Election Commission of India – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sun, 04 Jul 2021 15:14:53 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Election Commission of India – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 নির্দিষ্ট সময়ে উপনির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তা, চাপ বাড়াতে প্রস্তুতি মমতার https://runnerbangla.com/uncertainty-by-election-mamata-banerjee-increase-pressure/ Sun, 04 Jul 2021 15:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3290 কলকাতা : রাজ্যের নটি আসনের উপনির্বাচন ( By Election ) কবে হবে এখনও নিশ্চিত নয়। তবে নবান্ন ( Nabanna ) সূত্রে খবর, উপনির্বাচন করানো নিয়ে তাদের কোনও আপত্তি নেই বলেই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন ( Election Commission of India )। আপত্তি থাকার কথাও নয়, কিন্তু প্রশ্নটা হলো কবে হবে সেই ভোট? এই প্রশ্নে নীরব কমিশন। এই উপনির্বাচনে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হচ্ছে ভবানীপুর ( Bhabanipur Constituency )। যেখান থেকে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee ) লড়বেন।

স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক উত্তাপ রয়েছে। তবে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) নিজেদের ঘুঁটি সাজানোর শুরু করে দিয়েছে। কোন আসনে কে প্রার্থী হবে তা বাছাইয়ের কাজ চলছে। বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থীদের ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত করে ফেলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার মধ্যে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরের বাইরে কলকাতার কাছাকাছি রয়েছে খড়দা বিধানসভা আসন ( Khardaha Constituency )।

সেখান থেকে এক তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে লড়তে পারেন রাজ্যের প্রবীণ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ( Sovandeb Chattopadhyay )। তিনি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জয় পেয়েছিলেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই কেন্দ্রে লড়বেন বলে তিনি ইতিমধ্যেই ওই আসনের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। অন্যদিকে খড়দা আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা ( Kajal Sinha )। তাঁর মৃত্যুর পর ওই কেন্দ্র ফাঁকা।

পাশাপাশি শান্তিপুর কেন্দ্রে ( Shantipur Assembly Constituency ) তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লড়বেন স্থানীয় এক মহিলা চিকিৎসক। যদিও দলের তরফ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁর নাম প্রকাশ্যে আনছে না। কোচবিহারের দিনহাটা কেন্দ্রে উদয়ন গুহ। ওই আসনে কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামানিক ( Nisith Pramanik ) বিজেপির প্রার্থী হয়ে বিধানসভাতেও জিতেছেন। কিন্তু তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ওই আসনে নিশীথের বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহকেই ফের উপনির্বাচনে টিকিট দেওয়া হবে বলে খবর।

অন্যান্য কেন্দ্র নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস মনে করছে উপনির্বাচন করানো নিয়ে চূড়ান্ত টালবাহানা করতে পারে বিজেপি। সেই কারণে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়ে কমিশনের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করতে চাইছে তৃনমূল। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনও বাকি।

রাজ্যসভার উপনির্বাচন কবে হবে তা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে উপনির্বাচনের ক্ষেত্রে কোথাও কোনও বাধা নেই। ফলে বিধানসভা উপনির্বাচনে তাহলে হতে পারে, তেমনটাই মনে করছে বাংলার শাসক দল। যদিও বিজেপি বিধানসভা উপনির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করলে তার পাল্টা রণকৌশলও প্রস্তুত রাখতে তৃণমূল কংগ্রেস।

