অন্যান্য - Runner Bangla https://runnerbangla.com/trending/international-news/others/ Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Thu, 19 Aug 2021 07:11:42 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png অন্যান্য - Runner Bangla https://runnerbangla.com/trending/international-news/others/ 32 32 কান্দাহার কান্ড অতীত, প্রকল্পের কাজ করুক ভারত, বার্তা পাঠালো তালিবান https://runnerbangla.com/kandahar-scandal-indian-projects-afghanistan-taliban-message/ Thu, 19 Aug 2021 06:49:11 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4658 রানার প্রতিবেদন : কান্দাহার বিমান অপহরণের ঘটনা এখনও দগদগে ক্ষত হয়ে আছে ভারতবাসীর কাছে। আলকায়েদা জঙ্গিরা ভারতীয় বিমান অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল কান্দাহারে। সেখানে আলকায়দাকে পূর্ন মদত দিয়েছিল তালিবানরা। এই তালিবানরাই হুমকি দিয়েছিল, বিমান যাত্রীদের মুক্ত করতে কান্দাহারে ভারতকে কোনও ধরণের সেনা অভিযান করতে দেবে না তারা।

শেষে তিন কুখ্যাত জঙ্গিকে ভারতের জেল থেকে ছেড়ে দেবার পর, যাত্রীদের মুক্ত করেছিল তালিবানরা। আলকায়দার সঙ্গে হাত মিলিয়ে তালিবানদের সেই ভারত বিরোধী অবস্থান ভোলা সম্ভব নয় দিল্লির। এই কারনেই তালিবানের পক্ষ থেকে ভারতকে আশ্বস্ত করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের মাটি থেকে কোনও বিদেশি রাষ্টের বিরুদ্ধে কোনও ষড়যন্ত্র অনুমোদন করা হবে না।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক চায় তালিবান। আফগানিস্তানে ভারতের যে সমস্ত প্রকল্পের কাজ চলছে সেগুলো কাজ দিল্লি সম্পুর্ন করুক এটাই চায় তালিবান। তাদের বক্তব্য, এই প্রকল্পগুলি যেহেতু আফগান জনগনের স্বার্থে ফলে বিরোধিতার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

কুখ্যাত কান্দাহার কান্ড | Infamous Kandahar Episode

কুখ্যাত কান্দাহার কান্ড আজও দুঃস্বপ্নের মত তাড়া করে ভারতকে। ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর, ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের এয়ারবাস অপহরণ করে আলকায়দা জঙ্গিরা। বিমানটি নেপালের কাঠমান্ডু বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়েছিল দিল্লির উদ্দেশ্যে। কাঠমান্ডুর আকাশ অতিক্রম করতেই পাঁচ অপহরণকারী বিমানটি নিজেদের কব্জায় নিয়ে নেয়। বিমানটি প্রথমে তারা অমৃতসর বিমানন্দরে নামায়।

সেখানে জ্বালানি ভরে বিমান নিয়ে উড়ে যায় দুবাইতে। বিমানটি দুবাই পৌঁছে অসুস্থ এবং বৃদ্ধ ২৭ যাত্রীকে মুক্ত করে দেয়। সেইসময় যাত্রীদের কেউ কেউ মুক্তির দাবি জানালে, জঙ্গিরা ছোড়া নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই ঘটনায় মৃত্যু হয় একজনের। বেশ কয়েকজন জখম হন। বিমান নিয়ে এরপর জঙ্গিরা উড়ে যায় তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে। বিমানটিকে কান্দাহার বিমানবন্দরে নামানো হয়।

বিমানবন্দর ঘিরে নেয় তালিবান কমান্ডোরা। তালিবান বাহিনী সাফ জানিয়ে দেয় তারা ভারতকে কান্দাহার বিমানবন্দরে কোনও অভিযান করতে দেবে না। কূটনৈতিকভাবে সমাধানের জন্য তৎকালীন নিরাপত্তা বিষয়ক অধিকর্তা অজিত দোভাল আসেন কান্দাহারে। তিনি দিল্লিতে বার্তা পাঠান, আলোচনায় সমস্যা মিটবে না, কারন তালিবানদের নিয়ন্ত্রণ করছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কর্তারা।

