Nabanna – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Fri, 02 Jul 2021 15:09:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Nabanna – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 KMC : মশা মারতে বরাদ্ধ হলো চার কোটি টাকা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-allocate-four-crore-rupees-kill-mosquitoes/ Fri, 02 Jul 2021 13:45:06 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3196 কলকাতা : ডেঙ্গু ( Dengue ) দমনে ইতিমধ্যেই অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে রাজ্য। ২০১৯ সালের তুলনা ২০২০ এবং তার থেকেও চলতি বছর ২০২১ সালে শহরে কথা রাখবে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নগণ্য। যদিও বিষয়টিকে হালকা হবে দেখতে নারাজ রাজ্য প্রশাসন ( Administration )। সেই কারণে রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গু দমনে চার কোটি টাকা বরাদ্দ করল নবান্ন ( Nabanna )। নভেম্বর পর্যন্ত দফায় দফায় শহরাঞ্চলের বিভিন্ন বাড়িতে সমীক্ষা, প্রচার, লার্ভা ধ্বংস করাসহ একাধিক বিষয়ের জন্য এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

একইভাবে গ্রামীণ এলাকায়ও ডেঙ্গু দমন কর্মসূচি চলবে। গত বছরের তুলনায় এই বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ। গত বছর রাজ্য সরকার দু’কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল বাড়ি বাড়ি সমীক্ষায়। কিন্তু এবার এই খাতে বাড়তি অর্থ খরচ করা হচ্ছে। এই অর্থে আলম কয়েকদিনের মধ্যেই বিভিন্ন পুরসভা এবং পঞ্চায়েতের হাতে পৌঁছে যাবে। অন্যদিকে শহর কলকাতা জুড়ে ডেঙ্গু দমনে ইতিমধ্যেই নানা পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পৌরসভা।

শহরের বিভিন্ন খালগুলিতে জানুয়ারি মাসের প্রথম থেকেই জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। বিভিন্ন পারা এবং মহল্লায় ঘুরে বাড়ি বাড়ি আনাচে-কানাচে ডেঙ্গু লার্ভা নিধনকারী ছড়িয়েছে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের কর্মীরা। যার জেরে গত জুন মাসের শেষে শহরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ৪০ জন। গতবার এই সংখ্যাটা চলতি সময়ে ছিল ৮২ জন। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার অন্তত ৫০ শতাংশ ডেঙ্গু আক্রান্ত কমেছে শহরে।

এই বিষয়ে কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডক্টর দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, আগামী দিন কয়েকের মধ্যেই রাজ্য সরকারের বরাদ্দ অর্থ আমরা পাব। তবে কলকাতা পুরসভা বছরভর সজাগ থাকে। যার ফলস্বরূপ ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিত্যদিন কমছে। যদি হাত গুটিয়ে বসে থাকার কোনও অবকাশ নেই। এটা একটা সমান্তরাল প্রক্রিয়া। একটু ঢিলেমি দিলে ডেঙ্গু বেড়ে যেতে সময় লাগবে না।

তাই আপাতত শীতকাল আসার আগে পর্যন্ত নিয়মিত ডেঙ্গু লার্ভা নিধনকারী জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজ চালিয়ে যেতে হবে। অন্যদিকে, দিনদিন মারাত্মক হয়ে ওঠা মিউকোরমাইকোসিস রোগীদের অপারেশনের আগে বাড়ির লোকজনের সম্মতিপত্র তৈরি করল রাজ্য। প্রসঙ্গত দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই ছত্রাক ঘটিত সংক্রমণে ভুগতে থাকা বেশকিছু রোগীর চোখ, চোয়ালের কিছু অংশ সহ বিভিন্ন জায়গা বাদ দিতে হচ্ছে। সেজন্য প্রয়োজন পড়ছে অপারেশনের। সেই কারণে পরিবারের অনুমতি পত্র তৈরি করা হল। অপারেশন হওয়ার আগে পরিবারের কাছে জিজ্ঞাসা করে নেওয়া হবে।

]]>
রাজ্যপাল – মুখ্যমন্ত্রী কাজিয়া তুঙ্গে, নজিরবিহীন আক্রমণ মমতার https://runnerbangla.com/gta-corruption-west-bengal-governor-jagdeep-dhankhar-chief-minister-mamata-banerjee/ Mon, 28 Jun 2021 13:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3044 রানার ডেস্ক : জিটিএ দুর্নীতির ( GTA Corruption ) অভিযোগ তুলে কার্যত নবান্নে ( Nabanna ) আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর ( Governor Jagdeep Dhankar )। আজ রাজ্যপাল বলেন, জিটিএ-তে ব্যাপক আর্থিক দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনার তদন্ত হওয়া জরুরি। তিনি বলেন, পাহাড়ের উন্নতির জন্য হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ হয়েছিল কিন্তু পাহাড়ের কোনও উন্নতি হয়নি এমনকি সেই টাকার কোনও হিসেবও নেই।