]]>
পুরভোট ঘিরে ঘোর অনিশ্চয়তা, প্রশ্নের মুখে নাগরিক পরিষেবা https://runnerbangla.com/extreme-uncertainty-municipality-election-citizen-service/ Wed, 16 Jun 2021 14:15:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2544 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : করোনার ( Corona ) ধাক্কায় ফের অনিশ্চিত রাজ্যসভা নির্বাচন ( Rajya Sabha elections )। বিধানসভা নির্বাচনের আগেও তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) অন্দরে মোটামুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল পুজোর আগেই করে ফেলা হবে রাজ্যের ১২৭টি পুরসভা এবং কর্পোরেশনের ভোট ( Municipality and corporation vote )। কিন্তু ঘাসফুলের সূত্র বলছে, এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে পুজোর আগে ভোট করানো সম্ভব নয়। তার উপর ডিসেম্বরে উৎসবের মরসুমে। ফলে কবে ভোট করানো যাবে তা নিয়ে নিশ্চিত নন শাসকদলের কর্তারা।

শাসক দলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, দলের অন্দরে মোটামুটি প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছিল বিধানসভা নির্বাচনের ( Assembly Elections ) পর দু’মাসের মধ্যেই কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal corporation ) সহ অন্যান্য কর্পোরেশন অর্থাৎ বিধান নগর ( Bidhannagar ) হাওড়া ( Howrah ) চন্দননগর ( Chandannagar ) এবং শিলিগুড়ির ( Siliguri ) পুরভোট একসঙ্গে করা হবে। তারপর পুজোর পর ধাপে ধাপে বাকি মেয়াদোত্তীর্ণ পুরসভার নির্বাচন হবে। কিন্তু করোনা সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত হয়ে পড়ায় এখন আর ভোট করানোর ‘রিস্ক’ নেওয়া যাবে না। কলকাতা, শিলিগুড়ি, বিধান নগর এবং চন্দননগর পুরসভায় প্রায় দেড় বছর ধরে চলছে প্রশাসক বোর্ড।

হাওড়ার ক্ষেত্রে সেটা তিন বছর অতিক্রম করেছে। কলকাতার ক্ষেত্রে পুর পরিষেবা নিয়ে সেভাবে অভিযোগ না থাকলেও হাওড়ার ক্ষেত্রে অভিযোগ ভুরি ভুরি। প্রশাসনিক কর্তারা জানাচ্ছেন, ভোট না হলে স্বাভাবিকভাবেই দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাজকর্ম নিয়ে নানা ধরনের আইনি জটিলতা থাকে। তাছাড়া একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কাজ যতটা সদিচ্ছা নিয়ে করেন, সরকারি আধিকারিকদের মধ্যে তেমন আগ্রহ দেখা যায় না। ঠিক যেমন বিধানসভা নির্বাচনের সময় কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে হয়েছিল।

কোনও ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটর না থাকার কারণে অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন শংসাপত্র পেতে সমস্যা হচ্ছিল। বিশেষ করে করোনায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে ডেট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য খুব সমস্যায় পড়েছিলেন নাগরিকরা। তাছাড়া মৃত্যুর পর অসহায় পরিবার আর্থিক সাহায্য পেতে জনপ্রতিনিধির থেকে মানবিক প্রকল্পের জন্য শংসাপত্র পায়। সেটা পাওয়া যাচ্ছিল না। রাত বিরাতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কাছে যাওয়া যায়। কিন্তু সরকারি আধিকারিকদের দেখা মেলা ভার। ফলে সব মিলিয়ে নানা সমস্যার কারণে নির্বাচনের পর প্রশাসক বোর্ড ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়।

কিন্তু সেক্ষেত্রে প্রশাসক বোর্ড দিনের-পর-দিন কাজ চালিয়ে যেতে পারে না। আইনি জটিলতা রয়েছে। হাইকোর্টে এর বিরুদ্ধে মামলাও চলছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনে যাওয়া সম্ভব নয়। যদিও কলকাতা পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের এক প্রবীণ সদস্য বলেন, জুলাই মাসের মধ্যে সংক্রমণ একদম তলানিতে চলে আসতে পারে। তখন আগামী দু’মাসের মধ্যে খুব কম ব্যবধানে নির্বাচন করে ফেলা সম্ভব। কিন্তু সে ক্ষেত্রেও নির্বাচনের প্রস্তুতি সামলাতে হাতে কতটা সময় পাওয়া যাবে তা নিয়ে সন্দেহ থাকছে। ফলে চলতি বছরেও পুরভোট হবে কিনা তা অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।

