Narendra Modi – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sat, 24 Jul 2021 14:46:11 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Narendra Modi – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 দিল্লিতে মোদি বিরোধী মঞ্চের যাত্রারম্ভ বুধবার, মধ্যমনি মমতা, কটাক্ষ বিজেপির https://runnerbangla.com/anti-narendra-modi-alliance-journey-delhi-july-26-led-mamata-banerjee/ Sat, 24 Jul 2021 14:20:31 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4428 #দিল্লি : আগামী বুধবার অর্থাৎ ২৮ জুলাই দিল্লিতে মোদি বিরোধী জোটের যাত্রা শুরু হতে চলেছে। সম্ভবত বঙ্গভবনেই এই বৈঠক হতে পারে। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৬ শে জুলাই থেকে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত দিল্লিতে থাকবেন মমতা ( Mamata Banerjee )। গত ২১ শে জুলাই শহীদ দিবসের ভাষণে তিনি প্রথম জানিয়েছিলেন, দিল্লিতে থাকাকালীন বিরোধীদলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জোট গঠনের উদ্দেশ্যে বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন তিনি।

তৃণমূল সূত্রের খবর, ২৮ তারিখ বুধবার বঙ্গভবনে সমস্ত তৃনমূল সাংসদকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। সেদিনই চেষ্টা হচ্ছে বিরোধী নেতৃত্বকে বঙ্গভবনে নিয়ে আসার। যাদের ডাকা হতে পারে , তাদের মধ্যে আছেন শারদ পাওয়ার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, জয়া বচ্চন, পি চিদাম্বরম। অর্থাৎ কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলোকে এ বৈঠকে নিয়ে আসার প্রয়াস শুরু হয়েছে তৃণমূলের ( TMC ) তরফ থেকে। একুশে জুলাই মমতার সভা দিল্লিতে দেখানোর ব্যবস্থা করেছিল তৃণমূল ।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত সেই ভার্চুয়াল সভায় যোগ দিয়েছিলেন জয়া বচ্চন, চিদাম্বরম , শারদ পাওয়ার সহ বিরোধী দলের একাধিক ব্যক্তিত্ব। যারা এসেছিলেন মমতার ভাষণ শুনতে তাদের বাইরেও, বিভিন্ন আঞ্চলিক দল এবং জাতীয় স্তরে কংগ্রেসকে একমঞ্চে আনা যায় কিনা সেই চেষ্টা চলছে। তৃণমূল সূত্রের দাবি, এখনো চূড়ান্ত হয়নি কারা বৈঠকে থাকবেন, কারা থাকবেন না। নির্দেশ এসেছে ২৮ তারিখ বৈঠকের জন্য, সেই অনুযায়ী ময়দানে ঝাপিয়েছেন তৃনমূল সাংসদরা।

সেই লক্ষেই অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী দলগুলোকে এক মঞ্চে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ব্রিগেডে সভাও হয়েছিল । সেই সভায় কংগ্রেসের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন একাধিক প্রথম সারির বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলের নেতা। লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শক্তি কার্যত মুখ থুবরে পড়ে।

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন নরেন্দ্র মোদী ( Narendra Modi )। বিজেপি সেই ১৯ এর উদাহরণ টেনে এবারের উদ্যোগকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। তাদের কথায় ভোট এলেই জোটের নাটক শুরু হয়। উনিশেও সবাই হাতে হাত ধরে এক সঙ্গে ভোটে ভেসে গিয়েছিলেন খড়কুটোর মতো। এবারও তারই পুনরাবৃত্তি হবে, দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

]]>
মোদি বিরোধী আমলার মুখই মমতার হাতিয়ার, রাজ্যসভায় জহর https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-tmc-nominate-prasar-bharati-ex-ceo-jawhar-sircar-rajya-sabha-mp/ Sat, 24 Jul 2021 09:14:22 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4413 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হতে চলেছেন জহর সরকার ( Jawhar Sircar )। দেশের প্রসার ভারতের ( Prasar Bharati ) প্রাক্তন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার তিনি। আদ্যোপান্ত কংগ্রেসী ঘরানার এই প্রাক্তন সরকারি আমলাকে তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মনোনীত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। এদিন জহর সরকারকে ফোন করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিজের ইচ্ছার কথা জানান।

