USA – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Mon, 26 Jul 2021 09:45:50 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png USA – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 মার্কিন সামরিক বাহিনীর চমক, বিশ্বকে তাক লাগাচ্ছে যন্ত্রকুকুর https://runnerbangla.com/us-military-bigdog-robots-astonishing-world/ Mon, 26 Jul 2021 06:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4468 রানার প্রতিবেদন : সামরিক ক্ষেত্ৰে বিশ্বের অন্যতম শীৰ্ষস্থানীয় রাষ্ট্ৰ মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্ৰ ( USA ) তাদের সামরিক বাহিনীতে সংযোজন করেছে বিগডগ ( Bigdog ) নামের এক অত্যাধুনিক রোবট ( Robot )। বোসটন ডাইনামিকসের নিৰ্মিত এই প্রকল্পে আরও যুক্ত হয়েছে নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি, হাৰ্ভাৰ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কনকৰ্ড ফিল্ড স্টেশন। এই প্রকল্পে অৰ্থ বিনিয়োগ করেছে ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসাৰ্চ প্রজেক্ট এজেন্সির (ডাৰ্পা) টেকটিক্যাল টেকনোলজি অফিস।

বিগডগ ( Bigdog ) প্রজেক্টের মূল লক্ষ্য ছিল এমন ধরনের রোবট তৈরি করা যা এমন সব জায়গায় যেতে সক্ষম যেখানে মানুষ এবং প্রাণীরা সহজে যেতে পারে না। নবনিৰ্মিত এই রোবটটি হাঁটতে, দৌড়াতে, লাফাতে এবং ভারী মালপত্ৰ বহন করতে সক্ষম। সাধারণ একজন সৈনিকের পক্ষে যা বহন করা সম্ভব নয়, সেক্ষেত্ৰে এ ধরনের রোবট অনায়াসে তা করতে পারে।

যেসব স্থানে সৈনিকেরা যেতে পারেন না বা ঝুঁকি থাকে, সেক্ষেত্ৰে একটি হাইড্ৰোলিক অ্যাকচুয়েশন সিসটেম দ্বারা নিৰ্মিত বিগডগ পরিচালিত হচ্ছে এক সিলিণ্ডার বিশিষ্ট একটি টু স্ট্রোক ১৫-এইচপি ইঞ্জিন দ্বারা। এর রোটেশন পার মিনিট ( আরপিএম ) ৯০০০-এর বেশি। ইঞ্জিনটি একটি হাইড্ৰোলিক পাম্প চালায়, যা এর হাইড্ৰোলিক পায়ের সঙ্গে যুক্ত। বিগডগের এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি চারটি পায়ের সঙ্গে সংযুক্ত যা প্রস্তুত করা হয়েছে চারটি লো-ফ্ৰিকশন হাইড্ৰোলিক সিলিণ্ডার দ্বারা।

প্রতিটি পায়ে চারটি অ্যাকুয়েটর রয়েছে। এর মধ্যে দুটি থাইয়ের সন্ধিক্ষণে, একটি হাঁটুতে এবং অন্যটি গোড়ালির সংযোগস্থলে রয়েছে। অৰ্থাৎ ৰþছটি অ্যাকুয়েটর রয়েছে যার তিটিতে একটি হাইড্ৰোলিক সিলিণ্ডার, সারভোভালভ, পজিশন সেন্সর এবং ফোৰ্স সেন্সর রয়েছে। অত্যাধুনিক এই রোবটটির নড়াচড়ার জন্য প্রাণীসদৃশ চারটি পায়ে ধাক্কা সামলাতে রয়েছে শকঅ্যাবজৰ্ব সিসটেম। আকৃতিতে ছোট আকারের গাধার মতো ৩ ফুট (০.৯১ মিটার) লম্বা এবং ২.৫ ফুট (০.৭৬ মিটার) উচ্চতার রোবটটির ওজন ২৪০ পাউণ্ড বা ১১০ কেজি।

কম্পিউটার সেন্সর এর নিয়ন্ত্ৰণ, ভারসাম্য, পরিচালনা করে থাকে। নিৰ্মাতারা রোবটটির পায়ে এবং পৃষ্ঠতলেও সেন্সর সংযুক্ত করেছেন। প্রায় ৫০টি সেন্সর আছে বিগডগের মধ্যে। এগুলো শরীর ও অঙ্গের নড়াচড়া করার বিষয়গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। ইঞ্জিনের গতি, তাপমাত্ৰা এবং হাইড্ৰোলিক প্রসারের বিষয়গুলোর সঙ্গে রোবটের অভ্যন্তরের ইজিনের সামঞ্জস্য বজায় রাখে। অন্য সেন্সরগুলো এর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো, যেমন হাইড্ৰোলিক প্রেসার, তাপমাত্ৰা, ইঞ্জিন ব্যবস্থা, ব্যাটারি চাৰ্জ এবং অন্যান্য বিষয় পৰ্যবেক্ষণ করে।

রোবটটির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মধ্যে আরও রয়েছে লেসার গিরোসকপ এবং স্টিরিও ভিশন প্রযুক্তি। একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, বিগডগ ঘণ্টায় ৪ মাইল বেগে দৌড়াতে পারে, ৩৫ ডিগ্রি কোণ বেয়ে উঠতে পারে এবং ৩৪০ পাউণ্ড বা ১৫৫ কেজি মাল বহনে সক্ষম। রোবটটি তুষারখণ্ডের ওপর চলাফেরা করতে এবং পাশ দিয়ে কেউ লাথি মারার পরও এটি ভারসাম্য ধরে রাখতে সক্ষম।

সম্প্ৰতি বিগডগ ( Bigdog ) ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ পাউণ্ড বা ১৮১ কেজি মালপত্ৰ নিয়ে ২০ মাইল পাড়ি দিয়েছে কোনও ধরনের বাড়তি জ্বালানি সরবরাহ ছাড়াই। সামনের দিনগুলোতে আরও বেশকিছু বৈশিষ্ট্য যুক্ত হবে। যুদ্ধক্ষেত্ৰে এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সময়ে বিগডগ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে এবং সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবেই কমিয়ে আনবে যুদ্ধক্ষেত্ৰে সেনা জওয়ানদের অবধারিত প্রাণহানির আশঙ্কা।

