Property Tax – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Mon, 26 Jul 2021 14:05:21 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Property Tax – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 সম্পত্তির মূল্যায়ন, কর নির্ধারণের জন্য নাগরিকের স্বার্থে এবার দুয়ারে পুরসভা https://runnerbangla.com/kmc-duare-kolkata-pursabha-camp-assessment-of-property-tax-citizens/ Mon, 26 Jul 2021 11:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4495 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শুরু হয়ে গেল কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal C orporation ) বিশেষ প্রকল্প ‘দুয়ারে পুরসভা’ ( Duare Pursabha )। আজ, শনিবার থেকে এই বিশেষ ক্যাম্প শুরু করেছে কলকাতা পুরসভার কর ও রাজস্ব বিভাগ। মিউটেশন ( Mutation ), সম্পত্তি কর সংক্রান্ত সমস্যা, সম্পত্তির মূল্যায়ন, কলকাতা পুরসভা কেন্দ্রিক জমি এবং বাড়ির নানাবিধ সমস্যা মেটাতে ঘরের দুয়ারে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। এদিন আজাদগড় বালিকা বিদ্যালয়ে প্রথম ক্যাম্প করবে কলকাতা পুরসভা।

সকাল ১১ টায় শুরু হয়েছে ক্যাম্প। গত বছর এই কর্মসূচি শুরু করার থাকলেও করোনা সংক্রমণ অত্যাধিক থাকার জন্য শুরু করা যায়নি। তবে এবার রাজস্ব আদায়ে মাঠে নামছে পুরসভা। আটকে থাকা বহু মিউটেশন, সম্পত্তির মূল্যায়ন সংক্রান্ত নানা সমস্যা এই শিবিরের মাধ্যমে মেটানো হবে। কলকাতা পুরসভার ওয়েভার স্কিমে আদায় মোটামুটি সন্তোষজনক ছিল। বার্ষিক আয় টার্গেট পৌঁছাতে পেরেছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু অধিক সংখ্যক করদাতার কাছে পৌঁছানো যায়নি।

এবার সেই টার্গেট ছাপিয়ে আগামী বছর নতুন রেকর্ড তৈরি করতে কোমর বেঁধে নেমেছে কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি কর বিভাগ। মিউটেশন সহ সম্পত্তি করে নানাবিধ অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারা এবং মহল্লায় ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সম্প্রতি এই মর্মে একটি ১০ দফা নির্দেশিকা জারি করেছিলেন কলকাতা পুরসভার বিশেষ কমিশনার সোমনাথ দে। ওই ১০ দফা নির্দেশিকায় কর আদায়ের উপরেই বিশেষ জোর দিয়েছ কলকাতা পুরসভা। মূলত শহরে বাকি পড়ে থাকা আবাসন কিংবা বাড়ির নিউটিশন দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পাশাপাশি মিউটেশন সংক্রান্ত যত অভিযোগ বকেয়া পড়ে রয়েছে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে সম্পত্তি কোন বিভাগের আধিকারিকরা বিভিন্ন পারা এবং মহল্লাতে ক্যাম্প করে নাগরিক মিউটেশন সমস্যার সমাধান করবেন। যার ফলে এত বিপুল অর্থ কলকাতা পুরসভার কোষাগারে ঢুকতে পারে। এছাড়াও সম্পত্তি কর বিভাগের বকেয়া পড়ে থাকা অর্থ আদায়ের কাজেও আধিকারিকদের আদাজল খেয়ে নামা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এই শুরু হল ‘দুয়ারে কলকাতা পুরসভা’ কর্মসূচি।

ঠিক হয়েছে, সপ্তাহে অন্তত দুটি করে ওয়ার্ড ক্যাম্প করা হবে। তারপর আস্তে আস্তে শিবিরের সংখ্যা বাড়ানো হবে। বিশেষ করে টার্গেট না হচ্ছে বিভিন্ন বহুতল আবাসনে। সেখানে আবাসনের ভেতরেই ক্যাম্প করবে কলকাতা পুরসভা। কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, শহরের প্রচুর ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি হয়েছে যার মিউটেশন এখনো হয়নি। অনলাইনে মিউটেশনের ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা চালু। কিন্তু তার পরেও বহু কেস বাকি পড়ে থাকছে। সেগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করতেই এই বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

