Vinod Kumar – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Tue, 06 Jul 2021 10:19:25 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Vinod Kumar – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 পুরসভায় পরিচয়পত্রের ধাক্কায় শিকেয় পরিষেবা, চূড়ান্ত দুর্ভোগ https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-identity-card-public-service-problem/ Tue, 06 Jul 2021 11:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3414 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভা এসে নাগরিক পরিষেবা ( Public Service ) পেতে হিমশিম খাচ্ছেন মানুষজন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ঢুকতে হচ্ছে কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) মূল কার্যালয়ে। ক্ষোভ পুঞ্জিভূত হচ্ছে মানুষের মধ্যে। নাগরিক অসন্তোষ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিসও। পরিচয় পত্র দেখিয়ে কলকাতা পুরসভার ঢুকতে হবে। দেখাতে হবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। যার জেরে কার্যত তৈরি হয়েছে এই বিশৃংখল পরিস্থিতি।

সকাল দশটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও এখনও পর্যন্ত ঢুকতে পারেনি কেউ কেউ। চলতি সপ্তাহ থেকে কলকাতা পুরসভার লাগু হয়েছে ১৩ দফা বিধি নিষেধ ( Restriction )। যার জেরে সমস্ত ধরনের পরিচয় পত্র এবং কাগজপত্র খতিয়ে দেখে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে পুরভবনে। একটিমাত্র গেট খোলা। যার জেরে তৈরি হয়েছে চূড়ান্ত অব্যবস্থা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার নাগরিক পরিষেবা নিতে আসা মানুষজন। জানাচ্ছেন অসন্তোষ।

কলকাতা পুরসভার কমিশনার বিনোদ কুমারের ( Vinod Kumar ) নির্দেশিকায় লেখা ছিল, মেয়র গেট ছাড়া বাকি সব গেট খোলা থাকবে। কিন্তু বাস্তবে খোলা মাত্র একটি গেট। যার জেরে তৈরি হয়েছে আরও খারাপ পরিস্থিতি। কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার এক শীর্ষকর্তা বলেন, নিরাপত্তার দিক থেকে চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে মানুষ একটু ভুক্তভোগী হবেন এটা ঠিক। কিন্তু পরিষেবা থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না।

একটু ধৈর্য ধরতে হবে। যদিও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন শীর্ষ মহলের নির্দেশে নির্দেশিকা জারি করতে বাধ্য হয়েছেন। যদি বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুরসভার প্রশাসক বোর্ডের কেউ মুখ খুলতে রাজি নয়। উত্তর কলকাতার মানিক তলার বাসিন্দা রতন মালাকার সকাল সাড়ে নটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়েও ঢুকতে পারেননি। বাড়ির ট্যাক্স সংক্রান্ত অর্থ জমা দিতে এসেছিলেন তিনি। বেশ কয়েক ঘণ্টা পরেও লাইনে দাঁড়িয়ে।

একই রকম ভাবে রাজা বাজারের বাসিন্দা আনোয়ার আলী পানীয় জলের লাইন এর টাকা জমা দিতে এসেছেন। কিন্তু পুরসভায় এখনো ঢুকতে পারেননি। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকেও। অন্যান্য পুরো কর্মীদের অবশ্য সচিত্র পরিচয় পত্র দেখিয়ে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমজনতার ক্ষেত্রে সমস্যা কোথায়? এক নিরাপত্তাকর্মী বলেন, প্রত্যেকের আধার কার্ড অন্যান্য পরিচয় পত্র এবং বৈধ কাগজপত্র দেখে তবেই পুরসভার ঢুকতে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। ফলে একেকজনকে ভালোভাবে খতিয়ে দেখে তবেই ঢোকানো হচ্ছে। সেই কারণে সময় লেগে যাচ্ছে।