২০১৭ সালের পর থেকে পাহাড়ে কোনও নির্বাচন পর্যন্ত করা হয়নি। রাজ্যপাল বলেন, এসব উপেক্ষা করলে হবে না। পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য বিপুল অর্থ কোথায় গেল, তার হিসেব বার করার জন্য সিএজি-কে দিয়ে তিনি তদন্তের ব্যবস্থা করবেন বলে মন্তব্য করেন। বলেন, তদন্ত হলেই পরিষ্কার হবে, কতটুকু দুধ আর কতটুকু জল আছে। রাজ্যপালের এই বিবৃতি আক্ষরিক অর্থেই আগুন ধরিয়ে দিয়েছে নবান্নে।

এই মুহূর্তে যারা জিটিএ’র ক্ষমতায় তারা শাসকদলের ঘনিষ্ট। জিটিএ প্রধান এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ( Gorkha Janmukti Morcha ) নেতা বিমল গুরুং ( Bimal Gurung ) রাজ্য সরকারের সঙ্গে সংঘাতে যাবার পর ক্ষমতা হারান গুরুং। বিনয় তামাংকে বসিয়ে দেওয়া হয় জিটিএ’র মাথায়। সেই জিটিএ-কে আক্রমণ করায় কার্যত তেলে বেগুনে হয়ে ওঠে নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী আজ সাংবাদিক বৈঠক ডেকে বলেন, জিটিএ’র তদন্ত পরে হবে, আগে উনি কেন দার্জিলিং গিয়েছিলেন, কে কে সঙ্গে ছিল, কত টাকা খরচ করেছেন সেইসব তদন্ত হওয়া দরকার।

কারন এই রাজ্যপাল দুর্নীতিগ্রস্থ। জৈন-হাওয়ালা দুর্নীতি মামলায় রাজ্যপালের নাম ছিল বলেও পরোক্ষে ইঙ্গিত করেন তিনি। রাজ্যপালকে নিশানা করে মমতা ব্যানার্জি আরও বলেন, রাজ্যপাল উত্তরবঙ্গে ( North Bengal ) গিয়ে সেখানে রাজ্য ভাগের চক্রান্তে ইন্ধন দিয়ে এসেছেন। মমতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এদিন বিজেপির নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথা থেকে একটা জিনিস পরিষ্কার, জিটিএ দুর্নীতি হয়েছে, এবং সেই দুর্নীতি ঢাকতেই রাজ্যপালকে এই ভাষায় আক্রমণ করছেন তিনি।

]]>
হাঁ করে অপেক্ষাই সার হলো পুলিশের, বিজেপি গেল না নবান্নে https://runnerbangla.com/kolkata-police-west-bengal-bjp-nabanna-campaign-cancelled/ Sat, 26 Jun 2021 10:44:32 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2960 রানার ডেস্ক : বলা নেই কওয়া নেই দুম করে খবর ছড়িয়ে পড়লো শনিবার নবান্ন অভিযান ( Nabanna Campaign ) করবে বিজেপি। বিভিন্ন সংবাদ মাধমে শুক্রবার রাতে সেই খবর দেখে হতচকিত হয়ে যায় বিজেপি ( BJP ) রাজ্য নেতৃত্ব। আচমকা এই খবরে জোর তৎপরতা শুরু হয় পুলিশেও। রাতে অনেকেই যোগাযোগ করতে শুরু করে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে,তখন তাদের আকাশ থেকে পরার দশা।

কারন দল ঠিক করেছে জুন মাসে করোনা মোকাবিলায় নানাবিধ বিধি নিষেধ জারি আছে বলে কোনও বড় আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হবে না। তাহলে নবান্ন অভিযান এলো কোথা থেকে? বিজেপি নেতৃত্ব খোঁজ নিয়ে জানলেন, তাদের সঙ্গে কথা না বলেই উত্তর কলকাতা বিজেপি’র কিছু অতি উৎসাহী সদস্য ভারতীয় জনতা মজদুর সেল-এর ব্যানারে নবান্ন অভিযানের সিধান্ত নিয়েছে।

কসবায় জাল টিকা কাণ্ডের প্রতিবাদে এই মিছিলের আয়োজন। গোটা কয়েক লোক নিয়েই সেন্ট্রাল এভিনিউ থেকে এই মিছিলের তোড়জোড় করছিল তারা। খবর কানে যেতেই মজদুর সেলের প্রেসিডেন্ট মিঠু চ্যাটার্জিকে ফোন করে এই ধরনের কর্মসূচি না করার জন্য নির্দেশ দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। রাতেই বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়, দল এই ধরণের কোনও কর্মসূচি নেয়নি।

