Trinamool Congress – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Fri, 29 Jul 2022 10:47:03 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Trinamool Congress – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 ডিয়ার লটারি : বিপুল আর্থিক কেলেঙ্কারি তৃণমূলের, মানুষকে সর্বস্বান্ত করে চলছে লুট https://runnerbangla.com/dear-lottery-trinamool-congress-huge-financial-scam-west-bengal-loot/ Fri, 29 Jul 2022 10:06:12 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4815 শুভেন্দু অধিকারী : কেন্দ্রে অমিত শাহজির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কড়া পদক্ষেপের ফলে গরু পাচার, কয়লা চুরি করতে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় এবং আমদানিতে টান পড়ায়, এক নতুন পন্থা আবিষ্কার করে দুর্নীতিতে সিদ্ধহস্ত পিসিমণির তোলাবাজ ভাইপোর উর্বর মস্তিষ্ক।

সুপরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিচালিত লটারি ব্যবসাকে পেছনের সারিতে পাঠিয়ে, রাজ্যে ধূমকেতুর মতো উত্থান ঘটানো হয় ‘ ডিয়ার লটারি -র’। এটি চিটফান্ডের মত আরেকটি স্ক্যাম। আড়ে-বহরে চিটফান্ড কান্ড থেকেও আর্থিক ভাবে অনেক বেশি বড় আকারের দুর্নীতি।

পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে আবারও একবার সর্বস্বান্ত করার ফাঁদ পেতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার পন্থা হলো সংগঠিত আইনি জুয়া।

এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গে কাজকর্মের অভাব, রুজি-রুটিতে টান। বেকারের সংখ্যা প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন রেকর্ড গড়েছে। এমতাবস্থায়, ভাগ্যের হাল ফেরাতে ও সংসারের চাহিদা মেটাতে অনেকেই লটারির দিকে ঝুঁকছেন। কিন্তু মাদকের সমতুল্য এই নেশা। ক্ষতি হচ্ছে বুঝেও একটা সময়ে ফেরার জায়গা থাকে না গ্রাহকদের। রোজ হারলেও একটা বড় সংখ্যার ক্রেতা জেতার আশায় রোজ খেলে যায়।

তোলাবাজ ভাইপো ঠিক এই সুযোগের ফায়দা তুলতে তৎপর হয়। সহজে উপলদ্ধ করতে ছড়িয়ে দেওয়া হয় লটারির ব্যবসা কে। বাড়ানো হয় স্টকিস্ট, সাব-স্টকিস্টের সংখ্যা। এক একটি মহকুমায় নাকি বিক্রেতার সংখ্যা লক্ষাধিক পেরিয়েছে। শহরের ব্যস্ত মোড় হোক অথবা কানা গলি, প্রত্যন্ত গ্রামের ছাদহীন গুমটি দোকান, প্রায় প্রতিটি বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন, সর্বত্র লটারি বিক্রেতার দর্শন মেলে সহজেই।

কমপক্ষে দিনে এক কোটি টাকার উপর টিকিট বিক্রি হচ্ছে একটি মহকুমাতেই। সারা রাজ্যে সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে অনুমান করে দেখুন। একবার পরিকাঠামো গড়ে ফেলার পর শুরু হয় আসল খেলা। অধিকাংশ দিনই প্রথম পুরস্কার বা বড় অঙ্কের পুরস্কার উঠছে অবিক্রিত টিকিটের উপর৷ লটারির বিক্রেতা থেকে ক্রেতা, সকলেই দুর্নীতির অভিযোগ তুলছেন। যে টিকিট পাওয়াই যাচ্ছে না সেই টিকিটেই নাকি প্রায়শই প্রথম পুরস্কার উঠছে ৷

প্রশ্ন উঠছে, যে টিকিট বিক্রিই হচ্ছে না, সেই টিকিটে খেলা হচ্ছে কী করে ? কিন্তু এর কোনও সদুত্তর নেই।
কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি হচ্ছে প্রতিমাসে। সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করে তোলা হচ্ছে এই টাকা। এ এক বিরাট দুর্নীতি।

আবার এমনও হচ্ছে কে পুরস্কার জিতবে তার লিস্ট আগে থেকেই তোলাবাজ ভাইপো নির্ধারিত করে দিচ্ছে। নয়তো, বীরভূমের বাহুবলী গরু পাচারকারী নেতা লটারিতে ফার্স্ট প্রাইজ পেয়েছে, এমন খবর চাউর হয় কী করে?