জহরবাবুর অনুমতি নেওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে বিবৃতি দিয়ে জহর সরকারের ( Jawhar Sircar ) নাম ঘোষণা করা হয়। এই প্রসঙ্গে টেলিফোন সাক্ষাৎকারে জহর সরকার জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। রাজ্যসভা ( Rajya Sabha ) নির্বাচনে আমাকে প্রার্থী করতে চান। তাঁর জন্য তিনি আমার কাছ থেকে মত চাইলেন। বাংলার জন্য আমি কাজ করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। কে এই জহর সরকার? প্রাক্তন আইএএস তিনি।

একসময় বর্ধমান এবং অবিভক্ত ২৪ পরগনার জেলা শাসক ছিলেন। পরবর্তীকালে বামফ্রন্ট আমলে রাজ্যের একাধিক সরকারি পদ এবং কেন্দ্রীয় সহকারী পদ সামলেছেন তিনি। সর্বশেষ প্রসার ভারতী বেশ কয়েক বছর দায়িত্ব সামলেছেন জহর সরকার। কংগ্রেস আমলে তিনি প্রসার ভারতীর দায়িত্বে ছিলেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi ) সরকারি সব স্তরে নতুন নিয়োগ করেন। তখন জহরবাবুকে প্রসার ভারতী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

বিজেপির সঙ্গে তিক্ততার সম্পর্ক তৈরী হয়ে গিয়েছিল তাঁর। পরবর্তীকালে একের পর এক বিজেপি তথা মোদি বিরোধী মন্তব্য প্রকাশ করেছেন জহর। তার পুরস্কার হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর তিক্ততার সম্পর্ক সর্বজনবিদিত। রাজ্যসভায় কড়াভাবে কেন্দ্রের সমালোচনা করতে পারবেন তিনি। সেই জায়গা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম পছন্দ জহর সরকার। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের অপর একটি রাজ্যসভার সাংসদ পদ ফাঁকা রয়েছে।

সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাকে পাঠান এখন সেটাই দেখার। বিভিন্ন সূত্র মারফত অনেকেই অনুমান করেছিলেন, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায় এবং প্রশান্ত কিশোরের মধ্যে কাউকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যসভায় পাঠাবেন। কিন্তু সমস্ত অনুমান এবং জল্পনাতে জল ঢেলে জহর সরকারকে পছন্দ করেছেন তিনি। যা মমতার মাস্টার স্ট্রোক বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

]]>
#Pegasus : মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিরোধী শিবির https://runnerbangla.com/pegasus-opposition-attack-modi-government/ Mon, 19 Jul 2021 13:38:34 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4165 #Pegasus : সমস্ত রকম বিরোধিতাকে পদদলিত করার উদ্দেশ্যেই কি পেগাসুস সফটওয়্যার ( Pegasus Software ) ব্যবহার ব্যবহার করেছিল মোদি সরকার? “দা অয়ার” ( The Wire ) ওয়েবসাইটের একটার পর একটা টুইট আছড়ে পড়ছে রাজনীতিতে। আক্ষরিক অর্থেই এ যেনো একটার পর একটা বিস্ফোরণ ঘটে চলেছে। গত ১৮ থেকে ১৯ সালের মধ্যে অসংখ্য মানুষের ফোন ট্যাপ করা হয়েছে।

এদের মধ্যে যেমন বিরোধী দলের নেতা রয়েছেন, বিচারপতি আছেন, তেমনি রাজনীতির আঙিনায় অভিষেক ব্যানার্জি এবং প্রশান্ত কিশোরের নাম আছে এই তালিকায়। আছে রাহুল গান্ধীর নামও। তাঁর দুটো ফোন নজরদারির আওতায় ছিল। নজরদারির আওতায় ছিল রঞ্জন গগোই, যিনি সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি ছিলেন তার বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠেছিল।

অভিযোগকারী ও তার সহযোগী ১১ জনের ফোনে নজরদারি চালানো হয়েছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনার লাভাসা নরেন্দ্র মোদির ( Narendra Modi ) বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন। তারপরই চলে এসেছিলেন নজরদারির মধ্যে। আক্ষরিক অর্থেই একটার পর একটা মহাবিস্ফোরণ ঘটছে পেগাসুস ( Pegasus ) ঘিরে।

পেগাসুস -এর পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তারা কখনোই কোনো অবস্থায় কোনও বেসরকারি সংস্থার কাছে তাদের সফ্টওয়ার বিক্রি করেন না। করেন সরকারের কাছে। সরকারের সঙ্গে তাদের সমঝোতা হয়। এবার বিরোধী শিবিরের প্রশ্ন, যদি তাই হয় তাহলে মোদি সরকার এর দায় অস্বীকার করছে কি করে?

