রানার ডেস্ক : সংখ্যালঘু তোষনের পাল্টা জবাব দিলেন মমতা ব্যানার্জি। তার কথায় আমরা ভণ্ডামি করি না, যা করি সোজাসুজি করি। আপনার ঘরের মা যেমন আমার মা, তেমনি আপনার ঘরের আম্মাও আমার মা, মাদারও আমার মা। একথা বলেই তৃনমূল নেত্রী যোগ করেন, আমি এত ছুটছি কেন জানেন? আমার কষ্ট হলেও ছুটতে হচ্ছে।
যদিও আমি আগের থেকে অনেক বেশি শক্তি পাচ্ছি। আমার মা বোনেরা আপনাদের জন্য আমাকে ছুটতে হচ্ছে। আমার এখন একটা পা আর আপনাদের দুটো পা মিলিয়ে তিনটে পা। ফলে এখন শক্তি পাচ্ছি বেশি। ছুটছি কারন, আপনারা চান বাংলায় বাইরের লোক এসে গুন্ডাগিরি করুক? বাইরের লোকগুলোকে আটকাতে হবে। আজ রানাঘাটে এক জনসভায় এই কথা বলেন।
মুখ্যমন্ত্রী একইসঙ্গে আজ বর্ধমানে সভা করে মমতা ব্যানার্জিকে নিয়ম করেই একহাত নেন নরেন্দ্র মোদি। জনসভায় তিনি বলেন, মানুষের উন্নয়ন, মানুষের স্বার্থ এই সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ন নয়। এরা শুধু লুটপাট চালাচ্ছে। তৃনমূল নেতাদের দামি দামি গাড়ি আর বিশাল বিশাল বাড়ি, সব তৈরি হয়েছে কাটমানির টাকায়। বিজেপি ক্ষমতা এসে প্রথমেই এটা বন্ধ করবে।
এর পরেই তার সেই নিজস্ব ঢঙে বলে ওঠেন, দিদি ও দিদি আপনি এত রেগে যাচ্ছেন কেন? আপনি বাহিনী ঘেরাও করার কথা বলছেন। আপনি এত ক্ষিপ্ত হবেন না। আর যদি খুব রাগ হয় তাহলে আমাকে যত খুশি গাল দিন, কিন্তু বাংলার মানুষ ও তার কৃষ্টি-সংস্কৃতিকে অপমান করবেন না।মমতা ব্যানার্জির পায়ে ব্যান্ডেজ, তার হুইল চেয়ার ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা এখন দেশ জুড়ে।
\রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, হুইল চেয়ার তাকে ভোটের বাক্সে আবেগের ফায়দা দেবে। অন্য অংশ মনে করেন, সেটা হবে না। কারন, মমতার পায়ের আঘাতের জন্য তার প্রতিপক্ষই দায়ী, তেমনটা যদি মমতা প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন তাহলে আবেগের ফায়দা তোলা যেত। কিন্ত আজ পর্যন্ত সেটা প্রমান করতে পারেননি।
শুধু অভিযোগ করে যাচ্ছেন। গতকাল কলকাতায় অমিত শাহ বলেন, যদি কেউ মমতাকে আঘাত করতো তাহলে সেই ছবি এতদিনে বেরিয়ে আসতো। চারদিকে থিক থিক করছে মানুষ, হাতে হাতে মোবাইল, অথচ কারও মোবাইলেই ধরা পড়লো না সেই ছবি? প্রশ্ন অমিত শাহ’র।