আমি সবাই কে অনুরোধ জানাই, তোলাবাজ ভাইপোর এই অনৈতিক ব্যবসার ফাঁদে পা দেবেন না। আপনাদের কষ্টার্জিত টাকা মেরে ফুলে ফেঁপে উঠছে। কোনোদিন টিভির পর্দায় দেখবেন আপনাদের থেকে লুটে নেওয়া টাকা উদ্ধার হচ্ছে কোনো বিলাসবহুল আবাসন থেকে আর টাকা গোনার মেশিন নিয়ে আধিকারিকরা বেশ কয়েক দিন ধরে তা গুণেই চলেছেন; প্রথম, দ্বিতীয়….একশত তম রাউন্ড….

( লেখক পরিচিতি: বিজেপি বিধায়ক এবং রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা )

]]>
মোদি বিরোধী মঞ্চের উদ্যোগ, মমতা – সোনিয়া বৈঠকে নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-sonia-gandhi-meeting-indicates-anti-narendra-modi-alliance/ Wed, 28 Jul 2021 15:33:12 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4552 #কলকাতা : দীর্ঘ প্রায় তিন বছরের ব্যবধানে সোনিয়া গান্ধী ( Sonia Gandhi ) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক। স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে তৈরি হয়েছে নানা রকম জল্পনা। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত কাছাকাছি আসছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) এবং জাতীয় কংগ্রেস ( INC )? সেই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে রাজ্য তথা জাতীয় রাজনীতিতে। বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ১০ নম্বর জনপথে সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতে যান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )।

মনে করা হচ্ছে মোদি বিরোধী জোটের রণকৌশল স্থির করতে দুই হেভিওয়েট রাজনীতিবিদের এই বৈঠক। বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং বামেদের জোট তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কে ফাটল ধরিয়ে ছিল। কিন্তু দীর্ঘ পুরাতন সোনিয়া গান্ধী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক আগে যেমন ছিলে এখনও তেমন আছে। এদিন দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, মোদি বিরোধী ঐক্যবদ্ধ জোট তৈরি করতে হবে।

সেক্ষেত্রে জোটের মুখ কে তারপরে নির্ধারণ হবে। তার আগে সকলের সঙ্গেই তিনি আলোচনা করতে চান। সেই লক্ষ্যেই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক। সোনিয়া গান্ধী নিজেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে ব্যক্তিগতভাবে যথেষ্ট পছন্দ করেন। তার উপর বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি কে যেভাবে দূর্মুস করেছে তৃণমূল কংগ্রেস সেক্ষেত্রে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতি সোনিয়া গান্ধীর ভরসা আরো বেড়েছে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই বৈঠকের পর কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পর্ক আগের মতন ভালো হবে। সম্প্রতি সংসদে রাহুল গান্ধীর ডাকা বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেস উপস্থিত ছিল না। কিন্তু সংসদে বিভিন্ন ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ লড়াই করেছে তৃণমূল এবং কংগ্রেস। সেই বন্ধুত্বে এবার সরকারি সীলমোহর পড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সোনিয়া এবং মমতার বৈঠকের পর তাহলে কি ফের কাছাকাছি আসবে তৃণমূল এবং কংগ্রেস।

আবারো একত্রে হাত এবং ঘাসফুল জোট করবে, এই নানা প্রশ্ন যখন ঘোরাফেরা করছে রাজনৈতিক মহলে। বৈঠক সূত্রে খবর, সোনিয়া গান্ধী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে তার বিপুল জয় এর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবং যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী জোট তৈরি করতে তৎপর তাতে নিজের সহমত পোষণ করেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী। সেক্ষেত্রে আগামী দিনে বিরোধী জোটের রণকৌশল কি হবে, সহমতের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক এজেন্ডা কি হবে, সেই সব নিয়েই একপ্রস্থ সোনিয়ার সঙ্গে মমতার বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলেই তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর।