সরকার পুরোপুরি বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়ে দিয়েছে, নজরদারির মধ্যে বিজেপি সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। বিরোধীরা বলছে সরকার তার দায়িত্ব এড়াতে পারে না, নাগরিকের নিরাপত্তা রক্ষায় গোপনীয়তার অধিকার রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। তাহলে সরকার সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। এছাড়া পেগাসুস ( Pegasus ) -এর বক্তব্য যদি সঠিক হয়, তাহলে যাবতীয় ফোনট্যাপিং ( Phone Tapping ) কিংবা নজরদারি কাজটা চালিয়েছে মোদি সরকার।

]]>
ছাতা হাতে ভাইরাল মোদি, প্রশংসা-কটাক্ষ সবই উপচে পড়ছে নেটে https://runnerbangla.com/pm-narendra-modi-address-parliament-members-before-badal-session/ Mon, 19 Jul 2021 08:07:51 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4160 রানার প্রতিবেদন : আজ থেকে শুরু হলো সংসদের বাদল অধিবেশন ( Monsoon Session )। অধিবেশন শুরুর আগে সংসদ সদস্য এবং বিশেষ করে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন মোদি ( Narendra Modi )। সংসদের মিডিয়া এনক্লেভে চলে আসেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময় বৃষ্টি পড়তে শুরু করেছে। সকলকে অবাক করে দিয়ে নিজেই ছাতা হাতে পৌঁছে যান তিনি।

বা হাতে ছাতা ধরে নিজের বক্তব্য রেখে রওনা হন সংসদ কক্ষের উদ্দেশ্যে। যার ছাতা ধরার দায়িত্ব, তাকে ধরতে না দিয়ে নিজেই ছাতা ধরে চলে আসেন আবার ছাতা হাতে ফিরে যান সংসদে। এই ছবি সামনে আসতেই নেট মাধ্যমে শুরু হয় হৈচৈ। প্রথমে সক্রিয় হয়ে ওঠে গেরুয়া শিবির। তারা দাবি করতে থাকে, এটা একটা নজিরবিহীন ঘটনা। আজ পর্যন্ত কোনও প্রধানমন্ত্রীকে দেখা যায়নি, নিজের ছাতা নিজেই বয়ে নিয়ে চলেছেন।

অনেক বিজেপি কর্মী সমর্থক আবার রাহুল গান্ধীর ( Rahul Gandhi ) একটি পুরনো ছবি একই সঙ্গে শেয়ার করেছেন। যে ছবিতে দেখা যাচ্ছে , রাহুল গান্ধীর এক সহকারী তাঁর মাথায় ছাতা ধরে আছেন। দুটো ছবি দিয়ে লেখা হয়েছে, এটাই দুই দলের সাংস্কৃতিগত পার্থক্য। দুই নেতার বৈশিষ্ট ধরা পড়েছে এই একটি ছোট্ট ঘটনায়। বিজেপির প্রচারের পাল্টা সক্রিয় বিরোধী শিবিরের লোকেরা। তাদের দাবি, মোদি কাজের কাজ কিছু করেন না, আগ্রহও নেই। মোদি জানেন শুধু গ্যালারি শো করতে। উনি যদি এসব নাটকবাজি না করে কাজ করতেন তাহলে, দেশবাসীর এত দুর্ভোগ হতো না।

