Dengue – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Tue, 27 Jul 2021 08:40:19 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Dengue – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 মশা মারতে কামানের সঙ্গে এবার নামানো হচ্ছে ড্রোন https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-drone-led-dengue-prevention-campaign/ Tue, 27 Jul 2021 08:18:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4518 #কলকাতা : ডেঙ্গু ( Dengue ) নিধনে বিশেষ অভিযানে নামল কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation)। শুরু হয়েছে বিভিন্ন বরো ভিত্তিক প্রশাসনিক বৈঠক। সেখানে শহরের কোন এলাকায় কতজন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন, তার বিগত তিন বছরের হিসেব ধরে পর্যালোচনা চালানো হচ্ছে। ঠিক হয়েছে, বর্ষার মরশুমে আগামী তিন মাস ডেঙ্গু বিরোধী অভিযান চালাবে কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কন্ট্রোল বিভাগ।

সোমবার কলকাতা পুরসভার ( KMC ) ১১ নম্বর বরো এলাকায় বৈঠক করেন স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের সদস্য অতীন ঘোষ। বৈঠকের নিকাশি, ভেক্টর কন্ট্রোল, জঙ্গল সাফারি শহর কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন বিভাগের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ২০১৯, ২০২০ এবং ২০২১ সালের ডেঙ্গু রিপোর্ট নিয়ে ট্যালি করা হয়। দেখা যায় ২০১৯ সালে ওই অঞ্চলে মাত্র দুটি ডেঙ্গু কেস পাওয়া গিয়েছিল। গত দু’বছরে সেই সংখ্যাটা শূন্য। যা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অতীন।

ঠিক হয়েছে, বিভিন্ন বন্ধ থাকা স্কুল কলেজ এবং নির্মীয়মান বহুতল আবাসনে বিশেষ অভিযান চালানো হবে। যে আবাসন কর্তৃপক্ষ কলকাতা পুরসভার কর্মীদের ভেতরে ঢুকতে দেবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি কোন নির্মীয়মান আবাসনে ঢুকতে দেওয়া না হলে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ সেখানে কাজ বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেবে। এই প্রসঙ্গে অতীন ঘোষ বলেন, গত দু’বছরে কলকাতায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫০% কমে গিয়েছে।

কিন্তু তাই বলে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোন জায়গা নেই। কারণ বৃষ্টি বেশি হলে মশা বাহিত রোগের প্রকোপ বেশি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরসভা বছরভর ডেঙ্গু নিধনে বিভিন্ন জায়গায় জলাজমিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজ করে। কিন্তু দেখা যায় বিভিন্ন বহুতল আবাসন বিশেষ করে নির্মীয়মান আবাসনে জল জমে ডেঙ্গু মশার জন্ম দিচ্ছে। সেই কারণে নির্মীয়মান আবাসনের ঢুকে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজে বিশেষ জোর দেয়া হবে।

ঠিক হয়েছে, এভাবে কলকাতা পুরসভায় ১৬টি বরোতেই ( Borough ) প্রশাসনিক বৈঠক করা হবে। এবং ডেঙ্গু ( Dengue ) নিয়ে পর্যালোচনা চলবে। আগামীকাল বুধবার ১০ নম্বর বরোয় প্রশাসনিক বৈঠকের কথা রয়েছে। ডেঙ্গু নিধনে কাজে লাগানো হবে ড্রোন ( Drone )। বিভিন্ন সুউচ্চ ইমারত কিংবা নির্মীয়মান বাড়ির উপরে ড্রোন উড়িয়ে জমা জল আছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে।

]]>
করোনা ভাইরাসের মতই আচরণ করছে ডেঙ্গু, চঞ্চল্যকর তথ্য গবেষণায় https://runnerbangla.com/dengue-behaving-like-corona-virus-sensational-research-data/ Tue, 13 Jul 2021 09:07:18 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3866 #ডেঙ্গু : করোনার মত ডেঙ্গুতেও ‘সুপার স্প্রেডার’ ( Super Spreader )! কলকাতা পুরসভা ( KMC ) নিজের গবেষণায় তেমনটা পেয়েছে। এক্ষেত্রেও উপসর্গহীন মানুষ বাহকের ভূমিকায়। তার দেহ থেকে ডেঙ্গু ( Dengue ) ছড়ানোর এডিস মশা ( Aedes Mosquito ) মারফত রোগ ছড়াচ্ছে অন্যের শরীরে। কিন্তু এই নীরব বাহকদের চিহ্নিত করা সম্ভব নয়।

তাই বছরভর সেই মশা দমনেই বেশি জোর দিচ্ছে কলকাতা পুরসভা। করোনার ক্ষেত্রে উপসর্গহীন মানুষ সাইলেন্ট ক্যারিয়ার ( Silent Carrier ) বা নীরব বাহক হিসেবে চিহ্নিত। ডেঙ্গু সংক্রমণেও বড় ভূমিকায় থাকে এই ‘সুপার স্প্রেডার’রা। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ জানাচ্ছে, চলতি বছর শহরের ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধ যথেষ্ট সন্তোষজনক।

এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ৫২ জন। কিন্তু সন্তুষ্টিতে ভোগার কোনও জায়গা নেই বলেই মানছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। আধিকারিকদের বক্তব্য, শহরে প্রতিদিন অন্তত ৬০-৭০ লক্ষ মানুষ বাইরে থেকে শহরে আসে। জীবিকা বা অন্যান্য প্রয়োজনে তারা এদিক-ওদিক ঘোরাফেরা করেন। এদের মধ্যে অনেকের শরীরেই থাকছে ডেঙ্গুর বিজানু। কিন্তু তাঁরা উপসর্গহীন হয়ে সাইলেন্ট ক্যারিয়ার হিসেবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

সেই মানুষকে যখন এডিস মশা কামড়াচ্ছে, তার রক্তে থাকা ডেঙ্গুর জীবাণু যাচ্ছে মশার শরীরে। তারপর সেই মশা অন্যত্র উড়ে যাচ্ছে। অন্যেকে কামড়ে তাঁর রক্ত ঢুকিয়ে দিচ্ছে ডেঙ্গু । কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতনু ঘোষ বলেন, সাইলেন্ট ক্যারিয়ারদের ধরা মুশকিল। সেই কারণেই মশা দমনে জোর দেয় পুরসভা।

ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা রয়েছে। প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ৬-১৫ জন ফিল্ড কর্মী নিয়মিত ডেঙ্গুর মশা দমনে কাজ চালায়। কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরো অ্যাকশন টিম এবং আরও ১৬টি কেন্দ্রীয় রেপিড অ্যাকশন টিম শহর জুড়ে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নিয়মিত টালি নালা, বেলেঘাটা, বাগজোলা, চড়িয়াল বিভিন্ন নিকাশি খালে ২০টি নৌকা দিয়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়।

এই নিরব বাহকদের ধরাও মুশকিল। সেই কারণেই পুরসভা জানুয়ারি মাস থেকে ডিসেম্বর, সারাবছর মশা দমনের কাজ চালিয়ে যায়। যার জন্য তৈরি হয়েছে আধুনিক পরিকাঠামো। কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ড : দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, পৃথিবীতে ৩৯ কোটি মানুষ প্রতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়।

৯ কোটি ৬০ লাখ মানুষের দেহে উপসর্গ দেখা যায়। ২৯ কোটি ৪০ লাখ মানুষের দেহে দেখে উপসর্গ থাকে না। এরাই হল ‘সুপার স্প্রেডার’। এক জায়গা থেকে অন্যত্র এরাই নিরব বাহক হয়ে রোগ ছড়াচ্ছে, তাঁকে তো চিহ্নিত করা সম্ভব নয়।

]]>
KMC : মশা মারতে বরাদ্ধ হলো চার কোটি টাকা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-allocate-four-crore-rupees-kill-mosquitoes/ Fri, 02 Jul 2021 13:45:06 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3196 কলকাতা : ডেঙ্গু ( Dengue ) দমনে ইতিমধ্যেই অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে রাজ্য। ২০১৯ সালের তুলনা ২০২০ এবং তার থেকেও চলতি বছর ২০২১ সালে শহরে কথা রাখবে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নগণ্য। যদিও বিষয়টিকে হালকা হবে দেখতে নারাজ রাজ্য প্রশাসন ( Administration )। সেই কারণে রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গু দমনে চার কোটি টাকা বরাদ্দ করল নবান্ন ( Nabanna )। নভেম্বর পর্যন্ত দফায় দফায় শহরাঞ্চলের বিভিন্ন বাড়িতে সমীক্ষা, প্রচার, লার্ভা ধ্বংস করাসহ একাধিক বিষয়ের জন্য এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

একইভাবে গ্রামীণ এলাকায়ও ডেঙ্গু দমন কর্মসূচি চলবে। গত বছরের তুলনায় এই বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ। গত বছর রাজ্য সরকার দু’কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল বাড়ি বাড়ি সমীক্ষায়। কিন্তু এবার এই খাতে বাড়তি অর্থ খরচ করা হচ্ছে। এই অর্থে আলম কয়েকদিনের মধ্যেই বিভিন্ন পুরসভা এবং পঞ্চায়েতের হাতে পৌঁছে যাবে। অন্যদিকে শহর কলকাতা জুড়ে ডেঙ্গু দমনে ইতিমধ্যেই নানা পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পৌরসভা।