]]>
অতীত থেকে শিক্ষা? গত পঞ্চায়েতের কায়দায় পুরভোটে চাইছে না তৃনমূল https://runnerbangla.com/trinamool-congress-reluctant-municipal-vote-like-last-panchayat-election/ Wed, 28 Jul 2021 08:37:40 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4540 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : কলকাতা পুরসভার ( KMC ) সহ রাজ্যের ১২৫টি পুরসভার নির্বাচন ( Municipal Election ) বাকি রয়েছে। নির্বাচন কবে হবে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। কিন্তু পুর নির্বাচনে কোন ধরনের গন্ডগোল, রিগিং, জালিয়াতি করা চলবে না। বুথ জাম, বিরোধী প্রার্থীকে মনোনয়ন দাখিল করতে না দেওয়া, এজেন্ট বসতে না দেওয়ার মতো ঘটনা বরদাশ্ত করা হবে না। সম্প্রতি ঘরোয়া বৈঠকের নিজের ঘনিষ্ঠমহলে এমনটাই মনোভাব স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ( Abhishek Banerjee )।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, বৈঠকে অভিষেক বলেছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের ( Panchayet Election ) সন্ত্রাসের কুফল পেয়েছিল দল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভুক্ত হয়েছিল। যার পড়ে প্রায়শ্চিত্ত হয়েছে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের ওপর ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ, অবাধ এবং স্বচ্ছ। নির্বাচন কমিশনের নজরদারিতে এই ভোট নিয়ে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধীরা কোনও ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলতে পারেনি। তেমনি ভোট আগামী পুরসভা নির্বাচনে চাইছে দল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে দলের সাম্প্রতিক বৈঠকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বলে তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর। কারণ এই পুরসভা নির্বাচন যদি অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ না হয় তাহলে আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে তার ফল ভুগতে হতে পারে। প্রয়োজনে কিছু সংখ্যক পুরসভা হাতছাড়া হোক তাতে ক্ষতি নেই। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ পুরসভা তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকবে, তেমনটাই মনে করছে দল। প্রশান্ত কিশোরের আভ্যন্তরীণ সমীক্ষাতেও তেমনটাই উঠে এসেছে। তাছাড়া বিপুল জনপ্রিয়তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন।

ফলের পুরসভা নির্বাচনেও মানুষের সেই রায় খুব একটা এদিক-ওদিক হবার কথা নয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সন্ত্রাসের পথ না ধরলেও চলবে। সেই বার্তাই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মহলে দলের শীর্ষনেতাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। সেই বৈঠকে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী উপস্থিত ছিলেন বলে খবর। কয়েকদিনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন সাংগঠনিক কাঠামো প্রকাশিত হবে। সেক্ষেত্রে নতুনদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। নির্বাচনে কোন ধরনের সন্ত্রাস দল বরদাস্ত করবে না। যাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ভাবমূর্তি নষ্ট না হয়। সেই বিষয়েই সতর্ক দল।

]]>
দিল্লিতে মোদি বিরোধী মঞ্চের যাত্রারম্ভ বুধবার, মধ্যমনি মমতা, কটাক্ষ বিজেপির https://runnerbangla.com/anti-narendra-modi-alliance-journey-delhi-july-26-led-mamata-banerjee/ Sat, 24 Jul 2021 14:20:31 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4428 #দিল্লি : আগামী বুধবার অর্থাৎ ২৮ জুলাই দিল্লিতে মোদি বিরোধী জোটের যাত্রা শুরু হতে চলেছে। সম্ভবত বঙ্গভবনেই এই বৈঠক হতে পারে। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৬ শে জুলাই থেকে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত দিল্লিতে থাকবেন মমতা ( Mamata Banerjee )। গত ২১ শে জুলাই শহীদ দিবসের ভাষণে তিনি প্রথম জানিয়েছিলেন, দিল্লিতে থাকাকালীন বিরোধীদলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জোট গঠনের উদ্দেশ্যে বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন তিনি।

তৃণমূল সূত্রের খবর, ২৮ তারিখ বুধবার বঙ্গভবনে সমস্ত তৃনমূল সাংসদকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে। সেদিনই চেষ্টা হচ্ছে বিরোধী নেতৃত্বকে বঙ্গভবনে নিয়ে আসার। যাদের ডাকা হতে পারে , তাদের মধ্যে আছেন শারদ পাওয়ার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, জয়া বচ্চন, পি চিদাম্বরম। অর্থাৎ কংগ্রেস সহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলোকে এ বৈঠকে নিয়ে আসার প্রয়াস শুরু হয়েছে তৃণমূলের ( TMC ) তরফ থেকে। একুশে জুলাই মমতার সভা দিল্লিতে দেখানোর ব্যবস্থা করেছিল তৃণমূল ।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত সেই ভার্চুয়াল সভায় যোগ দিয়েছিলেন জয়া বচ্চন, চিদাম্বরম , শারদ পাওয়ার সহ বিরোধী দলের একাধিক ব্যক্তিত্ব। যারা এসেছিলেন মমতার ভাষণ শুনতে তাদের বাইরেও, বিভিন্ন আঞ্চলিক দল এবং জাতীয় স্তরে কংগ্রেসকে একমঞ্চে আনা যায় কিনা সেই চেষ্টা চলছে। তৃণমূল সূত্রের দাবি, এখনো চূড়ান্ত হয়নি কারা বৈঠকে থাকবেন, কারা থাকবেন না। নির্দেশ এসেছে ২৮ তারিখ বৈঠকের জন্য, সেই অনুযায়ী ময়দানে ঝাপিয়েছেন তৃনমূল সাংসদরা।