দল তো নেয়নি, কিন্তু মজদুর সেল? কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি পুলিশ। খবরের জেরে প্রযুক্তি শুরু করে দেয় তারা। নবান্ন অভিযান রুখতে সকাল থেকেই লালবাজারের শুরু হয় সাজসাজ রব। পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়ে যায় হাওড়া পুলিশও। চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করা হয় নবান্নের নিরাপত্তায় থাকা কর্মীদের জন্য। সকাল থেকে ধর্মতলা,সেন্ট্রাল এভিনিউ শুধু থিক থিক করতে থাকে পুলিশে।

ধীরে ধীরে বিভ্রান্তি, উত্তেজনাও ছড়াতে শুরু করে। পুলিশের যুদ্ধকালীন তৎপরতার মাঝেই প্রশ্ন ওঠে মিছিলের তৎপরতা কোথায়? অবশেষে সব বিভ্রান্তি দূর করতে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে মজদুর সেল জানায়, প্রস্তাবিত কর্মসূচি বাতিল করেছে তারা। ঘাম দিয়ে জর ছাড়ে প্রশাসনের। কারন সাম্প্রতিক কয়েক বছরে নবান্ন অভিযান মানেই যেন রক্তারক্তি কান্ড। মজদুর সেলের ঘোষণার পরই নিজেদের ঠিকানায় ফেরৎ যায় পুলিশ বাহিনী।

]]>
কসবা টিকা কান্ড, দুটি তদন্ত কমিটি গড়ে দিল রাজ্য সরকার https://runnerbangla.com/kasba-vaccine-terms-west-bengal-govt-formed-two-investigation-committees/ Sat, 26 Jun 2021 08:08:19 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2948 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কসবা টিকা কাণ্ডের ( Kasba Vaccine Case ) তদন্তে দুটি কমিটি ( Committee ) গঠন করল নবান্ন। একটি কমিটিতে রয়েছেন চিকিৎসক তনিমা মন্ডল এবং কাজল মন্ডল। পাশাপাশি আরও একটি চার সদস্যের কমিটি তৈরি করেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর ( Health Department )। বিশিষ্ট চিকিৎসক শান্তনু ত্রিপাঠী, জ্যোতির্ময় পাল, সৌমিত্র ঘোষ এবং গোপালকৃষ্ণ ঢালী এই কমিটিতে রয়েছেন। এই কমিটি ওই জাল ভ্যাকসিনের ( Fake Vaccine ) পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খতিয়ে দেখবে। শনিবার সকালে সেই কমিটির চিকিৎসকেরা কসবা এবং সিটি কলেজে যান।

যাঁরা টিকা নিয়েছেন তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। শারীরিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরসভার ( KMC ) স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই জাল টিকা প্রাপকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। স্বাস্থ্য ভবন কলকাতা পুরসভার কাছে সেই রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি টিকা শিবির নিয়ে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন। এখন থেকে কোনও ভ্যাক্সিনেশন সেন্টার করতে গেলে স্থানীয় মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অনুমতি নিতে হবে। না হলে শিবির করা যাবে না।

বেসরকারি টিকা শিবির চালাতে হলে নার্সিংহোমের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে করতে হয়। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বেঁধে দেওয়া কিছু নার্সিংহোমের তালিকা আছে। সেই তালিকায় বাইরে অন্য কোনও সংস্থা বা নার্সিংহোমের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের শিবির করা যাবে না। এই মর্মে শুক্রবার জেলায় জেলায় মৌখিকভাবে বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। অন্যদিকে, কলকাতায় কসবা কাণ্ডের পর বেসরকারি টিকা শিবির নিয়ে আরও সতর্ক লালবাজার।

কলকাতার সব থানাকে এই বিষয়ে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লালবাজার বলেছে, এলাকায় কোথাও টিকা শিবির হলে পুলিসকে গিয়ে নজরদারি চালাতে হবে। বৈধ কাগজপত্র আছে কিনা খতিয়ে দেখবে পুলিশ। প্রয়োজনে কলকাতা পুরসভা এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেবে। শিবিরে যাঁরা ভ্যাকসিন দিচ্ছেন, তাঁরা স্বাস্থ্যকর্মী কিনা তা দেখে নিতে হবে। যারা ক্যাম্প চালাচ্ছে তাদের ঠিকুজি-কুষ্ঠি খতিয়ে দেখবে পুলিস।

কোনও কিছু সন্দেহজনক মনে হলে প্রয়োজনে সেই ক্যাম্প বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে। এই বিষয়ে শহরের নজরদারি চালাবে কলকাতা পুরসভাও। প্রয়োজনে নিয়ম ভাঙলে গ্রেফতারও করতে পারে পুলিস। অন্যদিকে, অভিযুক্ত দেবাঞ্জনের টিকা শিবির থেকে যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের নিয়ে উদ্বিগ্ন পুর কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, সেগুলি জাল ছিল।

এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া নিধনকারী অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। তাই অতীন ঘোষ জানিয়েছেন, পুরসভা ওই ভ্যাকসিন প্রাপকদের আলাদা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। যদিও তাঁদের এই মুহূর্তে করোনা টিকা দেওয়া যাবে কিনা সেই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেবে পুরসভা। এবং
তারপর তাঁদের টিকা দেওয়া হবে।

