Sunny Deol – Runner Bangla https://runnerbangla.com Bengali News, Latest Bengali News, Bengali Khabor, Bangla Newspaper, Bengali News Headlines, Bengali Top News, Breaking News, Bengal News Sat, 08 May 2021 11:37:42 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://runnerbangla.com/wp-content/uploads/2021/03/cropped-Runner-Bangla-Favicon-Large-32x32.png Sunny Deol – Runner Bangla https://runnerbangla.com 32 32 হেমাকে পেতেই আজব কান্ড করে বসলেন ধর্মেন্দ্র https://runnerbangla.com/bollywood-hema-malini-dharmendra-love-story-marriage/ https://runnerbangla.com/bollywood-hema-malini-dharmendra-love-story-marriage/#respond Tue, 23 Mar 2021 12:59:57 +0000 https://runnerbangla.com/?p=378 রানার প্রতিবেদন : কে বলবে সত্তর পার হয়ে বলিউডের ড্ৰিম গাৰ্ল হেমা মালিনী এখন ৭২। দেখলে তো মনে হয় পঞ্চাশ পেরিয়েছে হয়তো-বা। যৌবনে ভক্ত ছিল কোটি কোটি, এখনও তাঁর ভক্তসংখ্যা কিমি নয়। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকার সময়ে বলিউডের অনেক নামীদামি তারকাই তাঁকে পেতে চেয়েছেন। কিন্তু সবাইকে হারিয়ে সে দৌড়ে জিতেছেন পঞ্জাব কা পুত্তর ধৰ্মেন্দ্ৰই।

তবে ধৰ্মেন্দ্ৰকে এর জন্য কিমি. ত্যাগ স্বীকার করতে হয়নি। হেমাকে বিয়ে করার জন্য ত্যাগ করেছিলেন নিজের প্ৰথম পক্ষের স্ত্ৰী প্ৰকাশ, দুই ছেলে সানি আর ববি, দুই মেয়ে লালি আর বিজেতাকে। সর্বোপরি ছেড়েছিলেন নিজের ধৰ্ম। প্ৰথম স্ত্ৰী প্ৰকাশ ধৰ্মেন্দ্ৰকে ছাড়তে চাননি, ফলে হেমাকে বিয়ে করা তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না। কিন্তু ড্ৰিমগাৰ্লের মোহান্ধ হয়ে ধৰ্ম পরিবৰ্তন করে নেন ধৰ্মেন্দ্ৰ।

তা নিয়ে পরিবারে তো বটেই, দেশজুড়ে কম জলঘোলা হয়নি। খোদ হেমার বাবারই তো এই বিয়েতে মত ছিল না। তা সত্ত্বেও নিজেদের জোরে চার হাত এক হতে বেশি সময় লাগেনি। হেমা মালিনীর প্ৰেমে পড়ে একসময়ে তাঁকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন সঞ্জীবকুমারও। এমনকী ‘শোলে’-র শুটিংয়ে হেমাকে বিয়ের প্ৰস্তাব দিয়েছিলেন সঞ্জীব। কিন্তু ধৰ্মেন্দ্ৰ ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করবেন না বলে স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছিলেন ‘শোলে’-র বাসন্তী।

সেটে এসব শুনে খুব রাগ করেছিলেন পরিচালক রমেশ সিপ্পি। তিনি সঞ্জীবকে এসব প্রেমপিরিতি না-করার জন্য সতর্ক করেছিলেন। ফলত সাময়িক ভেঙে পড়েছিলেন সঞ্জীবকুমার। নিজের আত্মজীবনীতে হেমা লিখেছেন, বলিউডের প্রয়াত অভিনেতা সঞ্জীবকুমারের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব ছিল তাঁর। সঞ্জীব অবশ্য ড্রিম গার্লকে বন্ধুর থেকে একটু বেশিই ভাবতেন। হেমাকে তাই তিনি বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন।

শোনা যায়, সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর সঞ্জীবকে মদের নেশায় পেয়ে বসে। আর হেমা-জিতেন্দ্ৰর প্ৰেমকাহিনি তো এখনও বলিউডের আকাশ-বাতাসে ফেরে। জিতেন্দ্ৰর সময়ে একসময় রোম্যান্স ছিল ড্ৰিম গাৰ্লের, সম্পৰ্কটা গড়ায় বিয়ে পৰ্যন্ত, কিন্তু তখন ধৰ্মেন্দ্ৰও এসে গেছেন হেমার জীবনে। বিয়ের পিঁড়িতে হেমা বসার আগেই সেখানে মদ্যপ অবস্থায় আসেন ধৰ্মেন্দ্ৰ।

