রানার প্রতিবেদন : বিজেপির অন্দরে চোরা ফিসফাস। কারন, দলের দুই হোয়াটসআপ গ্রুপ থেকে নিঃশব্দে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন অভিনেতা হিরণ ( Hiran Chatterjee ) । এবারে ভোটের কিছুদিন আগেই, একেবারে ভোট প্রচার চলাকালীন গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়ে ছিলেন হিরণ। বিধানসভা ভোটে ( Assembly vote ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন খড়গপুর ( Kharagpur ) আসন থেকে। ওই কেন্দ্র তাকে খালি হাতে ফেরায় নি। নিজে জিতেছেন বটে, কিন্তু তাঁর দল ক্ষমতায় আসতে পারেনি।
হিরণ গেরুয়া শিবিরে এলেন, জিতলেন কিন্তু তাকে বিজেপির কর্মকান্ডে খুব একটা দেখা যাচ্ছিল না। সম্প্রতি হিরণকে নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari )। সব মিলিয়ে জনা দশেক প্রতিনিধি ছিল সেদিন। মিডিয়াকে না জানিয়ে আচমকা স্বাস্থ্য ভবনে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রতিনিধিরা। শুভেন্দুরা স্বাস্থ্য ভবনে পৌঁছানোর পর খবর পেয়ে পৌঁছে যায় মিডিয়াও। সাক্ষাৎকারের পর সকলকে শুভেন্দুর সঙ্গে বেরিয়ে আসতে দেখা গেলেও ক্যামেরায় ধরা দিতে চাননি হিরন।
অনেক পরে সূত্র মারফত জানা যায় হিরণ ছিল সেই দলে, কিন্তু বের হয়ে ক্যামেরাকে ফাঁকি দিয়ে নিঃশব্দে বেরিয়ে গেছেন তিনি। এবারও বেরিয়ে গেলেন নিঃশব্দে, দুটো হোয়াটসআপ গ্রূপ থেকে। কিন্তু ফাঁকি দিতে পারলেন না। গ্রূপে নোটিফিকেশন এলো হিরণ লেফট। একটা গ্রূপের নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল বিজেপি এমপি-এমএলএ গ্রুপ, অন্যটির নাম ওয়েস্টবেঙ্গল বিজেপি এমএলএ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপ।
দুটি গ্রূপ থেকেই হিরণ নিজেকে সরিয়ে নেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ফিসফাস তৈরি হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় যা এখন রীতিমতো গুঞ্জন। তাহলে হিরণ কি মুকুল রায়ের পথ অনুসরণ করতে চলেছেন? শুক্রবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন পূর্ন শক্তি নিয়ে সরকারের মুখোমুখি দাঁড়াতে চেয়েছিল বিজেপি। সেই গেরুয়া দলে হিরণের অনুপস্থিতিও নজর এরাই নি দলের অনেকের।