]]>
উন্নত রাস্তা নির্মাণে এবার আসছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-improved-road-construction-coming-latest-technology/ Tue, 06 Jul 2021 09:43:55 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3410 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : দীর্ঘদিন ধরেই মেস্টিক অ্যাসফল্ট রাস্তা ( Mastic Asphalt Road ) বানানো বন্ধ কলকাতায়। দূষণের অভিযোগ তুলে হাইকোর্ট এবং পরিবেশ আদালতে মামলার জেরে শহরের বুকে এই ধরনের রাস্তার বাড়ানোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যার জন্য পরিবেশ বান্ধব মেস্টিক অ্যাসফল্ট প্লান্ট তৈরি পরিকল্পনা নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। কিন্তু তার খরচ এতটাই বেশি যা নিয়ে কলকাতা পুরসভার একার পক্ষে এগোনো সম্ভব নয়।

সোমবার কলকাতা পুরসভার কেন্দ্রীয় ভবনে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্লান্ট তৈরীর কাজকর্ম প্রদর্শিত করেন একটি জার্মান সংস্থার ( German Agency ) প্রতিনিধি দল। কলকাতা পুরসভার রাস্তা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য রতন দে এবং পুর কমিশনার বিনোদ কুমার সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। রাস্তা বিভাগের আধিকারিকদের পাশাপাশি আলো এবং জল সরবরাহ বিভাগের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

তাঁদের সামনে সব দেখায় নির্মাণকারী সংস্থা আধিকারিকরা। একটি একটি জার্মান সংস্থান। কিভাবে এই নতুন পরিবেশবান্ধব মেট্রিক অ্যাসফল্ট প্লান্ট তৈরি করা হবে, কী ধরনের যন্ত্রাংশ ব্যবহার হবে এবং তা কিভাবে কাজ করবে সবটাই বিস্তারিতভাবে দেখানো হয়। যদিও কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, অত্যাধুনিক এই ব্যবস্থায় খরচ প্রচুর। ন্যূনতম প্রয়োজন ৬০ কোটি টাকা। যা কলকাতা পুরসভার একার পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।

দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম এই ধরনের প্লান্ট তৈরির উদ্যোগ নিয়ে আসছেন।। তিনি ভাবনা চিন্তা করেছিলেন প্রয়োজনে কেএমডিএ পূর্ত এবং কলকাতা পুরসভা যৌথ উদ্যোগে এই ধরনের একটি প্লান্ট বানানো যেতে পারে। ইতিমধ্যে তিন-চারটি জায়গায় জমিও দেখেছে কলকাতা পুরসভা। অন্তত ছয় বিঘা জমির প্রয়োজন হবে।

রতন দে জানিয়েছেন, আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। ওই সংস্থা আমাদের ডেমোস্ট্রেশন দিয়েছে। অত্যন্ত আধুনিক মেশিন দিয়ে তৈরি এই প্লান্ট পরিবেশ বান্ধব। এবং পিচ ঢালা থেকে শুরু করে তার ওপর স্টোন চিপস পাতা, সমস্ত তাই করবে মেশিন যুক্ত গাড়ি। তবে আর পুর বিষয়টি অনেক খরচা আছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের উপর নির্ভর করছে।

এই প্লান্ট তৈরি হয়ে গেলে আর রাস্তার ওপর পিচ গলিয়ে মেস্টিক অ্যাসফল্ট দিয়ে তৈরি রাস্তার কাজ করতে হবে না। একদম রেডিমেড জিনিস গাড়ি করে নিয়ে আসে রাস্তার ওপর বিছিয়ে দেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে খাটনি কমবে। সময় বাঁচবে। পরিবেশ দূষণও কম হবে বলেই মানছেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা।

