কে ফোন পেল, কে মন্ত্রী হলো? চাঞ্চল্য রাজ্য বিজেপি’র অন্দরে

|

রানার ডেস্ক : দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল আসন্ন। ইতিমধ্যে তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। অনেকেই ফোন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালকে ডেকে পাঠানো হয়েছে, তাকে কেন্দ্রে মন্ত্রী করা হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ( Union Cabinet ) আসবেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি এবং তার শরিক দলগুলির মধ্যে চলছে জোর জল্পনা। শরিকরা রীতিমতো দরকষাকষি করে যাচ্ছে চেয়ারের দখল পেতে।

রাজ্য বিজেপিকেও এখন গ্রাস করেছে কৌতূহল আর চাঞ্চল্য। ২০১৪ সালে বিজেপি দুটো আসন পেয়েছিল। দার্জিলিং থেকে জিতেছিলেন সুরিন্দ্রর সিং আলুওয়ালিয়া এবং আসানসোল থেকে জিতেছিলেন বাবুল সুপ্রিয় ( Babul Supriyo )। সেবার দুজনকেই প্রতিমন্ত্রী করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi )। ২০১৯ সালে এক লাফে সংখ্যাটা পৌঁছায় ১৮ তে, কিন্তু পাওনার ঝুলিতে শ্রীবৃদ্ধি হয়নি। ১৮ সাংসদ পেয়েও কপালে জুটেছে দুই হাফ মন্ত্রী।

ভোটের পর রাজ্য নেতারা ধরেই নিয়েছিলেন, একুশের কথা মাথায় রেখে অন্তত একজন ক্যাবিনেট এবং একাদিক প্রতিমন্ত্রী পাবে রাজ্য। সেই গুড়ে বালি, খালি হাতেই ফিরে এসেছেন ১৬ জন সাংসদ। এবার দলের অন্দরে গুঞ্জন, মুখ তুলে তাকাবে দিল্লি। দুই থেকে সংখ্যাটা বাড়বে। কিন্তু কার কপালে শিকে ছিরবে, তা অজানা, আর অজানা বলেই, ফিসফাস হচ্ছে ঝড়ের গতিতে। সকালেই খবর এলো, দিল্লি যাচ্ছেন লকেট। ওমনি ডানা মেলতে শুরু করলো জল্পনা।

সাংবাদিকরা ফোনে ধরলেন লকেটকে। দিল্লি থেকে ফোন পেয়েছেন? একটাই প্রশ্ন। লকেটের কাতর অনুরোধ,” প্লিস এসবে আমার নাম যুক্ত করবেন না। কোনও ফোন আসেনি। স্ট্যান্ডিং কমিটির রুটিন বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি যাওয়া। তাহলে? বিজেপির মেজো নেতার বললেন, খোঁজ নিন শান্তনু ঠাকুর কোথায়? শুরু হলো খোঁজ। কোথায়? জানা গেল দিল্লিতে। কোনও সাংবাদিকের ফোন তুললেন না তিনি।

মেজো নেতারা কার্যত ঘোষণা করে দিলেন, মন্ত্রী হলে শান্তনুই হবে। মতুয়া সম্প্রদায় কিছুটা হলেও অখুশি নাগরিক আইন কার্যকর না হওয়ায়। তাই শান্তনুকে খুশি করে মতুয়া সম্প্রদায়কে বার্তা দিতে চায় বিজেপি। তাহলে দিলীপ ঘোষ? এক সাংবাদিকের প্রশ্নে নেতারা বললেন, দিলীপ দা দলের সভাপতি থাকবেন। দলের এক ব্যক্তি-এক পদ নিয়মের গেরোয় তাঁর মন্ত্রী হওয়া হবে না। এবার নজর দিলীপ ঘোষের দিকে। এক ফাঁকে বিধানসভায় এসেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তখন তাকে এক ফাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, রাজ্যের কে বা কারা প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে ফোন পেয়েছে? দিলীপ ঘোষ বলেন, “এখনও পর্যন্ত কেউ ফোন পেয়েছে বলে আমার জানা নেই।”

আরও পড়ুন