleaning-machine/#respond Tue, 15 Jun 2021 03:40:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2467 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরের নিকাশি ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসতে চাইছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal corporation )। এবার পাম্পিং স্টেশনে ( Pamping Station ) স্বয়ংক্রিয় ক্লিনিং মেশিন ( Auto Cleaning Machine ) বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ হয়েছে অর্থ। সূত্রের খবর, বর্তমানে কলকাতা পুরসভার ১৭টি পাম্পিং স্টেশনে ৩০টি অটোমেটিক ক্লিনিং মেশিন আছে। যার মধ্যে আবার ১৩-১৪টি মেশিন খারাপ। সেখানে জরুরি ভিত্তিতে নতুন মেশিন লাগাতে হবে। পাম্পিং স্টেশনে এই ধরনের মেশিন না থাকায় জঞ্জাল পরিষ্কারের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে।

সেই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। সম্প্রতি নিকাশি বিভাগের ( Sewerage Department ) দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসকদের অন্যতম সদস্য তারক সিং এবং পুর – কমিশনার বিনোদ কুমার দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানেই ঠিক হয়েছে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই অটো-ক্লিনিং মেশিন মেরামত করা হবে কিংবা নতুন মেশিন কেনা হবে। পাম্পিং স্টেশনে নানা জায়গার নোংরা জল এসে ঢোকে।

অটো-ক্লিনিং মেশিনে নিকাশির জলে থাকা ভারী ময়লা-আবর্জনা আটকে যায়। তারপর সেগুলি সেখান থেকে বার করে অন্যত্র ফেলে দেওয়া হয়। যার জেরে নিকাশি নালার জল নিষ্কাশনের জন্য শহর কলকাতা বা কেএমডিএ এলাকায় যে খালগুলি রয়েছে, সেই খালগুলিতে সরাসরি জঞ্জাল পড়ে না। কিন্তু বর্তমানে কয়েকটি জায়গায় এই অটো-ক্লিনিং মেশিন খারাপ থাকায় পাম্পিং স্টেশনে ম্যানুয়াল মেশিনেই কাজ হচ্ছে। এক-একটি স্বয়ংক্রিয় ক্লিনিং মেশিনের দাম দু’থেকে আড়াই কোটি টাকা।

বেশ কয়েক বছর আগে একটি বেসরকারি সংস্থার থেকে কয়েক কোটি টাকা খরচ করে কয়েকটি অটো-ক্লিনিং মেশিন কেনা হয়েছিল। কিন্তু সেগুলি প্রথম থেকেই খুব একটা কাজে লাগেনি। খারাপ হয়ে যায়। পুরসভা পরিকল্পনা করেছে, এবার প্রয়োজনে এন্টালি ওয়ার্কশপে এই অটো-ক্লিনিং মেশিন বানানো হবে। এই প্রসঙ্গে তারক সিং, স্বয়ংক্রিয় ক্লিনিং মেশিন যেখানে নেই, তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। প্রয়োজনে পুরসভা নিজে এই মেশিন বানিয়ে লাগাবে।

৭৪টি পাম্পিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র ১৭টি পাম্পিং স্টেশনে এই অটো-ক্লিনিং মেশিন এতদিন ছিল। প্রাথমিকভাবে যে মেশিনগুলি খারাপ হয়ে রয়েছে, সেগুলো পাল্টানো হবে। তারপর ধাপে ধাপে শহরের সবকটি পাম্পিং স্টেশন ম্যানুয়াল ক্লিনিং মেশিনের বদলে স্বয়ংক্রিয় ক্লিনিং মেশিন লাগাবে কলকাতা পুরসভা।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-solving-rain-water-accumulation-problem-by-auto-cleaning-machine/feed/ 0
Bantala : আজও সরানো গেল না বাইপাসের ট্যানারি, ভুগছে লক্ষ লক্ষ মানুষ https://runnerbangla.com/eastern-metropolitan-bypass-tannery-of-kmc-not-moved-to-bantala-even-today-millions-of-people-are-suffering/ https://runnerbangla.com/eastern-metropolitan-bypass-tannery-of-kmc-not-moved-to-bantala-even-today-millions-of-people-are-suffering/#respond Sun, 13 Jun 2021 07:37:37 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2421 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : একটু বাড়তি বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে ইস্টার্ন মেট্রোপলিটান বাইপাস ( Eastern Metropolitan Bypass – EM Bypass )। একদিকে চলছে মেট্রোরেলের কাজ। পাশাপাশি, পার্শ্ববর্তী এলাকার ট্যানারি থেকে নির্গত জঞ্জালে ভরছে নিকাশি নালা। যার জেরেই এই বিপত্তি। ট্যানারি সরিয়ে ফেলতে পারলেই সমস্যার সমাধান হবে, জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। পাশাপাশি, ভূগর্ভস্থ নিকাশির কাজ শেষ হলেও দুর্ভোগের থেকে কিছুটা সুরাহা মিলবে।