]]>
টার্গেট ২৪, একুশের আদলে একগুচ্ছ চমক তৃণমূলের https://runnerbangla.com/lok-sabha-election-2024-trinamool-congress-target/ Mon, 12 Jul 2021 08:10:54 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3790 #কলকাতা : চলতি মাসেই সাংগঠনিক রদবদল ( Organizational Reshuffle ) হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসে ( TMC )। তারপর বড়োসড়ো কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারে দল। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, ‘দিদিকে বল’-র মত কোনও নির্দিষ্ট কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। যার ব্লুপ্রিন্ট বানাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর ( Prashant Kishor )। উদ্দেশ্য, বিশাল জয়ের পর হাত গুটিয়ে বসে থাকা নয়। বরং দলের সাংগঠনিক স্তরে যেন মরচে না ধরে, সেই কারণেই বছরভর সংগঠনকে ময়দানে নামিয়ে রাখা। সেক্ষেত্রে টার্গেট অবশ্যই ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচন।

সম্প্রতি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Mamata Banerjee ) সঙ্গে প্রায় ঘণ্টা তিনেকের বৈঠক হয় প্রশান্ত কিশোরের। সূত্রের খবর সেই বৈঠকে আগামীর কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রশান্ত কিশোরের তরফ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়েক পাতার একটি নামের তালিকা দেওয়া হয়েছে। বিশেষত উত্তরবঙ্গ যেমন আলিপুরদুয়ার জলপাইগুড়ি কোচবিহার দার্জিলিং শহর ওই অঞ্চলের একাধিক ছোট এবং মাঝারি তৃণমূল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কারের পরামর্শ দিয়েছেন প্রশান্ত।

প্রশান্ত কিশোরের টিম তদন্ত করে দেখেছে, এরা প্রত্যেকেই কোনও না কোনও দল বিরোধী কাজ অথবা কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। যদিও বহিষ্কার করা হবে কিনা তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিচারাধীন। তৃণমূল কংগ্রেসের বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, সম্প্রতি পেট্রোল এবং ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছে তৃণমূল। কিন্তু এইটুকু আন্দোলন করেই থেমে থাকা নয়। মোদি বিরোধিতার সুর বছরভর বেঁধে রাখতে হবে। পাশাপাশি থাকতে হবে মানুষের পাশে।

সেই কারণেই বিশেষ রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা হতে পারে। তবে পুজোর আগে সে কর্মসূচিতে নামা হবে নাকি পুজোর পর তা এখনও অবশ্য স্পষ্ট নয়। দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, বামপন্থী রাজনীতি বছর পর সংগঠন চাঙ্গা থাকে। কিন্তু ডানপন্থী রাজনীতিতে ভোটের পর আবার ভাটা চলে আসে। দলের সাংগঠনিক রদবদল হচ্ছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নতুন সংগঠনকে বসে থাকতে দিলে চলবে না। বছরভর কোনও না কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে ময়দানে থাকতে হবে।

পাশাপাশি এখন লক্ষ্য লোকসভা। সেখানে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল জয়ের পর এখন সারাদেশ তৃণমূল নেত্রীর দিকে তাকিয়ে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi ) এবং অমিত শা ( Amit Shah ) বিরোধী মুখ হয়ে উঠতে পারেন মমতাই। সেই কারণে এই রেশ টিকিয়ে রাখতেই রাজ্য সংগঠন কে আরো জোরদার এবং চাঙ্গা করতে হবে। পুরনো ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছিল তৃণমূল। যার ফল হাতেনাতে মিলেছে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে। আগামী দিনের সেই ভুলের জন্য পুনরাবৃত্তি না হয় সেই কারণেই এত কাঠ-খড় পোহানো হচ্ছে, মন্তব্য এক শীর্ষ নেতার।

]]>
কে ফোন পেল, কে মন্ত্রী হলো? চাঞ্চল্য রাজ্য বিজেপি’র অন্দরে https://runnerbangla.com/bjp-union-miniter-cabinet-reshuffle-delhi-west-bengal-bjp-confusion/ Tue, 06 Jul 2021 15:55:53 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3432 রানার ডেস্ক : দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল আসন্ন। ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অনেকেই ফোন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালকে ডেকে পাঠানো হয়েছে, তাকে কেন্দ্রে মন্ত্রী করা হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ( Union Cabinet ) আসবেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি এবং তার শরিক দলগুলির মধ্যে চলছে জোর জল্পনা। শরিকরা রীতিমতো দরকষাকষি করে যাচ্ছে চেয়ারের দখল পেতে।