শেষপর্যন্ত অপহরণকারীদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয় সরকার। তিন কুখ্যাত জঙ্গি নেতা মাসুদ আজহার, ড্যানিয়েল পার্ল হত্যাকান্ড এবং ২০০৮ এর মুম্বাই আক্রমণের মূল সরযন্ত্রকারী ছিল এই মাসুদ আজহার। এছাড়া আরও দুই জঙ্গি আহমেদ ওমর এবং মুস্তাক আহমেদ আজহারকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপরই মুক্তি পায় ভারতীয় বিমান যাত্রীরা। বিশেষ বিমানে তাদের নিয়ে আসা হয় দিল্লি।

আফগানিস্তানে ভারতীয় প্রকল্প | Indian Projects in Afghanistan

মোট ২৬০০০ কোটি টাকা খরচ করে আফগানিস্তানে একগুচ্ছ প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারত। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কাবুলের নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ। ২০১৬ সালে এই কাজ শেষ হবার পর তা উদ্বোধন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকলটি হলো।

জারাঞ্জ-দেলারাম হাইওয়ে | Zaranj-Delaram Highway

বিপুল অর্থ খরচ করে ইরানের চাবাহার বন্দর থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত ২১৮ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করেছে ভারত। আফগানিস্তানের সঙ্গে স্থলপথে যোগাযোগের জন্যই এই রাস্তা তৈরি করা হয়। কারন, পাকিস্তান তাদের মাটি ব্যবহার করতে দেবে না। এই কারনে ইরান হয়ে পৌঁছনোর চেষ্টা।

চাবাহার সমুদ্রবন্দর সংস্কার এবং আধুনিকিকরনের দায়িত্ব নিয়েছে ভারত। শর্ত হলো, ভারত এই বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। এই বন্দর থেকে সড়কপথে আফগানিস্তানে ঢোকার জন্য এই বিশাল রাস্তা তৈরি করে ভারত।

সালমা বাঁধ | Salma Dam

তালিবানদের লাগাতার আক্রমণ সত্ত্বেও এই বাঁধ নির্মাণের কাজ করছে ভারত। ২০১৬ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

প্রাসাদ সংস্কার | Palace Renovation

আফগানিস্তানের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এই প্রাসাদ সংস্কার করেছে ভারত। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত এই প্রাসাদ থেকেই পরিচালিত হতো আফগান বিদেশ মন্ত্রকের কাজকর্ম।

বিদ্যুৎ পরিকাঠামো নির্মাণ | Construction of Electrical Infrastructure

বাঘলান থেকে উত্তর কবুল পর্যন্ত হাই ভোল্টেজ ডাইরেক্ট কারেন্ট লাইন স্থাপন করার কাজ এখনও চলছে।

সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্প | Social Development Projects

আফগান জনগনের সার্বিক উন্নয়নের জন্য অন্তত ১০০ টি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল দিল্লি। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাতুত বাঁধ। এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে কাবুল শহরের অন্তত ২০ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে পরিশ্রুত পানীয় জল।

]]>
BIG BREAKING: প্রকাশ্যে এলো রাফাল দুর্নীতি, তদন্তের নির্দেশ দিল ফ্রান্স https://runnerbangla.com/rafale-scam-france-order-investigation/ Sun, 04 Jul 2021 02:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3268 রানার প্রতিবেদন : ফ্রান্সের সংবাদপত্র প্রকাশ্যে নিয়ে এলো রাফাল দুর্নীতি ( Rafale Scam )। ৫৯ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ৩৬ টি রাফাল যুদ্ধবিমান ( Rafale Fighter Jet ) ফ্রান্সের সংস্থা ডেসল্টের কাছ থেকে কিনেছে ভারত। এই যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে এর আগেও একাধিকবার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী দল কংগ্রেস ( Indian National Congress ) এ নিয়ে বারবার সরব হয়েছে। ফ্রান্সেও ( France ) একাংশ সংবাদমাধ্যম বারবার ইঙ্গিত দিয়েছে রাফাল কেনাবেচায় দুর্নীতির দিকে।

ফ্রান্সের বিখ্যাত সংবাদপত্র মিডিয়াপার্ট তাদের ওয়েবদাইট সংস্করণের এক প্রতিবেদনে রাফাল চুক্তি সংক্রান্ত কিছু কাগজপত্র সামনে এনে দাবি করেছে, এই চুক্তিতে দুর্নীতি হয়েছে। এই প্রতিবেদন সামনে আসার পর ফরাসি সরকারের ( French Government ) পক্ষ থেকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক সদস্যের বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন করা হয়েছে। সেই কমিশন তদন্ত করে তাদের রিপোর্ট জমা দেবে ফরাসি সরকারের কাছে। প্যারিসের এই পদক্ষেপের পরই দিল্লিতে মুখ খুলেছে বিরোধীদল কংগ্রেস।