]]>
করোনা বিধি ভেঙে চলছে করোনার টিকা, উদাসীন পুরসভা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-corona-vaccination-breaking-rules/ Sun, 04 Jul 2021 14:02:38 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3287 কলকাতা : কলকাতা পুরসভার মূল ভবনে চলা বিএলআরও অফিসে ( BLRO Office ) উপচে পড়ছে ভিড়। প্রতিদিন লম্বা লাইনে গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়িয়ে আবেদনকারীরা। করোনা বিধি উড়িয়া উপচে পড়েছে ভিড়। এই উপচে পড়া ভিড় নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ আশপাশের কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal corporation ) অন্যান্য বিভাগের কর্মী আধিকারিকদের। এতদিন করোনাকালে সব কাজকর্ম বন্ধ ছিল। এবার অফিস খুলেছে।

স্বাভাবিকভাবেই উপচে পড়েছে ভিড়। কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি কর ( Property Tax ) বিভাগের সঙ্গেই এক ছাদের তলায় বিএলআরও অফিস ও ঠিকা ভাড়াটিয়া অফিস আনা হয়েছে। যেখানে কর প্রদান থেকে শুরু করে খাজনা নেওয়া হয়। পুর ভবনের চার তলায় শিক্ষা, বস্তি এবং আইন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসকের ঘর পেরিয়ে যেতে হয় বিএলআরও অফিসে। মেরে কেটে দেড় হাত চওড়া গলি। তার ওপর গলির মুখে চা-বিস্কুট কেকের দোকান।

এখানে মূলত সংযুক্ত এলাকার নাগরিকরা খাজনা জমা করেন ও মিউটেশন ( Mutation ) বা পর্চা বের করার মতো নানা কাজ করে থাকেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ( South 24 Parganas ) সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কাজগুলি এখানে হয়। সোম, বুধ, শুক্র এই তিন দিন সকাল থেকে বিকাল উপচে পড়ছে নাগরিকদের ভিড়। সুরু গলিতে গাদাগাদি দাঁড়িয়ে লোকজন। পাশ থেকে একজন যাওয়ার জায়গা নেই বললেই চলে। কাউন্টারে থাকা কর্মীদের দাবি, প্রতিদিন কম করে সাড়ে ৩৫০-৪০০ লোকের ভিড় জমে।

কখনও তারও বেশি। কাউন্টারের ঘরের মধ্যেও তিল ধারণের জায়গা থাকে না। নেই কোনও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। নেই কোনও পানীয় জলের ব্যবস্থাও। এই অবস্থায় কার্যত প্রমাদ গুনছেন ওই তলায় কর্মরত কলকাতা পুরকর্মী ও আধিকারিকরা। পুরকর্মীদের একাংশের ব্যাখ্যা, যেখানে করোনা ছোঁয়াচ এড়াতে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের কাউন্টারের ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, তাহলে এখানে কেন সেটা হবে না।

সামাজিক দূরত্ব বিধি উড়িয়ে এমন জনসমাগমে সংক্রমণ ছড়াতে বাধ্য বলেই মনে করছেন তাঁরা। এমন অব্যবস্থা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও পুর কর্তৃপক্ষের একাংশ অবশ্য কলকাতা পুরসভার মূল ভবনে স্থানাভাবে সমস্যার কথা কোথাও মনে করাচ্ছেন। যে কারণে বিএলআরও বিভাগ অন্য কোথাও স্থানান্তর করা সম্ভব নয়।

যদিও এবিষয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিএলআরও বিভাগের ( BLRO department ) এক আধিকারিক আধিকারিক বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, কলকাতা পুরসভার অনুরোধেই অফিস ওখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে যে ভিড়ের কথা বলছেন এটা কাম্য নয়। খোঁজ নিয়ে দেখছি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যাতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেই চেষ্টা হবে। সেইসঙ্গে স্যানিটাইজার রাখার ব্যবস্থাও করছি।