সেই লক্ষেই অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন তারা। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিজেপি বিরোধী দলগুলোকে এক মঞ্চে নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ব্রিগেডে সভাও হয়েছিল । সেই সভায় কংগ্রেসের প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ছিলেন একাধিক প্রথম সারির বিজেপি বিরোধী আঞ্চলিক দলের নেতা। লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শক্তি কার্যত মুখ থুবরে পড়ে।

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরেন নরেন্দ্র মোদী ( Narendra Modi )। বিজেপি সেই ১৯ এর উদাহরণ টেনে এবারের উদ্যোগকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। তাদের কথায় ভোট এলেই জোটের নাটক শুরু হয়। উনিশেও সবাই হাতে হাত ধরে এক সঙ্গে ভোটে ভেসে গিয়েছিলেন খড়কুটোর মতো। এবারও তারই পুনরাবৃত্তি হবে, দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

]]>
মোদি বিরোধী আমলার মুখই মমতার হাতিয়ার, রাজ্যসভায় জহর https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-tmc-nominate-prasar-bharati-ex-ceo-jawhar-sircar-rajya-sabha-mp/ Sat, 24 Jul 2021 09:14:22 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4413 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হতে চলেছেন জহর সরকার ( Jawhar Sircar )। দেশের প্রসার ভারতের ( Prasar Bharati ) প্রাক্তন চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার তিনি। আদ্যোপান্ত কংগ্রেসী ঘরানার এই প্রাক্তন সরকারি আমলাকে তৃণমূল কংগ্রেসের ( TMC ) রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে মনোনীত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। এদিন জহর সরকারকে ফোন করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিজের ইচ্ছার কথা জানান।

জহরবাবুর অনুমতি নেওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে বিবৃতি দিয়ে জহর সরকারের ( Jawhar Sircar ) নাম ঘোষণা করা হয়। এই প্রসঙ্গে টেলিফোন সাক্ষাৎকারে জহর সরকার জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। রাজ্যসভা ( Rajya Sabha ) নির্বাচনে আমাকে প্রার্থী করতে চান। তাঁর জন্য তিনি আমার কাছ থেকে মত চাইলেন। বাংলার জন্য আমি কাজ করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। কে এই জহর সরকার? প্রাক্তন আইএএস তিনি।

একসময় বর্ধমান এবং অবিভক্ত ২৪ পরগনার জেলা শাসক ছিলেন। পরবর্তীকালে বামফ্রন্ট আমলে রাজ্যের একাধিক সরকারি পদ এবং কেন্দ্রীয় সহকারী পদ সামলেছেন তিনি। সর্বশেষ প্রসার ভারতী বেশ কয়েক বছর দায়িত্ব সামলেছেন জহর সরকার। কংগ্রেস আমলে তিনি প্রসার ভারতীর দায়িত্বে ছিলেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ( Narendra Modi ) সরকারি সব স্তরে নতুন নিয়োগ করেন। তখন জহরবাবুকে প্রসার ভারতী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

বিজেপির সঙ্গে তিক্ততার সম্পর্ক তৈরী হয়ে গিয়েছিল তাঁর। পরবর্তীকালে একের পর এক বিজেপি তথা মোদি বিরোধী মন্তব্য প্রকাশ করেছেন জহর। তার পুরস্কার হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে রাজ্যসভায় পাঠাচ্ছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর তিক্ততার সম্পর্ক সর্বজনবিদিত। রাজ্যসভায় কড়াভাবে কেন্দ্রের সমালোচনা করতে পারবেন তিনি। সেই জায়গা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম পছন্দ জহর সরকার। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের অপর একটি রাজ্যসভার সাংসদ পদ ফাঁকা রয়েছে।

সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাকে পাঠান এখন সেটাই দেখার। বিভিন্ন সূত্র মারফত অনেকেই অনুমান করেছিলেন, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি যশবন্ত সিনহা, মুকুল রায় এবং প্রশান্ত কিশোরের মধ্যে কাউকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যসভায় পাঠাবেন। কিন্তু সমস্ত অনুমান এবং জল্পনাতে জল ঢেলে জহর সরকারকে পছন্দ করেছেন তিনি। যা মমতার মাস্টার স্ট্রোক বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

