বিরোধীদল নেতাকে ওড়িশায় ভুলে গেলেন, বাংলায় মনে পড়লো ? মোদিকে তোপ মমতার

|

রানার ডেস্ক : কলাইকুন্ডায় শুভেন্দু অধিকারীকে বৈঠকে ডাকা নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ্যে উগরে দিলেন মমতা ব্যানার্জি। শনিবার ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বিজেপি ইচ্ছে করে, এই রাজ্যের সঙ্গে বৈরিতার পরিবেশ তৈরি করছে। কেন্দ্র প্রতিবার এমন কিছু পদক্ষেপ নেয় যেটা অবধারিতভাবে একটা সংঘাতের রূপ নেয়। বিজেপির নেতা, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সব একসুরে বলে চলেছেন, এটাই গনতান্ত্রিক রীতি।

বিরোধী দলকে গুরুত্ব দেওয়া। মমতা ব্যানার্জি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আঘাত করেছেন। মমতা বলেন, ” আমি কাউকে আঘাতও করিনি, অপমানও করিনি। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদা করে দেখা করে, কথা বলে তার হাতে ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক রিপোর্ট দিয়েছি। তারপর তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়েই কলাইকুন্ডা থেকে দিঘায় গেছি। মমতা বলেন, বিরোধী দলনেতাকে ডেকেছেন ভালো কথা।

কিন্তু ওড়িশার ক্ষেত্রে তাহলে আলাদা হলো কেন? কেন মাস কয়েক আগে গুজরাটের ঝড় পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বিরোধী দলনেতাকে ডাকা হলো না? শুধু এই রাজ্যে এসে বিরোধী দল নেতার কথা মনে পড়ে গেল? কেন নিজের দলের লোক বলে? আসলে দিল্লির আসল উদ্যেশ্য হলো এরাজ্যের সঙ্গে যেনতেন প্রকারে একটা সংঘাত তৈরি করে দাও।

উল্লেখ্য, বিরোধী দল নেতাকে ডেকে প্রধানমন্ত্রী যখন গণতান্ত্রিক রীতি নীতিকে মর্যাদা দিচ্ছেন, তখন তাকে অমর্যাদা করছেন মমতা ব্যানার্জি। এই মর্মে অসংখ্য টুইট করেছেন, বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা। কাল রাতেই পাল্টা টুইট শুরু হয় কংগ্রেস শিবির থেকে।

বলা হয়, বাংলায় গিয়ে বিরোধী দল নেতাকে মনে পড়লো, খুব ভালো কথা কিন্তু গুজরাট এবং ওড়িশায় কেন বিরোধী দলনেতাকে ভুলে গেলেন? কারন তারা আপনার দলের নয় বলে ? এই প্রশ্ন ওঠার পর বিজেপি শিবির চুপ করে যায়। এমনকি কংগ্রেসের টুইটের পাল্টা জবাব তারা দেয়নি। সেই প্রসঙ্গ তুলেই এবার খোঁচা দিলেন মমতা ব্যানার্জি।

আরও পড়ুন