]]>
পুরসভায় ঢুকতে হলে পকেটে রাখুন ভোটার,প্যান কিংবা আধারকার্ড https://runnerbangla.com/identity-card-mandatory-kolkata-municipal-corporation/ Sat, 03 Jul 2021 14:49:56 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3247 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : এবার থেকে আধার কার্ড ( Aadhaar Card ) নিয়ে আসতে হবে কলকাতা পুরসভায়! ওটাই পরিচয় পত্র। একজন আম জনতা পুরসভায় কোন কাজে আসতে হলে তাঁর সচিত্র পরিচয় পত্র বাধ্যতামূলকভাবে লাগবে। তেমনটাই নির্দেশিকা জারি করেছেন কলকাতা পুরসভার ( KMC ) কমিশনার বিনোদ কুমার ( Binod Kumar )। তবে শুধুমাত্র আধার কার্ড নয়। ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড ( Pan Card ) বা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে আসলেও হবে।

সেই সঙ্গে কি কারণে কলকাতা পুরসভার ভবনে আসা হয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে গেটে। তাহলেই মিলবে ঢোকার অনুমতি। সকল পুলিশ এবং নিরাপত্তাকর্মী প্রত্যেককে খতিয়ে দেখে তবেই পুরভবনে ঢুকতে দেবেন। পাশাপাশি পুরসভার সকল কর্মী এবং আধিকারিকদের সব সময় গলায় আইডেন্টি কার্ড ঝুলিয়ে রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ১৩ দফার একটি নির্দেশিকা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।

সেখানে কলকাতা পুরসভার কেন্দ্রীয় ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সন্ধ্যে ছয়টার পর মেয়র গেট ছাড়া বাকি সব গেট বন্ধ করে রাখতে বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। হঠাৎ কেন এই নির্দেশিকা? স্বাভাবিকভাবে গুঞ্জন শুরু হয়েছে কলকাতা পুরসভার অন্দরে। তাহলে কি দেবাঞ্জন দেব ( Debanjan Dev ) কাণ্ডের জেরে এই সিদ্ধান্ত? এই বিষয়ে অবশ্য মুখ খুলতে নারাজ কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষ।

কয়েকদিন আগেই দেবাঞ্জন দেব কলকাতা পুরসভা এসে মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমের ( Firhad Hakim ) সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসায় অস্বস্তি বেড়েছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC )। তাহলে কি সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে ফিরহাদ হাকিম বলেন, অনেক অবাঞ্ছিত লোক পুরসভায় আসেন। সেই জায়গা থেকে প্রত্যেককে খতিয়ে দেখে তবেই ঢোকানো হবে।

বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা, এখন থেকে সন্ধ্যে ছয়টার পর একমাত্র মেয়র গেট ছাড়া বাকি তিনটি গেট বন্ধ করে রাখা হবে। কোন আধিকারিকদের সঙ্গে কোনো আইনজীবীর দেখা করতে আসলে বিকেল পাঁচটার পর পুরভবনে ঢুকতে হবে। এর আগেও এমন নির্দেশিকা জারি হয়েছিল। কিন্তু তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে ততটা কড়া হয়নি কলকাতা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এবার দেবাঞ্জনের বিষয়টি সামনে আসার পর অস্বস্তিতে নিজেদের অবস্থান পাল্টাতে বাধ্য হয়েছে কলকাতা পুরসভা। দেওয়া হবে ভিজিটর স্লিপ ( Visitor Slip )। নির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে ঢুকতে হবে পুরভবনে।

]]>
কর্মীদের কাজের অভ্যেস নষ্ট করেছে করোনা, কড়া হছে প্রশাসন https://runnerbangla.com/corona-ruined-worker-habits-kmc-strict/ Thu, 01 Jul 2021 12:46:05 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3161 কলকাতা : ইতিমধ্যেই কর্মচারীদের হাজিরা নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছে কলকাতা পুরসভা। প্রত্যেকটি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের কর্মচারীদের ( Employee ) হাজিরা নিয়ে সচেতন হতে বলা হয়েছে। এবার সেই বিষয়টি তাদেরও কি করতে এবং প্রতিদিন নিয়ম করে উচ্চ কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট পাঠাতে কয়েকজন পদাধিকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation ) কর্তৃপক্ষ। এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছেন পুর কমিশনার বিনোদ কুমার ( Vinod Kumar )।