]]>
সুপারস্টার ব্রিটনিকে জোর করে জন্মনিয়ন্ত্রক ওষুধ খাওয়াতেন বাবা https://runnerbangla.com/jamie-spears-force-popstar-britney-spears-birth-control-pills/ Mon, 28 Jun 2021 04:31:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=3012 রানার প্রতিবেদন : বিশ্বখ্যাত পপতারকা ব্ৰিটনি স্পিয়াৰ্সের ( Britney Spears ) জীবন নিয়ে বিতৰ্ক কম নেই। বলা যায় ব্ৰিটনি মানেই বিতর্ক। তবে দীৰ্ঘদিন মুখ বুজেই ছিলেন ব্ৰিটনি। এবার নিজের বাবার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন তিনি। জড়িয়ে পড়লেন আরেক বিতর্কে। আড়াল ভেঙে আদালতের শুনানিতে অংশ নিলেন পপতারকা। প্রায় ১৩ বছর জানালেন, তিনি নিজের মতো করে বাঁচতে চান। ফিরে চান মুক্ত জীবন। এ সময় বিচারক ব্রেন্ডা পেনিকে তিনি জানান, বাবা তাঁকে ১০ লাখ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করেন।

এটা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। ব্ৰিটনির অভিযোগ, প্ৰায় ১৩ বছর ধরে জীবনযাত্ৰা ও আৰ্থিক সমস্ত কিছু নিয়ন্ত্ৰণ করছেন তাঁর বাবা জিমি। মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ( USA ) কনজারভেটরশিপ আইনের ( Conservatorship Law ) অধীনে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল জিমিকে। এবার বিচারকের কাছে আৰ্জি জানিয়ে এই বন্দি দশা থেকে মুক্তি চাইলেন ব্ৰিটনি। ব্ৰিটনি জানিয়েছেন, যত দ্ৰুত সম্ভব এই অপমানজনক বন্দিজীবন শেষ করতে চান তিনি। এই অবস্থা তাঁর মন ভেঙে দিয়েছে ও তিনি দাসত্ব অনুভব করছেন ।

এই প্ৰথম খোলা আদালতে তাঁর বাবা ও যাঁরা তাঁকে নিয়ন্ত্ৰণ করছেন, তাঁদের প্রবল নিন্দা করেছেন ব্ৰিটনি। তিনি আরও জানান, তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁকে জন্মনিয়ন্ত্ৰক ওষুধ ( Birth Control Pill ) খেতে বাধ্য করেন তাঁর বাবা। এমনকী প্ৰেমিকাকে বিয়ে করতে ও আরেক সন্তান নিতেও তাঁকে বাধা দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। লিথিয়াম সেবনে বাধ্য করা হয়েছে তাঁকে, যা তাঁর চিকিৎসার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

লস এ্ঞ্জেলেসের ( Los Angeles ) আদালতের বিচারক ব্রেন্ডা পেনিকে ব্ৰিটনি বলেছেন, তিনি মানসিকভাবে বিপৰ্যস্ত হয়ে পড়েছেন এবং দিনের পর দিন কেঁদেছেন। তিনি তাঁর মুক্ত ও সাংগীতিক জীবন ফিরে পেতে চান। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই কনজারভেটরশিপ ভালোর চেয়ে তাঁর জন্য খারাপই বেশি করছে। তাঁরও স্বাভাবিক জীবন কাটানোর অধিকার আছে, কারণ উপার্জন তো তিনিই করেছেন । এমনকি তাঁর বাবা ব্ৰিটনিকে তাঁর প্রেমিকের সঙ্গে লং ড্ৰাইভে যাওয়ারও অনুমতি দেন না।

প্ৰসঙ্গত, ২০০৮ সালে আদালতের এক আদেশে ব্ৰিটনির বাবা জিমিকে যাবতীয় সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়। জেমি স্পিয়ার্স ( Jamie Spears ) ব্ৰিটনির উপার্জনের ৬ কোটি ডলার সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পান। সে-সময় উদ্বেগ ও অবসাদের কারণে হাসপাতালে ভৰ্তি হতে হয়েছিল ব্ৰিটনিকে। তখন তেরো বছর আগে কনজারভেটরশিপের রায় দিয়েছিল মাৰ্কিন আদালত।

আদালতের পক্ষ থেকে এখনও কোনও রায় দেওয়া না হলেও বিশ্বজুড়ে ‘ফ্ৰি ব্ৰিটনি’ হ্যাশট্যাগে ছেয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। ব্ৰিটনির দাবি, তাঁর বাবা তাঁর ওপর অত্যধিক নিয়ন্ত্ৰণ করে তাঁর জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। ব্ৰিটনির প্ৰাক্তন প্রেমিক জাসটিন টিম্বারলেকও আরও অনেকের মতো ব্ৰিটনিকেই সমৰ্থ জানিয়েছেন। টুইটে লিখেছেন, ‘ওর সঙ্গে যা হচ্ছে, তা অত্যন্ত হতাশাজনক। কোনও মহিলা তাঁর শরীর নিয়ে কী করবেন সেই সিদ্ধান্ত তাঁর বাবা নিতে পারেন না।’

]]>
যমরাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিল বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মানব শিশু https://runnerbangla.com/world-smallest-immature-children-richard-scott-william-hutchinson/ Sun, 27 Jun 2021 09:01:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2985 রানার প্রতিবেদন : করোনার খবরের ভিড়েই উঠে এসেছে পৃথিবীর সবচেয়ে অপরিণত শিশুর জন্মদিনের খবর। একজন মহিলার স্বাভাবিক গৰ্ভধারণের সময়কাল ১০ মাস ১০ দিন। এটা অনেকেই জানেন। তবে অনেকেই এর আগেও প্ৰসব করেন। সাত-আটমাসে প্ৰসব করলে নবজাতককে ইনকিউবেটর ( Incubator ) কি রাখার প্ৰয়োজন পড়ে। কেননা মাতৃগৰ্ভে যে উষ্ণতায় সে থাকত তার বয়স না-বাড়া পৰ্যন্ত একটা নিৰ্দিষ্ট সময়ের হিসাবে তাকে ইনকিউবেটরে সেই তাপমাত্ৰায় রাখতে হয়।

সময়ের আগে জন্মে যাওয়া এই শিশুগুলিকে অপরিণত শিশু ( Immature children ) বলে। বৰ্তমানে গিনেস বুক অব ওয়াৰ্ল্ড রেকৰ্ডের ( Guinness Book ) তথ্য অনুসারে পৃথিবীর সবচেয়ে অপরিণত শিশু হল মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ( USA ) রিচাৰ্ড স্কট উইলিয়াম হাচিনসন ( Richard Scott William Hutchinson )। উইসকনসিন রাজ্যের বাসিন্দা সে। ৭-৮ নয় মাত্ৰ ৫ মাসেই জন্মগ্ৰহণ করেছিল রিচাৰ্ড স্কট উইলিয়াম হাচিনসন । জন্মের নিৰ্দিষ্ট সময়ের ১৩১ দিন আগে তার জন্ম হয়। জন্মের সময়ে তার ওজন ছিল মাত্ৰ ৩৩৭ গ্ৰাম।