বাইপাসের কয়েকটি অঞ্চলে অল্প বৃষ্টিতেই জল জমে যায়। বিশেষত ভিআইপি, তপসিয়া, মাঠপুকুর, চায়নাটাউন, পঞ্চান্নগ্রাম, টেংরা, সায়েন্স সিটির ( Science City ) মত অঞ্চল জলমগ্ন হয়ে পড়ে। ওই অঞ্চলে ট্যানারির জঞ্জাল নিকাশি নালা ভরিয়ে দিচ্ছে। বারবার নালা পরিষ্কার করেও কাজ হচ্ছে না বলেই অভিযোগ করেছেন কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের ( Sewerage Department ) দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের অন্যতম সদস্য তারক সিং।

তিনি বলেন, ৯টি ওপেন নালা ডিসিল্টিং মেশিন ওখানে প্রায় রোজ কাজ করে। কিন্তু, প্রতিদিন চামড়ার জঞ্জালে নালা ভরে যাচ্ছে। ওদের আলাদা জয়গা বানতলায় ( Bantala ) দেওয়া হলেও ওরা কেউ কেউ যায়নি। ফলে, বার বার নালা পরিষ্কার করিও কাজ হচ্ছে না। ড্রেন উপচে পড়ে একটু বেশি বৃষ্টি হলেই জল রাস্তায় আসছে। এই বিষয়ে তিনি পুরমন্ত্রী তথা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের ( Firhad Hakim ) সঙ্গে কথা বলেছেন বলেই জানিয়েছেন তারকবাবু।

কলকাতা পুরসভার দাবি, মূল সমস্যা তৈরি করেছে স্থানীয় ট্যানারি শিল্প ( Tannery Industry )। বানতলায় তাঁদের পৃথক ব্যবস্থা হয়েছে। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী কারখানা স্থানান্তরিত করেছেন। ইতিমধ্যেই, বাইপাসে কেইআইআইপি ( KEIIP ) নিকাশি নালার কাজ শেষ করেছে। ভূগর্ভস্থ ড্রেন ছিল না। পুরোটাই সারফেস ড্রেনেজ সিস্টেম অর্থাৎ খোলা ড্রেন। কলকাতা পুরসভাও ওই অঞ্চলের কিছু জায়গার ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালা তৈরির মাস্টারপ্ল্যান হতে নিয়েছে।

কিন্তু লকডাউনে সেই নির্মাণকাজ আটকে পড়ে। সেক্ষেত্রে ট্যানারিগুলি পুরোপুরি সরিয়ে ফেলার পাশাপাশি নির্মীয়মান ভূগর্ভস্থ নিকাশি নালার কাজ সম্পূর্ণ করতে পারলে পুরোপুরি জমা জলের সমস্যা থেকে নিষ্কৃতি মিলবে। যদিও, বাইপাসের রাস্তা পার্শ্ববর্তী জমির তুলনায় উঁচু হয়ে যাওয়ার ফলেও জলমগ্ন হওয়ার কারণ রয়েছে বলে পুর-কর্তাদের একাংশের দাবি। মেট্রোপলিটন, মাঠপুকুর সংলগ্ন জল পার্শ্ববর্তী খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।

অন্যদিকে, সায়েন্সে সিটি, তিলজালা, পঞ্চানগ্রামের নিকাশির জল সংশ্লিষ্ট আম্বেদকর ব্রিজের তলা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিদ্যাধরী নদীতে পড়ে। ওই অঞ্চলে বর্তমানে ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি পাম্পিং স্টেশন রয়েছে। কিন্তু সেই পাম্পিং স্টেশন দিয়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের জল বার করা সম্ভব নয়। নতুন পাম্পিং স্টেশনের প্রয়োজনীয়তা থাকলেও তা করে ওঠা সম্ভব হয়নি।