দলের মুখপাত্র রণবীর সূর্যবালা দাবি করেন, রাফাল চুক্তির তদন্তের ( Rafale Contract Investigation ) জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠন করা উচিত কেন্দ্রীয় সরকারের। যদিও রাফাল সংক্রান্ত বিষয়ে আজ সরকার কিংবা শাসক দলের পক্ষ থেকে টু শব্দ করা হয়নি। কংগ্রেসের অভিযোগ, ইউপিএ সরকারের সময়ে ফ্রান্সের এই সংস্থার সঙ্গেই চুক্তি হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী একেকটি যুদ্ধবিমান কেনার মূল্য স্থির হয়েছিল ৫৬০ কোটি টাকা।

পরবর্তীকালে মোদি সরকার ক্ষমতায় এসে এই চুক্তি বাতিল করে দেয়। কংগ্রেসের অভিযোগ মোদি সরকার এক একটি রাফাল বিমান দ্বিগুণ দামে ক্রয় করেছে। হয়েছে নতুন চুক্তি। ফলে এই চুক্তি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে প্রথম থেকে সরব ছিল কংগ্রেস। যদিও বারবার করে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি সরকার। সরকার সমস্ত ধরনের তদন্তের দাবিও খারিজ করে দিয়েছে।

মিডিয়াপার্ট দাবি করেছে, রাফাল চুক্তিতে ভারতীয় দালাল এর ভূমিকা ছিল। জনৈক দালাল এই চুক্তির হাত ধরে পকেটস্থ করেছে অন্তত ৯ কোটি টাকা। এরকম আরও কিছু লুকোনো মুখ আছে কিনা তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। মিডিয়াপার্টের এই রিপোর্টের পর যাবতীয় কৌতুহল এখন ফরাসি তদন্তের দিকে।

]]>
ঢিল ছুড়লেই পাটকেল, তৈরি হচ্ছে ব্রিটেনের মুসলিম মেয়েরা https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/ https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/#respond Fri, 28 May 2021 07:42:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1509 রানার ডেস্ক : সারা ইউরোপেই মুসলিমরা নির্যাতিত। বিশেষ করে মেয়েদের অবস্থা তো খুবই খারাপ। ব্ৰিটেনেও তার কোনও ইতরবিশেষ হয় না। পথেঘাটে অকারণে নাকাল হন মেয়েরা। তাই আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে মুসলিম নারীদের কিকবক্সিং শেখাচ্ছেন মুসলিম এক মহিলা কিকবক্সার। তাঁর নাম খাদিজা সাফারি। মাৰ্শাল আৰ্টে ব্ল্যাক বেল্টের অধিকারী তিনি।

প্ৰচুর মুসলিম নারী তাঁর কাছে এই কিকবক্সিং শিখতে আসছেন। তাঁরা বলছেন, ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণেই তাঁরা ব্রিটেনের যে কোনও জায়গায় শ্বেতাঙ্গ তথা খ্রিস্টান হামলার শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন। আর সে-কারণেই তাঁরা ডল বেঁধে বক্সিং শিখতে আগ্ৰহী হয়েছেন।

খাদিজা সাফারি তাঁর এই অভিনব ভাবনা সম্পর্কে বলেছেন, ‘ব্রিটেনে আমরা রাস্তাঘাটে নানা নির্যাতনের শিকার। তাছাড়া মুসলিম নারীদের সম্পৰ্কে বেশিরভাগ মানুষেরই একটি প্ৰচলিত ধারণা রয়েছে যে তাঁরা শুধু বাড়িতে রান্নাবান্না আর ধোওয়ামোছার মতো গৃহস্থালি কাজেই ব্যস্ত থাকেন, এসবই শুধু পারেন। আমাকেও তাঁরা সে-রকম একজন মহিলার মতোই মনে করেন। কিন্তু এটা তাঁদের একটি ভ্ৰান্ত ধারণা। আমি আদৌ সে-রকম নরম ধাঁচের নই। আমি শক্তিশালী মাৰ্শাল আর্ট জানি, সেটাই এখন অন্য মেয়েদের শেখাই।’