যেসমস্ত চিকিৎসকরা তার মায়ের ডেলিভারি করানোর দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা সকলেই ভেবেছিলেন শিশুটি হয়তো বাঁচবে না। তবুও তারা হাল ছেড়ে দেননি। এমনকী শিশুটির মা-বাবাকেও মানসিক প্ৰস্তুতি নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের তৎপরতায় সে আশ্চৰ্যজনকভাবে বেঁচে গেছে। সম্প্ৰতি তার এক বছরের জন্মদিনও পালন করা হয়েছে। রিচাৰ্ড স্কট মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিসের চিলড্ৰেনস মিনেসোটা হাসপাতালে সি-সেকশন ডেলিভারির মাধ্যমে জন্মগ্ৰহণ করে।

তার মা বেটা হাচিনসনের শরীর এতাটই জটিল হয়ে পড়ে যে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করতে হয়। বেটার শারীরিক অবস্থা খারাপ যে ছিল, তা চিকিৎসকরা প্ৰথম থেকেই বুঝে গিয়েছিলেন। তবে ৫ মাসেই যে সিজার করতে হবে এতটাও ভাবেননি। গিনেস রেকৰ্ডস কৰ্তৃপক্ষ বলছে মাত্ৰ ৩৩৭ গ্ৰাম ওজন নিয়ে জন্ম নেওয়া রিচাৰ্ড আকারে এতটাই ছোট ছিল যে তাকে তালুতেই রাখতে পারত মা-বাবা। রিচাৰ্ডের চিকিৎসার মূল দায়িত্বে ছিলেন চিলড্ৰেনস মিনেসোটা হাসপাতালের নিওনেটাল বিশেষজ্ঞ ডা. স্টারশি কাৰ্ন।

তিনি জানান, ‘তার জন্মের পরে মা-বাবাকে বলেছিলাম এরকম শিশুদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে না।’ তার সঙ্গে ওই চিকিৎসক রিচাৰ্ডের মা-বাবাকে আরও বলেন, ‘শিশুটি বাঁচবে কি না তা জন্মের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বোঝা যাবে। এই সময়টাই তার জন্য খুবই গুরুত্বপূৰ্ণ। এই সময়টা ভালোয় ভালোয় পার করতে পারলে সে হয়তো বেঁচে যাবে।’ রিচাৰ্ডকে বাঁচাতে তৈরি হয় মেডিক্যাল টিম। চিকিৎসকরা চেষ্টার কোনওরকম ত্ৰুটি করেননি।

দিনরাত কোনও না কোনও চিকিৎসক পালা করে রিচাৰ্ডকে পৰ্যবেক্ষণ করেছেন। ওদিকে জাঁকিয়ে বসেছে করোনা অতিমারি। এর ফলে বাচ্চাটির মা-বাবাকেও তার কাছে থাকার অনুমতি চিকিৎসকরা দেয়নি। আর পরিবারের অন্য সদস্যদের তো হাসপাতালে থাকার কোনও প্ৰশ্নই ওঠে না। রিক ও বেটা হাচিনসন থাকেন অন্য এক রাজ্য উইসকনসিনের সেন্ট কক্স কাউন্টিতে। হাসপাতালে থাকার অনুমতি মেলেনি।

বেশ কয়েক কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে প্ৰতিদিন তাঁদের হাসপাতালে আসতে হতো। তবে আস্তে আস্তে সুস্থ হয়ে উঠেছে রিচাৰ্ড।৬ মাসেরও বেশি তাকে হাসপাতালে রাখার পর গত ডিসেম্বরে মুক্ত করেন চিকিৎসকরা। সন্তানকে বাড়ি নিয়ে ফেরার সময়ে বাবা-মা আনন্দের চোটে কেঁদেই ফেলেন। সম্প্ৰতি ধুমধাম করে তার জন্মদিন পালন করা হয়েছে।

]]>
বাইডেনের সানগ্লাস নিতে সোনার বিমানে উড়ে এলেন পুতিন https://runnerbangla.com/vladimir-putin-flew-golden-plane-joe-biden-sunglass/ Wed, 23 Jun 2021 04:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2829 রানার প্রতিবেদন : রাশিয়ার ( Russia ) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ( Vladimir Putin ) এবং মার্কিন ( USA ) প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ( Joe Biden )- দুই নেতার শীর্ষ বৈঠকে আলোচনা প্রায় তিন ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল। যদিও সেটা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক কম। রাশিয়ান নেতা পুতিনকে উপহার হিসাবে বাইডেন একটি কাস্টম-মেইড এভিয়েটর সানগ্লাস ( Custom Made Aviator Sunglass ) দিয়েছেন। সেইসঙ্গে পুতিনকে বাইসনের একটি স্ফটিকের ভাস্কর্যও উপহার দেওয়া হয়। এসবই এখন চর্চিত বিষয়।

তবে এসবকে ছাপিয়ে গেছে অন্য একটি খবর। ভ্লাদিমির পুতিনের ( Vladimir Putin ) জীবন বিত্তবৈভবে ভরপুর। হাতের ঘড়ি থেকে শুরু করে বিমান, সবকিছুতেই চূড়ান্ত বিলাসিতার ছাপ। পুতিনের বিমানের গতিও সবচেয়ে বেশি। তবে খবর হল, ব্যক্তিগত এই বিমানের টয়লেটটি সোনার পাতে মোড়ানো। যেখানে আছে জিম এবং সোনা দিয়ে মোড়ানো বিরাট আকারের খাটও। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ওই বৈঠক করতে ব্যক্তিগত বিমানে করে সুইজারল্যান্ড যান পুতিন।

‘ফ্লায়িং ক্রেমলিন’ ( Flying Kremlin ) নামের এই বিমানটির মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় ৪,০০০ কোটি টাকারও বেশি। বিলাসবহুল এই বিমানের টয়লেটসহ অনেকটাই সোনায় মোড়ানো। রুশ প্রেসিডেন্টের ব্যবহৃত বিমানটি তৈরি করেছে ভোরোনেজ এয়ারক্র্যাফট প্রোডাকশন অ্যাসোসিয়েশন। এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৫৬০ কিলোমিটার। নিও-ক্লাসিক্যাল স্টাইলে তৈরি বিমানটির কনফারেন্স কক্ষেও রয়েছে সোনার কারুকাজমণ্ডিত টেবিল। রয়েছে বিলাসীতার যাবতীয় সুবিধা।