রাজ্য বিজেপিকেও এখন গ্রাস করেছে কৌতূহল আর চাঞ্চল্য। ২০১৪ সালে বিজেপি দুটো আসন পেয়েছিল। দার্জিলিং থেকে জিতেছিলেন সুরিন্দ্রর সিং আলুওয়ালিয়া এবং আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বাবুল সুপ্রিয় ( Babul Supriyo )। সেবার দুজনকেই প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi )। ২০১৯ সালে এক লাফে সংখ্যাটা পৌঁছায় ১৮ তে, কিন্তু পাওনার ঝুলিতে শ্রীবৃদ্ধি হয়নি। ১৮ সাংসদ পেয়েও কপালে জুটেছে দুই হাফ মন্ত্রী।

ভোটের পর রাজ্য নেতারা ধরেই নিয়েছিলেন, একুশের কথা মাথায় রেখে অন্তত একজন ক্যাবিনেট এবং একাদিক প্রতিমন্ত্রী পাবে রাজ্য। সেই গুড়ে বালি, খালি হাতেই ফিরে এসেছেন ১৬ জন সাংসদ। এবার দলের অন্দরে গুঞ্জন, মুখ তুলে তাকাবে দিল্লি। দুই থেকে সংখ্যাটা বাড়বে। কিন্তু কার কপালে শিকে ছিরবে, তা অজানা, আর অজানা বলেই, ফিসফাস হচ্ছে ঝড়ের গতিতে। সকালেই খবর এলো, দিল্লি যাচ্ছেন লকেট। ওমনি ডানা মেলতে শুরু করলো জল্পনা।

সাংবাদিকরা ফোনে ধরলেন লকেটকে। দিল্লি থেকে ফোন পেয়েছেন? একটাই প্রশ্ন। লকেটের কাতর অনুরোধ,” প্লিস এসবে আমার নাম যুক্ত করবেন না। কোনও ফোন আসেনি। স্ট্যান্ডিং কমিটির রুটিন বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়া। তাহলে? বিজেপির মেজো নেতার বললেন, খোঁজ নিন শান্তনু ঠাকুর কোথায়? শুরু হলো খোঁজ। কোথায়? জানা গেল দিল্লিতে। কোনও সাংবাদিকের ফোন তুললেন না তিনি।

মেজো নেতারা কার্যত ঘোষণা করে দিলেন, মন্ত্রী হলে শান্তনুই হবে। মতুয়া সম্প্রদায় কিছুটা হলেও অখুশি নাগরিক আইন কার্যকর না হওয়ায়। তাই শান্তনুকে খুশি করে মতুয়া সম্প্রদায়কে বার্তা দিতে চায় বিজেপি। তাহলে দিলীপ ঘোষ? এক সাংবাদিকের প্রশ্নে নেতারা বললেন, দিলীপ দা দলের সভাপতি থাকবেন। দলের এক ব্যক্তি-এক পদ নিয়মের গেরোয় তাঁর মন্ত্রী হওয়া হবে না। এবার নজর দিলীপ ঘোষের দিকে। এক ফাঁকে বিধানসভায় এসেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তখন তাকে এক ফাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, রাজ্যের কে বা কারা প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ফোন পেয়েছে? দিলীপ ঘোষ বলেন, “এখনও পর্যন্ত কেউ ফোন পেয়েছে বলে আমার জানা নেই।”

]]>
BREAKING : আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল, রিপোর্ট দিতে যাচ্ছেন দিল্লিতে https://runnerbangla.com/west-bengal-governor-jagdeep-dhankhar-going-to-report-to-delhi-concerned-about-law-and-order-in-state/ Tue, 15 Jun 2021 08:34:18 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2496 রানার প্রতিবেদন : আজ দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকর ( Jagdeep Dhankhar )। সূত্রের খবর দু’দিনের সফরে তিনি দেখা করতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ( Home Minister ) এবং প্রধানমন্ত্রীর ( Prime Minister ) সঙ্গে। আজ রাতেই তার দিল্লি পৌঁছে যাওয়ার কথা আগামীকাল এবং পরশু এই দুদিন দিল্লি থাকবেন তিনি। শুক্রবার তার ফিরে আসার কথা। এই দুদিনের মধ্যে একদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ( Amit shah ) এবং পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ( Narendra Modi ) সঙ্গেও তিনি দেখা করতে পারেন, তেমন সম্ভাবনা রয়েছে।