মুসলিম যুবতীদের মূলত থাই বক্সিং শেখান খাদিজা। তিনি জানান, ‘এই মেয়েরা যখন বাইরে ঘুরে বেড়ান তখন খুব একটা স্বস্তিবোধ করেন না। তাঁরা যখন মাথায় স্কাৰ্ফ পরে কিংবা বোরখা পরে এখানে সেখানে যান প্ৰায়শই তাঁরা শ্বেতাঙ্গ তথা খ্রিস্টান পুরুষদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। এটা তো চলতে দেওয়া যায় না। তাই আমি এই পথ নিয়েছি।’

এমনই একজন ছাত্ৰী, মাথায় হিজাব পরে আছেন তিনি, দেখতে অসাধারণ সুন্দরী, কিন্তু কঠোর নিয়ম মেনে বক্সিং শিখছেন তিনি। শিখতে শিখতেই বলছিলেন, ‘স্কাৰ্ফ পরার জন্য রাস্তাঘাটে আমাকে অনেকবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছহে। অনেক অপমানজনক কথা শুনতে হয়েছে। এমনকী অনেকে এমনও বলেছেন যে আমি নাকি বোমা নিয়ে রাস্তায় বেরিয়েছি।’

আরেক নরমসরম মুসলিম যুবতী জানান, ‘অপমান অবমাননা থেকে বাঁচার জন্য এই কিকবক্সিং আমাকে নতুন করে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। নোংরা সব মানুষজন যখন আগে আমাকে দেখে চিৎকার করে মুসলিম বলে অপমান করত, আজেবাজে কথা বলত, তখন আমি অনেকবার কান্নায় ভেঙে পড়েছি। তখন আমি বুঝতে পারতাম না কী করতে হবে। কাঁদতে কাঁদতে আমি রাস্তা থেকে দৌরে এসে ঘরের ভেতরে গিয়ে সেঁধিয়ে যেতাম।‘

খাদিজার প্রতি শ্রদ্ধা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘এসব অপমানের পর এমন হতো যে আর বাইরে যেতে চাইতাম না। কিন্তু এখন আমি আর সে-রকম মনে করি না। এখন যদি কেউ আমাকে কোনও খারাপ কথা বলে, যৌন ইংগিত করে, তাহলে তাকে উচিত শিক্ষা দেবো আমি।‘ এদিকে খাদিজা সাফারি বলেছেন, ‘এটা এমন এক শিক্ষা যার মাধ্যমে মুসলিম নারীরা আত্মবিশ্বাস আর সাহস ফিরে পেয়েছেন। পাশাপাশি তাঁরা শিখেছেন বিপদের সময় নিজেদের রক্ষা করার কৌশলও। এখন ঢিল মারলে পাটকেল খেতে হবেই।‘

]]>
https://runnerbangla.com/khadijah-safari-teaches-britain-islam-convert-women-self-defence/feed/ 0
ইজরায়েলি সৈন্যদের গ্ৰেনেডের খোলে ফুলবাগান, ফুলেল প্রতিশোধ রাহমার https://runnerbangla.com/flower-garden-grenade-cell-israeli-soldiers-revenge-rahma/ https://runnerbangla.com/flower-garden-grenade-cell-israeli-soldiers-revenge-rahma/#respond Thu, 27 May 2021 05:50:27 +0000 https://runnerbangla.com/?p=1465 রানার প্রতিবেদন : যুদ্ধ মানেই তছনছ লণ্ডভণ্ড চারপাশে। যুদ্ধ মানেই হাজার মৃত্যু আর ধ্বংসযজ্ঞের পাঁয়তারা। যুদ্ধ মানেই গোলাপের বাগানে গ্ৰেনেডের ভয়াল বিস্ফোরণ। কদিন আগে প্যালেস্তাইনে ইজ্ররায়েলের ( Israel ) বর্বর হামলাতেই সেটা বোঝা গেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবৰ্তী সময়ে আজ গোটা বিশ্বজুড়েই যে নীরব যুদ্ধের দামামা বাজছে, তার আগুনে পুড়ছে লিবিয়া, সিরিয়া, ইরাক, প্যালেস্তাইন, দক্ষিণ সুদান, লাইবেরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ।

