রানার ডেস্ক : আক্ষরিক অর্থেই আস্তাকুড়ে তাঁকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। একসময় ছিলেন সর্বক্ষণের সঙ্গী, সেই সোনালীর দিন ফুরলো দল ক্ষমতায় আসার পরই। সোনালীকে মন্ত্রী না করে তাকে ২০১১ সালে বিধানসভার সহকারী অধ্যক্ষ নিয়োগ করেন মমতা। ২০১৬ সালে সেই পদও হারান তিনি। বিধায়ক ছিলেন বটে, কিন্তু তৃণমূলের রাজনীতির আবর্ত থেকে ছিটকে যান, চলে যান জনমানসের আড়ালে।
২০২১ সালে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খান সোনালী। এবারের ভোটে তাকে প্রার্থী হিসেবে বিবেচনার মধ্যেই আনেননি মমতা ব্যানার্জি। সাতগাছিয়া কেন্দ্রের এবার আর প্রার্থী হতে পারেননি, দল তাকে ঝেড়ে ফেলেছে বুঝে প্রকাশ্যেই কেঁদে ভাসান ডাকবুকো সোনালী। এরপর তিনি স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়ে ভিড়ে যান গেরুয়া শিবিরে। তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে শামিল করেন বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু নতুন দলে এসেও তিনি এই ভোটে প্রার্থী নন।
বিজেপি তাকে টিকিট দেয়নি, নাকি সোনালী আগ্রহ দেখাননি,তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। সেই সোনালী গুহ্কে এবার দলের নেতৃত্বের আসনে বসালেন দিলীপ ঘোষ। সোমবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি স্বাক্ষরিত এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, সোনালী গুহ্কে দলের রাজ্য কার্য নির্বাহী কমিটির স্থায়ী আমন্ত্রিত সদস্যের পদ দেওয়া হলো। সোনালীর সঙ্গে আরও পাঁচজনকে এই পদে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, তৃনমূল থেকে আসা শীতল সরদার, জটু লাহিড়ী এবং দীপেন্দু বিশ্বাস।
