EXCLUSIVE : ফিরছেন না ফিরহাদ, মেয়রের চেয়ারে মহিলা নেত্রীকে আনছেন মমতা

|

কলকাতা : কলকাতার মেয়র ( Kolkata Mayor ) পদে এবার বড় চমক। কোনও মহিলা নেত্রীকে মেয়র করতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। দৌড়ে রয়েছে রাজ্যের দুই হেভিওয়েট মহিলা মন্ত্রী। শেষমেষ ফিরহাদ হাকিমের ( Firhad Hakim ) হাতে থেকে যাবে শুধুই মন্ত্রিত্ব। অন্তত তেমনটাই তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) সূত্রে খবর। কলকাতা পুরসভা সহ রাজ্যের অন্যান্য পুরসভা নির্বাচন কবে হবে তা এখনও ঠিক নেই। সেপ্টেম্বরে নির্বাচন হওয়ার একটা আভাস থাকলেও তা বাস্তবায়িত করা সম্ভব নয় বলেই রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর।

সেক্ষেত্রে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন হতে পারে। তখনই মেয়র পদে দেখা যেতে পারে নতুন মুখ। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই প্রথম কলকাতা পেতে চলেছে কোনও মহিলা মেয়র ( Women Meyor )। স্বাধীনতার পূর্বে বা স্বাধীনতার পরবর্তী ইতিহাসে নজিরবিহীন। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর দৌড়ে রয়েছে দুই হেভিওয়েট বিধায়কের নাম। একজন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ( Chandrima Bhattacharya ) এবং অপরজন রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা ( Shashi Panja )।

সেক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যে কেউ মেয়র হলে সম্ভবত মন্ত্রিত্ব খোয়াতে পারেন। চলতি মাস থেকেই তৃনমূল কংগ্রেসের কার্যকর হতে চলেছে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি ( One person one Position )। যার পরিপ্রেক্ষিতে দুটি লাভজনক পদে একসঙ্গে থাকা চলবে না। বিধায়ক কিংবা কাউন্সিলর একসঙ্গে থাকা যেতেই পারে। এমনকি জেলা সভাপতিও বিধায়ক কিংবা কাউন্সিলর হয়ে কেউ থাকতে পারেন। তবে জেলা সভাপতি কিংবা মন্ত্রিত্ব কিংবা মেয়র পদ একসঙ্গে রাখা চলবে না।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপছন্দের লোক হিসাবে চিহ্নিত ফিরহাদ হাকিম। তাছাড়া তিনি যেহেতু পরিবহন মন্ত্রীর পদ সামলাচ্ছেন সেই কারণে মেয়র পদে তাকে রাখা হবে না। যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বিতর্ক কম নেই। তাছাড়া তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একটা কথা প্রচলিত, তা হল দক্ষিণ কলকাতার সব সময় সুযোগ সুবিধা বেশি পেয়ে থাকে। সেই ধারণা ভাঙতেই সম্ভবত শশী পাঁজাকে মেয়র করা হতে পারে।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের তুলনায় শশী পাঁজা দৌড়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগত। গত সাত আট বছর ধরে দারুণভাবে দপ্তর সামলেছেন। তাছাড়া কলকাতা পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ছিলেন শিক্ষা বিভাগ এবং সামাজিক সুরক্ষা বিভাগের মেয়র পরিষদ। বিতর্কের ছোঁয়া নেই। সেই কারণেই শশী পাঁজা নেত্রীর বিশেষ পছন্দের। শেষ পর্যন্ত শশী পাঁজা নাকি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মেয়র পদে বাজিমাত করেন এখন সেটাই দেখার।

আরও পড়ুন