আজ তাঁদের স্বপ্নে হানা দেয় যুদ্ধ আর যুদ্ধাস্ত্ৰের গম্ভীর আওয়াজ। তবু যুদ্ধে তছনছ এই দুনিয়ার বুকেই কেউ কেউ আজও দেখছেন আশার স্বপ্ন, কেউ নিভৃতে চাষ করে যাচ্ছেন যুদ্ধহীন এক পৃথিবীর দৃশ্যপট। প্যালেস্তাইনের রামাল্লার পশ্চিম তীরের বিলিন গ্ৰামের বাসিন্দা বাসেম ইব্ৰাহিম আবু রাহমা ২০০৯ সালে ইজরায়েলি বাহিনীর ছোড়া গ্যাস গ্ৰেনেডের আঘাতে মারা যান।

সেই থেকে বাসেমের মা সবেয়া আবু রাহমা ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর ছোড়া গ্ৰেনেডের খোলসকে পরিণত করেছেন ফুল বাগানে। সেই বাগানে হচ্ছে বিভিন্ন ফুলের চাষ। আর এই ফুল চাষে মাটির টবের জায়গায় ব্যবহৃত হচ্ছে গ্ৰেনেডের খোলস। এ এক অদ্ভুত প্ৰতিবাদ। রাহমা বলেছেন, ‘বছরের পর বছর ধরে ইজরায়েলি সৈন্যদের ছোড়া গ্যাস গ্ৰেনেডের খোলস কুড়িয়ে এই বাগান করেছি।

ফুল খুবই প্ৰিয় ছিল আমার ছেলের।ছেলের ফুলপ্ৰীতি গোটা প্যালেস্তাইন তথা বিশ্ব মানবতার দরবারে উপস্থাপন করতেই আমি এই উদ্যোগ নিই। পরে স্থানীয় মানবাধিকার কৰ্মী ও পশ্চিমতীরবাসীরা আমাকে এই কাজে প্ৰেরণা জোগান।’ প্যালেস্তাইনের ডেকোরেশন আর্টিস্ট সামি পরিত্যক্ত গ্যাস গ্ৰেনেডের মাথা নিখুঁতভাবে কেটে তা ফুল চাষের যোগ্য করে তোলেন।

সামি বলেন, ‘আমরা গ্ৰেনেডগুলোকে ফুলে রূপান্তরিত করতে চাই। আট বছর ধরে আমরা ইজরায়েলি আগ্ৰাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। যখন তারা আমাদের ভূমির ওপরই দেওয়াল নিৰ্মাণ করতে শুরু করেছে তখন থেকেই মূলত সমস্যার শুরু।আমাদের জোর করে আমাদেরই জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হল। দেয়ালের কাছ ঘেঁষতে দেওয়া হয় না আমাদের।

দেয়ালের ওপারে যাঁদের জমি আছে তাঁরা চাষবাসের জন্য যেতে পারছিলেন না। তারা দেয়াল থেকে দূরে রাখতে সব সময়ই গ্যাস গ্ৰেনেড ছুড়ে মেরেছে আমাদের দিকে। আমাদের সন্তানরা মারা যাচ্ছে প্ৰতিনিয়ত।’ তারপর থেকেই যুদ্ধ ও যুদ্ধাস্ত্ৰকে ঘৃণা করতে শুরু করেন যুদ্ধবিদ্বেষী মা সাবেয়া। শুরু করেন তাঁর এই অভিনব ফুলের চাষ, যা সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর গালে এক জব্ব্রর থাপ্পড়।

]]>
https://runnerbangla.com/flower-garden-grenade-cell-israeli-soldiers-revenge-rahma/feed/ 0
দেখুন হারহিম করা ভিডিও : ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত হামাস https://runnerbangla.com/hamas-devastated-israeli-attack/ https://runnerbangla.com/hamas-devastated-israeli-attack/#respond Sat, 15 May 2021 14:21:30 +0000 https://runnerbangla.com/?p=930 রানার ডেস্ক : ইজরায়েলের রাজধানী তেল আবিব গুঁড়িয়ে দেবের পরিকল্পনা নিয়েছিল জঙ্গি সংগঠন হামাস। ইজরায়েলের দখল নেবার লক্ষে তৈরি হয়েছে এই সুন্নি জঙ্গি দলটি। প্যালেস্টাইনে এদের সদর দফতর হলেও, গোটা মুসলিম বিশ্বে সেইসঙ্গে ইউরোপে এদের শাখা প্রশাখা ছড়িয়ে আছে। হামেশাই এরা হামলা চালায় ইসরায়েলের ওপর।