]]>
রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড তৃণমূলের শান্তনু সেন https://runnerbangla.com/trinamool-shantanu-sen-suspended-rajya-sabha/ Fri, 23 Jul 2021 06:29:24 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4376 রানার ডেস্ক : অসংসদীয় কাজের জন্য সংসদের রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড হলেন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন ( Santunu Sen )। গতকাল তার আচরণের জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্যসভার ( Rajya Sabha ) অধ্যক্ষ ভেঙ্কাইয়া নাইডুর কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিল বিজেপি ( BJP )। অভিযোগ খতিয়ে দেখে শেষ পর্যন্ত শান্তনু সেনকে বাদল অধিবেশনের ( Monsoon Session ) বাকি দিনগুলোর জন্য সাসপেন্ড করা হয়।

গতকাল তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী যখন পেগাসাস ( Pegasus ) বিতর্কে সরকারি বক্তব্য পাঠ করছিলেন, সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC ) ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে। রাজ্যসভায় হইচই চলাকালীন ড.শান্তনু সেন ছুটে গিয়ে মন্ত্রীর হাত থেকে কাগজগুলো ছিনিয়ে নেন, তারপর তিনি সেগুলো ছিঁড়ে বাতাসে ভাসিয়ে দেন। তৃণমূলের অভিযোগ, অসত্য বক্তব্য পাঠ করছিলেন মন্ত্রী তাই তাদের এই আচরণ।

এনিয়ে বিজেপি ব্যাপকভাবে সরব হয় এবং তারা জানায়, অধ্যক্ষের কাছে বিষয়টি নিয়ে তারা অভিযোগ জানাবে। কারন এটা কখনোই সংসদীয় আচরণের মধ্যে পড়ে না। বিজেপি যখন এনিয়ে হৈচৈ শুরু করেছে, তখনই সাংবাদিকদের সামনে আসে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। তারা জানায় শান্তনু সেন কে হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং কি তাকে শারীরিকভাবে হেনস্থার চেষ্টা করা হয়েছে।

তাদের অভিযোগ এই রকম, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর হাত থেকে কাগজ ছিনিয়ে নিয়ে শান্তনু সেন ছিঁড়ে ফেলার পর বিজেপির হরদীপ সিং পুরি এসে শান্তনু সেনকে হুমকি দিতে শুরু করেন, এবং শারীরিকভাবে নিগ্রহ করার চেষ্টা করেন। এই অভিযোগে ফেটে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও বিজেপির বক্তব্য, এটা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা। হরদীপ সিং না তাকে কোনও হুমকি দিয়েছেন, না তাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছেন।

সকলে চোখের সামনে দেখেছে, শান্তনু সেন কি করেছেন। যে আচরণ রীতিমতো লজ্জাজনক। এ ধরনের আচরণ সাংসদের কাছ থেকে আশা করা যায় না। এ জিনিস চলতে থাকলে সংসদ অধিবেশন চালানোই মুশকিল হয়ে যাবে। তারা তখন সিদ্ধান্ত নেয়, বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হবে। ঘটনার সময় ভেঙ্কাইয়া নাইডু ( Venkaiah Naidu ) সভায় ছিলেন না।

বিষয়টি গতকালই তার দৃষ্টিতে নিয়ে আসা হয়। আজ তিনি তার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন। এরপর তুমুল হৈচৈ শুরু হয় রাজ্যসভায়। তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তারপরই অধিবেশন সাময়িক মুলতবি রাখার সিদ্ধান্ত নেন অধ্যক্ষ।

]]>
EXCLUSIVE : পুর পরিষেবা দেবে কে? দশ বছর নিয়োগ বন্ধ, শূন্য পদ ২৮ হাজার https://runnerbangla.com/kolkata-municipal-corporation-recruitment-stop-26-thousand-vacancy/ Thu, 22 Jul 2021 08:31:02 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4310 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : তৃণমূলের দশ বছরে কলকাতা পুরসভার ( Kolkata Municipal Corporation ) তৈরি হয়েছে প্রায় ২৮ হাজার শূন্য পদ। সেই স্থায়ী পদে কর্মী নিয়োগ হয়নি। কলকাতা পুরসভার স্থায়ী কর্মী সংখ্যা কমেছে ১৩ হাজার। গত দশ বছরে মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস কমিশন ( Municipal Service Commission মারফত স্থায়ী কর্মী নিয়োগ হয়েছে মাত্র ৭০০-৮০০ জন, তেমনটাই কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর। দিনে দিনে বেড়েছে কাজের পরিধি, কমছে কর্মী সংখ্যা। এর জেরে পৌর পরিষেবা পেতে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন নাগরিকরা।