করোনাকালে লকডাউনে নাগরিক পরিষেবা স্বাভাবিক এবং সচল রাখতে কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন বিভাগ টানা কাজ করে গিয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য, নিকাশি, জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের কর্মী এবং আধিকারিকেরা যথেষ্ট কাজ করেছেন। পরবর্তীকালে আনলকপর্বে কর্মচারীদের অফিসের নিয়ে আসার জন্য গাড়ির ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে এখন সময় বদলেছে। সবকিছু আগের মত স্বাভাবিক হওয়ায় কর্মচারীদের হাজিরার ওপর জোর দেওয়া শুরু হয়।

দেখা যাচ্ছে, অনেক কর্মচারী এখনও গা ঢিলেমি দিয়ে বেড়াচ্ছেন। সঠিক সময়ে অফিসে আসছেন না। অফিসে ঢোকা এবং বেরোনোর ক্ষেত্রে অনিয়ম ধরা পড়ছে বলেই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। এবার সেই বেনিয়ম রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হাজিরার ক্ষেত্রে সময়সীমা মেনে চলতে হবে। প্রত্যেক কর্মীকে নিজের নিজের বিভাগে ঢোকা এবং বেরোনোর সময় উল্লেখ করতে হবে হাজিরা খাতায়, থাকবে স্বাক্ষর।

দপ্তরের একজন আধিকারিক এই খাতা দেখভালের দায়িত্বে থাকবেন। প্রতিদিন সকাল ১১টা নাগাদ সেই খাতা দপ্তরের আধিকারিকের কাছে পাঠাতে হবে। বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মীদের হাজিরা সংক্রান্ত তথ্য এসএমএস করে পাঠাতে হবে পুর কমিশনার বিনোদ কুমারের কাছে। সামগ্রিক বিষয়টি দেখভাল করবেন প্রত্যেকটি বিভাগের নির্দিষ্ট আধিকারিক। একটি প্রফর্মা তৈরি করে বিভাগীয় ডিসিদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কোন আধিকারিকরা এই কাজ তদারকি করবেন তাদের নাম পাঠাতে বলা হয়েছে কমিশনারের কাছে। সেইমতো প্রতিদিন সকাল সাড়ে এগারোটার মধ্যে কর্মী হাজিরার তথ্য একটি নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বরে এসএমএস করে এবং একই সঙ্গে মিল করতে হবে পুরো কমিশনারের কাছে।সেইসঙ্গে বিনা অনুমতিতে ইচ্ছামতো ছুটি নেওয়ার ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কলকাতা পুরসভা।

বিনা অনুমতিতে ৩০ দিন ছুটি নিলে বেতন কাটার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, সকল কর্মীরা একরকম না। পরিষেবা সচল রাখতে পুর কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। করোনাকালে বিভিন্ন জরুরি বিভাগ দারুণ পারফরম্যান্স করেছে। তখন কর্মীদের হাজিরার ক্ষেত্রে এতটা কড়াকড়ি করা হয়নি।

কিন্তু বর্তমানে যখন সবকিছু স্বাভাবিক হয়েছে, তখনও একাংশের কর্মীরা বেনিয়ম করে যাচ্ছেন। তাঁদের আটকাতেই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পুর প্রশাসনের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে কর্মীদের একাংশ অপব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ। সেই কারণে হাজিরার নিয়ে কড়াকড়ি শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

]]>
অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মী সম্পর্কে কোনও তথ্যই নেই, হটাৎ নড়ে বসলো পুরসভা https://runnerbangla.com/kmc-temporary-health-worker-information-online-app/ Wed, 30 Jun 2021 14:50:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3128 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভার অস্থায়ী স্বাস্থ্য কর্মীর ( Temporary Health Worker ) সংখ্যা কত? সরাসরি অথবা এজেন্সি মারফত চুক্তিভিত্তিক কর্মী কত? কোন নির্দিষ্ট তথ্য নেই কলকাতা পুরসভার কাছে। স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন বরোয় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই অস্থায়ী কর্মীরা। তাই একটা ডাটাবেস তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মীদের চুক্তি পুনর্নবীকরণ হবে এবার অনলাইনেই, অ্যাপের মাধ্যমে।