]]>
টাকা চাই, বাড়ি বাড়ি লোক পাঠাবে পুরসভা https://runnerbangla.com/kmc-mutation-property-tax-house-camp/ Wed, 30 Jun 2021 15:14:56 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3136 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভার ওয়েভার স্কিমে ( Waiver Scheme  ) আদায় মোটামুটি সন্তোষজনক ছিল। বার্ষিক আয় টার্গেট পৌঁছাতে পেরেছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু অধিক সংখ্যক করদাতার কাছে পৌঁছানো যায়নি। এবার সেই টার্গেট ছাপিয়ে আগামী বছর নতুন রেকর্ড তৈরি করতে কোমর বেঁধে নামছে কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি কর ( Property Tax ) বিভাগ। মিউটেশন ( Mutation ) সহ সম্পত্তি করে নানাবিধ অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারা এবং মহল্লায় ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সম্প্রতি এই মর্মে একটি ১০ দফা নির্দেশিকা জারি করেছেন কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation) বিশেষ কমিশনার সোমনাথ দে। ওই ১০ দফা নির্দেশিকায় কর আদায়ের উপরেই বিশেষ জোর দিয়েছ কলকাতা পুরসভা। মূলত শহরে বাকি পড়ে থাকা আবাসন কিংবা বাড়ির মিউটিশন দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি মিউটেশন সংক্রান্ত যত অভিযোগ বকেয়া পড়ে রয়েছে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজনে সম্পত্তি কোন বিভাগের আধিকারিকরা বিভিন্ন পারা এবং মহল্লাতে ক্যাম্প করে নাগরিক মিউটেশন সমস্যার সমাধান করবেন। যার ফলে এত বিপুল অর্থ কলকাতা পুরসভার কোষাগারে ঢুকতে পারে। এছাড়াও সম্পত্তি কর বিভাগের বকেয়া পড়ে থাকা অর্থ আদায়ের কাজেও আধিকারিকদের আদাজল খেয়ে নামা নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যারা ওয়েভার স্ক্রিমেও টাকা দেননি তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে।

এছাড়াও বাকি পড়ে থাকা লাইসেন্সের পুনর্নবীকরণ ( License Renewal ) এবং টাকা তোলার ওপর জোর দিতে বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। শহরের যত সম্পত্তি করদাতা রয়েছেন তাদের প্রত্যেকের মোবাইল নম্বরের একটা ডাটাবেজ তৈরি করতে বলা হয়েছে যাতে প্রয়োজনে সরাসরি তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে যায়। কলকাতা পুরসভার সম্পত্তি বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, শহরের প্রচুর ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি হয়েছে যার মিউটেশন এখনো হয়নি।

অনলাইনে মিউটেশনের ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা চালু। কিন্তু তার পরেও বহু কেস বাকি পড়ে থাকছে। সেগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করতে বলেছে কলকাতা পুরসভা। গত অর্থবছরে ( ২০২০-২১ ) কলকাতা পুরসভার আয় ১২০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে ছিল। এবার সেই আর দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নেমেছেন কলকাতা পুরসভার রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা। তবে ওয়েভার স্কিম ছাড়া এই লক্ষ্য মাত্রা কতটা পূরণ করা সম্ভব হবে তা নিয়ে আশঙ্কা থাকছে।

]]>
KMC Waiver Scheme : শেষ হল ওয়েভার স্কিম, উপচে পড়ছে কোষাগার https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-finally-close-waiver-scheme/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-finally-close-waiver-scheme/#respond Wed, 09 Jun 2021 12:29:46 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2192 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শেষমেষ ওয়েভার স্কিমে ( Waiver Scheme ) ইতি টানল কলকাতা পুরসভা ( KMC )। দীর্ঘ আট মাসের এই স্কিমে ৫০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে কলকাতা পুরসভার রাজস্ব বিভাগ। প্রথমদিকে নবান্নের অনুমতি পেতে টালবাহানা চলছে। তারপর গত বছর ৭ অক্টোবর থেকে কলকাতা পুরসভা বকেয়া সম্পত্তি কর ( Property Tax ) আদায়ে এই ওয়েভার স্কিম ( Waiver Scheme ) চালু করেছিল। দুটি ধাপে চলে স্কিম। প্রথম পাঁচ মাস ১০০ শতাংশ সুদ এবং পেনাল্টিতে ছাড় দেওয়া হয়।