এবার ইজরায়েল যে পাল্টা হামলা চালালো, তা দেখে দুনিয়ার মানুষের চক্ষু চড়কগাছ। পৃথিবীর সব মানুষ জানে, প্রযুক্তিতে দুনিয়ার প্রথম সারির দেশ ছোট্ট ইজরায়েল। কিন্তু গত পরশু যে নমুনা তারা দেখাল তা সত্যি বিস্ময়কর। হামাসের নিশানা ছিল ইজরায়েলের রাজধানী তেল আবিব। এই শহরকে ধ্বংস করে দিতে অভিনব প্রযুক্তির আশ্রয় নিয়েছিল তারা।

গাজায় হামাসের গোপন ঘাঁটিতে জড়ো করা হয়েছিল অত্যাধুনিক বেলুন। সেই বেলুনগুলোর ভেতরে ঠাসা ভয়ঙ্কর বিস্ফোরক। এমন একটা সময় তারা এই বেলুনগুলো ওড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছিল, যাতে নিরাপত্তার চোখ এড়িয়ে যাওয়া যায়। এমন নিচু দিয়ে সেগুলো ওড়ানোর পরিকল্পনা ছিল, যাতে কোনও ধরণের রাডারেও সেগুলি ধরা না পরে। কিন্তু এর নাম ইসরায়েলি গোয়েন্দা বাহিনী।

ঠিক সময় খবর পৌঁছে যায় তাদের কাছে। বেলুন এবং বিস্ফোরক সক্রিয় করার আগেই চোখের নিমেষে সব সব শেষ করে দেয় ইজরায়েলি সেনা। এত নিখুঁত এবং এত নির্দিষ্ট আক্রমন সত্যি বিরল। সেনারা তাদের প্রযুক্তির ঝলক দেখাতে হামলার সময় সাংবাদিকদেরও অনুমতি দিয়েছিল ছবি তোলার, দেওয়া হয়েছিল পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। তারপর যা ঘটলো তাতে দুনিয়ার চোখ ছানাবড়া।

]]>
https://runnerbangla.com/hamas-devastated-israeli-attack/feed/ 0
সুন্দরী মুসলিম মেয়েদের জোর করে নামানো হচ্ছে বেশ্যাবৃত্তিতে https://runnerbangla.com/beautiful-muslim-girls-forced-prostitution-europe/ Thu, 08 Apr 2021 05:57:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=574 রানার ডেস্ক : যুদ্ধ ও বিভিন্ন কারণে নিজের দেশ ছেড়ে ইউরোপে আনশ্ৰয়প্ৰাথী শরণার্থী নারীরা নিয়মিত যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এমনকী মাত্ৰ ১০ ইউরোর বিনিময়ে তাঁদের যৌনমিলনে বাধ্য করা হচ্ছে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। জোর করে নামানো হচ্ছে বেশ্যাবৃত্তিতে।এঁদের অধিকাংশই মুসলিম শরণার্থী।মূলত সিরিয়া, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া থেকে আগত। এঁরা অত্যন্ত সুন্দরী এবং এই রূপ তাঁদের সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এক প্ৰতিবেদনে বলা হয়েছে, জাৰ্মানির শরণার্থী আশ্ৰয়কেন্দ্ৰগুলোতে ধর্ষণ ও যৌন নিৰ্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। বাডেন-উইয়েরটেমবাৰ্গ প্ৰদেশের শরণার্থী ক্যাম্পে অন্তত ছয়টি ধৰ্ষণের ঘটনার প্ৰমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে জাৰ্মানির এক মানবাধিকার সংগঠন। এ ছাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের বাইরে নিয়ে গিয়ে যৌনপেশায় জড়িত করার অভিযোগও পাওয়া গেছে অনেক।

মানবাধিকারকমী গেজেল হেগ বলেছেন, ‘অসহায় মহিলাদের নিয়ে এসব কুকীর্তি হচ্ছে প্ৰশাসনের নাকের ডগায়। কিন্তু কেউ কিছু করছে না। এই ওষায় যুবতীদের যেন দেখারই নেই কেউ। এঁরা যেন যৌনপুতুল।’ কিটজিনজেন শহরের একটি শরণার্থী কেন্দ্ৰে এক নারী সাফাইকর্মী ১০দিন নিয়মিত ধর্ষণ ও যৌন নিৰ্যাতনের শিকার হওয়ার পর পুলিসের কাছে অভিযোগ করেছেন।