মনে করা হচ্ছে, রাজ্যের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা ( Law And Order ) পরিস্থিতি নিয়ে তিনি রিপোর্ট দিতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। এছাড়া ভোট পরবর্তী হিংসা হানাহানি বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে। গতকাল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikary ) নেতৃত্বে ৫১ জন বিধায়ক তার সঙ্গে দেখা করেন রাজভবনে। ভোট পরবর্তী হিংসা হানাহানি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিতভাবে বিধায়কদের অভিযোগ তিনি শোনেন। বৈঠক শেষে, সাংবাদিকদের সামনে এসে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবার নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করতে থাকেন রাজ্যপাল।

রাজ্যের প্রশাসন যাতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করে বারবার সেই পরামর্শও দেন তিনি। কাল বিরোধী বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলার পর আজই বিকেলে তিনি দিল্লি যাচ্ছেন, স্বভাবতই, জল্পনা তুঙ্গে। বারবার করে বিজেপির নেতারাও ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে রাজ্যে কেন্দ্রীয় শাসন তারা চান। তারা চান বর্তমান আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে হস্তক্ষেপ করুক কেন্দ্র। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি গতকাল বিরোধীদলের পক্ষ থেকে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানানো হয়, গত ১০ বছর ধরে এ রাজ্যের দলত্যাগ বিরোধী আইন কার্যকর করা হচ্ছে না।

তাদের দাবি ছিল ,যাতে এই আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয় সেটা যেন রাজ্যপাল নিশ্চিত করেন। তাদের। লক্ষ্য মুকুল রায়। বিজেপি ছেড়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) ফিরে গেছেন। মুকুল রায় ( Mukul Roy ) বিজেপি টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত বিধায়ক। তিনি বিধায়ক পদে ইস্তফা না দিয়েই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করায়, বিজেপি ( BJP ) দাবি তুলেছে তার বিধায়ক পদ খারিজ করতে হবে। এই দাবি নিয়ে তারা রাজ্যপালের কাছে সরব হয়েছে।

বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার এর মধ্যে মুকুল রায় পদত্যাগ না করেন, তাহলে বুধবার তারা লিখিতভাবে তার বিধায়ক পদ খারিজের জন্য স্পিকারের কাছে আবেদন জানাবেন। তারপর ১৫ দিন তারা অপেক্ষা করবেন, সেই সময়ের মধ্যে স্পিকার যদি কোন ব্যবস্থা না নেয় সেক্ষেত্রে তারা আইনের দ্বারস্থ হবেন জানিয়েছে বিজেপি।

]]>
বিতর্কে ইতি টেনে অবসর নিলেন আলাপন, নতুন মুখ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিবের নাম ঘোষণা https://runnerbangla.com/alapan-bandyopadhyay-retired-new-chief-secretary-home-secretary-name-announced/ https://runnerbangla.com/alapan-bandyopadhyay-retired-new-chief-secretary-home-secretary-name-announced/#respond Mon, 31 May 2021 12:56:39 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1712 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কেন্দ্রের কাছে মাথা নত করা নয়। শেষ পর্যন্ত নিজের শর্তে অটল থাকলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, অবসর নিলেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সোমবার বিকেলে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে শোকজ করে দিল্লি। যার পরিপ্রেক্ষিতে আগুনে ঘি পড়ে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, আলাপনের অবসরের পরেও আমরা তাঁর সাহায্য নেবো।

আমি তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নিয়োগ করছি। কাল থেকেই তিনি তাঁর কাজ শুরু করবেন।রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতি তৈরির ক্ষেত্রে তিনি আমাদের সাহায্য করবেন। পরবর্তী মুখ্যসচিব হচ্ছেন হরে কৃষ্ণ দ্বিবেদী। পরবর্তী স্বরাষ্ট্র সচিব হচ্ছেন বি পি গোপালিকা। মমতা বলেন, আমি ইচ্ছা করলেই আলাপনকে জোর করে রেখে দিতে পারতাম। মুখ্যসচিব হিসাবে আগামী তিনমাস কাজ করত। ওরা কিছুই করতে পারতো না।