শহরের বিভিন্ন খালগুলিতে জানুয়ারি মাসের প্রথম থেকেই জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। বিভিন্ন পারা এবং মহল্লায় ঘুরে বাড়ি বাড়ি আনাচে-কানাচে ডেঙ্গু লার্ভা নিধনকারী ছড়িয়েছে কলকাতা পুরসভার ( KMC ) ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের কর্মীরা। যার জেরে গত জুন মাসের শেষে শহরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা মাত্র ৪০ জন। গতবার এই সংখ্যাটা চলতি সময়ে ছিল ৮২ জন। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এবার অন্তত ৫০ শতাংশ ডেঙ্গু আক্রান্ত কমেছে শহরে।

এই বিষয়ে কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডক্টর দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, আগামী দিন কয়েকের মধ্যেই রাজ্য সরকারের বরাদ্দ অর্থ আমরা পাব। তবে কলকাতা পুরসভা বছরভর সজাগ থাকে। যার ফলস্বরূপ ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিত্যদিন কমছে। যদি হাত গুটিয়ে বসে থাকার কোনও অবকাশ নেই। এটা একটা সমান্তরাল প্রক্রিয়া। একটু ঢিলেমি দিলে ডেঙ্গু বেড়ে যেতে সময় লাগবে না।

তাই আপাতত শীতকাল আসার আগে পর্যন্ত নিয়মিত ডেঙ্গু লার্ভা নিধনকারী জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজ চালিয়ে যেতে হবে। অন্যদিকে, দিনদিন মারাত্মক হয়ে ওঠা মিউকোরমাইকোসিস রোগীদের অপারেশনের আগে বাড়ির লোকজনের সম্মতিপত্র তৈরি করল রাজ্য। প্রসঙ্গত দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই ছত্রাক ঘটিত সংক্রমণে ভুগতে থাকা বেশকিছু রোগীর চোখ, চোয়ালের কিছু অংশ সহ বিভিন্ন জায়গা বাদ দিতে হচ্ছে। সেজন্য প্রয়োজন পড়ছে অপারেশনের। সেই কারণে পরিবারের অনুমতি পত্র তৈরি করা হল। অপারেশন হওয়ার আগে পরিবারের কাছে জিজ্ঞাসা করে নেওয়া হবে।

]]>
এখনও স্বস্তি, কিন্তু আতঙ্ক আছেই, করোনার মধ্যে যদি ফনা তোলে ডেঙ্গি https://runnerbangla.com/still-relief-panic-dengue-corona/ https://runnerbangla.com/still-relief-panic-dengue-corona/#respond Wed, 26 May 2021 16:07:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1460 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরে করোনা সংক্রমণ লাগামছাড়া। কিন্তু, ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সাফল্য পেল কলকাতা পুরসভা। গতবছরও করোনা সংক্রমনের প্রথম ধাক্কায় ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়া পরিস্থিতি যথেষ্ট সন্তোষজনক ছিল। কিন্তু, চলতি বছর পরিস্থিতি আরও ভালো বলে দাবি করছে কলকাতা পুরসভা।

গত বছরের তুলনায় চলতি মে মাসের শেষ সপ্তাহে শহরের ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ শতাংশ কমেছে। সংখ্যার হিসেবে, গত বছর এই সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত ছিল ৪৫-৪৬ জন। এই বছর আক্রান্তের সংখ্যা ২২। এমনটাই দাবি করেছে কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কন্ট্রোল বা মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ। অন্যদিকে, ম্যালেরিয়া সংক্রমণেও সাফল্য এসেছে।

কলকাতা পুরসভার, গত মে মাসের তুলনায় ৪৬ শতাংশ কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। গতবার ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া কিংবা অন্যান্য মশা বাহিত রোগের প্রকোপ দেখেনি শহর। ডিভিডেন্ট দিয়েছিল করোনার জীবানুনাশ কর্মসূচি। চলতি বছরেও সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চুপচাপ মশাবাহিত রোগ দমনে কাজ চালাচ্ছেন কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের কর্মীরা।

বিভিন্ন নিকাশি খালে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে। আগেভাগেই রোডম্যাপ ধরে এলাকা চিহ্নিত করে বাড়ি বাড়ি প্রচার, বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন সাইট ঘুরে জীবাণুনাশক ছড়ানো, প্রয়োজনের ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরো অ্যাকশন টিম এবং আরও ১৬টি কেন্দ্রীয় রেপিড অ্যাকশন টিম কাজ করছে।

ঘূর্ণিঝড়ের অভিঘাতে শহরে বৃষ্টি হয়েছে। ফের জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজ শুরু হবে বলেই জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডঃ দেবাশিস বিশ্বাস। তিনি বলেন, কলকাতা পুরসভার প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ৬-১৫ জন ফিল্ড কর্মী রয়েছেন। তাঁরাই মূলত বিভিন্ন নিকাশি খালে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজ করেন।