বিমানটিতে আছে বড়সড় জিম, দামি মদে সাজানো বার এবং শয্যাকক্ষ। প্রতিটি কোনায় চোখে পড়ে সোনার আভিজাত্য। কিন্তু একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কমান্ড সেন্টারও রয়েছে বিমানটিতে। এই কমান্ড সেন্টার থেকে সেনাবাহিনীকেও পরিচালনা করা যায়। ফলে বিমান ভ্রমণে থেকেও যুদ্ধ পরিচালনা করতে পারেন পুতিন। এই সোনায় মোড়ানো বিমানে চড়েই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পৌঁছান রুশ প্রেসিডেন্ট।

]]>
Cheerleaders : যাত্রা শুরু এক বিন্দুতে, শেষ হলো দুই পাহাড়ের দুই চূড়ায় https://runnerbangla.com/former-us-president-ronald-reagan-pop-singer-madonna-cheerleaders/ Fri, 18 Jun 2021 08:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2636 রানার প্রতিবেদন : এদেশে চিয়ার লিডার ( Cheerleaders ) নতুন হলেও মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্ৰ ( USA ) ও ইউরোপের ( Europe ) দেশগুলিতে তাঁদের দেখা গেছে বহু আগে। বস্তুত খুবই প্রাচীন তাঁদের ইতিহাস। বৰ্তমানে মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের খেলাতেই চিয়ার লিডাররা ( Cheerleaders ) অপরিহাৰ্য হয়ে উঠেছেন। এঁদের প্রধান কাজই হলো নিজের দলের সমৰ্থনে একেবারেই নামমাত্র পোশাক পরে লাফালাফি করা, চিৎকার করা, উত্তেজক ভঙ্গিতে নাচা, ব্যায়াম করার অছিলায় শরীর দেখানো কিংবা গান করা।

শুনলে অবাক হতে হয়, তবু এটা সত্য যে মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পেশাদার চিয়ার লিডারের সংখ্যা ১৫ লক্ষ। এঁরাই দেশে-বিদেশের নানা প্রতিযোগিতায় যান লাফালাফি-নাচানাচি করতে। এই চিয়ার লিডাররা প্রত্যেকেই কিন্তু অত্যন্ত সুশিক্ষিত, প্রশিক্ষিত এবং এঁদের মধ্যে কেউ-কেউ তো স্টারেরও মর্যাদা পান। চিয়ার লিডারের জন্ম ১৮৮৪ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক ক্ৰীড়া প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করার জন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই কিছু ছাত্ৰী স্বল্পবসনা হয়ে নাচগান পরিবেশন করেন। সেটাই শুরু। এর কয়েক বছর পর ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্ৰ থমাস পিবলস প্রথম চিয়ার লিডারদের এক সংগঠন তৈরি করেন এবং তাঁরা বিপুল জনপ্রিয়ও হন। পিবলস এই সংগঠনের মাধ্যমে মোটা টাকা আয় করেন। এরপর সারা দেশেই বহু চিয়ার লিডার সংগঠন গড়ে ওঠে এবং পেশা হিসেবে অত্যন্ত লোভনীয় হয়ে পড়ে।

তবে চিয়ার লিডাৰ্স নামে দলটির জন্ম হয় ১৮৯০ সালে। তবে এই দলে কোনও যুবতী ছিলেন না, সবাই যুবক। ১৯২৩ সালের পর এই দলে যুবতীরাও অংশগ্রহণ করেন। মজার ব্যাপার হলো প্রাক্তন মাৰ্কিন রাষ্ট্ৰপতি রোনাল্ড রেগান ( Ronald Reagan ) ও পপগায়িকা ম্যাডোনাও ( Madonna Louise Ciccone ) চিয়ার লিডার হিসেবেই তাঁদের পেশাদার জীবন শুরু করেছিলেন। পরে দুজনেই হলিউডে তাঁদের নাম লিখিয়েছিলেন, বাকিটুকু তো রীতিমতো অবাক করার মতোই উত্থানের ইতিহাস।

]]>
Fake Meat : আর কিছু দিন অপেক্ষা, বাজার ছেয়ে যাবে নকল মাংসে https://runnerbangla.com/market-full-fake-meat-after-few-days/ Fri, 18 Jun 2021 07:01:37 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2632 রানার প্রতিবেদন : মাংস খেতে বড় একটা ভালোবাসেন না, এমন মানুষ চট করে খুঁজে পাওয়া যায় না। আর পৃথিবীর সব দেশেই মাংস দিয়ে বিভিন্নরকম সুস্বাদু পদ তৈরি হয়। তবে এর পিছনে একটাই অসুবিধা ছিল, তা হল মাংস খেতে গেলে নিৰ্মমভাবে পশুহত্যা করতে হয়। তবে এবার সেই দিনের অবসান ঘটতে চলেছে। কেননা মাংস খাওয়ার জন্য আর পশুহত্যা করতে হবে না। গবেষণাগারে তৈরি মুরগির মাংসই এবার বাজারে পাওয়া যাবে।

মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ( USA ) ইট জাস্ট নামের একটি স্টার্ট আপ সংস্থা গবেষণাগারে কৃত্ৰিম পদ্ধতিতে তৈরি করা মুরগির মাংস বিক্ৰির অনুমতি চেয়েছিল সিঙ্গাপুর ( Singapore ) সরকারের কাছে। সম্প্ৰতি তার অনুমোদনও মিলেছে। তার মানে এবারে এই প্রথমবার বাজারে বিক্ৰি হবে কৃত্ৰিম মুরগির মাংস ( Artificial chicken meat )। মাংসের জন্য পশুহত্যা এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন পশুকল্যাণ সংস্থা, পরিবেশবাদী সংগঠন, এনজিও বহুদিন ধরেই প্রতিবাদে সোচ্চার। তবে এই ধরনের উদ্যোগ এবারেই প্রথম নয়।

ইতিপূৰ্বে বিয়ণ্ড মিট ইনকরপোরেটেড ( Beyond Meet Inc. ) এবং ইমপসিবল ফুডস ( Impossible Foods ) নামে দুটি সংস্থা উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে মাংস তৈরি করেছিল। তবে তা ছিল পরীক্ষামূলকভাবে। কিন্তু সেই মাংসও ক্ৰমশই ক্ৰেতাদের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে ইট জাস্টের পদক্ষেপ এগুলির সবার থেকে আলাদা। এরা একান্ত কৃত্ৰিম উপায়ে গবেষণাগারে মাংস তৈরি করেছে। একটা সময়ে শোনা গিয়েছিল এভাবে মাংস তৈরির পিছনে প্রচুর খরচ আছে, সেজন্যই বাণিজ্যিকভিত্তিতে তা উৎপাদন করে অন্য দেশে রফতানি করলে লাভ কিছুই থাকবে না।