ওই সাফাইকর্মী জানান, ওই ক্যাম্পে তাঁকে ১০ দিন ধরে তাঁর ওপর যৌন নিৰ্যাতন করা হয়েছে। কৰ্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এমন অভিযোগ পাওয়ার পর সেখানে শুধু পুরুষ সাফাইকর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। এতেও সমস্যা মেয়েদেরই। কেননা তাঁরা চাকরি হারাচ্ছেন। যুদ্ধবিদ্ধস্ত সিরিয়াসহ বেশ কয়েকটি দেশ থেকে জীবন বাচাতে ও উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে অভিবাসন প্রত্যাশী শরণার্থীর সংখ্যা যে কোন সময়ের চাইতে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এসব শরণার্থীর প্রথম পছন্দ জার্মানি। পশ্চিম ইউরোপে শরণার্থীদের ক্রমবর্ধমান প্রবাহ নিয়ে শুরু হয়েছে সংকট। অভিবাসন প্রত্যাশীদের রুট নিয়ন্ত্রণে ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া কঠোর হওয়ার ফলে উত্তেজিত গোটা ইউরোপ। মাঝেমধ্যেই দল বেঁধে শরণাথীরা সীমান্ত পাড়ি দেন সাইকেল চালিয়ে। আর মাত্ৰ একশো মিটারের কিছুটা বেশি পথ সাইকেল চালিয়ে এসে নরওয়েতে ঢুকেই তাঁদের একটি আবেদন করতে হয় আশ্ৰয়ের জন্যে।

একই সাথে ফেলে দিতে হয় সাইকেলটিও। এভাবে অনেক বাইসাইকেল সেখানে পরিত্যক্ত হয়ে যায়। দু’একদিন পর পর ট্ৰাকে করে সেগুলো আবার সরিয়ে নেন কৰ্তৃপক্ষ। শরণাথীদের জন্যে নতুন এ পথটি আস্তে আস্তে জনপ্ৰিয় হয়ে উঠছে। কারণ এখানে সহজেই অনুমতি মিলছে নরওয়ের কৰ্তৃপক্ষের দিক থেকে। রাষ্ট্রপুঞ্জের বিশ্বসংকট ও দুর্যোগ বিষয়ক সেন্টার রিলিফ ওয়েব ‘ভয়েস ফ্রম সিরিয়া’ নামক একটি বিস্তারিত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

এই প্রতিবেদনে সিরিয় নারীদের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ১৫৮ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদন দেশটির বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরগুলোতে নারী, কিশোরী ও আরো কমবয়সের মেয়েদের ওপর যৌন হামলা, নির্যাতন ও হয়রানির বিবরণ দিয়ে ভর্তি। আলেপ্পোর মেয়েদের জন্য সবচেয়ে অনিরাপদ জায়গা হচ্ছে ওই শিবিরগুলো। বেশির ভাগ সময় ত্রাণ বা সহায়তা দেওয়া হয় যৌনসংসর্গের বিনিময়ে।

দামেস্কের নিকটবর্তী গ্রাম কাফর বাতনা’র এক কিশোরীর দেওয়া সাক্ষ্য অনুসারে, একবেলা খাবার পাওয়ার বদলে ত্রাণকর্মীদের সঙ্গে বিছানায় শুতে হয়। দু’টি দাতব্য সংস্থা স্বীকার করেছে, তারা এরকম যৌনসংসর্গের ঘটনার বিষয়ে অবগত। তারা জানিয়েছে, এরকম কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ত্রাণকর্মীদের তারা বরখাস্ত করে দিয়েছে।

আলেপ্পোর নারীরা ত্রাণ প্যাকেজগুলোর ওপর নির্ভর করেফ জীবন যাপন করে। তাই অনেক যুবতী এরকম যৌনমিলনে অংশ নিলেও সে বিষয়ে অভিযোগ করে না পাছে খাবারদাবার বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে সমাজের চোখে কলঙ্কিত হওয়ার ভয়ও কাজ করে।

