Technology – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Wed, 23 Jun 2021 17:42:08 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Technology – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 যন্ত্র নার্সের সহায়তা নিতে পরামর্শ দিচ্ছে জাপান সরকার https://runnerbangla.com/japan-government-advising-using-robots-nurse-instead-human/ Thu, 24 Jun 2021 04:00:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=2859 দিবাকর দত্ত : জাপানে ( Japan ) বৃদ্ধদের মানুষের পরিবর্তে রোবটের সেবা নেওয়ায় অভ্যস্ত হওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছে সরকার। দক্ষ প্রযুক্তিবিদরা তাই শারীরিক দিক দিয়ে দুর্বল বয়োবৃদ্ধদের শয্যাত্যাগ, হুইল চেয়ারে বসানোয় সহায়ক রোবট প্রযুক্তি ( Robot Technology ) উদ্ভাবনে মন দিয়েছেন। জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের আওতাধীন রোবট উদ্ভাবন গবেষণা কেন্দ্র এ-বিষয়ে এগিয়েও এসেছে।

এ-জাতীয় রোবট প্রযুক্তির ( Robot Technology ) উৎকর্ষ সাধিত হলে রোবটগুলো বৃদ্ধ অথর্বদের কোলে তুলে নিয়ে বাথটাবে বসিয়ে দিতেও সক্ষম হবে। ২০২৫ সাল নাগাদ জাপানে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার সেবকের ঘাটতি দেখা দেবে। তাই জাপান সরকার ( Japan Government ) এই ঘাটতি রোবট দিয়ে মেটাতে বদ্ধপরিকর। বৃদ্ধরা মানুষের পরিবর্তে রোবটের কাছ থেকে সেবা নেওয়ার বিষয়টিকে যেন স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেন, সে প্রচারও চলছে। সেই সঙ্গে সরকার রোবটের সম্ভাব্য কাজের প্পরিধিও বাড়াতে চায়।

কারও টয়লেটে যাওয়ার প্রয়োজন কখন হতে পারে সেটা যেন রোবট আগেভাগে বুঝতে পারে। এই বিষয়টিও রোবটের কার্যক্রমে রাখা হয়েছে। প্রবীণদের সহায়তা করা ছাড়াও এসব রোবটকে কীভাবে আরও ব্যাপক পরিসরে কাজে লাগানো যায়, সেই চিন্তাভাবনাও জাপান সরকারের আছে। এ-প্রসঙ্গে জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির রোবট প্রযুক্তি গবেষণার পরিচালক ডক্টর হিরোহিশা হিরুকাওয়া বলেন, এসব রোবট তৈরি হয়ে গেলে নার্সদের কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে।

এছাড়া যারা বৃদ্ধাশ্রমে না গিয়ে নিজেদের বাড়িতে থাকতে চান, তাঁদেরও বাড়িতে থাকা আরামদায়ক ও ঝঞ্ঝাটমুক্ত হবে। হিরুকাওয়ার মতে, রোবট প্রযুক্তি সব ধরনের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না ঠিকই, তবে এটি বৃদ্ধদের অনেক শারীরিক সমস্যার সমাধানেই সহায়ক হবে। হিরুকাওয়ার গবেষণা কেন্দ্র নার্সিং সেবা প্রদানে সক্ষম এমন ৯৮টি প্রতিষ্ঠানকে কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি সহায়তা প্রকল্পের অধীনে পরিচালিত হবে।

গত পাঁচ বছর ধরে এই প্রকল্পের সমন্বয়ক হিসেবে হিরুকাওয়ার প্রতিষ্ঠান অনলস কাজ করে চলেছে। তবে এসব সংস্থা থেকে যেসব রোবট বেরিয়ে আসে তার সবই যে বৃদ্ধদের কাজে লাগে তা নয়। এর মধ্যে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হয় ১৫টি প্রতিষ্ঠানের এমন রোবটও বাজারে স্থান করে নিয়েছে। হিরুকাওয়ার মত অনুসারে, রোবট প্রযুক্তি সব ধরনের সমস্যার সমাধান করতে পারবে না সেটা ঠিক। তবে বৃদ্ধদের অনেক একান্ত ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানে সহায়ক হবে।