]]>
জল যন্ত্রনার জন্য দায়ী মেট্রো, নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা রাজ্য সরকারের https://runnerbangla.com/kolkata-metro-responsible-water-crisis-west-bengal-govt-statement/ Tue, 22 Jun 2021 10:03:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2810 কলকাতা : মেট্রোর ( Metro ) কাজের জন্যই পূর্ব কলকাতা এবং দক্ষিণ কলকাতায় টানা দু’তিন দিন জল-ভোগান্তি হয়েছে নাগরিকের। বাইপাস সংলগ্ন নিকাশি খালগুলি পরিদর্শনের পর এমনটাই মত রাজ্য প্রশাসনের। কলকাতা পুরসভাও ( Kolkata Municipal Corporation ) শহরের নিকাশি নিয়ে নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে মেট্রো কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছে। আপৎকালীন ভিত্তিতে সেই নিকাশি খাল থেকে বাধা সরাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে বলেছে কলকাতা পুরসভা তথা নবান্ন ( Nabanna )।

কিন্তু দিনের শেষে সেচ খালের নাব্যতা না থাকা নিয়ে দায় এড়াতে পারে না রাজ্য মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। শহরের নিকাশি নালা ( Drainage ) থেকে ঠিকঠাক পলি তলা হয়নি বলেও কলকাতা পুরসভার দিকে আঙ্গুল উঠেছে। বাইপাস ধরে গরিয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রো ( Goria Airport Metro ) রেলের কাজ করছে রেলওয়ে বিকাশ নিগম লিমিটেড বা আরভিএনএল। বহু বছর ধরেই কাজ চলছে। কাজ চলছে ঢিমেতালে। সেই কারণেই বাইপাস সংলগ্ন মূল নিকাশি খাল টালিগঞ্জ-পঞ্চান্নগ্রাম বা টিপি ক্যানেল, সুবারবান হেড কার্ট ক্যানেল, হেড কার্ট ক্যানেলে কোথাও মাটি ফেলে বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার পাইপ ফেলে রাখায় জলের স্রোত বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।

গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় রাতভর বৃষ্টিতে জল জমেছে শহরে। উত্তর কলকাতার জল নেমে গেলেও পূর্ব, দক্ষিণ এবং সংযুক্ত কলকাতায় জল দু-তিন দিন পরেও নামেনি। এই অবস্থায় শহরের নিকাশি খাল গুলির নাম না থাকায় সমস্যা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। তারপরে ঠিক হয় শহরের নিকাশি খালগুলির অবস্থা খতিয়ে দেখা হবে। সম্প্রতি কলকাতা পুরসভা এবং সেচ দপ্তরের সঙ্গে এয়ারপোর্ট গড়িয়া রুটিন মেট্রো নির্মাণের দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থার আধিকারিকরা এলাকা পরিদর্শন করেন।

সেখানে দেখা যাচ্ছে, কালিকাপুরের সামনে টিপি ক্যানেলের প্রায় ৬০% বন্ধ রয়েছে। পাটুলি কিউ ব্লকের সামনেও খাল ভর্তি করা। কালিকাপুরের ওখানে সাতটি নালা দিয়ে জল যায়। তার মধ্যে চারটি নালা পুরোপুরি বন্ধ। পাটুলিতে মাটি দিয়ে ভর্তি করে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, আম্বেদকর সেতুর নিচে সুবারবান হেড কার্ট ক্যানেলেও বেশ কিছুটা অংশ বন্ধ। যদিও আবার হেড কার্ট ক্যানেলের বন্ধ রাখা অংশ পরিষ্কার করে দিয়েছে ওই সংস্থা।

কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষকর্তা বলেন, এভাবে নিকাশি খাল বুজিয়ে কাজ করতে হলে সেচদপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন। ওই সংস্থা মেট্রোর কাজের জন্য সেই অনুমতি নেয়। বর্ষার আগে পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে, নিজের প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে তারা। সেই কারণেই এই অবস্থা। যার জেরে কসবা, মুকুন্দপুর, সন্তোষপুর, কালিকাপুর, যাদবপুর, ঢাকুরিয়ার সহ দক্ষিণের বিস্তীর্ণ অংশে জমা জল নামেনি।

এই ব্যাপারে আরভিএনএলের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক অমিত রায়কে ফোনে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, বেহালা, খিদিরপুর, গার্ডেনরিচের বিস্তীর্ণ অংশেও এক অবস্থা। সেখানেও নাব্যতা না থাকায় চরিয়াল, মনিখাল সহ অন্যান্য নিকাশি খালগুলির অবস্থা সঙ্গীন। বেহালা অঞ্চলের নবপল্লী, পর্ণশ্রী, রবীন্দ্রনগর, ১৬ ফিট, ১২ ফিট সহ বিভিন্ন এলাকায় কেইআইআইপির কাজ চলছে। এক বছর ধরে দেরিতে চলছে কাজ। ফলে কলকাতা পুরসভার আওতাধীন এই সংস্থার কাজের ঢিলেমি পুরসভা এড়াতে পারেনা বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ওই কাজের জন্যই মূলত বেহালা অঞ্চলে টানা ৭২ ঘন্টা জল জমে।