]]>
ব্রুনাইতে প্রজাদের জন্য ইসলামিক আইন, রাজার জন্য উদ্দাম যৌনতা https://runnerbangla.com/brunei-king-hassanal-bolkiah-islamic-law-reckless-sex/ https://runnerbangla.com/brunei-king-hassanal-bolkiah-islamic-law-reckless-sex/#respond Mon, 25 May 2020 23:12:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=251 রানার ডেস্ক : ব্রুনাইতে হটাৎ চালু করে দেওয়া হলো ইসলামিক আইন। এর আগে মুসলিম প্রধান বহু দেশে চালু হয়েছে এধরণের আইন। ফলে ব্রুনাই নতুন ঘটনা নয়, কিন্তু ব্রুনাই নিয়ে পৃথিবী জুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল হৈচৈ। কারন কি জানেন ? যিনি এই আইন চালু করলেন তিনি হলেন ব্রুনাইয়ের সুলতান। নাম, হাসানাল বোলখিয়া। দুনিয়ায় তিনি পরিচিত এক যৌন পাগল লোক হিসাবে।

যার একাধিক হারেম। সব গুলো হারেম ঠাসা বিদেশি সুন্দরী নারীতে। দিবা রাত্র এই সুলতান শুধু যৌন সুখের জন্য পাগল। কোটি কোটি ডলার খরচ হয় সুলতানের যৌন সুখ মেটাতে। তার ভাই জাফরী বোলখিয়াও একই পথের পথিক। তারও আছে একাধিক হারেম। নিত্য নতুন পদ্ধতিতে যৌন আনন্দ নেবার জন্য দু ভাইয়ের মধ্যে আবার মিষ্টি প্রতিযোগিতাও হয়।

ব্রুনাইয়ের সুলতানের এই যৌন এডভেঞ্চারের, রোমহর্ষক কাহিনী প্রথম দুনিয়ার সামনে আনেন মার্কিন সুন্দরী শ্যানন মার্কেতিক, ১৯৯২ সালে মিস আমেরিকা নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তাকেও সুলতান নিয়ে গিয়েছিলেন যৌন সুখের জন্য। সেই শ্যাননই কিছুদিন পর সুলতানের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকেছিলেন। তার অভিযোগ ছিল, সুলতানের সঙ্গে তার চুক্তি হয়েছিল একবার সঙ্গমের জন্য তাকে দিতে হবে ৩০০০ ডলার।

কিন্তু ব্রুনেই পৌঁছে তিনি বুঝতে পারেন সুলতান তাকে যৌনদাসী বানিয়ে রাখতে চাইছে। কিছুদিন সব সহ্য করার পর, চলে আসেন আমেরিকায়, ফিরেই মামলা করেন তিনি। মজার কাহিনী শুনিয়েছেন জুলিয়ান লরেন। এই মহিলার কিশোরী বয়সেই ঠাঁই হয়েছিল সুলতানের ছোট ভাই জাফরীর হারেমে। তিনি পরে হারেম থেকে বেরিয়ে এসে একটি বই লেখেন। এই বই নিয়ে প্রচুর চর্চা হয়েছে গোটা বিশ্বে।

“সাম গার্লস : মাই লাইফ ইন হারেম”- এই বইতে প্রচুর মজার মজার তথ্য দিয়েছেন তিনি। তাতে লিখেছেন, দুই ভাইয়ের একাধিক করে ব্যক্তিগত বিমান আছে। সেই সঙ্গে দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে প্রচুর ছোট ছোট দ্বীপ কিনে রেখেছেন তারা। যখন ইচ্ছে তখনই প্লেন বোঝাই সুন্দরী মেয়ে নিয়ে তারা চলে যান সেই সব দ্বীপে। তারপর অভিনব সব যৌন ক্রীড়ায় মেতে ওঠেন তারা। কখনো কখনো দুভাই একসঙ্গেও হাজির হন কোনো দ্বীপে।

তেমনি এক ঘটনায় জুলিয়ানকে নিজের কাছে ডেকে নিয়েছিলেন সুলতান হাসনাল। অথচ জুলিয়ান গিয়েছিলেন জাফরির সঙ্গে। কিন্তু সেখানে তাকে ভোগ করে হাসনাল, জুলিয়ানের বয়স তখন ১৫ বছর। সেই সুলতানই নিদান হেকেছেন দেশে এখন থেকে শুধু চলবে শরীয় আইন। সুলতানের ধর্ম যখন উদ্দাম যৌনতা, সেই দেশে সেই সুলতানই প্রজাদের ওপর চাপিয়ে দিলেন ইসলামিক আইন। এ এক আজব দেশ, যত নিয়ম প্রজার জন্য আর শুধু বেলেল্লাপনাটুকু নিয়ে রাখলেন নিজের জন্য।

]]>
https://runnerbangla.com/brunei-king-hassanal-bolkiah-islamic-law-reckless-sex/feed/ 0