তবে ইট জাস্ট ( Eat Just ) জানিয়েছে তারা মুরগির কোষ ( Chicken cells ) থেকে মাংস তৈরি করেছে। আপাতত ওই মাংস অন্য কোনও দেশে নয়, সিঙ্গাপুরের বাজারেই ছাড়া হবে খুব অল্প পরিমাণে। তবে প্রথমেই লেগপিসের আশা করলে ঠকতে হবে। চিকেন নাগেটের আকারে পাওয়া যাবে তা। আর এর দাম নেহাত কম নয়। প্রতিটি নাগেট খেতে মূল্য গুনতে হবে কড়কড়ে ৫০ ডলার। ইট জাস্টের পক্ষ থেকে তার সিইও জোস টেটরিক জানান, আপাতত বাণিজ্যিক কারণে দাম বেশি রাখা হলেও অতি দ্ৰুতই গবেষণাগারে তৈরি মাংসের দাম কমে আসবে।

তবে কমে দাম কত হবে, তা এখনও জানা যায়নি। অতি দ্ৰুত তারা সিঙ্গাপুরে তাদের আরও একটি আউটলেট খুলতে চায়। তাদের আশা খুব তাড়াতাড়িই কৃত্ৰিম মাংস সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে। সমগ্র বিশ্বে এখন দুডজন কোম্পানি গবেষণাগারে মাছ, মাংস ও মুরগির মাংস তৈরির চেষ্টা করছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, অল্টারনেটিভ মিট-এর বাজার রয়েছে গোটা বিশ্বজুড়েই। সেই বাজারে আগামী বছর ১৪০০ কোটি ডলারের কৃত্ৰিম মাংস বিক্ৰি হবে বলে তাদের অনুমান।

এর মধ্যেই ইউরোপ, আমেরিকার বাজারগুলোতে উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে তৈরি মাংস বিক্ৰির বেশ ভালোই চাহিদা রয়েছে। ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগকারীরা অল্টারনেটিভ মিট কোম্পানিগুলিতে বিনিয়োগ করছেন। জেপি মরগ্যান চেজের মতে, পরবতী ১৫ বছরের মধ্যে উদ্ভিজ্জ মাংসের বাজারের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৯,০০০ হাজার কোটি ডলার।

]]>
স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন বুঝেশুনে, অতিরিক্ত ব্যবহারে একাধিক বিপদ https://runnerbangla.com/excessive-use-of-sanitation-may-be-multiple-disease-said-university-of-california-dr-neurologist-chris-norris/ https://runnerbangla.com/excessive-use-of-sanitation-may-be-multiple-disease-said-university-of-california-dr-neurologist-chris-norris/#respond Mon, 14 Jun 2021 06:37:07 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2439 রানার ডেস্ক : করোনার ( Corona ) কবজা থেকে রক্ষা পেতে বেশ কয়েকটি সতৰ্কতামূলক পদক্ষেপ মেনে চলতে বলা হয়েছে। যার মধ্যে প্রধান হল মাস্ক ব্যবহার, হাত ভালো করে রগড়ে সাবান দিয়ে কুড়ি সেকেন্ড ধরে ধোয়া। হাঁচি বা কাশি হলে কনুই দিয়ে চেপে নেওয়া। আজ আছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার। তবে এমন অনেকেই আছেন যারা অপ্রয়োজনেও কিছুক্ষণ পর পরই এটি ব্যবহার করেন। এগুলিতে এমনিতেই উচ্চমাত্ৰার অ্যালকোহল সহ নানারকমের যৌগ থাকে।

মনে রাখতে হবে, কোনওটায় ভালো রাসায়নিক আছে, আবার কিছু কিছু রাসায়নিক শরীরের জন্য ক্ষতিকর। বেশি বেশি করে স্যানিটাইজার মাখতে গিয়ে আমরা যে অজান্তেই নিজেদের ক্ষতি করে ফেলি, সেটা কিন্তু আমরা জানি না। মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ( USA ) ক্যালিফোৰ্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ( University of California ) নিউরোলজিস্ট ডা. ক্ৰিস নরিস অতিরিক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের বেশ কিছু খারাপ প্রভাবের কথা জানিয়েছেন।

দেখে নেওয়া যাক সেগুলো কী কী :-

১. হ্যান্ড স্যানিটাইজার মুলত একটি অ্যান্টিসেপটিক। প্রয়োজনের অতিরিক্ত অযথা হাতে লাগালে ত্বক শুকিয়ে যায়, চুলকানি হয়, এমনকী এগজিমার মতো কঠিন রোগ হতে পরে। প্রথমদিকে এই চুলকানির উপসৰ্গগুলিতে গুরুত্ব না দেওয়ার ফলে সেখান থেকে ভয়ংকর সমস্যা হয়।

২. সবসময়ে বলা হয় ৭০ শতাংশ অ্যালকোহলযুক্ত স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। সাধারণ মানুষ এটা দেখেই হয়তো কিনে নেন। অথচ এগুলির সমস্ত উপাদান খুঁটিয়ে দেখেন না। জানেনও না। এর মধ্যে ট্ৰাইক্লোসান বা ট্ৰাইক্লোকাৰ্বন নামক একটি অ্যান্টিবায়োটিক যৌগ আছে। এই উপাদানগুলি নিয়ে পরীক্ষাশেষে ডা. নরিস জানান ট্ৰাইক্লোসান থেকে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা, গৰ্ভবতী মহিলাদের ভ্ৰূণের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। হতে পারে হাঁপানিও।

৩. ক্ষতিকর ট্ৰাইক্লোসান হরমোনের সমস্যাও তৈরি করে। ব্যাকটেরিয়াগুলি অ্যান্টিমাইক্ৰোবিয়াল উপাদানের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়।ফলে শরীর অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়।

৪. এসব ক্ষতিকর উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুৰ্বল করে। ফলে মানুষ চট করে নানা রোগে আক্রান্ত হয়। ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত অসুখও হতে পারে।

৫. অনেকে সুগন্ধযুক্ত স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন। সুগন্ধী স্যানিটাইজারগুলোতে মূলত ফ্যাটিলেটস ও প্যারাবেন্সের মতো বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান থাকায় প্রজনন ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