]]>
বর্ষার শুরুতেই বিপর্যয়, খাল সংস্কারের কথা মনে পড়লো সরকারের, বরাদ্ধ হলো অর্থ https://runnerbangla.com/state-government-decided-to-repair-kolkata-canals-beginning-monsoon/ Sat, 19 Jun 2021 08:04:03 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2683 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : বর্ষা নামতেই জলবন্দি কলকাতা ( Kolkata )। ৪৮ ঘণ্টা কেটে গেলেও একাধিক জায়গা থেকে নামেনি জল। সরকার এখন মনে করছে খাল সংস্কার ( Canal Reform ) দরকার। আজ শনিবার ইএম বাইপাস ( EM Bypass ) সংলগ্ন কেপিটি খাল ও সন্তোষপুর মনি খাল পরিদর্শন করবেন সেচ দপ্তর ও পুরসভার আধিকারিকরা। এই দুটি খাল সংস্কার করতে ১০-১২ কোটি টাকা খরচ হতে পারে বলে কলকাতা পুরসভা ( kolkata Municipal Corporation ) সূত্রে খবর।

শুক্রবার নবান্নে ( Nabanna ) রাজ্য সরকারের সেচ দপ্তরের ( Irrigation Department ) প্রধান সচিব, পুর ও নগর উন্নয়ন দপ্তরের প্রধান সচিব, কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে নিয়ে শহরের খালগুলির বিষয়ে বৈঠক করেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে কলকাতায় দুদিনের বৃষ্টিতে যেভাবে দীর্ঘ সময় জল দাঁড়িয়ে ছিল তার জন্য শহরের খালগুলি সবথেকে বেশি দায়ী। সে কারণে শহরের গুরুত্বপূর্ণ খালগুলি সংস্কারের কাজ করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।

রাজ্য সরকার এই সংস্কারের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আর্থিক অনুমোদন দেবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাল গুলির সংস্কারের কাজ এই বছরের মধ্যে শেষ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এদিনের বৈঠকে।কলকাতার মানুষের জল যন্ত্রণার দায় কৌশলে প্রাক্তন সেচমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Rajib Banerjee ) ঘারে চাপিয়ে সরকারকে আড়াল করতে চেয়েছেন, কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।

প্রাক্তন এই দুই সেচমন্ত্রী তৃনমূল ( TMC ) ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে ( BJP ) যদিও তারা মন্ত্রী ছিলেন তৃনমূল সরকারেরই। বর্তমান সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র ( Soumen Mohapatra ) আবার আশ্বাস দিয়েছেন, তিনি এবার উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবেন তবে বর্ষা শেষ হবার পর। বলেছেন, সেচ দপ্তর শহরকে জল যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্ত করতে খাল সংস্কারের কাজ বর্ষা শেষ হলেই শুরু করবে।

আপাতত কলকাতার খালগুলি সংস্কার করা হবে। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে শহরের গুরুত্বপূর্ণ খালগুলির নাব্যতা বাড়াতে আগে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তারপর রাজ্যের অন্যান্য জেলার খালগুলি সংস্কার করা হবে।

]]>
BREAKING : আবার কনটাইনমেন্ট জোন তৈরির সিধান্ত, জারি নয়া বিধিনিষেধ https://runnerbangla.com/west-bengal-govt-new-restrictions-issued-containment-zone-again/ Wed, 16 Jun 2021 07:45:18 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2541 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ফের কলকাতা ( Kolkata ) তথা রাজ্যজুড়ে করোনা ( Corona ) মোকাবিলায় হতে চলেছে কনটেইনমেন্ট জোন ( Containment Zone )। গতবছর এই কৌশল অবলম্বন করে পরিস্থিতি সার্বিক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু এ বছর প্রথমদিকে গতবারের থেকে কয়েক গুণ বেশি সংক্রমিত হওয়ার কারণে আলাদা করে শহরে কিংবা পুরসভা এলাকায় কনটেইনমেন্ট জোন করা সম্ভব ছিল না। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে।

কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা ও পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়াও কয়েকটি জেলায় প্রতি ২৪ ঘণ্টার সংক্রমণ এখনও পুরোপুরি বাগে নিয়ে আসা যায়নি। সেইসঙ্গে দিন প্রতি মৃত্যুহার এখনও পঞ্চাশের নিচে নামানো যায়নি। এই পরিস্থিতিতে যেসব জেলায় সংক্রমণ এখনও বেশি ছড়াচ্ছে, সেখানে বিশেষ নোডাল অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন কমিশনার তথা বর্তমানে রাজ্যের পুরসচিব খলিল আহমেদকে।