তেমনটাই পরিকল্পনা নিয়েছে কলকাতা পুরসভা ( Kolkata Municipal Corporation )। সেই কারণে ডেটাবেস তৈরি করতে নির্দেশিকা জারি করেছে পুরসভার স্বাস্থ্যবিভাগ। জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রত্যেকটি বরো থেকে বরো এক্সিকিউটিভ হেলথ অফিসারকে তাঁর অধীনে থাকা সমস্ত অস্থায়ী ( চুক্তিভিত্তিক/ দৈনিক মজুরি ভিত্তিক/ ডাইরেক্ট ক্যাজুয়াল) কর্মীদের তালিকা পুর-কর্তৃপক্ষের কাছে জমা করতে হবে।

নাম, ঠিকানা, পারিবারিক জীবনপঞ্জী সহ সামগ্রিক তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। সেগুলিকে একত্রিত করে তৈরি হবে অনলাইনে আপলোড করা হবে। ফলে কত সংখ্যক কর্মী, কত টাকা প্রতি মাসে পাচ্ছেন, কে কবে যোগদান করেছেন, কার কবে চুক্তি শেষ হচ্ছে, তার সামগ্রিক তথ্য থাকবে পুরসভার হাতে। একদিনে যেমন কাগজের ব্যবহার কমবে, তেমনভাবেই সময় বাঁচবে। যদিও এই অ্যাপ পুরোটাই ‘হ্যান্ডেল ‘ করবেন বিভাগীয় কর্তারা।

সেক্ষেত্রে, স্বাস্থ্যবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তথা প্রশাসক বোর্ডের অন্যতম সদস্য অতীন ঘোষ, পুর-কমিশনার বিনোদ কুমার ( Vinod Kumar ) সহ অন্যান্য স্বাস্থ্য আধিকারিকরা এই অ্যাপ ব্যবহার করবেন। কোন কর্মীর কবে চুক্তি শেষ হচ্ছে তা জানান দেবে এই অ্যাপ। ফলে সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে পারবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কন্ট্রোলিং অফিসাররা। সেইমতো চুক্তি পুনর্নবীকরণ করার প্রক্রিয়া অ্যাপের মাধ্যমে শুরু করে দেওয়া যাবে। সর্বোচ্চ স্তরের দায়িত্বপ্রাপ্তরা এই বিষয়ে অ্যাপের মাধ্যমে তার অনুমতি দিয়ে দেবেন।

এই প্রসঙ্গে অতীন ঘোষ জানান, সামগ্রিক প্রক্রিয়া হবে অনলাইনে। সেই কারণে তথ্য ভাণ্ডার তৈরির কাজ চলছে। সেইমতো আধিকারিকদের পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্তাদের মতে, এইভাবে সামগ্রিক প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছভাবে করা যাবে। একদিকে যেমন নির্দিষ্ট তথ্যভাণ্ডার থাকবে, তেমনি কাগজের ব্যবহার কমবে।

পাশাপাশি পুনর্নবীকরণের ক্ষেত্রে যে অনেক সময় জটিলতা বা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয় তা এক লহমায় বন্ধ হয়ে যাবে। উল্লেখ্য, শুধুমাত্র স্বাস্থ্য বিভাগের অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নয়। গোটা পুরসভাতেই কত সংখ্যক অস্থায়ী কর্মী রয়েছে, তার তালিকা তৈরির কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই পুর-কমিশনার বিনোদ কুমার এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন। সেই অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিভাগও পৃথক নির্দেশিকা জারি করল।