তাঁদের উদ্ভাবনী সেবাদানকারী রোবটের মাত্র ৮ শতাংশ নার্সিং হোমগুলোতে কাজে লাগানো হয়েছে। রোবটের সংখ্যা এত কম কেন? এ-সম্পর্কে হিরুকাওয়া ব্লেন, মূলত দুটি কারণে রোবটের ব্যাপক ব্যবহার শুরু করা সম্ভব হয়নি। প্রথমত, এটি তুলনামূলকভাবে ব্যয়সাপেক্ষ এবং দ্বিতীয়ত, প্রবীণ সেবাগ্রহণকারীদের মধ্যে অবিশ্বাসী মানসিকতা। অনেক বৃদ্ধই যান্ত্রিক সেবা গ্রহণের বিষয়টিকে পছন্দ করেন না, বরং মানুষের সেবা গ্রহণেই বেশি আগ্রহী।

]]>
দিঘা-পুরী অনেক হলো, এবার যাওয়া যাক মঙ্গলগ্রহ সফরে https://runnerbangla.com/american-nasa-scientist-prepare-made-quick-fast-rocket-reach-mars/ https://runnerbangla.com/american-nasa-scientist-prepare-made-quick-fast-rocket-reach-mars/#respond Fri, 04 Dec 2020 14:25:00 +0000 https://runnerbangla.com/?p=277 রানার প্রতিবেদন : মাৰ্কিন রকেটবিজ্ঞানীরা বলছেন, এরই মধ্যে তাঁরা এমন প্ৰযুক্তি উদ্ভাবন করে ফেলেছেন, যা বাস্তবায়িত হলে মাত্ৰ ৩৯ দিনের মধ্যে মঙ্গলগ্ৰহে পৌঁছানো যাবে। বৰ্তমান প্ৰযুক্তিতে মঙ্গলগ্ৰহে পৌঁছাতে সময় লাগবে প্ৰায় ২৩৪ দিন। সে হিসেবে নতুন রকেট প্ৰযুক্তি দূরত্ব কমিয়ে আনবে ৬ ভাগের ১ ভাগ। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) পদাৰ্থবিজ্ঞানী এবং সাবেক নভোচারী ফ্ৰ্যাঙ্কলিন চ্যাং ডায়াজ বলেছেন, কয়েকদশক ধরে তিনি নতুন রকেটটির উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং শিগগিরই পরীক্ষামূলকভাবে এটি উৎক্ষেপণ করে দেখা হবে।

তিনি আশা করছেন, পরীক্ষা সফল হলে তার হাইটেক ভিএএস-আইএসআর রকেট লালগ্ৰহ মঙ্গলে মানুষ পৌঁছে দেয়ার কাজটি নাটকীয় দ্ৰুততার সাথে করতে পারবে। সম্প্ৰতি মাৰ্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের অৰ্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে বেসরকারি প্ৰতিষ্ঠানগুলোকে তাদের গবেষণা কাজে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছে। বাজেট বরাদ্দ কম থাকায় ইতোমধ্যে বেশকিছু প্ৰজেক্ট তাদের গুটিয়ে নিতে হয়েছে।

নাসা আগামী দশকের শেষ নাগাদ চাঁদে মানুষ পাঠানোর যে পরিকল্পনা গ্ৰহণ করেছে অৰ্থনৈতিক সঙ্কটের কাছে তাও ঝুলে গেছে। ভেরিয়েবল স্পেসিফিক ইমপালস ম্যাগনেটোপ্লাজমা রকেট তথা ভিএসএসআইএমআর সেক্ষেত্ৰে বিজ্ঞানীদের মাঝে আশার আলো সঞ্চার করেছে। এটি তৈরিতে বেসরকারি প্ৰতিষ্ঠান সম্পূৰ্ণ ব্যয়ভার বহন করেছে, তবে নাসাকে এ ব্যাপারে অৰ্থ ব্যয় করতে হয়নি।