]]>
ভারতের সবচেয়ে ধনী রাজনৈতিক দল ? নির্বাচন কমিশনের রিপোর্টে চমকের পর চমক https://runnerbangla.com/election-commission-claim-india-richest-political-party-not-bjp-nor-congress/ https://runnerbangla.com/election-commission-claim-india-richest-political-party-not-bjp-nor-congress/#respond Tue, 26 May 2020 12:37:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=212 রানার ডেস্ক : ভারতের সবচেয়ে ধনী রাজনৈতিক দল কারা, এই প্রশ্নে কেউ বলবেন বিজেপি কিংবা কেউ বলবেন কংগ্রেস। বড়জোর কেউ কেউ ঝুঁকি নিয়ে সিপিএম-এর নামটা বললেও বলতে পারে। কিন্তু তাই বলে মায়াবতীর দল বিএসপি ?? আর দ্বিতীয় স্থানে ?? চমক এখানেও। কারন দলের নাম সমাজবাদী পার্টি। নেতা অখিলেশ যাদব। তিন নম্বরে কংগ্রেস আর বিজেপির নাম পাঁচ নম্বরে।

অন্তত নির্বাচন কমিশন যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তার থেকেই উঠে এসেছে এই তথ্য। এতদিন মায়াবতীর বিরুদ্ধে ভয়ংকর সব দুর্নীতির অভিযোগ শোনা গেছে এবার শোনা গেল তার দলের সম্পদের পরিমানটা। খুব একটা পিছিয়ে নেই তার চির প্রতিদ্বন্দ্বী, বর্তমান অভিন্ন মঞ্চের বন্ধু সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব। তার দলের স্থান দুই নম্বরে। নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, মায়াবতীর দলের ব্যংক একাউন্টে আছে ৬৬৯ কোটি টাকা।

দিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় মোট আটটি ব্যংকে এই টাকা গচ্ছিত আছে। এছাড়া নগদ আছে ৯৫.৫৪ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অখিলেশের এসপি’র নামে ব্যংকে আছে ৪৭১ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে আছে কংগ্রেস। কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী তাদের নামে ব্যংকে আছে ১৯৬ কোটি টাকা। চতুর্থ স্থানে আছে চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলুগু দেশম পার্টি। অন্ধ্রপ্রদেশের এই আঞ্চলিক দলের হাতে আছে ১০৭ কোটি টাকা। পঞ্চম স্থানে আছে বিজেপি।

তাদের নামে ব্যংকে আছে ৮২ কোটি টাকা। যদিও কংগ্রেস এবং বিজেপি’র হিসেবটা সন্দেহের উর্ধে নয় বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারন, এই দুই দল চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক পর পরই হিসেব জমা দিয়েছিল। সেই হিসেবটাই পেশ করেছে কমিশন। তারপর গঙ্গা-যমুনা দিয়ে জল তো অনেক গড়িয়েছে কিন্তু হিসেবটা থমকেই আছে।

যেমন চার রাজ্যে ভোটের আগে বিজেপির তহবিলে ছিল ছিল ১০২৭ কোটি টাকা। কমিশনের রিপোর্ট ওই ভোটে বিজেপি খরচ করেছিল ৭৫৮ কোটি টাকা। এনিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছিল, সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। সেই ঝড় থামার সঙ্গে সঙ্গে বিজেপি ও কংগ্রেস দু’দলেরই হিসেব থেমে আছে পুরোনো খাতাতেই। আপাতত যে হিসেব কমিশন দিল সেটাও কম চমকপ্রদ নয়।

]]>
https://runnerbangla.com/election-commission-claim-india-richest-political-party-not-bjp-nor-congress/feed/ 0