পরের তিন মাস সুদের উপর সেই ছাড় ১০০ শতাংশ এবং পেনাল্টিতে সেই ছাড় থাকে ৬০ শতাংশ। এই ১০০ % ছাড় দেওয়া কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal corporation ) ইতিহাসে নজিরবিহীন। ৩১ মে পর্যন্ত চলার পর এই ওয়েভার স্কিম শেষ হল। পুরসভার রাজস্ব বিভাগ ( Department of Revenue ) সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮ মাসে মোট ৫৩৫ কোটি ৭৫ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৫৬ টাকা আদায় করা গিয়েছে। প্রথম ধাপে অর্থাৎ ৭ অক্টোবর থেকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩১৯ কোটি ৯৫ লক্ষ ২৫ হাজার ৭৭৩ টাকা বকেয়া কর আদায় হয়।

এই সময়ে সুদ এবং পেনাল্টিতে ১০০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। পরে মার্চ মাস পর্যন্ত তা বাড়ানো হয়। এরপর এপ্রিল এবং মে মাসে সুদে ছাড়ের পরিমাণ ১০০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭০ শতাংশ করা হয়। এই ২ মাসে বকেয়া কর আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৯৬৯ টাকা। সঙ্গে সাসপেন্স খাতে বকেয়া কর জমা হয় ২১১ কোটি ৫১ লক্ষ ৫০ হাজার ৯১৪ টাকা। সব মিলিয়ে বকেয়া কর জমা দিয়েছেন মোট ৮০ হাজার নাগরিক।

যা নিয়ে যথেষ্ট উৎফুল্ল কলকাতা পুরসভার রাজস্ব বিভাগের কর্তারা। রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, করোনাকালে কলকাতা পুরসভার কোষাগারে অর্থ সংকট দেখা দেয়। সেখানে এই স্ক্রিম নিয়ে আসা ছাড়া গতি ছিল না। কিন্তু করোনার মধ্যেও যেভাবে বকেয়া সম্পত্তি কর আদায় হয়েছে তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা অর্থ আদায়ের জন্য মাঠে ময়দানে কোমর বেঁধে নেমেছিলেন।

কলকাতা পুরসভার কমিশনার বিনোদ কুমারের ( Binod Kumar ) কাছে রাজস্ব বিভাগ যে রিপোর্ট পেশ করেছে, সেখানে বলা হয়েছে, রাজস্ব আদায়ের শহরের ৮ টি ইউনিটই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে। বকেয়াধারীদের থেকে টাকা আদায় কার্যত আদাজল খেয়ে নিয়েছিল কর্মীরা। এবং সেই ফল মিলেছে হাতেনাতে।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-finally-close-waiver-scheme/feed/ 0
আয় বাড়াতে সম্পত্তি করের পরিধি বাড়াবে পুরসভা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-increase-property-tax-increase-income/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-increase-property-tax-increase-income/#respond Sun, 30 May 2021 08:51:34 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1622 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কোষাগারে টাকা ঢোকাতে করদাতার সংখ্যা বাড়াতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। সম্পত্তি করের আওতায় আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে নিয়ে আসাই এখন অন্যতম লক্ষ্য কলকাতা পুরসভার। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, সংযুক্ত এলাকায় তিনটি ওয়ার্ডে এখনও ভ্যালুয়েশন হয়নি। সেগুলি হল ১৪২,১৪৩,১৪৪।

তাই বহু সম্পত্তি মূল্যায়ন না হওয়া অবস্থায় রয়েছে। পুরোনো কলকাতার ১-৯০ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যেও একাধিক ওয়ার্ডে এমন অনেক বাড়ি-জমি রয়েছে, যেগুলি মূল্যায়ন হয়নি। এগুলি মূল্যায়ন হলে সম্পত্তি করের আওতায় আরও দেড় লাখ করদাতাকে সংযুক্ত করা যাবে। বর্তমানে সাড়ে ৮ লক্ষ করদাতা রয়েছে। এখন টার্গেট ১০ লক্ষ পৌঁছানো।

সেই উদ্দেশ্যে মূল্যায়ন না হওয়া সম্পত্তির মূল্যায়ন করার জন্য নতুন হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার চালু করেছে কলকাতা পুরসভা। তবে সেখানে আবেদনে তেমন কোনও সারাই মিলছে বলা যায়। পুরসভার তরফেও সেভাবে প্রচার হচ্ছে না। তাই মানুষ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বিষয়টি বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচার হচ্ছে।