আগেভাগেই সতর্ক থেকেছি আমরা। বছরের প্রথম থেকেই জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়েছে। তবে এই সাফল্য দেখে উদাসীন হওয়া চলবে না। নাগরিক সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে। সবে বর্ষাকাল শুরু হল। এখনও ডিসেম্বর অবধি লড়াই চালাতে হবে বলেই মনে করছেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। শহরকে ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়া মুক্ত করতে নাগরিক সমাজের সচেতনতা মজায় থাকতে হবে বলেই মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

কলকাতা পুরসভা বলছে, গতবার (২০২০) সারা বছর মিলিয়ে ডেঙ্গুতে মাত্র ২০০০ কেস ধরা পড়েছিল। ডেঙ্গু কিংবা ম্যালেরিয়াতে কোনও মৃত্যু ছিল না। অন্যান্য বছরের তুলনায় যা ৬০-৬৫ শতাংশ কম ছিল। বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৫০% কম। চলতি বছরে শেষে সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলেই আশাবাদী কলকাতা পুরসভা।

]]>
https://runnerbangla.com/still-relief-panic-dengue-corona/feed/ 0
করোনা ধাক্কার মাঝেও ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণে তৎপর কলকাতা পুরসভা https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-actively-controlling-dengue-malaria-corona/ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-actively-controlling-dengue-malaria-corona/#respond Tue, 11 May 2021 08:59:23 +0000 https://runnerbangla.com/?p=840

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একদিকে যখন করোনা সংক্রমনের বাড়বাড়ন্ত, অন্যদিকে তখন ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণেও সমানভাবে তৎপর কলকাতা পুরসভা। গতবছর পরিস্থিতি যথেষ্ট সন্তোষজনক ছিল। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া কিংবা অন্যান্য মশা বাহিত রোগের প্রকোপ দেখেনি শহর। ডিভিডেন্ট দিয়েছিল করোনার জীবানুনাশ কর্মসূচি।চলতি বছরেও সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায় কলকাতা পুরসভা।

ভোটের মরশুম। রাজনৈতিক উত্তাপ। তার মধ্যেও চুপচাপ মশাবাহিত রোগ দমনে কাজ চালাচ্ছেন কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের কর্মীরা।প্রতি বছর বিশেষ করে মার্চ-এপ্রিল মাসে যে বিশেষ প্রশিক্ষণ চলে তা ইতিমধ্যেই শেষ করা হয়েছে। কলকাতাপুরসভার প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ৬-১৫ জন ফিল্ড কর্মী রয়েছেন, তাদের ট্রেনিং সম্পূর্ণ।

বিভিন্ন নিকাশি খালে জীবাণুনাশক স্প্রে করার আজ চলছে। মূলত টালি নালা, বেলেঘাটা, বাগজোলা, চড়িয়াল বিভিন্ন নিকাশি খালে সেই কাজ শুরু করা হয়েছে। ২০টি দাঁড় তারা নৌকা দিয়ে সেই সব খালে জীবাণুনাশক স্প্রে করা চলছে।কলকাতা পুরসভার ভেক্টর কণ্ট্রোল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডঃ দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, আগেভাগেই সতর্ক থাকতে বছরের প্রথম থেকেই নিকাশি খালগুলিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করার কাজ চলে।

সেইসঙ্গে ডেঙ্গুর মশা নিধনেও এটা কার্যকরী। গত বছর যে সাফল্য আমরা পেয়েছিলাম সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সতর্ক কলকাতা পুরসভা।কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, শহরে মূলত যেসব অঞ্চল থেকে ডেঙ্গু এবং ম্যালেরিয়ার অভিযোগ বেশি আসে সেই অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

১০৫, ১৩২, ১০০, ৯৭, ৯৮, ৫৭, ৩২, ৩৩, ১৩, ১৪, ১৪০,১২৩, ১৪৪ সহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন নিকাশি খালের ৪০-৪২টি অংশ চিহ্নিত করে স্প্রে করা হচ্ছে।কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, গতবছর ডেঙ্গুতে মাত্র ২০০০ কেস ধরা পড়েছিল।ডেঙ্গু কিংবা ম্যালেরিয়াতে কোনও মৃত্যু নেই। অন্যান্য বছরের তুলনায় যা ৬০-৬৫ শতাংশ কম।

চলতি বছরেও যেন মশাবাহিত রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় সেই কারণে আগেভাগেই রোডম্যাপ ধরে এলাকা চিহ্নিত করে বাড়ি বাড়ি প্রচার, বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন সাইট ঘুরে জীবাণুনাশক ছড়ানো, প্রয়োজনের ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হচ্ছে। কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরো অ্যাকশন টিম এবং আরও ১৬টি কেন্দ্রীয় রেপিড অ্যাকশন টিম শহর জুড়ে এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

]]>
https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-actively-controlling-dengue-malaria-corona/feed/ 0