সেই সঙ্গে কোভিড ( Covid-19 ) ম্যানেজমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন ( Nabanna )। বিধিনিষেধের কারণে রাজ্যে করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী। তবে এখন‌ই কোনও শিথিলতা দেখাতে রাজি নয় সরকার। তাই চারদফা নির্দেশিকা জারি করছেন মুখ্যসচিব। সেই নির্দেশিকাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে যেসব অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা এখনও বেশি রয়েছে সেখানে কনটেইনমেন্ট জোন ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। গতবারের মতোই পুলিশ পাহারা বসিয়ে অন্যান্য অঞ্চলের থেকে সেই জায়গাটি বিচ্ছিন্ন করে ব্যারিকেড দিয়ে রাখতে হবে।

কিন্তু সেটা করা যাবে কিভাবে? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, কিছু ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ ছাড়া প্রায় সব চালু রয়েছে। সরকারি এবং বেসরকারি অফিস খোলা। হলে যে অঞ্চলে কনটেইনমেন্ট জোন করা হবে সেখানকার বাসিন্দারা কি কাজে যেতে পারবেন না? সেক্ষেত্রে বাধা দেওয়া সম্ভব নয়। সেই আবাসন বা ফ্লাটের বাসিন্দারা বাইরে যাবেন। কর্মক্ষেত্রের যোগ দেবেন। সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষেত্রে অনুঘটক হবেন।

তাহলে আর কনটেইনমেন্ট জোন করে কি লাভ! যদি প্রকৃত অর্থে লকডাউন হতো তাহলে কনটেইনমেন্ট জোনের গুরুত্ব থাকত। কী কী বলা হয়েছে সেই নির্দেশিকায়? –
১) স্থানীয় স্তরে কোথাও বা কোনও এলাকাতে যদি কোভিড সংক্রমনের সংখ্যা বাড়তে থাকে, তাহলে সেই এলাকাকে কনটেনমেন্ট বা মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে দেখতে হবে।
২) সেইসব এলাকায় কঠোর ভাবে কোভিদ প্রটোকল অর্থাৎ সামাজিক দূরত্ব বিধি ইত্যাদি মানতে হবে।
৩) এসব ক্ষেত্রে সঠিক ভাবে টেস্টিং, ট্রাকিং ও ট্রেসিং করতে হবে।
৪) এছাড়া কোভিড চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত সকল স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বৈঠক করে কোভিড সংক্রমনের বিষয়ে আপডেট থাকতে হবে।

গত বছর এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল নবান্ন। একটা সময় কলকাতা পুর এলাকায় কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছিল প্রায় দেড়শ’র ঘরে। পরে ধীরে ধীরে করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী হয়। এবছর এখন সংক্রমণ কিছুটা বাগে আনা গিয়েছে। কিন্তু পুরোপুরি কমানো যাচ্ছে না। সেই পরিস্থিতিতে ফের কনটেইনমেন্ট জোন তৈরির কৌশলের পথেই হাঁটলো রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু সেটা কতটা ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

]]>
Tala Bridge : নতুন বছরে শহরবাসীর উপহার নবরূপে টালা ব্রিজ https://runnerbangla.com/tala-bridge-may-open-traffic-february-2022/ https://runnerbangla.com/tala-bridge-may-open-traffic-february-2022/#respond Sun, 13 Jun 2021 05:03:14 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2378 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : আগামী নতুন বছরের শুরুতেই খুলতে চলেছে টালা ব্রিজ ( Tala Bridge )। দীর্ঘ দেড় বছর যুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের শেষে প্রায় প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। শনিবার সেতুর কাজকর্ম পরিদর্শন করতে যান কাশিপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের বিধায়ক অতীন ঘোষ ( Sri Atin Ghosh )। পূর্ত দপ্তর ( PWD ) সূত্রে খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হতে পারে উত্তর কলকাতার সঙ্গে উত্তর শহরতলীর সংযোগ রক্ষাকারী এই লাইফ লাইন।

নতুন সেতু তৈরি হয়েছে চার লেনের। খরচ বরাদ্দ ছিল প্রায় ৩০০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে লকডাউনের সময় নতুন ব্রিজ তৈরীর কাজে হাত দেয় পূর্ত দপ্তর। কাজ করছে এক বহুজাতিক নির্মাণ সংস্থা। জুন মাস থেকে সেতু তৈরীর কাজ শুরু হয়। তার আগে অবশ্য গত বছর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পুরনো টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছিল। মাঝে লকডাউনের জন্য কিছুদিন কাজ আটকে যায়। তারপর আবার গত বছর পয়লা বৈশাখ থেকে কাজ শুরু হয়।