এদিকে কলকাতার বুকে একের পর এক তৈরি হয়েছে বহুতল আবাসন। অনেক ক্ষেত্রে মিউটেশনের সমস্যা রয়েছে। সেই মিউটেশন তাড়াতাড়ি করার দিকে হাঁটছে আর্থিক কষ্টে ভোগা কলকাতা পুরসভা। এদিকে এখনও লকডাউনের জেরে ‘বাড়ির দরজায় পুরসভা’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচি চালু হলে মিউটেশন, সম্পত্তি করের মূল্যায়ন, কর প্রদানসহ বিভিন্ন কাজ করতে পারত অনেকটা কম সময়।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-increase-property-tax-increase-income/feed/ 0
অতিমারিতে ঘরেই পৌঁছে যাবে পরিষেবা, সম্বল ডিজিটাল হাতিয়ার https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-digital-tools-delivered-doorstep-services-corona-pandemic/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-digital-tools-delivered-doorstep-services-corona-pandemic/#respond Sat, 22 May 2021 06:14:31 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1273 রানার ডেস্ক, কলকাতা : আরও স্মার্ট অ্যাপ নিয়ে আসতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। সেখানে ঘরে বসেই মিলবে সব রকমের পরিষেবা। বর্তমান আবহে ঘর থেকে বের হলেই সমস্যা। উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। তারপরেও নানাবিধ কাজে কলকাতা পুরসভার মূল কার্যালয় কিংবা স্থানীয় বরো অফিসে নাগরিকের ছড়াছড়ি।

সেই ভিড় পাতলা করতে এবার অনলাইন ব্যবস্থায় আরও জোর দিতে চাইছে পুরসভা। মিউটেশন, সম্পত্তি করের মূল্যায়ন, কর প্রদানসহ নানা বিধ কাজের জন্য ইতিমধ্যেই চালু রয়েছে পুরসভার নিজস্ব অ্যাপস। ওয়েবসাইটেও অনলাইনে পেমেন্ট হয়। কিন্তু তারপরেও অনলাইন পেমেন্ট সেভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠেনি। প্রচার কম।

এবার সেই অনলাইন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করে তুলতে চাইছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। যাতে মানুষ ঘরে বসেই পুরসভার সব ধরনের কাজ করতে পারেন। নিজের ভাবনা প্রসঙ্গে ফোনে ফিরহাদ হাকিম বলেন, আমাদের অ্যাপসকে আরও শক্তিশালী এবং কার্যকরী করে তোলা হবে। আইটি বিভাগকে এর উপর কাজ করার নির্দেশ দিয়েছি। পুরসভাতে কাউকে আসতে হবে না।

উল্লেখ্য, মূলত প্রবীণ নাগরিকের কথা চিন্তা করেই এই ভাবনা এসেছিল ফিরহাদ হাকিমের মাথায়। সেইসঙ্গে প্রতিদিন নানা ধরনের কর দেওয়া, বিবিধ সার্টিফিকেটের জন্য পুরসভায় জনতার হত্তা দিয়ে পড়ে থাকা, সর্বোপরি বর্তমান পরিস্থিতি করোনা ছোঁয়াচ বন্ধের তাগিদও রয়েছে। শুধু অ্যাপসকে আরও আধুনিক করে তোলাই নয়, অনলাইন ব্যবস্থাকে মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য এবং জনপ্রিয় করে তুলতে চাইছেন ফিরহাদ।

এর ফলে অনেক কাজ সহজ হবে। আধিকারিকদের একাংশের গাফিলতি বন্ধ হবে। একাধিক সময় ‘টক টু মেয়র’ কিংবা অধুনা ‘টক টু কেএমসি’তে সম্পত্তি কর সংক্রান্ত নানা ধরনের অভিযোগ আসে। অ্যাপসের মাধ্যমে অনলাইনে এই ধরনের অভিযোগ নথিভুক্ত করা যাবে। এর ফলে একদিকে যেরকম পুরসভা এসে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকতে হবে না। তেমনি ছোঁয়াচ এড়িয়ে যাবতীয় পুর-কাজকর্ম করতে পারবেন নাগরিকেরা।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-digital-tools-delivered-doorstep-services-corona-pandemic/feed/ 0