৬. অনেক হ্যান্ড স্যানিটাইজারে উচ্চমাত্ৰার অ্যালকোহল থাকায় বিষক্রিয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে। স্যানিাটইজার হাতের জীবাণু ধ্বংস করার জন্য ভালো। কিন্তু এটা কখনওই হাতের ময়লা তোলে না, যা সাবানজল করতে পারে। তাই যেখানে সাবানজল নেই সেখানেই শুধু হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত।

]]>
https://runnerbangla.com/excessive-use-of-sanitation-may-be-multiple-disease-said-university-of-california-dr-neurologist-chris-norris/feed/ 0
চিন্তা নেই, ২০২২-এর শেষেই শান্ত হবে আমাদের পৃথিবী https://runnerbangla.com/corona-pandemic-will-be-calm-by-end-of-2022-in-world/ https://runnerbangla.com/corona-pandemic-will-be-calm-by-end-of-2022-in-world/#respond Sat, 12 Jun 2021 06:31:28 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2323 রানার ডেস্ক : কোটি কোটি মানুষের আক্ৰান্ত হওয়া, মৃত্যুমিছিল, সবদেশের আৰ্থ-সামাজিক, শিক্ষাকাঠামো ভেঙে পড়া, বেকার সংখ্যা বৃদ্ধি, অৰ্থনীতিতে ধস, একটা ক্ষুদ্ৰ ভাইরাস বদলে দিয়েছে পৃথিবীর চালচিত্ৰটাই। বিগত এক বছরের বেশ সময় ধরে করোনা ( Corona ) অতিমারি মানবজাতির অস্তিত্বের পক্ষে কীভাবে ও কত বড় সংকট নিয়ে এসছে তা আমরা সকলেই প্ৰত্যক্ষ করেছি। তবে আশার কথা হল তার আকার আর ভয়াবহ হবে না।

সম্প্ৰতি বিল গেটস ( Bill Gates ) পোল্যান্ডের একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন আসার ফলে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আশাটা জোরদার হয়েছে। ২০২২ সালের শেষদিক থেকে সারা পৃথিবী কোভিড ( Covid-19 ) থেকে মুক্ত হবে। প্ৰসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে নিজের তৈরি করা প্ৰতিষ্ঠান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তথ্যপ্ৰযুক্তি সংস্থা মাইক্ৰোসফটের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দেন গেটস। পরে তিনি তৈরি করেন বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ( Bill & Melinda Gates Foundation ), যেখানে কোভিডের সময় ১৭৫ কোটি ডলার দিয়েছিলেন তিনি ত্ৰাণকাৰ্যে।

ভারতীয় মুদ্ৰায় যা প্ৰায় ১৪ হাজার কোটি টাকার সমান।ওই অৰ্থ কোভিডের ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এখনও করোনায় আক্ৰান্ত প্ৰায় ১৩ কোটি মানুষ, মারা গেছে প্ৰায় ২৮ লক্ষ ও সুস্থ হয়েছে প্ৰায় ১১ কোটি। যখনই কোনও দেশে করোনার প্ৰকোপ একটু কমেছে বলে মনে করা হচ্ছে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে হোটেল, রেস্তোরাঁ খুলে দেওয়া হচ্ছে জনসমাগমের ফলে হু হু করে বাড়ছে আক্রমণ।

আক্ৰান্ত ব্যাক্তির সংখ্যার নিরিখে মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্ৰ ( USA ) ও ব্ৰাজিলের ( Brazil ) পরেই তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত ( India )। হোয়াইট হাউসের ( White House ) মুখ্য স্বাস্থ্যউপদেষ্টা অ্যান্থনি ফসি জানিয়েছিলেন সোয়াইন ফ্লু ( Swine flu )-এর থেকেও করোনা ভয়ংকর খারাপ। বিল গেটস আবারও তা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ভ্যাকসিন এসে গেছে বলে উল্লাসে মেতে গেলে চলবে না। এখনও সকলকেই করোনার স্বাস্থ্যসুরক্ষাবিধি মানতে হবে। অসতৰ্ক হলেই সমস্যা। বিল জানান, শীতকালে ফের এর প্ৰকোপ বাড়তে পারে। ঠিক একই কথা বলেছেন বিজ্ঞানীরা।

কেননা ঠাণ্ডার সময়ে শুষ্ক বাতাসে ভাইরাসের জলকণা বেশিদিন পৰ্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এর মধ্যে অনেক দেশেই শীতের বড় সমস্যা হল ফ্লু। বিশেষত বিগত কয়েক বছরের ধারায় দেখা গেছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উৎপাত বেড়েছে। এই ফ্লু আর করোনার উপসৰ্গও অনেকটাই একরকমের। বিজ্ঞানীরা এবছর আশংকা করছেন করোনা ভাইরাস ( Corona Virus ) আর ইনফ্লুয়েঞ্জা ( Influenza ) একসঙ্গে বেড়ে গিয়ে টুইনডেমিক এফেক্ট হতে পারে আমেরিকায়।

গেটস আরও জানান, ভ্যাকসিন এলেই যে সংক্ৰমণ থেমে যাবে, এতটা নিশ্চিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কোভিড ভ্যাকসিন ভাইরাসের প্ৰাবল্য কমায়, তাকে পুরোপুরি থামাতে পারে না। গেটস আরও আশঙ্কা করছেন মাৰ্কিন যুক্তরাষ্ট্ৰ সহ বিভিন্ন দেশে যে হারে মেলামেশা বাড়ছে, তাতে সংক্ৰমণের তৃতীয় ধাক্কা দ্ৰুতই আসবে। বিশেষত আগামী বড়দিনের উৎসবের সময়ে সংক্ৰমণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোভিড ভ্যাকসিন নিয়ে অনেক সংস্থাকে অৰ্থ সাহায্য দিয়েছেন বিল গেটস।

পেনসিলভেনিয়ায় বায়োটেক ফাৰ্মনোভিও ফামাসিউটিক্যালসের ( Pennsylvania Biotechnology Center of Bucks County ) ভ্যাকসিন গবেষণার কাজে নিজেও সামিল হয়েছেন গেটস। তিনি জানান, তাঁর লক্ষ্য, শুধু আৰ্থিক সাহায্য নয়, বিশ্বের প্ৰতিটি কোণায় যাতে ভ্যাকসিন পৌঁছে যায় সেদিকে দেখভাল করা। ইতিমধ্যেই গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন ইমিউনাইজেশন ( Global Alliance for Vaccines and Immunization – GAVI )-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ নিয়ে পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে কোটি কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।