জুনের মধ্যে পুরো ব্রিজ ভেঙে ফেলা হয়। তারপর শুরু হয় নবনির্মাণ। মাজেরহাট ব্রিজ ভেঙে পড়ার পর শহরের সমস্ত উড়ালপুলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার কাজে হাত দেয় নবান্ন ( Nabanna )। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) তৎকালীন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ( Alapan Bandyopadhyay ) মাথায় রেখে একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিলেন। পোস্তা ব্রিজের ( Posta Bridge ) মত টালা ব্রিজ বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা করানো হয়। রাইটস সমীক্ষা করে জানিয়ে দেয়, পুরনো ব্রিজ ভেঙে নতুন ব্রিজ তৈরি করা শ্রেয়।

যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে পড়তে পারে পুরনো টালা সেতু( Tala Bridge )। তারপরেই তৎপর হয় নবান্ন। ভাঙার জন্য ডাকা হয় টেন্ডার। আবার নতুন ব্রিজ তৈরির জন্য পৃথক টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। শুধু ব্রিজ ভাঙতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ২০ কোটি টাকা। পূর্ত দপ্তরের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন অন্তত ১৭৫ জন থেকে ৩০০ জন শ্রমিক যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে। বিশেষ করে লকডাউনের সময় গত বছরের কয়েক মাস দ্রুত কাজ এগিয়েছে।

তখনই প্রায় সামগ্রিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়ে গিয়েছিল। টালা সেতু ভেঙে দেওয়ার পর ওই রাস্তার যান চলাচলের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ জারি করে কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ। অন্যান্য রাস্তা দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। এখনও সেটাই চলছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ( Chandrima Bhattacharya ) নির্মীয়মান এই সেতুর পরিদর্শনে যাবেন বলে খবর।

]]>
https://runnerbangla.com/tala-bridge-may-open-traffic-february-2022/feed/ 0
আকাশ জঞ্জাল মুক্ত করতেই হবে, বৈঠকে সাফ কথা মুখ্যমন্ত্রীর https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-strict-instruction-for-cable-tv-and-internet-operators-all-wires-should-be-underground/ https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-strict-instruction-for-cable-tv-and-internet-operators-all-wires-should-be-underground/#respond Sat, 12 Jun 2021 15:39:23 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2383 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতার ( Kolkata ) আকাশকে জঞ্জালমুক্ত করতে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার নবান্ন ( Nabanna ) সভা ঘরে শহরের সমস্ত কেবল অপারেটরদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন তিনি। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, টিভি অথবা ইন্টারনেটের কোনও তার আর মাটির ওপর দিয়ে নিয়ে যেতে দেবে না রাজ্য সরকার। কেবল অপারেটরদের মাটির তলা দিয়ে নিয়ে যেতে হবে। কাজ সময়সাপেক্ষ। কিন্তু দ্রুত সেটা শুরু করতে হবে।

জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার থেকে হরিশ মুখার্জি রোডে ( Harish Mukherjee Rd ) এই পাইলট প্রজেক্ট ( Pailot Project ) চালু হচ্ছে। সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে মাটির তলা দিয়ে কেবল নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হবে। এরপর ধীরে ধীরে গোটা কলকাতা এবং আগামী দিনে গোটা রাজ্য জুড়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার ইচ্ছা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। এই মর্মে প্রত্যেক কেবল অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক তথা রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )।

তিনি বলেন, লকডাউনের সময় ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইনে পড়াশোনা করছে। তাদের দিকটাও ভাবনা চিন্তা করা হয়েছে। তাই সিদ্ধান্ত হয়েছে, যতদিন পর্যন্ত মাটির তলা দিয়ে তার নিয়ে যাওয়ার কাজ সম্পূর্ণ না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত ওপরের তার নামানো হবে না। তবে, নতুন করে উপর দিয়ে কেবল তার নিয়ে যাওয়ার জন্যও কাউকে অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রথমে কলকাতার আকাশকে জঞ্জালমুক্ত করে তিলোত্তমাকে নতুন রূপ দিতে চাইছে রাজ্য সরকার।

তারপর গোটা রাজ্যে এই প্রক্রিয়া চলবে বলে জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি তিনি বলেন, ল্যাম্পপোস্টেও কোনও কেবল তার লাগানো যাবেনা। ওভারহেড দিয়ে কেবল তার নিয়ে যাওয়ার জন্য কাউকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। যাঁরা নিয়ে গেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই বেআইনিভাবে মাটির উপর দিয়ে তার নিয়ে গেছেন। অবিলম্বে এই তার নামে মাটির তলা দিয়ে নিয়ে না গেলে পুরসভার কেটে দেবে। অন্যদিকে কেবল অপারেটর ব্যবসার সঙ্গে সারা রাজ্য জুড়ে কয়েক লক্ষ কর্মী জড়িত।