কলকাতা কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবর্ষে কর্পোরেশনের স্থায়ী পদের সংখ্যা ৪৬১৯১। কিন্তু স্থায়ী কর্মী আছেন মাত্র ১৯০৯৭ জন। তৃণমূল কলকাতা কর্পোরেশনের বোর্ডে আসার পরে ২০১১-২০১২ আর্থিক বর্ষে কর্মী সংখ্যা ছিল ৩২০৯৬ জন। ২০১৫-২০১৬ সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ২৭০২২ জনে। ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে আরো কমে দাঁড়িয়েছে ১৯০৯৭ জনে। অর্থাৎ তৃণমূল বোর্ডের ১০ বছরে ১২৯৭২ জন স্থায়ী কর্মী পদ শূণ্য হয়েছে।

সব মিলিয়ে শূণ্য পদ দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯৪ জনে। তবে এই বিপুল স্থায়ী শূণ্যপদে নিয়মিত নিয়োগের কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্পোরেশন। উলটে তাঁদের প্রবণতা বেড়েছে চুক্তিভিত্তিক কর্মী দিয়ে কাজ করানোর। কলকাতা কর্পোরেশনে এক সময় ১০০টি ওয়ার্ড ছিল। পরে বেড়ে ১৪১টি হয়। তারপর আরো তিনটি যুক্ত হয়ে এখন ১৪৪টি ওয়ার্ড। পরিসর বাড়েছ কাজের। শুধু কলকাতা নয় আশপাশের বিভিন্ন পৌর এলাকায় পৌর পরিষেবা দেয় কলকাতা কর্পোরেশন।

কর্মীদের উপর দিনে দিনে বিপুল পরিমান চাপ বেড়েছে। ফলে তাঁরা সব কাজ সম্পূর্ণ ভাবে করে উঠতে পারছেন না অধিকাংশ সময়। কলকাতা কর্পোরেশনের বামফ্রন্ট কাউন্সিলরদের প্রাক্তণ দলনেত্রী রত্না রায় মজুমদার বলেন, তৃণমূল বেকারদের চাকরি দেবে না এটাই তাঁদের নীতি। স্থায়ী পদের কাজ অস্থায়ী কর্মীকে নামমাত্র টাকায় করায়। সামান্য টাকা পাওয়ার জেরে দায়িত্ব নিয়ে অধিকাংশ সময় সেই কর্মীরা কাজ করেন না। করলেও গুনমান ভালো হয় না।

মানুষকে পৌর পরিষেবা পেতে হলে বছর কেটে যায়। একে ওকে দরবার করে দরজায় দরজায় ঘুরেও হয় না। তার প্রমাণ টক-টু-কেএমসি-তে এখনও মানুষের অভিযোগের ঢালি উপচে পড়ছে। এক একজনের উপর একাধিক ওয়ার্ড বা বরোর দায়িত্ব থাকায় সেই বিস্তীর্ণ এলাকায় কাজে নজরদারি করা সম্ভব হয়ে উঠছে না সেই কর্মী বা আধিকারিকের পক্ষে। আর এর জেরেই ঘটে খাল না থাকার পরেও পাম্পিং স্টেশনে পাম্প চালানোর মতো নানা ঘটনা ঘটে চলেছে।

ওই সংশ্লিষ্ট জায়গায় যে খাল বুজে গেছে সেই খরব পর্যন্ত নিকাশি বিভাগের কাছে পৌঁছায়নি। বহু মানুষ প্রতিদিন ওয়ার্ড অফিস বা বরো অফিসে পরিষেবা পাওয়ার জন্য বা সমস্যা নিয়ে এলেও তার রাতারাতি সুরাহা দূরে থাক, দীর্ঘ বছর কেটে গেলেও সেই সমস্যা মিটছে না। স্থায়ী কর্মীর জায়গায় অস্থায়ী কর্মীদের দিয়ে যে কাজ করানো হয়ে সিংহভাগ ক্ষেত্রে তাঁদের কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকে না। জার জেরে ভুগতে হয় সেই নাগরিকদের।