বিগত কয়েক বছরে জলের স্বাভাবিক স্রোতের মুখে বেশ কয়েকটি হাইরাইজ বিল্ডিং তৈরি হয়েছে। ফলে জল সঠিক স্রোতে বয়ে যেতে পারছে না। সেই সমস্যার সমাধানে ওই অঞ্চলে আধুনিক নিকাশি নালার কাজ চলছে।

]]>
https://runnerbangla.com/eastern-metropolitan-bypass-tannery-of-kmc-not-moved-to-bantala-even-today-millions-of-people-are-suffering/feed/ 0
ঘূর্ণি ঝড়ের পর ফের দুর্যোগ, শুক্রবার কটালে বন্যার আশঙ্কা https://runnerbangla.com/alipore-weather-office-forecast-heavy-rain-fall-again-after-yaas-cyclone/ https://runnerbangla.com/alipore-weather-office-forecast-heavy-rain-fall-again-after-yaas-cyclone/#respond Thu, 10 Jun 2021 14:42:43 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2253 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ( Yaas Cyclone ) হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার দিন পনেরোর মাথায় ফের ভরা কটালের ( Spring Tide ) ভ্রুকুটি। সেইসঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। জোড়া ফলায় শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে ফের প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। আগামীকাল ১১ থেকে ১৪ জুন ভারী বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ফলে, এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সব পুরনিগম, পুরসভা এবং উপকূলবর্তী পঞ্চায়েতকে সতর্ক থাকতে বলেছে নবান্ন ( Nabbana )।

এই পরিস্থিতিতে কোমর বাঁধছে কলকাতা পুরসভাও ( Kolkata Municipal Corporation )। বৃহস্পতিবার, শহরের বিভিন্ন নিকাশি খাল এবং পাম্পিং স্টেশনগুলি পরিদর্শন করেন কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তারক সিং। পাশাপাশি আধিকারিকদের সঙ্গে প্রস্তুতি বৈঠক সারেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমও ( Firhad hakim )। ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, গঙ্গার তীরবর্তী এলাকার অসহায় পরিবারদের আগে থেকে পুনর্বাসনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত খাবার এবং জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সে সব ছাড়াও যাবতীয় প্রস্তুতির সেরে রাখা হচ্ছে।এবারেও খুব একটা সমস্যা হবে না বলেই দাবি করেছেন তারক সিং। তিনি বলেন, পুরসভা প্রস্তুত। প্রত্যেকটি বরোতে আলাদা টিম তৈরি থাকছে। ওই কয়েক দিনের জন্য নিকাশি বিভাগের ( Sewerage Department ) শ্রমিকদের ছুটি বাতিল করা হচ্ছে। প্রত্যেকটি পাম্পিং স্টেশনকে ( Pamping Station ) বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নিকাশি বিভাগ জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় সামলাতে যা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল সবটাই থাকছে।

এমনিতেই ১ জুন থেকে বর্ষার জন্য বাড়তি আয়োজন থাকে। একদিকে ভারী বৃষ্টি এবং অন্যদিকে ভরা কটাল। ফলে নির্দিষ্ট সময় গঙ্গার লকগেট বন্ধ থাকলে শহরে কয়েকটি অঞ্চলে যথেষ্ট জল জমে। কালীঘাট, খিদিরপুর, গার্ডেনরিচ, আলিপুর বডিগার্ড লাইন, চেতলা লকগেট সহ উত্তর কলকাতার একাধিক অঞ্চল জলমগ্ন হয়। আবার গঙ্গার জলস্তর কিছুটা নেমে গেলে লক গেট খুলে দিলে দ্রুত শহরের জল বেরিয়ে যায়।


আরও পড়ুন : বিদ্যুৎ ও সরঞ্জাম চুরির ধাক্কায় কলকাতা যেন মৃত্যুফাঁদ, নড়ে বসলো প্রসাশন

এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। তবে শুধু ১১ থেকে ১৪ জুন নয়। আগামী ২৬ ও ২৭ জুনও গঙ্গায় বান আসবে। ফলে চলতি মাসভর বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা যেন এড়ানো যায় সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে আলোক বিভাগকে। জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে এমন জায়গাগুলিতে জল না মানা পর্যন্ত বাতিস্তম্ভ এবং ফিডার বক্সের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হবে।

]]>
https://runnerbangla.com/alipore-weather-office-forecast-heavy-rain-fall-again-after-yaas-cyclone/feed/ 0