আপাতত কলকাতা পুরসভা শহরের কেবল অপারেটর ব্যবসায়ী এবং তাদের কর্মীদের সুপার স্প্রেডার হিসেবে আখ্যা দিয়ে টিকা দেবে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন ফিরহাদ। ইতিমধ্যেই পরিত্যক্ত কেবল তার নিয়ে অতিষ্ঠ পুরসভা একাধিকবার অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। কিন্তু তাতে খুব একটা লাভের লাভ কোনওদিন হয়নি।

গতবছর আমফানের ( Cyclone Amphan ) সময় শহরে উপরে পড়া গাছ ক্যাবল তারের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়ে এক বীভৎস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। গাছ কাটতে গিয়ে নাকানি-চুবানি খেতে হয়েছিল। ছিঁড়ে গিয়েছিল কেবল। তারপর এই পদক্ষেপ নিয়েছিল পুরসভা। কিন্তু পুরসভার নির্দেশে গা করেনি কেবল অপারেটররা। এবার সরাসরি বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।

]]>
https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-strict-instruction-for-cable-tv-and-internet-operators-all-wires-should-be-underground/feed/ 0
ঘূর্ণি ঝড়ের পর ফের দুর্যোগ, শুক্রবার কটালে বন্যার আশঙ্কা https://runnerbangla.com/alipore-weather-office-forecast-heavy-rain-fall-again-after-yaas-cyclone/ https://runnerbangla.com/alipore-weather-office-forecast-heavy-rain-fall-again-after-yaas-cyclone/#respond Thu, 10 Jun 2021 14:42:43 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2253 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ( Yaas Cyclone ) হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার দিন পনেরোর মাথায় ফের ভরা কটালের ( Spring Tide ) ভ্রুকুটি। সেইসঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। জোড়া ফলায় শহরের বিভিন্ন অঞ্চলে ফের প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। আগামীকাল ১১ থেকে ১৪ জুন ভারী বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। ফলে, এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সব পুরনিগম, পুরসভা এবং উপকূলবর্তী পঞ্চায়েতকে সতর্ক থাকতে বলেছে নবান্ন ( Nabbana )।

এই পরিস্থিতিতে কোমর বাঁধছে কলকাতা পুরসভাও ( Kolkata Municipal Corporation )। বৃহস্পতিবার, শহরের বিভিন্ন নিকাশি খাল এবং পাম্পিং স্টেশনগুলি পরিদর্শন করেন কলকাতা পুরসভার নিকাশি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তারক সিং। পাশাপাশি আধিকারিকদের সঙ্গে প্রস্তুতি বৈঠক সারেন কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিমও ( Firhad hakim )। ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, গঙ্গার তীরবর্তী এলাকার অসহায় পরিবারদের আগে থেকে পুনর্বাসনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত খাবার এবং জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সে সব ছাড়াও যাবতীয় প্রস্তুতির সেরে রাখা হচ্ছে।এবারেও খুব একটা সমস্যা হবে না বলেই দাবি করেছেন তারক সিং। তিনি বলেন, পুরসভা প্রস্তুত। প্রত্যেকটি বরোতে আলাদা টিম তৈরি থাকছে। ওই কয়েক দিনের জন্য নিকাশি বিভাগের ( Sewerage Department ) শ্রমিকদের ছুটি বাতিল করা হচ্ছে। প্রত্যেকটি পাম্পিং স্টেশনকে ( Pamping Station ) বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নিকাশি বিভাগ জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় সামলাতে যা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল সবটাই থাকছে।

এমনিতেই ১ জুন থেকে বর্ষার জন্য বাড়তি আয়োজন থাকে। একদিকে ভারী বৃষ্টি এবং অন্যদিকে ভরা কটাল। ফলে নির্দিষ্ট সময় গঙ্গার লকগেট বন্ধ থাকলে শহরে কয়েকটি অঞ্চলে যথেষ্ট জল জমে। কালীঘাট, খিদিরপুর, গার্ডেনরিচ, আলিপুর বডিগার্ড লাইন, চেতলা লকগেট সহ উত্তর কলকাতার একাধিক অঞ্চল জলমগ্ন হয়। আবার গঙ্গার জলস্তর কিছুটা নেমে গেলে লক গেট খুলে দিলে দ্রুত শহরের জল বেরিয়ে যায়।


আরও পড়ুন : বিদ্যুৎ ও সরঞ্জাম চুরির ধাক্কায় কলকাতা যেন মৃত্যুফাঁদ, নড়ে বসলো প্রসাশন

এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বলে জানাচ্ছে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। তবে শুধু ১১ থেকে ১৪ জুন নয়। আগামী ২৬ ও ২৭ জুনও গঙ্গায় বান আসবে। ফলে চলতি মাসভর বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা যেন এড়ানো যায় সেই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে আলোক বিভাগকে। জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে এমন জায়গাগুলিতে জল না মানা পর্যন্ত বাতিস্তম্ভ এবং ফিডার বক্সের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হবে।

]]>
https://runnerbangla.com/alipore-weather-office-forecast-heavy-rain-fall-again-after-yaas-cyclone/feed/ 0