]]>
https://runnerbangla.com/corona-pandemic-will-be-calm-by-end-of-2022-in-world/feed/ 0
অস্তিত্ব একটাই, মানুষ দুটো, দুনিয়ার বিরল ঘটনা আজও বিস্ময়ের https://runnerbangla.com/one-existence-two-people-world-rare-event-still-amazing/ https://runnerbangla.com/one-existence-two-people-world-rare-event-still-amazing/#respond Thu, 10 Jun 2021 07:30:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2221 রানার প্রতিবেদন : গুজবকে রীতিমতো শিল্পের পৰ্যায়ে নিয়ে গেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ( USA ) জৰ্জিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ( Georgia Institute of Technology ) ছাত্ররা। সেখানেই আবিৰ্ভাব গত শতাব্দীর অন্যতম বিস্ময়কর চরিত্ৰ জৰ্জ পি বাৰ্ডেলের ( George P. Bardell )। ঘটনার শুরু ১৯২৭ সালে। জৰ্জিয়া টেকে সিরামিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভৰ্তি হন উইলিয়াম এডগার স্মিথ ( William Edgar Smith )। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অফিসার তাঁকে ভুল করে দুটো ভৰ্তি ফৰ্ম দেন। দুষ্টবুদ্ধি খেলে যায় স্মিথের মাথায়। ঠিক করেন বাড়তি ফৰ্মটা দিয়ে আরেকবার ভৰ্তি হবেন, ভুয়া নামে। জণ্ম হয় জৰ্জ পি বাৰ্ডেলের।

খেয়ালের বশে এমনটা করলেও জৰ্জ চরিত্ৰটিকে প্ৰতিষ্ঠা করতে যথেষ্ট সময় ও শ্ৰম দেন স্মিথ। ক্লাসে নাম ডাকা হলে নিজেই সাড়া দিতেন। এমনকী বন্ধুদের সহায়তা নিয়ে হোমওয়াৰ্কও দুবার করে প্ৰস্তুত করেছেন। শিক্ষক যাতে ধরতে না পারেন, সেজন্য দ্বিতীয়টা একটু এদিক সেদিক করে দিতেন। পরীক্ষার পালা এলে দু’বার করে দুই নামে পরীক্ষা দিয়েছেন। এভাবে ১৯৩০ সালে স্মিথের সঙ্গে সঙ্গে বাৰ্ডেলও জৰ্জিয়া টেক থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি লাভ করে।

কয়েক বছর পরে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও জুটে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালমনির অফিসিয়াল তালিকাতেও উঠে যায় তার নাম। এডগার স্মিথের এই কীৰ্তির খবর মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে জুনিয়র ছাত্রদের মধ্যে। তাঁদের মধ্যেই কোনও উৎসাহীর উদ্যোগে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভৰ্তির খাতায় নাম ওঠে জৰ্জ বাৰ্ডেলের। কয়েক বছর পর শুরু হয়ে যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ( World War II )। সেখানেও দেখা যায়, একাধিক ফ্রন্টে লড়ছে জৰ্জ পি বাৰ্ডেল নামের এক সৈনিক।

মাৰ্কিন বিমানবাহিনীর অষ্টম বহরের অংশ হিসেবে ইংল্যান্ড থেকে বোমা বিমানে করে ৮ দফা অভিযানে অংশ নিয়েছেন যে বৈমানিক তাঁর নাম জৰ্জ বাৰ্ডেল। পরে জৰ্জিয়া টেকের এক সাবেক ছাত্র ওই ইউনিটের প্ৰধান হয়ে এলে বুঝতে পারেন কারসাজিটা। ১৯৫৮ সালে সংবাদপত্রে ছাপা হয়, বিয়ে করছেন জৰ্জ বাৰ্ডেল। পাত্ৰী অ্যাগনেস স্কট কলেজের রামোনা কাৰ্টরাইট ( Ramona Cartwright )। বলা বাহুল্য বাৰ্ডেলের মতো রামোনা বলেও কেউ নেই। সেটা অ্যাগনেস স্কট কলেজেরই কারও কারসাজি।

তবে মজার ব্যাপার হলো ২০০৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর বাৰ্ডেল-রামোনা দম্পতির বিবাহের ৫০ বছর পূৰ্তি নিয়ে আলোচনা হয় একটি লাইভ রেডিও শোতে। গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়। ১৯৬৯ সালে জৰ্জিয়া টেকে কম্পিউটারের মাধ্যমে ক্লাস রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু হয়। কতৃপক্ষের ধারণা ছিল, এবার হয়তো বাৰ্ডেলের নামে মজা করার প্ৰবণতা রোখা যাবে। কিন্তু কীসে কী। দেখা গেলো, হ্যাকাররা কম্পিউটার সিস্টেমের বারোটা বাজিয়ে বলতে গেলে প্ৰতিটা ক্লাসেই একজন জৰ্জ বাৰ্ডেলকে ভৰ্তি করে রেখেছে।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষই হাল ছেড়ে দেন। ১৯৬৯ থেকে ১৯৮১ সাল পৰ্যন্ত জৰ্জ বাৰ্ডেলের নাম ছিল জনপ্ৰিয় স্যাটায়ার ম্যাগাজিন ‘ম্যাড’-এর প্ৰকাশকমণ্ডলীর তালিকায়। ২০০১ সালে টাইম ম্যাগাজিন যখন পারসন অব দ্য ইয়ার নিৰ্বাচনে সমীক্ষা করছে, তখন একটা পৰ্যায়ে দেখা যায় ৫৭ শতাংশ ভোট নিয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে যিনি, তিনি আর কেউ নন, জৰ্জ পি বাৰ্ডেল। তার ইতিহাস জানতে পেরে টাইম বাৰ্ডেলকে অযোগ্য ঘোষণা করে।

এরমধ্যে বাৰ্ডেল কখনও জৰ্জিয়ার রেডিও স্টেশনের কর্মী হয়েছেন, অলটারনেটিভ রক ব্যান্ডের অ্যালবামে তার নাম উঠেছে যন্ত্ৰশিল্পী হিসেবে, এমনকী ২০০১ সালে নিৰ্বাচনের আগে জৰ্জিয়ায় ডেমোক্ৰ্যাটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে প্ৰতিনিধি হিসেবেও তার নাম রাখা হয়। জৰ্জিয়া টেকে বাৰ্ডেলের শিক্ষাজীবন এখনও চলছে, ওদিকে ভক্ত অনুরাগীদের কল্যাণে বেশ কয়েক দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস প্ৰোক্টরের দায়িত্ব পালন করে ফেলেছেন ছেলে বাৰ্ডেল জুনিয়র।