জিতেন্দ্ৰর কাছ থেকে সময় চেয়ে নিয়ে ধৰ্মেন্দ্ৰর সঙ্গে কথা বলে হেমা সাফ জানিয়ে দেন, তিনি জিতেন্দ্ৰকে বিয়ে করবেন না। ওদিকে তখন প্ৰকাশ ধৰ্মেন্দ্ৰর বিয়ের পক্ষে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন, কিছুতেই ডিভোৰ্স দিচ্ছেন না, ফলে বাধ্য হয়েই নিজের ধৰ্ম বদল করে হেমাকে নিজের জীবনসঙ্গী করে নেন ধৰ্মেন্দ্ৰ। সে-সময় ধৰ্মেন্দ্ৰর দুই ছেলে সানি ও ববিও বাবার এই বিয়েকে ভালো চোখে দেখেননি।

পরবতীকালেও সেই সম্পৰ্কের বরফ গলেনি। সেইজন্য দুই সৎ বোন এষা বা অহনার বিয়েতেও হাজির হননি সানি বা ববির কেউই। সানি দেওয়ল মোটেই মেনে নিতে পারেননি ধর্মেন্দ্র্ ও হেমার সম্পর্ক। তিনি স্পষ্টই জানিয়েছিলেন তাঁর পক্ষে এই সম্পর্ক গড়তে দেওয়াও সম্ভবপর নয়। সেখান থেকেই শুরু হয় অশান্তি। সমস্যায় পড়তে হয়েছিল হেমা মালিনীক। বাবা ক্রমেই সরে যাচ্ছে মায়ের কাছ থেকে।

তা বুঝতে পেরেছিলেন সানি। সানি দেওলের থেকে হেমা মালিনী বয়সে মাত্র ছয় বছরের বড়। মায়ের সংসার ভেঙে যাওয়াটা মেনে নিতে পারছিলেন না তিনি। কিন্তু ধর্মেন্দ্র তো তখন মজেছেন হেমার প্রেমে। নাচে পটু হেমা ভারতীয় সব ধরনের নাচে দক্ষ। পশ্চিমি ঘরানার কিছু নাচও জানা আছে। নাচ প্রথম প্রেম হলেও অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন ছোটবেলা থেকে। ক্লাস টেন পর্যন্ত পড়াশোনা করে পড়াশোনা থেকে ছুটি নেন।

১৯৬৪ সালে নায়িকা হওয়ার জন্য যান তামিল পরিচালক সিভি শ্রীধরের কাছে। কিন্তু যথেষ্ট ‘স্টার ম্যাটেরিয়াল’ নয় বলে হেমাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সিভি। পরে তাঁর জায়গায় নিয়েছিলেন জয়ললিতাকে। তামিল ছবি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও হেমা মালিনী প্রথম আলোচনায় আসেন তেলুগু ছবি ‘পান্ডাবা বনবাসামু’র (১৯৬৫) মাধ্যমে।

এরপর বলিউডে ‘শোলে (১৯৭৫)’, ‘সীতা আউর গীতা (১৯৭২)’, ‘মীরা (১৯৭৯)’, ‘কিনারা (১৯৭৭)’, ‘সন্ন্যাসী (১৯৭৫)’, ‘মেহবুবা (১৯৭৬)’, ‘ড্রিম গার্ল (১৯৭৭)’, ‘প্রেম নগর (১৯৭৪)’, ‘খুশবু (১৯৭৫)’র মতো ছবি দিয়েই প্রমাণ করেন তিনি ‘স্টার ম্যাটেরিয়াল’ কি না। অল্প সময়ে হয়ে ওঠেন ‘ড্রিম গার্ম’। ২০০০ সালে চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ভারত সরকারের তাঁকে পদ্মশ্রী খেতাব দেয়।

]]>
https://runnerbangla.com/bollywood-hema-malini-dharmendra-love-story-marriage/feed/ 0