কিন্তু আলাপন যখন নিজে থেকেই অবসর নেওয়ার কথা জানায়, তখন আমি সেটা মেনে নি‌ই। নবান্ন সূত্রে খবর, কিছুক্ষন আগে আমাদের কাছে চিঠি আসে (ক্যাডার আইন উল্লেখ করে) আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নর্থ ব্লকে যোগ দিতেই হবে। শোনা যাচ্ছে, এই চিঠিতে কোথাও লেখা নেই যে কি কারণে তার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। বলা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর যোগ না দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই জটিলতা তৈরি হয়েছে।

যার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন মমতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের আগে কিন্তু আমাকে বলা হয়নি যে তাঁর সঙ্গে দূর্গত এলাকা পরিদর্শনের জন্য। শুধু দেখা করার কথা বলা হয়েছিল। সেই মতো আমি ও রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন তাঁর সঙ্গে দেখা করি। মমতা পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন, আপনারা একক ভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কি? এই ঘটনাকে নজিরবিহীন আখ্যা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সারা দেশে কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি। দেশের অন্যতম প্রথম সারির একজন আমলার সাথে এইসব করা যায় কি ?

রুল বুকের ৬(১) ধারা উল্লেখ করে তাঁকে তলব করা হলো। রাজ্যের সাথে কোনো আলোচনাই করা হলো না। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর এই কাজ তো প্রতিহিংসা পরায়ন বলেই অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের পর থেকেই প্রতি হিংসা চলছে বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা ভোটের পরেও বলেছিলেন শুধু হিংসা হচ্ছে রাজ্যে। আমি তো তেমন কোনো হিংসা দেখিনি। তা সত্বেও আপনারা বিভিন্ন এজেন্সিকে রাজ্যে পাঠিয়েছেন। রাজ্য সরকারকে বুলডোজ করতে চাইছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। সারা দেশের আমলারা এর প্রতিবাদ করবে।

]]>
https://runnerbangla.com/alapan-bandyopadhyay-retired-new-chief-secretary-home-secretary-name-announced/feed/ 0
BREAKING : আলাপন নিয়ে ফের চিঠি দিল্লির, ক্ষিপ্ত মমতা, অনড় কেন্দ্র https://runnerbangla.com/alapan-bandyopadhyay-delhi-central-government-letter-again-angry-mamata-banerjee/ https://runnerbangla.com/alapan-bandyopadhyay-delhi-central-government-letter-again-angry-mamata-banerjee/#respond Mon, 31 May 2021 12:14:34 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1708 রানার প্রতিবেদন : আলাপনকে বদলির প্রশ্নে নিজেদের অবস্থানেই অনড় রইলো কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবার সকালেই পাঁচ পাতার এক চিঠি লেখেন মমতা। প্রধানমন্ত্রীকে লেখা সেই চিঠিতে তিনি মুখ্যসচিবের বদলির আদেশ প্রত্যাহার করে নিতে অনুরোধ করেন। বলেন, নিয়ম অনুযায়ী, সচিব পর্যায়ের কাউকে সরাতে হলে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সম্মতির ভিত্তিতেই সেটা করতে হয়। এক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

এমনকি যে কারনে মুখ্য সচিবের তিনমাস চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেই কারনটিকেই অগ্রাহ্য করে হচ্ছে এই বদলির আদেশে। ৩১ মে মুখ্যসচিবের চাকরির শেষ দিন। এদিনই তার অবসর নেবার কথা। রাজ্যের কোভিড প্রতিহত করার অভিযানে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মুখ্যসচিব। একাজ এগিয়ে নিয়ে যাবার স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী তার চাকরির মেয়াদ তিন মাস বাড়ানোর জন্য প্রধান মন্ত্রীর আছে চিঠি লিখে আবেদন করেছিলেন।

সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। এখন যদি তাকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে তার চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির কারণটাই উপেক্ষিত হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই চিঠিকে আদৌ গুরুত্ব দিল না দিল্লি। আজই দিল্লি পৌঁছে কর্মীবর্গ দফতরে হাজিরা দেবার কথা ছিল আলাপনের। তিনি যাননি।