]]>
এবার দেশজুড়ে খেলা হবে, ২১ জুলাইয়ের বার্তা মমতার https://runnerbangla.com/mamata-banerjee-massage-21-july-khela-hobe/ Wed, 21 Jul 2021 11:48:54 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4268 #কলকাতা : এবার দেশজুড়ে খেলা হবে ( Khela Hobe )। একুশে জুলাইয়ের ভার্চুয়াল মঞ্চ থেকে তেমনটাই বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, একটা খেলা পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে। বিজেপি বাংলার মাঠের বাইরে চলে গিয়েছে। এবার বিজেপিকে না সরানো পর্যন্ত দেশজুড়ে প্রত্যেকটা রাজ্যে খেলা হবে। তার জন্য দেশজুড়ে সমস্ত বিরোধীদলকে ফ্রন্ট বানানোর আর্জি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতার বার্তা, আপনারা সবাই এক হোন। ওদের বিরুদ্ধে একত্রে লড়াই করতে হবে। আগামী ২৬ জুলাই থেকে ২৯-৩০ জুলাই তিনি দিল্লীতে থাকবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banerjee )। তখন বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করতে চান। সেটাও নিজের বার্তায় শুনিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এবারের একুশে জুলাই এর প্রেক্ষাপট আলাদা। দিল্লি, ত্রিপুরা, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট সহ দেশের ৩০টি রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবারের বক্তৃতার ভার্চুয়ালি দেখানোর ব্যবস্থা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শুনতে উপস্থিত হয়েছেন কংগ্রেস নেতা দ্বিগবিজয় সিং, পি চিদাম্বরম সহ একাধিক বিরোধী দলের নেতারা। তারা প্রত্যেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনেছেন। তাদের প্রতি তৃণমূল সুপ্রিমো বার্তা, ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঝাপানোর সময় এসেছে। আসুন একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

পাশাপাশি, সুপ্রিমকোর্টের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রকে বাঁচানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যেভাবে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের ফোন ট্যাপ করা হচ্ছে, সেখানে বিচারব্যবস্থা স্বপ্রণোদিতভাবে মামলা দায়েরের করুক। দেশের গণতন্ত্রকে বাঁচানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক মহলের মতে, এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য স্পষ্ট ছিল তার টার্গেট আগামীর লোকসভা। যার জন্য দেশের সমস্ত বিরোধী রাজনৈতিক দলকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যে কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিনের বক্তব্য তিনি তিনটি ভাষায় বলেছেন। বাংলার পাশাপাশি কখনও ইংরেজি, কখনও হিন্দিতে ভাষণ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

]]>
করোনা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মদনের একুশ ( ভিডিও ) https://runnerbangla.com/madan-mitra-21-se-july-breaking-corona-regulations/ Wed, 21 Jul 2021 10:15:17 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4262 Madan Mitra 21st July : করোনা বিধি-নিষেধের কথা মাথায় রেখেই এবছর ভার্চুয়াল একুশে জুলাই ( 21st July ) পালন করছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের অনুষ্ঠান হয় ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে। এ বছর প্রকাশ্য সমাবেশের পরিবর্তে ভার্চুয়াল। এবছরের একুশে জুলাই কে একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে তৃণমূল। দেশের বেশ কিছু রাজ্যে বড় স্ক্রিনের মাধ্যমে মমতার বক্তব্য সম্প্রচারিত হবে।

তৃণমূল শিবিরে বেশ কিছুদিন ধরেই এই সভা নিয়ে হইহই চললেও তাকে কথায় কথায় কটাক্ষ করে চলেছে বিরোধী শিবির বিজেপি। তাদের মন্তব্য, গুজরাট, তামিলনাড়ু ,অন্ধপ্রদেশ কিংবা মধ্যপ্রদেশে তৃণমূল কংগ্রেসের ক’জন কর্মী সমর্থক আছে, সেটা তৃণমূলের অতি বড় সমর্থকও জানেন না। হাতে গুনে একজন-দুজনকে খুঁজে পাওয়াও মুশকিল। অথচ সেখানে ঠিকাদারকে লাগিয়ে বড় স্ক্রিনের ব্যবস্থা করে ভাষণ দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে।

এটা একটা নিছক নাটক বাজি ছাড়া আর কিছুই নয় বলে বিরোধীরা যে মন্তব্য করুক, ধুমধামের সঙ্গেই এবার দেশজুড়ে একুশে জুলাই করা হচ্ছে। একদিকে ভার্চুয়াল অন্যদিকে মমতারই দলের আরেক নেতা মদন মিত্র ( Madan Mitra ), তিনি ঘটা করে কামারহাটি তে একুশে জুলাই পালন করলেন সাতসকালে মিছিল করে। করোনা বিধিকে কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, ভিড় জমিয়ে সকাল থেকে কামারহাটি দাপালেন মমতা।