]]>
নাগরিক – প্রশাসন সম্পর্কের জন্যও এবার সোশ্যাল মিডিয়া https://runnerbangla.com/kolkata-citizen-administration-social-media-relationship/ Wed, 30 Jun 2021 13:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3120 কলকাতা : শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, মানুষের কাছে দায়বদ্ধ হতে হবে আধিকারিকদেরও। সোশ্যাল মিডিয়া ( Social Media ) থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখে নিতে হবে ব্যবস্থা। এই বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation )। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, মূলত কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim ) এই বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। পুরসভার বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে আসা নানাবিধ অভিযোগকে এবার খতিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

সেই জন্য নিয়মিত নজর রাখতে হবে। পুর-কর্মী ও আধিকারিকদের সোশ্যাল মিডিয়াতে সড়গড় হতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম ফোনে বলেন, সোশ্যাল সাইট থেকে পাওয়া অভিযোগ আধিকারিকরা নথিভূক্ত করবেন এবং রিপোর্ট ব্যাক করতে হবে। কবে হয়েছে, কখন হয়েছে, কিভাবে সমাধান হবে সবটাই। নাগরিক পরিষেবা, কোনটা দিতে পারলাম আর কোনটা দিতে পারলাম না বা কেন পারলাম না সেটা জানাতে হবে।

পুরসভার সমস্ত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং মাধ্যম নিয়মিত খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। পুর-প্রশাসনের সঙ্গেও আমজনতার যোগসূত্র স্থাপন হলে নাগরিক পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত মিটবে। সম্প্রতি এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন পুর-কমিশনার বিনোদ কুমার ( Vinod Kumar )। সেই বিজ্ঞপ্তিতে কলকাতা পুরসভার কমিশনারের স্পষ্ট নির্দেশ, শুধুমাত্র ‘ওয়ান ওয়ে কমিউনিকেশন’ নয়। নাগরিকের সঙ্গে গড়ে তুলতে হবে ‘টু ওয়ে কমিউনিকেশন’।

অর্থাৎ পুরসভার বিভিন্ন সোশ্যাল সাইট যেমন ওয়েবসাইট, ফেসবুক, টুইটার কিংবা অ্যাপস যেখানে প্রতিদিন নানা বিষয়ে অভিযোগ কিংবা সমস্যার কথা জানান শহরের আমজনতা। অনেক সময় থাকে নানাবিধ পরামর্শও। কিন্তু সেগুলি সব সময় খতিয়ে দেখা হয় না। এবার সেগুলি নথিভুক্ত করে প্রয়োজনমতো সমস্যা সমাধান করতে চাইছে কর্তৃপক্ষ।

প্রত্যেকটি বিভাগকে এই ধরনের সমস্যা কিংবা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই কারণে প্রত্যেকটি বিভাগের কন্ট্রোলিং অফিসারদের নামের তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। যাঁরা পুরো বিষয়টি দেখভাল করবেন। উল্লেখ্য, কেএমসির নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক পেজ রয়েছে। রয়েছে টুইটার এবং অ্যাপ। কিন্তু ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ জনপ্রিয় হলেও টুইটার এবং অ্যাপ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়নি।

এছাড়াও রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে অভিযোগ জানানোর সুযোগ। এইসব মাধ্যমে প্রতিদিন ভুরিভুরি নানা বিষয় নিয়ে অভিযোগ আসে। ভাঙ্গা রাস্তা থেকে শুরু করে পানীয় জলের সমস্যা ( Drinking Water Problem ) কিংবা জঞ্জাল সাফাই। সবথেকে বেশি অভিযোগ মেলে মিউটেশন ( Mutation ) এবং সম্পত্তি কর ( Property Tax ) সংক্রান্ত। কিন্তু সব সময় সেখানকার অভিযোগ নথিভুক্ত হয় না। এই প্রসঙ্গে পুরসভার আইটি বিভাগের ( Information Technology Department ) দায়িত্বপ্রাপ্ত সন্দীপন সাহা বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে চাইছি আমরা। যাতে মানুষের সঙ্গে দুই তরফেই একটা যোগাযোগ তৈরি হয়।