তাছাড়া ওই রকেট দ্ৰুততার সাথে গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পারবে বলে প্ৰকল্প বা মিশন ব্যয় কমে যাবে। ফলে অৰ্থনৈতিক চাপ মহাকাশ গবেষণাকে প্ৰলম্বিত করতে পারবে না। অৰ্থনৈতিক সঙ্কটের কারণে নাসা চায় নতুন নতুন প্ৰযুক্তি নিয়ে বেসরকারি প্ৰতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসুক, যাতে করে নতুন প্ৰযুক্তির মহাকাশযান আবিষ্কার হয়। নাসার আবেদনে সাড়া দিয়ে চ্যাং ডায়াজের টেক্সাসভিত্তিক এডি রকেট কোম্পানি নতুন প্ৰযুক্তি নিয়ে কাজ করতে শুরু করে।

এর আগে অগ্ৰসর প্ৰযুক্তি নিয়ে তারা খুব একটা মাথা ঘামাননি। অ্যাপেলো মিশন থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছে নাসা। যদিও ৪০ বছর আগে অ্যাপেলো মিশনেই চাঁদে গিয়েছিল মানুষ। এখন পুরো ভাবনাটাই হচ্ছে বিজ্ঞানীদের আধুনিক নিয়ে। ‘নন-কেমিক্যাল’ রকেটের সাহায্যে দ্ৰুতগতির ভ্ৰমণ সম্ভব বলে চ্যাং ডায়াজ মনে করেন। তিনি বলেন, বিদু্যৎ ব্যবহার করে হাইড্ৰোজেন, মিলিয়াম, কিংবা ডিউটেরিয়ামের মতো জ্বালানিকে প্লাজমা গ্যাসে পরিণত করা যাবে এবং ওই গ্যাস তিনি তার উদ্ভাবিত রকেটে ব্যবহার করবেন।

ওই গ্যাস উত্তপ্ত হবে ২ কোটি ডিগ্ৰি ফারেনহাইট বা ১ কোটি ১১ লাখ ডিগ্ৰি সেলসিয়াস। ম্যাগনেটিক ফিল্ড ব্যবহার করে ওই প্লাজমা গ্যাসকে নিয়ন্ত্ৰণ করে রকেটটি পরিচালিত হবে। প্ৰতি সেকেন্ডে এর গতি হবে ৩৫ মাইল বা ৫৫ কিলোমিটার। আর এ গতির কারণেই রকেটটি মাত্ৰ ৩৯ দিনে মঙ্গলগ্ৰহে পৌঁছতে পারবে। কক্ষপথের ওপর ভিত্তি করে পৃথিবী ও মঙ্গলগ্ৰহের মধ্যে দূরত্ব কম-বেশি হয়ে থাকে।

মঙ্গলগ্ৰহ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটে থাকে তখন এ দূরত্ব ৩ কোটি মাইল বা ৫ কোটি কিলোমিটার এবং সবচেয়ে দূরে থাকার সময় এ দূরত্ব ২৫ কোটি মাইল বা ৪০ কোটি কিলোমিটার। রকেটের নকশা থেকে শুরু করে ইতিমধ্যে অনেক কাজই সম্পন্ন হয়েছে।

তবে চ্যাং ডায়াস তাঁর মিশনকে সফল করে তোলার জন্য বেসরকারি প্ৰতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি ফাৰ্মের সাথে কথাবাৰ্তা হয়েছে। সবার সহযোগিতা পেলে তিনি তাঁর হাইটেক ভিএএসআইএমআর রকেট অচিরেই মঙ্গলগ্ৰহে পাঠাতে পারবেন বলে আশা প্ৰকাশ করেছেন।

]]>
https://runnerbangla.com/american-nasa-scientist-prepare-made-quick-fast-rocket-reach-mars/feed/ 0