২০১৫ সালের মাৰ্চে জৰ্জিয়া টেক ক্যাম্পাসে বক্তৃতা দেওয়ার সময় মাৰ্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা মজা করে বলেন, তিনি আশা করেছিলেন, জৰ্জ বাৰ্ডেল উপস্থিত থেকে তাকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, তার সাথে সাক্ষাৎই হলো না। সময়ের সাথে সাথে জৰ্জ বাৰ্ডেল জৰ্জিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকনে পরিণত হয়েছে।

তিনি যেন এখানকার অবিনশ্বর কিংবদন্তি। নতুন ভৰ্তি হওয়া ছাত্ররা সবার আগের পরিচিত হয় বাৰ্ডেলের গৌরবময় ইতিহাসের সাথে। অবস্থা এখন এমনই যে জৰ্জিয়া রাজ্যে যদি কেউ কারও আসল নাম বলতে না চান, ব্যাবহার করেন বাৰ্ডেলের নাম। আর বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষও শেষ পর্যন্ত তার সৰ্বশ্ৰেষ্ঠ ছাত্ৰকে স্বীকৃতি দিয়েছেন ক্যাম্পাসে তার নামে একটি দোকান খুলে।

]]>
https://runnerbangla.com/one-existence-two-people-world-rare-event-still-amazing/feed/ 0
বিয়ে আর বিচ্ছেদ, সুপার মডেলের কাছে জলভাত, কিন্তু এত নিষ্ঠুরতা? https://runnerbangla.com/kanye-west-singer-suffering-bipolar-disorder-kim-kardashian-supermodel-divorcing-him/ https://runnerbangla.com/kanye-west-singer-suffering-bipolar-disorder-kim-kardashian-supermodel-divorcing-him/#respond Tue, 08 Jun 2021 07:47:18 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2124 রানার প্রতিবেদন : বাইপোলার ডিজঅর্ডারের ( Bipolar Disorder Disease ) সমস্যায় ভুগছনে বিশ্বখ্যাত গায়ক কানইয়ে ওয়েস্ট ( Kanye West ) ৷ এ-সময়ে তাঁর জরুরি ছিল ভালোবাসা। অথচ এই দুঃসময়েই তাঁকে ছেড়ে যাচ্ছেন সুপার মডেল স্ত্রী কিম কার্দাশিয়ান ( Kim Kardashian )। বাইপোলার ডিজঅর্ডারের জন্যই নাকি কিমের সংসারে অশান্তি ৷ স্বামীর সঙ্গে সঙ্গে নিজেও মানসিক অবসাদে চলে গিয়েছেন ৷ তাই বিচ্ছেদ চান কিম ৷ ২০১৪ সালে বিয়ে হয় কিমের ৷ কিমের বিয়ে নজর কেড়েছিল গোটা পৃথিবীর ৷

তা যে এভাবে ভেঙে যাবে তা ভাবতে পারছেন না কানইয়ের ফ্যানেরা ৷ কিন্তু সব সম্পর্ক ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন মার্কিন টেলিভিশন সঞ্চালিকা কিম কার্দাশিয়ান ৷ প্রায় ৬ বছরের বিয়ের সম্পর্ক তাঁদের। আট বছরের প্রেম। অথচ সব ভূলে বিবাহবিচ্ছেদ করতে চলেছেন তিনি ৷ এটা অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। বিশেষ করে কানইয়ের এই অসুস্থতার সময়ে। কেনি ওয়েস্টের সঙ্গে বিয়ের পর কিম কার্দাশিয়ান ওয়েস্ট নামেই কিমকে চেনেন বিশ্ববাসী।

কেনি ওয়েস্টের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন ৬ বছর আগে। তবে কিমের কাছে বিয়ে ভাঙা জলভাত। এটি তার তৃতীয় বিচ্ছেদ। চার সন্তানের জননী কিমের এ সংসারটিও আর সইল না। কিমের সঙ্গে কেনের প্রথম আলাপ ২০০৪ সালে, একটি মিউজিক ভিডিওর শুটিংয়ে। সে সময় তাঁর স্বামী ছিলেন ড্যামন থমাস। রে জে-কে পেয়ে ওই একই বছর থমাসকে ত্যাগ করেন কিম। শেষ হয় চার বছরের প্রথম দাম্পত্য জীবন।

থমাসের সঙ্গে বিচ্ছেদ হতেই কিম মাখো মাখো হন সংগীতশিল্পী রে জের সঙ্গে। বেশিদিন টেকেনি সেটাও। ২০০৭ সালে সঙ্গী রে জে’র সঙ্গে যৌনকর্মের ভিডিও ফাঁস হয়। চারদিকে ছিছি রব ওঠে। তবে কিম রিয়েলিটি শো ‘কিপিং আপ উইথ দ্য কার্দাশিয়ানস’ নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েন, যেন কিছুই হয়নি। এরপর ২০১০ সালের অক্টোবরে কার্দাশিয়ান এনবিএ খেলোয়াড় ক্রিস হামফ্রিজের সঙ্গে প্রেম করেন এবং ২০১১ সালে বিয়ে করেন। মাত্র ৭২ দিন যেতেই ডিভোর্স।

সে সময় অনেকেই বলেছিলেন, কিম হামফ্রিজকে বিয়ে করেছেন মূলত পরবর্তী টেলিভিশন শো প্রমোট করার উদ্দেশ্যে। বারবার বিয়ে ডিভোর্স এসব কিমের কাছে যেন কিছুই নয়। হামফ্রিজের সঙ্গে বিচ্ছেদ সম্পন্ন হওয়ার আগেই কিছুটা স্বস্তির আশায় ফিরে যান কেনির কাছে। কেনি সব জেনেও কিমকে বিয়ে করেন। আলাপের ৮ বছর পর দুজনেই স্বীকার করেন তাঁদের সম্পর্কের কথা। এরপর বিয়ে করেন ২০১৪ সালে।

গত বছর কেনির বাইপোলার ডিজঅর্ডার রোগের কথা প্রকাশ্যে আনেন কিম নিজেই। বলেন, তিনি এ পরিস্থিতির সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। তাই ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত। তবে এবার কেউই এটাকে ভালোভাবে মেনে নিচ্ছেন না।

]]>
https://runnerbangla.com/kanye-west-singer-suffering-bipolar-disorder-kim-kardashian-supermodel-divorcing-him/feed/ 0