একটু আগেই নবান্নে ফের চিঠি এসেছে যত দ্রুত সম্ভব আলাপন ব্যানার্জিকে নর্থ ব্লকে হাজিরা দিতে হবে। এরই পরই ক্ষিপ্ত মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রের আদেশ আইন বিরুদ্ধ এবং সংবিধান বিরোধী। প্রধানমন্ত্রীকে একহাত নিয়ে তিনি বলেন, গত ৭৪ বছরে এত নির্দয় এত নিষ্ঠুর কোনও ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসেননি।

]]>
https://runnerbangla.com/alapan-bandyopadhyay-delhi-central-government-letter-again-angry-mamata-banerjee/feed/ 0
আলাপনকে ছাড়বো না, মমতার ৫ পাতার কড়া চিঠি কেন্দ্রকে https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-letter-to-prime-minister-narendra-modi-on-alapan-bandyopadhyay-issue/ https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-letter-to-prime-minister-narendra-modi-on-alapan-bandyopadhyay-issue/#respond Mon, 31 May 2021 09:10:04 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1691 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লি যাওয়ার ছাড়পত্র দিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সপ্তাহের প্রথম দিন আজ সোমবার অফিস আওয়ার শুরু হবার আগেই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন তাঁর সরকার আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়বেন না। সকাল দশটার আগে পাঁচ পাতার সেই চিঠি মেইল করা হয়েছে।

আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে না ছাড়ার নেপথ্যের কি কি কারণ রয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে পাঁচ পাতার চিঠি  মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে লিখেছেন। সেই চিঠিতে তিনি যেমন বলেছেন যে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট ভাই অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় মারা গেছেন তার পরিবার এখন শোকস্তব্ধ। একইভাবে রাজ্যের বর্তমান মহামারী পরিস্থিতি এবং যশ পরবর্তী পুনর্বাসন প্রকল্পগুলি সঠিকভাবে কার্যকরী করতে হলে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত যোগ্য অফিসারকে প্রয়োজন বলে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর আজকের চিঠির পর আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলীর বিষয় চাপা পড়ে গেল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। তিন দিন ধরে চলা নাটকের যবনিকাপাত আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠিতেই হয়ে গেল বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে। ওই চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেছেন রাজ্যের কোন অফিসারকে ডেপুটেশনে নিতে হলে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নেওয়া উচিত।

তাছাড়া আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ম অনুসারে ৩১ মে সোমবার অবসর নেওয়ার কথা। কিন্তু রাজ্য সরকারের অনুরোধে কেন্দ্র সরকার তার তিন মাস সময় বাড়িয়েছে। এর মূল কারণ হল রাজ্য সরকারের কাজকর্মের সুবিধার জন্য এই কাজ করা হয়েছে। ওই চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেছেন যেভাবে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়ে দিল্লিতে বদলির কথা বলা হয়েছে তাতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে আঘাত করা হয়েছে।

পাশাপাশি, কেন্দ্রের ওই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের জন্য লিখিত আবেদন জানিয়েছেন মমতা। দাবি, অনুরোধ, সমালোচনার মিশেলে নরমে-গরমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  তরফে ৫ পাতার চিঠি পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির  কাছে। ৩১ মে অর্থাৎ সোমবার সকালেই রাজ্যের মুখ্যসচিবের দিল্লিতে গিয়ে নর্থ ব্লকে কর্মীবর্গ বিভাগের কাজে যোগ দেওয়ার কথা ছিল।

গত শুক্রবার আচমকা কেন্দ্রের তরফে চিঠি পাঠিয়ে এ কথা জানানো হয়। তারপর থেকেই তাঁর এই বদলি নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে, মতামত না নিয়ে একতরফাভাবে কেন্দ্রের এই চিঠি ‘রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক’ বলে অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন মহলে। জল্পনা চলছিলই, মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে এখনই ছাড়বে না রাজ্য।

করোনা, যশ পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি এত গুরুত্বপূর্ণ বলে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রের অনুমতি সাপেক্ষে। তা সত্ত্বেও সংশয় ছিল। সূত্রের খবর আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্য সচিব পদে না রেখে অন্য কোনও কমিটির মাথায় বসিয়ে সামগ্রিকভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক নানা কাজকর্ম পরিচালনার ভার দিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

]]>
https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-letter-to-prime-minister-narendra-modi-on-alapan-bandyopadhyay-issue/feed/ 0