]]>
লক্ষ্য দ্রুত নাগরিক পরিষেবা প্রদান, তৈরি হচ্ছে বরো ভিত্তিক পরিকাঠামো https://runnerbangla.com/kmc-target-provide-faster-service-citizen-building-borough-based-infrastructure/ Tue, 15 Jun 2021 14:17:55 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2506 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : শহরের নাগরিক পরিষেবা আরও ভালো করার লক্ষ্যে এবার অভিনব পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুরসভা ( KMC )। শহরবাসীর সমস্যার চটজলদি সমাধানে সপ্তাহে সমস্ত বরো অফিসে একদিন করে বৈঠক করতে হবে। সম্প্রতি এই মর্মে একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন পুর কমিশনার বিনোদ কুমার ( Vinod Kumar )। সেই সঙ্গে পুরসভার আপৎকালীন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে নয়া কৌশল শীর্ষ কর্তৃপক্ষের।

নির্দেশিকা অনুসারে, প্রতি সোমবার বেলা ২ টোয় বৈঠক হবে। জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী বিভাগগুলি অর্থাৎ রাস্তা, আলো, নিকাশি, জঞ্জাল সাফাই, জল-সরবরাহ এবং বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকরা থাকবেন। নিত্যদিন পুরসভায় শহরের নাগরিকবর্গের যে অভিযোগ জমা হয়, সেই সমস্যার সমাধান করতেই এই বৈঠকের নির্দেশ কমিশনারের। সেইসঙ্গে নির্দেশিকা আরও বলা হয়েছে, প্রত্যেকটি বরোয় পূর্ত বিভাগের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার নোডাল অফিসার হিসেবে এই বৈঠক পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন।

সংশ্লিষ্ট আপৎকালীন বিভাগের এক এক জন করে আধিকারিকদের নিয়ে তৈরি করতে হবে বরোভিত্তিক কমিটি। দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে হবে। যার জন্য প্রত্যেকটি বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জরুরি। সেই কারণেই এই ধরনের বৈঠকের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছে পুর কর্তৃপক্ষ। ওই বৈঠকে মাঝেমধ্যে হাজির থাকবেন কমিশনার বিনোদ কুমার সহ-পদস্থ কর্তারাও। একদিকে নাগরিক সমস্যা সমাধানে খোদ প্রতি সপ্তাহে বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম ( Firhad Hakim )।

ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, নাগরিকদের পানীয় জল, নিকাশি, আলো, জঞ্জাল নিয়ে যাতে কোনও সমস্যা পোহাত না হয়, সেজন্য পুরসভার প্রধান কার্যালয়ের সঙ্গে বরোর অফিসারদের সমন্বয় থাকা জরুরি। সে-কারণেই এই পদক্ষেপ। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শহরবাসী উপকৃত হবেন বলেই দাবি ফিরহাদের। গত সপ্তাহ থেকে সরাসরি ভার্চুয়ালি শহরবাসীর সমস্যা শুনছেন পুরসভার কমিশনাররা।

নাগরিক পরিষেবা প্রদানে এমনিতেই যথেষ্ট সক্রিয় কলকাতা পুরসভা। সেই কাজকে আরও ত্বরান্বিত করতে নবতম সংযোজন বরোভিত্তিক এই সাপ্তাহিক বৈঠক। এক শীর্ষকর্তা বলেন, নিত্যদিন নানা বিধ বিষয় নিয়ে নাগরিক অভিযোগ জমা পড়ে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে নাগরিক অভিযোগের ঠিকঠাক সমাধান হচ্ছে না। কিংবা কোনও উন্নয়নমূলক কাজ থমকে রয়েছে। নয়া পদক্ষেপে সেই সমস্যা মিটবে বলেই দাবি কর্তৃপক্ষের।

]]>