অতিনাটকীয় চমক দেখানোর জন্য টোটোতে মিছিল করলেন কামরাটিতে। তাহলে এই ভার্চুয়াল এর মানেটা কি রইল, প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। তাদের কথায়, একুশে জুলাই ভার্চুয়াল করা হলো করণা বিধি-নিষেধকে মাথায় রেখে, তাহলে কামারহাটিতে টোটো চালিয়ে মদন মিছিল কবলেন কেন? আসলে মদন মিত্র ২০১১ সালে নির্বাচনে জিতে মন্ত্রী হয়েছিলেন। দলের প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে দল না পাল্টে থেকে গিয়েছেন তৃণমূলে।

সারদা নিয়ে সিবিআইয়ের চাপ সত্ত্বেও জেল খেটেছেন। বলা ভালো হাসপাতাল খেটেছেন। তারপর ২০১৬ নির্বাচনে লড়েছেন, হেরেছেন। এবার নির্বাচনে জিতলেই তিনি মন্ত্রী হবেন এমন আশায় তার মন ছিল টইটুম্বুর। কিন্তু সে গুড়ে বালি। তৃণমূল নেতাকে মন্ত্রিসভার সদস্য করলেন না মমতা। হতাশায় মদন মিত্র এখন মন্ত্রিসভায় ফিরতে মরিয়া।

এজন্যে নানাভাবে তিনি খবরের শিরোনামে থাকতে চান।প্রতিদিন অভিনব উপায় বার করছেন ভেসে থাকতে। ছবি হচ্ছে, হচ্ছেন মদন মিত্র। ভেসে আছেন রাজনীতিতে। ভেসে থাকাটাই এখন মদনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, করোনার বিধি-নিষেধ নেহাতই তুচ্ছ ব্যাপার তার সামনে।

]]>
পেট্রোপন্য নিয়ে আন্দোলনে তৃণমূল, পাল্টা চাপ তৈরির কৌশল নিল রাজ্য বিজেপি https://runnerbangla.com/petroleum-price-hike-tmc-movement-wb-bjp-adopts-counter-plan/ Sat, 17 Jul 2021 09:38:24 +0000 https://runnerbangla.com/?p=4102 রানার ডেস্ক : লাগাতার বেড়ে চলেছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম। পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের, যাকে হাতিয়ার করে বিজেপি ( BJP ) বিরোধী আন্দোলন ক্রমশ শক্তিশালী করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস ( TMC )। গোটা রাজ্যে পেট্রোপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে শাসক দল। বিজেপিকে কোণঠাসা করতে এই মুহূর্তে তৃণমূলের হাতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার পেট্রোপণ্য ( Petroleum Products )। এই ইস্যুতে আক্ষরিক অর্থেই কোণঠাসা গেরুয়া শিবির।

বিজেপি যতই পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির স্বপক্ষে যুক্তি দেন না কেন, নিজেরাই স্বীকার করছেন এই ইস্যুতে দল অস্বস্তিতে। বিধানসভা নির্বাচনেও পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধি বিজেপির বিরুদ্ধে গেছে বলেও মনে করেন দলের একাংশ। শেষ পর্যন্ত এই ইস্যুতে তৃণমূলকে ব্যাকফুটে ঠেলতে পাল্টা কৌশল নিল রাজ্য বিজেপি। ঠিক হয়েছে ৩০ শে জুলাই পর্যন্ত করোনা সংক্রান্ত যে বিধিনিষেধ রয়েছে, সেটা কেটে গেলেই এবার পাল্টা রাস্তায় নামবে তারা।

গেরুয়া হাতিয়ার বিদ্যুতের মাসল বৃদ্ধি। সিইএসসি’র বিদ্যুৎ মাশুল গোটা দেশের মধ্যে সবচেয়ে চড়া, এই অভিযোগ তুলে এবার ব্যাপক আকারে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য বিজেপি। কলকাতা ও পার্শবর্তী যে সব এলাকায় সিইএসসি ( CESC ) বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, সেই সমস্ত জায়গাতেই লাগাতার আন্দোলন সংগঠিত করবে তারা। সিইএসসির বিদ্যুৎ মাশুল নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা রয়েছে।

সিইএসসি একটি বেসরকারি সংস্থা হলেও তারা বিদ্যুৎ মাশুল বৃদ্ধির প্রস্তাব পাস করিয়ে নেয় রাজ্য সরকারের কাছ থেকেই। সুতরাং রাজ্য সরকারের ভূমিকাকে কাঠ গড়ায় তুলে সরকারকে চাপে ফেলতে চাইছে। মূল লক্ষ্য পেট্রো পণ্যের আন্দোলনের পাল্টা বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধির আন্দোলন শুরু করা। দলীয় সূত্রে খবর, অগাস্টের শুরু থেকেই বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাবে বিজেপি।

]]>